ইরানে নতুন অবরোধ আরোপ নিয়ে অবস্থান বদল যুক্তরাষ্ট্রের!

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৯:৫৬, জানুয়ারি ০১, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:০৪, জানুয়ারি ০১, ২০১৬

তেহরানের পরমাণু কর্মসূচিএখনই ইরানের উপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করছে না যুক্তরাষ্ট্র! বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল,ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে সহায়তাকারী ইরান-সংশ্লিষ্ট দুটি নেটওয়ার্কের ওপর অবরোধ আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রেজারি বিভাগ। তবে বার্তা সংস্থা এএফপির কাছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যের বরাতে শনিবার মধ্যপশ্চিম এশিয়া সংক্রান্ত ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের খবরে বলা হয়, আপাতত ট্রেজারি বিভাগের অবরোধ আরোপের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিতে আরও সময় নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
এরআগে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবরে বুধবার বলা হয়, হংকং এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেশ কয়েকজন ব্যক্তি ও কয়েকটি কারখানার ওপর অবরোধ আরোপ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকার অভিযোগে এ অবরোধ আরোপ করা হতে পারে, যদিও ইরানের দাবি এই কর্মসূচি কেবল নিজেদের প্রতিরক্ষার উদ্দেশ্যেই । ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে সহায়তাকারী ইরান সংশ্লিষ্ট দুটি নেটওয়ার্কের ওপর অবরোধ আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রেজারি বিভাগ। ওই অবরোধ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্ক ও কারখানায় নিয়োজিত লোকজনের সঙ্গে কোনও ধরনের ব্যবসায় জড়িত হওয়া থেকে মার্কিন ও বিদেশি নাগরিকদের বিরত থাকতে বলা হতে পারে। যদিও সম্ভাব্য মার্কিন অবরোধের ব্যাপারে ট্রেজারি কর্তৃপক্ষ কিংবা ইরান সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে তখনও কিছু জানানো হয়নি।
তবে শুক্রবার মিডল ইস্ট আইয়ের খবরে বলা হয়েছে অবরোধ আরোপের সিদ্ধান্ত নিলে পরমাণু চুক্তি ক্ষুণ্ন হতে পারে। এতে ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এই প্রেক্ষাপটে  বার্তা সংস্থা এএফপির কাছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, অবরোধ আরোপের আগে বিকল্প পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। এজন্য কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোরও আভাস দিয়েছেন তিনি।

গত জুলাইয়ে ছয় শক্তিধর দেশের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তির পর দুটি ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় ইরান। তবে তেহরানের দাবি, প্রতিরক্ষাজনিত উদ্দেশ্যেই তারা ওই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছিল। ওই ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে কার্বন ফাইবার দিয়ে সহায়তার অভিযোগে আমিরাতভিত্তিক মাবরুকা ট্রেডিং এবং অর্থ সহায়তার অভিযোগে হংকং ভিত্তিক পুর্নাগশাহব্যান্ড ও সেখানকার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র: মিডল ইস্ট আই

/এমপি/বিএ/

লাইভ

টপ
X