X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

যেভাবে হয় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও সমাধান

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৭, ১৮:০০

প্রতিযোগিতামূলক যেকোনও পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে নিয়মিত। আর ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বা কর্মজীবন শুরু করছেন অনেকেই। প্রশ্ন ফাঁসের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়ে কয়েকটি ধাপে। এই প্রক্রিয়ায় প্রশিক্ষিত ছাত্র, ক্ষমতাসীন নেতা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, কোচিং সেন্টারের সংশ্লিষ্টরা যুক্ত থাকেন। বাংলা ট্রিবিউনের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে প্রশ্ন ফাঁসের পুরো প্রক্রিয়াটি।

ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র জালিয়াতির জন্য পরীক্ষার্থী সংগ্রহ
কোনও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা শুরুর অন্তত ছয় মাস আগেই শুরু হয় সম্ভাব্য পরীক্ষার্থী (যারা জালিয়াতির মাধ্যমে পাস করতে চান) নির্ধারণ প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া দুইভাবে হয়ে থাকে। প্রথমত পরীক্ষার্থী নিজেই খুঁজে বের করেন কারা জালিয়াতি করে থাকেন। দ্বিতীয়ত জালিয়াত চক্র খুঁজে বের করে কে কে জালিয়াতির মাধ্যমে পাস করতে চায়।

জালিয়াত চক্রের সদস্য সুমন তালুকদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অনেক সময় পরীক্ষার্থীরা আমাদের খুঁজে বের করেন। সাধারণত পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে বা ইতোমধ্যে যারা আমাদের সহায়তা নিয়েছেন তাদের মাধ্যমে। একইভাবে আমরাও পরিচিত ও বিশ্বস্তজনদের দ্বারা এ প্রস্তাবগুলো পরীক্ষার্থীদের কাছে পাঠাই। যাতে তারা সহজেই আমাদের (জালিয়াত চক্র) ওপর আস্থা রাখতে পারে। এছাড়া ইতোমধ্যে যারা আমাদের সহায়তা নিয়ে পাস করেছেন তাদের ওপরও নির্দেশনা থাকে পরবর্তী সময়ে পরীক্ষার্থী খুঁজে দেওয়ার।’

এভাবেই পরীক্ষার আগে নির্ধারণ হয় কারা কারা জালিয়াতির মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। লোকভেদে নির্ধারণ করা হয় কার কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হবে। তবে পরীক্ষা বা চাকরির ধরন অনুযায়ী কত টাকায় কাজ সম্পন্ন করা হবে তা নির্ভর করে বলে জানিয়েছেন একাধিক চক্রের সদস্য।

কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস
সম্ভাব্য প্রার্থী ও দরদাম ঠিক হওয়ার পর জালিয়াতদের সামনে বড় কাজ থাকে প্রশ্ন ফাঁস করা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কাজটা সম্পন্ন করা বেশ কঠিন হলেও তারা বেশ নিয়মিতই সেটা করেন। বিশেষ করে যেসব কেন্দ্রে পরীক্ষা নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়, সেসব প্রতিষ্ঠানকে তারা টার্গেট করেন। পরীক্ষা শুরুর তিন চার মাস আগেই সেসব প্রতিষ্ঠানে জালিয়াত চক্রের প্রতিনিধিদের সক্রিয় করা হয়। টার্গেট করা প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের সঙ্গে পূর্ব থেকে সখ্যতা থাকলে সেটা নতুন করে ঝালাই করে নেন। আর যদি না থাকে তাহলে খুঁজে খুঁজে অন্তত তিন থেকে পাঁচজন কর্মচারীকে বাছাই করা হয়, যারা ইতোমধ্যে জালিয়াতির কাজে কোনও না কোনও চক্রকে সহায়তা করেছেন বা সহায়তা করতে চান। এদের মধ্য থেকে বিশ্বস্ততার বিষয়টি মাথায় রেখে এক অথবা দুই জনের সঙ্গে চুক্তি করা হয়, যারা জালিয়াতিতে সহায়তা করবেন। অর্থাৎ তাদের মাধ্যমে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত পরীক্ষার্থীদের সিটপ্ল্যান পরিবর্তন করে সুবিধামতো স্থানে বসানো হবে।

