কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ মাজারে হামলা-অগ্নিসংযোগ ও পীর শামীম হত্যা, শাহবাগে সমকামীদের উপর হামলা এবং সারাদেশে মবসন্ত্রাসের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ( ঢাবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট।
শনিবার (১০ এপ্রিল) রাত ৯টায় বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির পায়রা চত্বর থেকে শুরু হয়ে ভিসি চত্বর প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাষ্কর্যের পাদদেশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এসময় ‘শাহবাগে হামলা কেন? বিএনপি জবাব চাই’, ‘মব সন্ত্রাস হয়নি শেষ, গর্জে ওঠো বাংলাদেশ’, ‘মাজারে হামলা কেন? বিএনপি জবাব চাই’, ‘সুফি-ইমাম খুন কেন? বিএনপি জবাব চাই’ প্রভৃতি স্লোগান দিতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেঘমাল্লার বসু বলেন, “দেশের সবার নাগরিক অধিকার রয়েছে এবং প্রত্যেক মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তবে জঙ্গিদেরকে অন্য কিছু বলে অভিহিত করার দিন শেষ। জঙ্গিদেরকে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করতে পারতে হবে এবং রাষ্ট্রের জঙ্গিদেরকে জঙ্গিদের মতন করেই দমন করতে পারতে হবে। বিএনপি সরকার যেই আগুন দিয়ে খেলছেন— এই আগুন নিয়ে খেলার ফলাফল ভালো হবে না।”
তিনি আরও বলেন, “ফিলিপ নগরে আজকে যে ঘটনা ঘটেছে তার দ্রুততম সময়ে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। গতকালকে শাহবাগে যে ঘটনা ঘটেছে তার দ্রুততম সময়ে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। যে বিচারের কথা আমরা বলছি অবিলম্বে সে বিচার হতে হবে। নাহলে রাজপথে ইন্টেরিমের বিরুদ্ধে আমাদের যে অবস্থান বিএনপির বিরুদ্ধেও অবস্থান তার চেয়েও কঠিন হয়ে উঠবে।”
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সাধারণ সম্পাদক জাবির আহাম্মেদ জুবেল বলেন, “গতকাল এবং আজকের যে মব সন্ত্রাস দেখলাম, সেই মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সালাহ উদ্দিন আহমদকে হুঙ্কার দিতে দেখবো না। কিন্তু আমরা দেখেছিলাম নির্বাচনের পরপরই সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেছিলেন দেশ থেকে মব সন্ত্রাসের বিলুপ্তি ঘটবে। জামাত ইসলাম এবং বিএনপি— একটা সরকারি দল একটা বিরোধী দল পুরা মিলেমিশে একটা গৃহপালিত সংসদ তৈরি করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “জনগণের ন্যূনতম চাওয়া যে একটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। একই সঙ্গে শাহবাগে গতকাল যারা হামলা চালিয়েছিল তারা সবাই চিহ্নিত। এদের একটা বড় অংশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী ছাত্র মজলিসের সঙ্গে জড়িত। তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসুন।”









