X
বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২
২২ আষাঢ় ১৪২৯
পর্ব—তিন

কুসতুনতুনিয়ায় কয়েকদিন

আপডেট : ২৩ জুন ২০২২, ২১:০৬

পূর্ব প্রকাশের পর


তবে ১৪৫৩ সালের এই ঘটনা আমার মোটামুটি জানা ছিল। মহানবী (স.) কুসতুনতুনিয়া বিজয়ের বিষয়ে যে উদ্দীপনার বাণী রেখে গিয়েছিলেন সে বাণীর উদ্দীপনা ও প্রেরণায় আটশো বছর ধরে অনেক মুসলিম বীর বা সেনাপতিই অনেকবার কুসতুনতুনিয়া বা কনস্টান্টিনোপল দখলের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সফল হননি। সেই সকল চেষ্টার দুয়েকটি আমরা এই সফরনামায়ই প্রাসঙ্গিকভাবে পরবর্তীকালে বলব। তবে যিনি সফল হয়েছিলেন তাঁর কথাই এখন বলছি। তিনি ওসমানীয় সাম্রাজ্যের ৮ম সুলতান ছিলেন। তাঁর নাম ছিল মুহাম্মাদ। তবে ইংরেজদের উচ্চারণ বিকৃতির আজন্ম চর্চার অংশ হিসেবে মুহাম্মাদকে তাঁরা বানিয়েছে মেহমেদ। তাই ইংরেজিতে তাঁকে বলা হয় মেহমেদ দি কনকারার। আর তুর্কিরা বলে ফাতিহ মুহাম্মাদ। ফাতিহ মানে বিজয়ী বা কনকারার। তিনি ছিলেন ওসমানী সাম্রাজ্যের ৮ম সুলতান এবং ২য় মুহাম্মাদ, কারণ তাঁর আগে ওসামানী সুলতানদের তালিকায় আরো একজন মুহাম্মাদ ছিলেন যাঁর শাসনকাল ছিল ১৪১৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৪১৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। ওসমানী বা অটোম্যান সাম্রাজ্য বলতে যাতে ইসলামের তৃতীয় খলিফা হজরত ওসমানের খেলাফত বা সাম্রাজ্য না বোঝায় এ জন্য বলে নেওয়া উচিত যে ওসমানী সাম্রাজ্য বলতে তুরস্ক কেন্দ্রিক এক মুসলিম সাম্রাজ্যকে বোঝায় যার শুরু হয়েছিল বলা যায় ১৩০৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে। স্বাধীন সুলতান হিসেবে এ সাম্রাজ্যের শুরুটা ওসমানের হাতে হলেও মূলত এ সাম্রাজ্যের পত্তন হয়েছিল তাঁর পিতা ইরতুগরুলে হাতে।

