যারা ব্যবহার করতে পারবেন বিমানবন্দরের ই-গেইট

Send
জামাল উদ্দিন
প্রকাশিত : ২১:১৪, জানুয়ারি ১৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৩১, জানুয়ারি ১৯, ২০২০

 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ই-পাসপোর্ট দেওয়ার পর থেকে বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে কিভাবে ই-গেইট ব্যবহার করতে হবে এবং এজন্য ই-গেইট স্থাপনের বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্ট দেওয়া শুরু করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন পাসপোর্ট অধিদফতর।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশি পাসপোর্টের আধুনিকায়ন এবং নিরাপত্তা অধিকতর নিশ্চিত করাসহ বিদেশ ভ্রমণ ও ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সহজীকরণের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি প্রবর্তন করেছে। এ পদ্ধতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পয়েন্টে ই-গেইট স্থাপন করা হবে। ইমিগ্রেশন পয়েন্টে ই-গেইট স্থাপনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে যাত্রীদের ইমিগ্রেশন কার্যক্রম দ্রুততার সঙ্গে শেষ করা। বাংলাদেশি ই-পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা ই-গেইট ব্যবহার করতে পারবেন। ই-গেইট ব্যবহারের জন্য কিছু ব্যবহারবিধিও প্রণয়ন করা হয়েছে। 

বাংলাদেশি ই-পাসপোর্টধারী যেসব ব্যক্তি ই-গেইট ব্যবহার করে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন তারা হচ্ছেন,  ই-পাসপোর্টধারী কূটনৈতিক, অফিসিয়াল ই-পাসপোর্টধারী সরকারি কর্মকর্তা, বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ এবং সেরা করদাতা কার্ড পাওয়া ই-পাসপোর্টধারী এবং বাংলাদেশি ই-পাসপোর্টধারী পাইলট ও ক্রুরা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন শাখা-১ এর যুগ্ম সচিব মো. মুনিম হাসান স্বাক্ষরিত পরিপত্রে আরও বলা হয়, এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাত্রীর ব্যাগেজ, টিকেট এবং পাসপোর্ট চেকিং সম্পন্নের পর ই-গেইট ব্যবহার করতে হবে। যাত্রীর ফ্লাইটের তথ্য, শেষ গন্তব্যস্থান, যাত্রা শুরুর স্থান, ভ্রমণের উদ্দেশ্য ও ভিসার তথ্য অবশ্যই ইমিগ্রেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সঙ্গে ই-গেইট সিস্টেমে সংরক্ষিত তথ্য যাচাই করতে হবে। বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কোনও দেশের যাত্রীরা প্রাথমিকভাবে ই-গেইট ব্যবহার করতে পারবে না।

 

/জেইউ/এমআর/

লাইভ

টপ