রাজধানীর ঢাকার গোড়ানে ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় ওরফে নিলয় নীল হত্যা মামলায় ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সোহেল মাহমুদ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আলমগীর হোসেনের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। তার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আগামী ২৫ নভেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন।
এ নিয়ে মামলাটিতে ছয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলো।
২০১৫ সালের ৭ আগস্ট রাজধানীর খিলগাঁওয়ের গোড়ানে ১৬৭ নম্বর বাড়ির পঞ্চম তলায় ভাড়া বাসায় খুন হন ব্লগার নিলয়। বাসা ভাড়া নেওয়ার কথা বলে চার যুবক তার বাসায় ঢুকে স্ত্রী আশামণিকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করেন। এরপর নিলয়কে হত্যা করে তারা।
ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিলয়ের স্ত্রী অজ্ঞাতপরিচয় চারজনকে আসামি করে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা করেন।
২০২০ সালের ৪ অক্টোবর তদন্ত শেষে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন রমনা জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক শাহ মো. আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস।
২০২২ সালের ১৮ জানুয়ারি ১৩ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলার বিচার শুরু হয়।
আসামিরা হলেন মেজর সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে মেজর জিয়া, মো. মাসুম রানা, সাদ আল নাহিন, মো. কাওসার হোসেন খাঁন, মো. কামাল হোসেন সরদার, মাওলানা মুফতী আব্দুল গফ্ফার, মো. মর্তুজা ফয়সাল সাব্বির, মো. তরিকুল আলম ওরফে তারেক, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে রিফাত ওরফে ফাহিম ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাহাব, মোজাম্মেল হোসেন সায়মন, মো. আরাফাত হোসেন সিয়াম এবং মো. শেখ আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের।
আসামিদের মধ্যে মেজর জিয়া ও কাওসার হোসেন পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। আবু সিদ্দিক সোহেল, শেখ আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের, আরাফাত হোসেন সিয়াম, মোজাম্মেল হোসেন সায়মন ও খাইরুল কারাগারে রয়েছেন। অন্য পাঁচ আসামি জামিনে আছেন।/এআই/
হত্যা মামলায় গ্রেফতার হাসনাত আব্দুল্লাহর ছেলে মঈনউদ্দিন