ইরতুগরুলের নামটি তুরস্কের সম্প্রতি নির্মিত টিভি সিরিয়ালের উচ্চারণ অনুযায়ী আরতোগুল বলে মনে হয়। কিন্তু আমরা এখানে অর্থোগ্রাফিক উচ্চারণ অনুযায়ী ইরতুগরুল (Ertuğrul) লিখছি। ইরতুগরুল ছিলেন মধ্যএশিয়ার ওগুজ গোত্রের মানুষ। ওগুজ বর্তমান তুর্কমেনিস্তান এবং আজারবাইজানের একটি গোত্র। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে পুরো মধ্যএশিয়াজুড়ে চেঙ্গিস খানের পরিচালিত তাণ্ডবের শিকার হয়ে ইরতুগরুল একটি ক্ষুদ্র বাহিনী নিয়ে ভাগ্যের সন্ধানে বর্তমান আঙ্কারার নিকটবর্তী একটি স্থানে উপনীত হন। তিনি সেখানে দেখতে পান যে, তুর্কি সেলজুক সুলতান কায়কোবাদের এক বাহিনীর সাথে খ্রিষ্টান বাহিনীর এক যুদ্ধ চলছে। তিনি তাঁর বাহিনী নিয়ে কায়কোবাদের পক্ষে দাঁড়ান। যুদ্ধে জয়ী হলে কায়কোবাদ খুশি হয়ে ইরতুগরুলকে রোম সাম্রাজ্যের কোল ঘেঁষে অবস্থিত সোগুত নামে একটি গ্রাম জায়গীর হিসেবে দেন। এই জায়গীর লাভের পরে তুগরুল কাছাকাছি রোমান সাম্রাজ্যের আরো কিছু এলাকা অধিকার করেন। ইরতুগরুলের মৃত্যু হলে তাঁর পুত্র ওসমান এই জায়গির এলাকা আরো সম্প্রসারিত করে বর্তমান তুরস্কের বুরসা পর্যন্ত এলাকা রোমান সাম্রাজ্য থেকে অধিকার করে নেন। তবে পিতা-পুত্র এসবই করেছিলেন সেলজুক সুলতানের গভর্নর হিসেবে। ১৩০৮ সালে শেষ সেলজুক সুলতান কায়কাউসের মৃত্যু হলে ওসমান নিজেকে স্বাধীন সুলতান হিসেবে ঘোষণা করলেন। এভাবেই ওসামানের হাতে শুরু হয়েছিল তুরস্কের সবচেয়ে গৌরবজনক সাম্রাজ্য ওসামানীয় সালতানাত, ইংরেজ এবং ইউরোপিয়রা যাকে বলে আটোম্যান এম্পায়ার বা অটোম্যান সাম্রাজ্য। ওসমান কীভাবে অটোম্যান হলেন সে আলোচনায় আমরা পরে আসব।

এই ওসামানীয় বা অটোম্যান সাম্রাজ্য ৬৫০ বছর স্থায়ী ছিল এবং একে একে এই বংশের ৩৬ জন সুলতান দোর্দণ্ড প্রতাপে রাজত্ব করেছেন। তাঁদের মধ্যে অষ্টম সুলতান যিনি বংশের দ্বিতীয় মুহাম্মাদ হিসেবে পরিচিত তিনিই মুসলিম বিশ্বের পক্ষে রোম সম্রাট দ্বিতীয় কনস্টানটাইনের সাথে যুদ্ধ করে প্রথম কনস্টান্টিনোপল জয় করেছিলেন। আমরা প্যানোরামা মিউজিয়ামে দাঁড়িয়েছিলাম সেই যুদ্ধেরই মাঝে। মাত্র বাইশ বছর বয়সী সুলতান মুহাম্মাদ ইতিহাসের এই মহান যুদ্ধ সূচনা করার আগে অনেক প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। প্রথমত তিনি জানতেন যে, বসফরাস থেকে উঠে আসা নদী গোল্ডেন হর্নের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা না করতে পারলে কনস্টান্টিনোপল অধিকার করা সম্ভব নয়। কনস্টান্টিনোপল দুর্গের পূর্বে বসফরাস, দক্ষিণে মর্মর সাগর, উত্তরে নদী গোল্ডেন হর্ন, আর পশ্চিমে ইউরোপ। বসফরাসের পূর্বে অর্থাৎ পূর্বপাড়ে মুসলিম শক্তির সার্বিক রসদ রয়েছে, কিন্তু অন্য দিকগুলোয় রয়েছে পুরোটাই খ্রিষ্টান শক্তির নিয়ন্ত্রণ। এ নিয়ন্ত্রণব্যূহ ভেদ করতে প্রথম প্রয়োজন বসফরাসের ওপর নিয়ন্ত্রণ, কারণ সম্রাট কনস্টান্টাইনের জন্য ইউরোপীয় খ্রিষ্টানদের সাহায্য আসে কৃষ্ণসাগর থেকে বসফরাস হয়ে। তাই বসফরাসকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরিকল্পনায় আগে থেকেই সুলতান বায়জিদ বসফরাসের এশীয় পাড়ে নির্মাণ করেছিলেন আনাতোল দুর্গ।

