X
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
৮ ফাল্গুন ১৪৩০

‘অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায়’ গর্ভের সন্তানের মৃত্যু ও পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ

ওয়াজহাতুল ইসলাম, জাবি প্রতিনিধি
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৫:৩০আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৫:৪৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় এক অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ চারজন আহত ও তার গর্ভের সন্তানের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে গর্ভের সন্তান হারানো নারীর ছোট ভাই ফরহাদ হোসেন এ দাবি করেন। এ সময় ফরহাদ হোসেন এই ঘটনায় মামলা গ্রহণে পুলিশের বিরুদ্ধে গড়িমসি ও তথ্য গোপনের অভিযোগ করেন এবং ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

জানা যায়, গত ২৬ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) এলাকায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় এক অটোরিকশাচালক নিহত হন। এ সময় অটোরিকশায় থাকা অন্তঃসত্ত্বা নারী, তার স্বামী-সন্তান ও ভাতিজি আহত হন। গুরুতর আঘাত পাওয়ায় সেই অন্তঃসত্ত্বা নারী তার চার মাসের গর্ভের সন্তানকে হারান।

ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘রিকশায় আমার পরিবারের চারজন যাত্রী ছিলেন। তারা হলেন— আমার বড় বোন কাকলি আক্তার (২৬), তার স্বামী সবুজ আহমেদ (৩০), ভাগনে শোয়াইব (২) ও ভাতিজি জান্নাত (১৪)। তারা সবাই সাভারের কলমার দোসাইদ এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় কাকলি আক্তার সাভারের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে গর্ভকালীন নিয়মিত চেকআপ শেষে অটোরিকশা করে বাসায় ফিরছিলেন। সাভারের লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সটি ওই অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এ সময় রিকশায় থাকা সব আরোহী ছিটকে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই রিকশাচালক আব্দুল কুদ্দুস (৩০) মারা যান।

নিহত রিকশাচালকের নাম আব্দুল কুদ্দুস। তিনি পটুয়াখালীর কাউখালী উপজেলার কোনাহোড়া এলাকার আব্দুল মজিদ শিকদারের ছেলে। সাভারের কলমা এলাকায় ভাড়ায় থাকতেন ও ব্যাটারিচালিত রিকশা চালাতেন তিনি।

তবে এঘটনায় নিহত রিকশাচালকের পরিবার এসে লাশ নিয়ে গেছেন। তবে তার পরিবার কোন মামলা করেননি বলে বাংলা ট্রিবিউনকে জানান তদন্ত কর্মকর্তা বাবুল হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমরা নিহতের পরিবারকে মামলা করতে বলেছিলাম। কিন্তু তাদের আর্থিক অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় পরিবার গ্রাম থেকে এসে শুধু লাশটি নিয়ে গেছে। তারা মামলা না করায় হাইওয়ে থানা পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।’

‘অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায়’ গর্ভের সন্তানের মৃত্যু ও পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ

আহত নারীর ভাই ফরহাদ হোসেন দাবি করেন, এ ঘটনায় চিকিৎসা বাবদ ইতোমধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এ অবস্থায় প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণে দাবি জানান তিনি।

ফরহাদ হোসেন আরও জানান, ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। জান্নাত ও শোয়াইবকে দুদিন পরে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অবস্থা খারাপ হলে পরে ২৮ জানুয়ারি (শনিবার) কাকলি আক্তার ও সবুজ আহমেদকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে পরদিন (২৯ জানুয়ারি) কাকলি আক্তারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সবুজ আহমেদকে পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ৩০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেলে কাকলির গর্ভ থেকে মৃত সন্তান বের করা হয়।

এ ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন ও অসহযোগিতার অভিযোগ করে ফরহাদ হোসেন বলেন, মেডিকেলের চিকিৎসা শেষ করে গত শুক্রবার সাভার মডেল থানায় যোগাযোগ করি। আমরা মামলা করতে চাইলে পুলিশ জানায় তারা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে। পরে মামলার বাদী সাভার হাইওয়ে থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক রাসেল মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক বাবুল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। বাবুল আমাকে মামলা না করার পরামর্শ দেন।