জালিয়াত চক্রের গ্রেফতার ৬ জন (ফাইল ছবি) প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আমিনুর রহমান জানান, ‘প্রশ্নপত্র যেকোনও একটি কেন্দ্র থেকে ফাঁস করা হলেও সিটপ্ল্যান পরিবর্তন করা হয় অধিকাংশ কেন্দ্রে। এই সুবিধা পান শুধু যারা আমাদের সহায়তার মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। সিটপ্ল্যান পরিবর্তনের কাজ করে প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা, যারা আগের দিন সিটপ্ল্যান বসানোর কাজে জড়িত থাকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিট পরিবর্তন করে বসার সুবিধা হলো- পরীক্ষা হলে যিনি গার্ডের দায়িত্বে থাকবেন তার চোখ যেন সহজেই এড়ানো যায়। গার্ডের দৃষ্টি এড়ানো সম্ভব হলে সিটে বসে উন্নত প্রযুক্তির ডিভাইস ব্যবহার করা অনেকটা সহজ হয়। পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে যেসব প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় সেগুলো সাধারণত কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র আসা ও পরীক্ষা শুরুর আগে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করার মাঝখানের সময়ে করা হয়। কেন্দ্রের ভেতর সিলগালা করা প্রশ্নপত্রে প্যাকেট সাধারণত বহন করেন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা। তারাই সিলগালা প্যাকেট খুলে কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষারত আমাদের সদস্যের হাতে তুলে দেয়।’

ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের সমাধান প্রক্রিয়া
কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র হাতে আসার পর শুরু হয় প্রশ্নপত্র ফটোকপি, কেন্দ্রে আবার ফিরিয়ে দেওয়া, সলভারদের (যারা ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের সমাধান করে দেন) কাছে পৌঁছানো, সমাধান করে পরীক্ষার্থীদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য পরীক্ষা শুরুর আগে বেশ কিছু কাজ আগে থেকেই ঠিক করে রাখতে হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- সলভার খুঁজে বের করা, ফটোকপির জন্য দোকান ঠিক করা, যেখানে বসে প্রশ্নপত্র সমাধান করা হবে তেমন একটি নিরাপদ স্থান ঠিক করা, জালিয়াতদের পুরো প্রক্রিয়া চলাকালে যাতায়াতের সুবিধার্থে মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাস ঠিক করে রাখা ইত্যাদি।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর সেটা দ্রুত সময়ে সমাধান করার জন্য খুঁজে বের করা হয় মেধাবী সলভার। যারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, একই সঙ্গে বিসিএসসহ কঠিন পরীক্ষা পার করে ভাইভা পর্যন্ত দিয়ে এসেছেন; কিন্তু হয়নি এমন লোকেদের। তারা টাকার বিনিময়ে এ কাজটি করে দেন। সেক্ষেত্রে টাকার অংকটা নির্ভর করে মেধার ওপর।

বিগত সময়ে পাঁচটি পরীক্ষায় সলভারের দায়িত্ব পালন করা একজন বলেন, ‘প্রতিটি প্রশ্নপত্র সমাধানের জন্য অন্তত ছয় থেকে আট জনের সলভারের টিম থাকে। পরীক্ষায় আসা প্রতিটি আলাদা আলাদা বিষয়ে তারা বিশেষ পারদর্শী। সফল কাজের পর তারা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১০, ২০ ও ৩০ হাজার টাকা করে পেয়ে থাকেন।’