সুলতান মুহাম্মাদ ভাবলেন শুধু পূর্বপাড়ের দুর্গ দিয়ে হবে না, পশ্চিম পাড়েও ওসমানীয় দুর্গ থাকতে হবে। তাই মাত্র চার মাসে ১৪৫২ সালের এপ্রিল থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে তিনি বসফরাসের ইউরোপিয় পাড়ে নির্মাণ করলেন এক শক্তিশালী দুর্গ। এবার এপাড়-ওপাড়ের দুই দুর্গ থেকে সুলতান পাহারা বসালেন বসফরাসের ওপর যাতে কনস্টান্টাইনকে রক্ষায় কোনো সাহায্য না আসতে পারে ইউরোপিয় ভূখণ্ড থেকে। এছাড়াও পুরনো লোহার কামান বাদ দিয়ে পিতল দিয়ে তিনি এমন কামান তৈরি করলেন যার সমকক্ষ কামান সারা দুনিয়ায় তখন ছিল না। এতসব করে ১৪৫৩ সালে ৬ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ৮টি আক্রমণ রচনা করেও মুহাম্মাদ কনস্টান্টিনোপল তথা ইস্তাম্বুল দুর্গে তেমন কোনো আঁচড় কাটতে পারলেন না। তার এই ব্যর্থতার কারণ গোল্ডেন হর্নে সম্রাট কনস্টানটাইনের নিরংকুশ আধিপত্য। গোল্ডেন হর্ন যেখানে বসফরাসের সাথে মিশেছে, সেখানে সম্রাট কনস্টানটাইন হর্নের এপাড় থেকে ওপাড় পর্যন্ত পানিতে টানিয়ে রেখেছেন এক মস্ত লোহার শেকল। সে শেকল পানির ওপর থেকে দেখা যায় না, কিন্তু জাহাজ গোল্ডেন হর্নে প্রবেশ করতে গেলেই বাঁধাগ্রস্ত হয়, এমনকি ডুবেও যায়। ২২ বছর বয়সী সুলতান মুহাম্মাদ ভাবতে বসলেন এই বাঁধা কীভাবে জয় করা যায়।

সুলতানের ওস্তাদ শায়খ শামুসদ্দিন আগা এই বাঁধা জয়ের জন্য দিলেন এক বিশাল পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনা মোতাবেক সুলতান আদেশ দিলেন বিশ দিনের মধ্যে ৭০টি ছোট সাইজের জাহাজ তৈরি করে ফেলতে হবে। জাহাজের নকশা তৈরির দায়িত্ব যাকে দিলেন তাকে সাবধান করে দিলেন তার পরিকল্পনা কেউ যাতে জানতে না পারে। মাত্র ১৮ দিনের মাথায় তৈরি হয়ে গেল ৭০টি জাহাজ। সুলতানের উজির জানতে চাইলেন এর পরের করণীয় কী। সুলতান কঠিন দৃষ্টিতে উজিরের দিকে তাকিয়ে তাঁর নিজের একগাছা দাড়ি ধরে বললেন—‘আমার এই দাড়িটিও যদি তা জেনে ফেলত তাহলে এখখুনি এটি আমি উপড়ে ফেলতাম’। উজির ভয় পেয়ে সরে গেল। ১৪৫৩ সালের ২২ মে তারিখে শুরু হলো পরিকল্পনার পরবর্তী কাজ। এক একটি জাহাজ বসফরাস থেকে টেনে উপরে তুলে আলকাতরা আর চর্বিতে তৈলাক্ত ও পিচ্ছিল করে তোলা গোল গাছের গুঁড়ির ওপর দিয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে পাহাড়ের ওপর উঠিয়ে তারপর ঐ তৈলাক্ত গাছের গুঁড়ির ওপরেই আবার গড়াতে গড়াতে জাহাজগুলো নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে এ পাশে গোল্ডেন হর্নে। টানার জন্য ব্যবহার করা হলো অগণিত গরু আর মহিষ। এক এক করে ৭০টি জাহাজ ১০ মাইল দীর্ঘ স্থলপথ পাড়ি দিয়ে এভাবে নামল গোল্ডেন হর্নের উত্তর পাড়ের পাহাড়ের গা বেয়ে। কাজটি রাতের অন্ধকারে মশালের আলোতে করা হয়েছিল বলে এপাড়ের দুর্গের প্রহরীরা শুধু আলো দেখল, আর ঘর্ঘর আওয়াজ শুনল, কিন্তু বুঝতে পারল না কি ম্যাজিক ঘটে গেল। প্রহরীরা সম্রাট কনস্টান্টাইনকেও ডেকে এনেছিলেন কী হচ্ছে তা দেখতে, কিন্তু বেচারা সম্রাটও গোল্ডেন হর্নের এপাড়ে দুর্গের প্রাচীরের ওপর দাঁড়িয়ে ঠিক ঠাহর করতে পারলেন না কী ঘটছে।

ভোরের আলো ফুটে ওঠার সাথে সাথে গোল্ডেন হর্নের উজানে অবস্থানরত বায়জান্টাইন জাহাজগুলোর সকল ক্যাপ্টেনের চক্ষু চড়কগাছ। কী সর্বনাশা কাণ্ড! জ্যান্ত সত্তরটি দৈত্যশাবক তাদের দিকে মুখ হা করে আছে। কিছুক্ষণেই কামান দাগাতে দাগাতে বায়জান্টাইন জাহাজগুলো সুলতানের জাহাজগুলো আক্রমণের চেষ্টা করল। সুলতান মুহাম্মাদের জাহাজগুলো ছোট বলে খুব সুবিধাজনকভাবে তারা এদিক-সেদিক ছুটতে পারছিল। আর বায়জান্টাইন জাহাজগুলো বিশালাকার বলে সুবিধামতো নড়াচড়াই করতে পারছিল না। অল্পক্ষণেই বেশ কয়েকটি বায়জান্টাইন জাহাজের সলিল সমাধি ঘটল। মুহাম্মাদ আল ফাতিহ অর্থাৎ মুহাম্মাদ দি কনকারার সেই জাহাজের ডুবন্ত মানুষগুলোকে রশি ফেলে বাঁচানোর চেষ্টাও করেছিলেন। যদিও বায়জান্টইন জাহাজগুলো তাদের হাবুডুবু খাওয়া সৈন্যদের তোলার চেষ্টা না করে পেছনে নিরাপদ দিকে চলে যাচ্ছিল। এরপর সুলতান তাঁর জাহাজগুলো একের পর এক সাজিয়ে গোল্ডেন হর্ন নদীর ওপর একটি ভাসমান ব্রিজ তৈরি করে তার ওপর দিয়ে তার কামান ও সৈন্যবাহিনী নিয়ে এলেন গোল্ডেন হর্নের এপারে দুর্গের একেবারে কাছে। তারপর আটমন ওজনের গোলা নিক্ষিপ্ত হলো সেই কামান থেকে। কনস্টানটাইনের দুর্গের অজেয় প্রাচীরে ইতিহাসে প্রথমবার বিরাট ফাটল সৃষ্টি হলো। একের পর এক কামানের গোলায় দুর্গের সদর দরজা সেন্ট রোমানুসের চারটি চূড়া মাটির সঙ্গে মিশে গেল।

১৪৫৩ সালের ২৪ মে তারিখে সুলতান মুহাম্মাদ আল ফাতিহ সম্রাট কনস্টানটাইনের নিকট পয়গাম পাঠালেন—‘দেখতেই পাচ্ছেন, আামাদের কামানের আঘাতে আপনার নগরপ্রাচীর কীভাবে ভেঙে পড়ছে। এ প্রাচীর হাজার বছর আপনাদেরকে রক্ষা করেছে। কিন্তু আমাদের কামানের গোলা থেকে এ প্রাচীর আর কয়েক ঘণ্টাও আপনাদের রক্ষা করতে পারবে না। আমরা অযথা জানমালের ক্ষতি চাই না। না আপনাদের, না আমাদের। এখনো সময় আছে অস্ত্র সমর্পণ করুন। আপনার ও আপনার প্রজাদের জানমাল, আব্রু নিরাপদ থাকবে। তদুপরি ‘মুরিয়া অঞ্চল’ পুরোটাই আপনাকে দিয়ে দেওয়া হবে’। উত্তরে সম্রাট কনস্টানটাইন জানালেন—‘ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে, সুলতান সন্ধির আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে ঈশ্বরের শপথ, জীবনের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত আমি কনস্টান্টিনোপালের জন্য তলোয়ার চালিয়ে যাব। হয় আমার সিংহাসন রক্ষা পাবে, না হয় নগর প্রাচীরের নিচে আমার কবর রচনা হবে।’