গত সোমবার রাতে বাবুল হোসেনের সঙ্গে তদন্তের ব্যাপারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন ফরহাদ। এ সময় বাবুল দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত অ্যাম্বুলেন্সের কোনও সন্ধান পাননি বলে ফরহাদকে জানান। ফরহাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুলিশের সঙ্গে অনেকবার যোগাযোগ করলেও কোনও তথ্য পাইনি। সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করার কথা বললে তারা বলে ঘটনাস্থলের দেড় কিলোমিটারের মধ্যে কোনও সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। পরে আমরা সংবাদপত্রের মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়টি জানতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ তথ্য গোপন করার চেষ্টা করেছে এবং মামলা করতে চাইলে তারা অসহযোগিতা করেছে। এ দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিকিৎসা ব্যয় বহনের দাবি জানাই।’

এ বিষয়ে সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা মঙ্গলবার আহতদের সম্পর্কে জেনেছি। তাদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করেছি। এর আগে তারা থানায় যোগাযোগ করেছে কিনা আমার জানা নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভিক্টিমরা আসছিলো কিছুক্ষণ আগে, উনারা হয়তো বুঝেন না যে এক ঘটনায় দুই মামলা হয়না। তাদের অসহযোগিতা করা হয়নি, আমরা সব সময় ভিক্টিমদের সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত। এই ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে এবং মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।’

দুর্ঘটনার জাবির ক্ষতিগ্রস্ত অ্যাম্বুলেন্সটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ অফিসে রাখা হয়েছে। এঘটনায় সাভার হাইওয়ে থানা বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা করেছে বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাবুল হোসেন।

তিনি বলেন, ‘সাভার থানার মামলা নম্বর ৭৭। অজ্ঞাতনামা সেই গাড়িটি শনাক্তের করতে আমরা সিসিটিভি ফুটেজের সাহায্য নিয়েছি। সে অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সব পক্ষই আমাদের কাজে সহায়তা করবে বলে আমরা আশা রাখছি।’

খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, অ্যাম্বুলেন্সটি চালাচ্ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চালক রিপন হাওলাদার। অ্যাম্বুলেন্সটিতে আরোহী ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের উপদফতর সম্পাদক রিফাত চৌধুরী ও উপ অর্থসম্পাদক আহসান হাবিব ইমন। ঘটনার দিন তারাও দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। গত ২৭ জানুয়ারি মওলানা ভাসানী হলের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের জন্য অ্যাম্বুলেন্সে করে মাদক আনা হয়েছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে দুর্ঘটনার সময় অ্যাম্বুলেন্সে থাকা জাবি ছাত্রলীগের উপদফতর সম্পাদক রিফাত চৌধুরী বলেন, ‘সেদিন দুর্ঘটনার সময় আমিও গুরুতর আহত হই। আমার সঙ্গে ৪৬ ব্যাচের ইমন ছিল।’ তবে তিনি মাদক বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

চালক রিপন হাওলাদারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

‘অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায়’ গর্ভের সন্তানের মৃত্যু ও পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ

দুর্ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপগুলোতে মাদকের বিষয়ে আলোচনা শুরু হলে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. শামছুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্স চালানোর সময় চালক রিপন জানতে পারেন গাড়িতে মদ আছে। এতে তিনি ঘাবড়ে যান। এ কারণেই সেদিন দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে রিপন আমাদের বলেছেন। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত চলমান থাকায় রিপনকে গাড়ি চালানো থেকে বিরত রাখা হয়েছে।’