একটি জালিয়াত চক্রের অন্যতম সদস্য গভর্নমেন্ট টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘কেন্দ্র থেকে প্রশ্ন বাইরে আসার পর প্রথম কাজ থাকে প্রশ্নপত্রের সেটগুলো ফটোকপি করে আবার কেন্দ্রে ফিরিয়ে দেওয়া। এই কাজটি দ্রুত করার জন্য কেন্দ্রের আশপাশের কোনও একটি ফাটোকপির দোকানকে টার্গেট করা হয়। সাধারণত পরীক্ষাগুলো হয় শুক্রবারে। এই দিন ফটোকপির দোকানে কাজ শুরু হয় দুপুরের পরে। মালিককে আধাবেলা যত বিক্রি হয় তার দ্বিগুণ টাকা অফার করা হয়। যাতে মালিক সহজে রাজি হন। শুক্রবার সকাল থেকে দোকান বন্ধ রাখেন। তবে দোকানের ভেতর জালিয়াত চক্রের সদস্য ও দোকান মালিক বা কর্মচারী অবস্থান করেন। কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র জালিয়াতদের বাহকের মাধ্যমে দোকানে আসামাত্র সেগুলো ফটোকপি করা হয়। এমনভাবে ফাটোকপি করা হয়, যাতে কোন পরীক্ষার প্রশ্ন সেটা ধরা পড়লেও সহজে বোঝা না যায়। পরীক্ষার বিষয়সহ অন্যান্য বিষয়গুলো ঢেকে তারপর ফটোকপি করা হয়। তারপর মূল প্রশ্নপত্র পরীক্ষা কেন্দ্রে ফেরত পাঠানো হয়। আর কপি করা প্রশ্নপত্র নিয়ে আসা হয় সলভারদের কাছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সলভাররা নির্ধারিত স্থানে আগেই অবস্থান করেন। সেখানে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পৌঁছে যায় প্রশ্নপত্র। এছাড়া সমাধান করার স্থানটি এমনভাবে নির্বাচন করা হয় যাতে সেখানে থেকে সহজে মুভ করা যায় একইসঙ্গে কেউ সন্দেহও না করে।’

রাষ্ট্রীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থার নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, প্রশ্ন সমাধানের জন্য বেশ কিছু এলাকা তারা বেছে নেন। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবাসিক হলের সিনিয়র নেতাদের কক্ষ, নিজস্ব বাসা, কোচিং সেন্টারে কক্ষ, এমপি হোস্টেল, এমপি হোস্টেলের মাঠ, আবাসিক হলগুলোর গেস্টরুম ইত্যাদি। মূলত কোথায় সমাধান করা হবে তা নির্ধারণ করা হয় কোথা থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস করা হবে তার ওপর। দু’টি স্থান যতটা সম্ভব কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সলভারদের আরও একজন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র সলভারদের কাছে পৌঁছায় পরীক্ষা শুরুর ১৫ মিনিট আগে থেকে শুরু করে পরীক্ষা শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যে। প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পর আমরা (সলভার) যে যে বিষয়ে পারদর্শী তাদের হাতে সেই বিভাগের অংশটুকু তুলে দেওয়া হয়। প্রশ্নপত্র সমাধান করতে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় প্রয়োজন হয়। প্রশ্নপত্র হাতে আসার পর সেখানে আরও একটি টিম কাজ করে যারা পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে কার কোন সেট প্রশ্নপত্র পড়েছে সেটা জেনে নেন। প্রশ্নপত্র সমাধানের পর ১: খ, ২: গ, ৩: ক, ৪: ঘ এমন ক্রমানুসারে উত্তরগুলো সাজিয়ে যার যে সেট পড়েছে তাকে সেই সেটের প্রশ্নের উত্তর পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়া হয় ‘এসএমএস’র মাধ্যমে। সেক্ষেত্রে পরীক্ষার্থী উন্নত প্রযুক্তির ছোট ডিভাইস সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করেন।”

কেন্দ্রে বসে পরীক্ষার্থীরা যেভাবে সমাধান পান
পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে দৃশ্যমান কোনও ডিভাইস নিয়ে প্রবেশে কড়াকড়ি থাকায় বিকল্প পদ্ধতি বেছে নেন জালিয়াতরা। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিবি উত্তর) শেখ নাজমুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মাস্টারকার্ড সদৃশ্য একটি ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষার্থীরা। যা মানিব্যাগ বা শরীরের অন্য কোথাও কৌশলে লুকানো থাকে। একইসঙ্গে এই ডিভাইসের সঙ্গে ব্লু-টুথের মাধ্যমে যুক্ত থাকে খুব ছোট একটি ইয়ারফোন। যা কানের ভেতর এমনভাবে লুকানো থাকে যে, সহজের কারও চোখে পড়ে না। মাস্টারকার্ডে থাকে সিমকার্ড। আর কল রিসিভ হয় অটোমেটিক।’