এবার সুলতান পাঁচদিন সময় দিলেন তাঁর সৈন্যবাহিনীর বিশ্রামের জন্য। ২৮ মে সন্ধ্যায় ঘোষণা করলেন—আগামীকাল ফজরের পর আমরা আবার হামলা শুরু করব। ২৯ মে ফজরের নামাজে সুলতান মুহাম্মাদ নিজেই ইমামতি করলেন। নামাজ শেষে সেনাবাহিনীর উদ্দেশে এক জ্বালাময়ী ভাষণ শেষে দৃঢ়তার সাথে বললেন—‘ইনশাআল্লাহ কুসতুনতুনিয়া জয় করে জোহরের নামাজ আমরা আয়া সোফিয়ায় (গির্জা) আদায় করব’। যুদ্ধ শুরু হলো। প্রথম ৩০০ জন তুর্কি সৈন্যের প্রাণের বিনিময়ে সুলতানী ফৌজ প্রাচীর পর্যন্ত পৌঁছে গেল। এবার সুলতান তার আট মণ গোলার কামান স্থাপন করলেন সেইন্ট রোমানুস গেট বরাবর। সুলতানের কামান বসানোর এই গেটই তুর্কি ভাষায় তোপকাপি অর্থাৎ তোপদুয়ার বা কামান ফটক। এই ফটক থেকেই উলু বাতিল হাসান নামের মোঙ্গল বংশোদ্ভূত এক নবীন তুর্কি সেনাপতি ত্রিশ জন জানেসারি (সুইসাইড স্কোয়াড) তুর্কি সৈন্য নিয়ে প্রথম তুর্কি পতাকা ওড়ালেন কনস্টান্টিনোপলের দুর্গের চূড়ায়। কিন্তু বায়জান্টাইন সৈন্যদের একটি গোলার আঘাতে তিনি পড়ে গেলেন প্রাচীর চূড়া থেকে। মৃত্যুর সময় তিনি শেষ হুকুম দিলেন—‘লাল হেলালি ঝান্ডা ওড়াও, সুলতানের পথ সাফ করো’। এই অবস্থায় বায়জান্টাইন সম্রাট চিৎকার করে বললেন—‘আমার এই বহরে একজন খ্রিষ্টান সৈন্যও কি নেই যে নিজ হাতে আজ আমাকে হত্যা করতে পারে?’ কিন্তু কোনো খ্রিষ্টান সৈন্য এ আহ্বানে এগিয়ে না আসায় তিনি যুদ্ধ করতে করতেই তুর্কি সৈন্যদের হাতে প্রাণ দিলেন।


পর্ব—দুই

/জেডএস/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
চিংড়ির ঘের থেকে উঠছে গ্যাস, পরীক্ষা করবে বাপেক্স
চিংড়ির ঘের থেকে উঠছে গ্যাস, পরীক্ষা করবে বাপেক্স
টিভিতে আজ
টিভিতে আজ
সমর্থন আদায়ে মঙ্গোলিয়া সফরে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সমর্থন আদায়ে মঙ্গোলিয়া সফরে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
রশিদ ছাড়া হাসিল আদায়
রশিদ ছাড়া হাসিল আদায়
এ বিভাগের সর্বশেষ
পুরস্কারপ্রাপ্তি আনন্দের
জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ২০২১পুরস্কারপ্রাপ্তি আনন্দের
মারুফা মিতার কবিতা
জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ২০২১মারুফা মিতার কবিতা
দিপন দেবনাথের কবিতা
জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ২০২১দিপন দেবনাথের কবিতা
খোঁপায় গমখেতের মায়া
খোঁপায় গমখেতের মায়া
বুভুক্ষাই জন্ম দিয়েছে ইরোটিকার
বুভুক্ষাই জন্ম দিয়েছে ইরোটিকার