পরে শামসুর রহমানে কাছে জানতে চাইলে তিনি মাদকের বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউন প্রতিনিধির কাছে অস্বীকার করে বলেন, ‘এ রকম অনেক ঘটনা হয়। কোনোটা প্রমাণিত আবার কোনোটা অপ্রমাণিত। অনেক ঘটনা সামনে ঘটে তবে প্রমাণ থাকে না। রিপন সরাসরি আমাকে এ কথা বলেনি। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটি আমাকে রিপোর্ট দিলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের অ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়ে নতুন করে নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান সোহেল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যতটুকু জানি তারা রোগী আনতে গিয়েছিল। এ ছাড়া কেউ ব্লেমও দিতে পারে। তারপরও আমরা তদন্ত করে দেখবো। কেউ যদি অ্যাম্বুলেন্সে করে মদ নিয়ে আসার ঘটনায় জড়িত থাকে, অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

দুর্ঘটনা ও মামলার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হককে প্রথমে মুঠোফোনে কল দুবার কল দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি। আধা ঘণ্টা পর আবার কল করে সাংবাদিক পরিচয় দিলে তিনি ‘আমি এখন অন্য জায়গায় আছি। অনেক মানুষের মধ্যে আছি। পরে কথা বলবো’ বলে কল কেটে দেন।

এ ছাড়া উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া সম্ভব হয়নি।

এদিকে মাদকবাহী এম্বুলেন্স দূর্ঘটনায় নিহত রিকশাচালক ও সন্তান হারানো গর্ভবতী নারীর চিকিৎসার দায়ভার ও ক্ষতিপূরণ, জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তি এবং ট্রান্সপোর্ট-মেডিকেল সিস্টেমের উন্নয়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষার্থীরা।

বুধবার দেড়টার দিকে মিছিলটি শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করা হয়। এতে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি, ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক আলিফ মাহমুদ ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক কনোজ কান্তি রায় বক্তব্য দেন। এ সময় বক্তারা অ্যাম্বুলেন্সে করে মাদক বহনের ঘটনায় নিন্দা প্রকাশ করেন।

/এনএআর/
সম্পর্কিত
বঙ্গবন্ধুর ছবি মুছে ব্যঙ্গচিত্র, জাবি ছাত্র ইউনিয়নের দুই নেতাকে বহিষ্কার
সেগুনবাগিচায় বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
যৌন নিপীড়নের ঘটনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বরখাস্ত
সর্বশেষ খবর
উজবেকিস্তানে ভাষা আন্দোলনের গল্প শোনালেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
উজবেকিস্তানে ভাষা আন্দোলনের গল্প শোনালেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ‘নতুন অধ্যায়’: কী চায় দুই দেশ?
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ‘নতুন অধ্যায়’: কী চায় দুই দেশ?
বিশেষ দিনগুলোতে ফুল বিক্রি কমে এসেছে
বিশেষ দিনগুলোতে ফুল বিক্রি কমে এসেছে
সান্ত্বনার জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়েছে আফগানিস্তান 
সান্ত্বনার জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়েছে আফগানিস্তান 
সর্বাধিক পঠিত
কেন বারবার অকেজো হয় মেট্রো স্টেশনের টিকিট মেশিন?
কেন বারবার অকেজো হয় মেট্রো স্টেশনের টিকিট মেশিন?
চার মাস কারও সঙ্গে দেখা করবেন না খন্দকার মোশাররফ
চার মাস কারও সঙ্গে দেখা করবেন না খন্দকার মোশাররফ
বঙ্গবন্ধুর ছবি মুছে ব্যঙ্গচিত্র, জাবি ছাত্র ইউনিয়নের দুই নেতাকে বহিষ্কার
বঙ্গবন্ধুর ছবি মুছে ব্যঙ্গচিত্র, জাবি ছাত্র ইউনিয়নের দুই নেতাকে বহিষ্কার
আত্মীয় হলেই চাকরি মেলে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে!
আত্মীয় হলেই চাকরি মেলে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে!
‘ওমরের বিকল্প’ তৈরির লক্ষ্যে বিএনপিতে নতুন ধর্ম সম্পাদক!
‘ওমরের বিকল্প’ তৈরির লক্ষ্যে বিএনপিতে নতুন ধর্ম সম্পাদক!