সলভারদের একজন জানান, এই প্রক্রিয়ায় প্রশ্নপত্র সমাধানের পর সলভার কক্ষ থেকে একাধিকজন ওভার ফোনে সমাধান বলে দেন। সেটাও আগের মতোই সম্পন্ন করা হয়। যেমন বাংলা ১: খ, ২: গ, ৩: ক, ৪: ঘ। আর কেন্দ্রে বসে অনায়াসে সেগুলো শুনে শুনে উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট পূরণ করেন।
এই প্রক্রিয়াটিতে সবচেয়ে সুবিধা ভোগ করেন মেয়েরা, উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, ‘তারা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী পরীক্ষা হলে হিজাব পরে প্রবেশ করেন। ফলে তার কানে কী রয়েছে তা কেন্দ্রে থাকা গার্ডদের সন্দেহ করার অবকাশ থাকে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই পুরো প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য একটা ব্যাকআপ টিম রাখা হয়। একইসঙ্গে জালিয়াত চক্রের মূল হোতারাও পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হওয়া পর আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন সলভার ও জালিয়াত চক্রের সদস্যরা। বের হওয়ার আগে তারা ফাঁস করা প্রশ্নপত্র পুড়িয়ে দেন বা ছিড়ে ফেলেন। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেক পর পরীক্ষার্থী ও জালিয়াতরা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।’

চক্রের সদস্যদের সূত্রে জানা গেছে, সফলভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পর পরীক্ষার এডমিট কার্ড নিয়ে নেয় জালিয়াত চক্র। যাতে চুক্তি অনুযায়ী টাকা আদায় করতে পারে। ফল প্রকাশের পর চুক্তি অনুযায়ী জালিয়াতদের টাকা পরিশোধ করেন পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষার আগেই চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর অগ্রিম কিছু টাকা জালিয়াতদের দিতে হয়, সঙ্গে যেকোনও একটি মার্কশিটের মূল কপি। এটা অ্যাডভান্স মানি ও সিকিউরিটি হিসেবে নেওয়া হয়। যারা সফলভাবে পাস করেন তারা চুক্তি অনুযায়ী বাকি টাকা পরিশোধ করে, তখন জালিয়াতরাও মার্কশিটের মূলকপি ও এডমিট কার্ড ফেরত দেন। আর যারা কৃতকার্য হতে পারেন না তাদের কাছ থেকে অ্যাডভান্স মানি থেকে খরচের টাকা রেখে বাকি টাকা ফেরত দেন জালিয়াতরা।
(সংবাদে জালিয়াত চক্রের সদস্যদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঠিক থাকলেও তাদের ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়েছে।) 

/এনআই/এমও/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
সাপের বিষ থেকে বাঁচতে ট্যাবলেট, কলকাতায় মিলছে সাফল্য
সাপের বিষ থেকে বাঁচতে ট্যাবলেট, কলকাতায় মিলছে সাফল্য
ষষ্ঠ ওয়ালটন প্রেসিডেন্ট কাপ গলফ টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ
ষষ্ঠ ওয়ালটন প্রেসিডেন্ট কাপ গলফ টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ
সুন্দরবনে মাছ ধরা ও পর্যটক প্রবেশে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা
সুন্দরবনে মাছ ধরা ও পর্যটক প্রবেশে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা
পশ্চিমা নীতির কারণেই বৈশ্বিক খাদ্য সংকট: পুতিন
পশ্চিমা নীতির কারণেই বৈশ্বিক খাদ্য সংকট: পুতিন
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
দিনের ব্যস্ত সময়ে একই পথে মানুষ ও ময়লা
দিনের ব্যস্ত সময়ে একই পথে মানুষ ও ময়লা
শহীদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধায় সিক্ত গাফফার চৌধুরী
শহীদ মিনারে ফুলেল শ্রদ্ধায় সিক্ত গাফফার চৌধুরী
নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ
নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ
ঢাকায় পৌঁছেছে গাফফার চৌধুরীর মরদেহ
ঢাকায় পৌঁছেছে গাফফার চৌধুরীর মরদেহ
সাহসী নারীর কণ্ঠস্বর উদযাপনে সড়কে ‘হিম্মতি মাঈ’
সাহসী নারীর কণ্ঠস্বর উদযাপনে সড়কে ‘হিম্মতি মাঈ’