‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়নে অনেকের মনে কষ্ট’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৮:০২আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৮:০৫

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাওয়ায় অনেকের মনে কষ্ট হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এটা অনেকের মনে কষ্ট। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে অনেকের কষ্ট। বাংলাদেশের মানুষের বঞ্চনার ইতিহাস দূর হয়ে গেছে। এটি দূর করেছেন আলোর দিশারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী হলে রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকার বার্ষিক সাধারণ সভার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, দেশ যাতে স্বাধীন না হয়, সে জন্য অনেকেই বিদেশিদের দিকে তাকিয়ে ছিল, সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দিকে তাকিয়ে ছিল। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, করোনা মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিতে অনেকেই সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দিকে তাকিয়ে আছে। অন্যদের ইঙ্গিতে, ইশারায় চলছে। ওই জায়গায় নেওয়া যাবে না।

বাংলাদেশের মানুষের চোখ খুলে গেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ হিমালয়সম উচ্চতায় চলে গিয়েছিল। ’৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যার পর দেশ অন্ধকারে তলিয়ে যায়। সে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে এসেছেন আলোর দিশারি দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রংপুর বিভাগ ছিল না। এটা দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। বিভাগ হয়নি। রংপুর বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার জন্য রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকার পক্ষ থেকে তাকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। রংপুর বিভাগ হওয়ায় রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি পরিচয় দিতে পারছে, এটা আমাদের গর্বের। রংপুর বিভাগের উন্নয়নের জন্য যা যা দরকার, সেটা প্রধানমন্ত্রী করবেন। আগে জেলাভিত্তিক সংগঠন ছিল। অনেক কিছু বাস্তবায়ন হয়েছে। বিভাগ প্রতিষ্ঠার ফলে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সৌহার্দ্য বেড়েছে। একই প্ল্যাটফর্মে এসেছে। অনেক বড় প্রাপ্তি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনেক চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করছেন উল্লেখ করে খালিদ মাহমুদ বলেন, তিনি একজন দক্ষ কূটনীতিক। তার দক্ষ কূটনৈতিকতার ফলে তিন বিঘা করিডোর, ছিটমহল সমস্যার সমাধান, গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়ন, বঙ্গোপসাগরে আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। বাংলাদেশ যত বড়, তার চেয়ে বড় আমাদের মেরিটাইম সেক্টর।

তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চল দেশের পানিপ্রবাহের ক্ষেত্রে মূল রিপ্রেজেন্টের ভূমিকা পালন করে থাকে। উত্তরবঙ্গের নদীগুলো দিয়ে ৭২ ভাগ পানি প্রবেশ করে। চিলমারী নদীবন্দরের উন্নয়ন করা হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে রেল ও সড়কপথের উন্নয়ন করা হচ্ছে। রংপুর বিভাগে মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা গণমাধ্যমের দায়িত্ব। আশা করি রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকার সদস্যরা এসব উন্নয়নমূলক তথ্য গণমাধ্যমে তুলে ধরবেন।

রংপুর বিভাগ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য উম্মে কুলসুম স্মৃতি, সংগঠনের সিনিয়র সদস্য শামসুল হক দুররানী, সংগঠনের সিনিয়র সদস্য আনন্দ আলোর সম্পাদক রেজানুর রহমান, সদস্য মশিউর রহমান, সংগঠনের সাবেক আহ্বায়ক ও নর্থ বেঙ্গল ফোরামের সভাপতি নজমুল হক সরকার এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়সার ইমন প্রমুখ।

/এএজে/এনএআর/
সম্পর্কিত
ইরান আলোচনার ফলাফল চলতি সপ্তাহান্তেই: ট্রাম্প 
আত্মপ্রকাশ করলো ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল
লালন আখড়ায় হামলা চালিয়ে সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম, বিএনপি নেতা আটক
সর্বশেষ খবর
ইকরার মৃত্যু: জামিন পেলেন অভিনেতা জাহের আলভীর মা
ইকরার মৃত্যু: জামিন পেলেন অভিনেতা জাহের আলভীর মা
কৃষিকে আধুনিক ও জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা জরুরি: প্রধানমন্ত্রী
কৃষিকে আধুনিক ও জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা জরুরি: প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদায়ন, ৩১ শিক্ষককে বদলি
শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদায়ন, ৩১ শিক্ষককে বদলি
খলিলুর রহমানকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
খলিলুর রহমানকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী