গ্রামীণ ব্যাংকের চতুর্থ শ্রেণির কর্মীদের চাকরি স্থায়ী করার দাবি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৫:০৪ আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৫:০৪

গ্রামীণ ব্যাংকের চতুর্থ শ্রেণির কর্মীদের চাকরি স্থায়ী করাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে ‘গ্রামীণ ব্যাংক চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী পরিষদ’। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচি থেকে এসব দাবি জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, আমরা বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্রামীণ ব্যাংকে কর্মরত দৈনিক ভিত্তিক পিয়ন কাম-গার্ড হিসেবে তিন হাজারের বেশি কর্মী কর্মরত আছি। বাংলাদেশের শ্রম আইন অমান্য করে এবং গ্রামীণ ব্যাংক তার নিজের তৈরি আইন না মেনে আমাদের ৩২ বছর ধরে অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। নিয়োগ বিধি অনুযায়ী ৯ মাস পর চাকরি স্থায়ী করার কথা বলা থাকলেও আমাদের ক্ষেত্রে এই বিধান মানা হচ্ছে না। আমরা গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা দ্বারা সর্বসময় হয়রানী, কারণ ছাড়াই ছাঁটাই, কাজে যোগদানে বাধা, বিনা বিশ্রামে কাজ করতে বাধ্য করাসহ নানা ধরনের অমানবিক আচরণের শিকার হচ্ছি।

তারা আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ফলে দেশে আজ নতুন সরকার এসেছে। কিন্তু আমরা যারা গ্রামীণ ব্যাংকে চাকরি করি তারা সেই আগের মতোই বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠাতা প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূসের কাছে আবেদন জানাচ্ছি।

তাদের পাঁচ দফা দাবি হলো–

অবিলম্বে গ্রামীণ ব্যাংকে কর্মরত দৈনিক ভিত্তিক পিয়ন কাম গার্ড হিসেবে কর্মরত সব কর্মীকে গ্রামীণ ব্যাংকের নিয়োগ বিধি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি অনুযায়ী স্থায়ীকরণ করতে হবে; দাবি আদায়ের আন্দোলনকে নস্যাৎ করতে যেসব কর্মীকে চাকরিতে যোগদানে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং ছাটাই করা হয়েছে তাদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিয়ে চাকরিতে যোগদান এবং স্থায়ীকরণ করতে হবে; বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী বেতন ভাতা, বোনাস, কর্মঘণ্টা, সাপ্তাহিক ছুটিসহ যাবতীয় সুবিধা দিতে হবে এবং নিয়োগ বিধি অনুযায়ী দৈনিক ভিত্তিক পিয়ন কাম গার্ড পদের কর্মীদের উল্লেখিত ৯ মাস কর্মরত থাকার পর হতে স্থায়ী কর্মী হিসেবে গণ্য করে বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে যথোপযুক্ত বকেয়া বেতন-ভাতা দিতে হবে।

অবস্থান কর্মসূচিতে ছিলেন– সংগঠনের সভাপতি মো. আলাউদ্দিন আল মামুন, সহ-সভাপতি জসীম উদ্দিন, মো. আশিকুল ইসলাম, আনোয়ার মনসুর ভূইঁয়া, আপেল মন্ডল প্রমুখ।

/এএজে/আরকে/
সম্পর্কিত
হাইকোর্টের রায় ড. ইউনূসকে গুনতে হবে করের ৬৬৬ কোটি টাকা
এমপিওভুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষক-কর্মচারীদের অবস্থান
রাস্তা আটকে রাতেও চলছে আন্দোলন
সর্বশেষ খবর
বিয়ের পর স্বামীর পদবি নেওয়ার রীতি এলো যেভাবে
বিয়ের পর স্বামীর পদবি নেওয়ার রীতি এলো যেভাবে
দুই মন্দিরে চুরির ঘটনায় চার জন গ্রেফতার 
দুই মন্দিরে চুরির ঘটনায় চার জন গ্রেফতার 
সরকারি দায়িত্বে বিএনপির শীর্ষ নেতারা, মাঠের শূন্যতা পূরণ হবে কীভাবে
সরকারি দায়িত্বে বিএনপির শীর্ষ নেতারা, মাঠের শূন্যতা পূরণ হবে কীভাবে
অস্ত্র সমর্পণে ইরানি গোষ্ঠীগুলোকে নতুন সময় দিলো ইরাক
অস্ত্র সমর্পণে ইরানি গোষ্ঠীগুলোকে নতুন সময় দিলো ইরাক
সর্বাধিক পঠিত
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘বের করে দিলেন’ রুবিও
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘বের করে দিলেন’ রুবিও
এলপিজি: বেশি দামে বিক্রি হলে কঠোর ব্যবস্থা
এলপিজি: বেশি দামে বিক্রি হলে কঠোর ব্যবস্থা
‘আম্মার উড়ে আসা নেতা’, কার ওপর গজব পড়ার কথা বললেন উমামা
‘আম্মার উড়ে আসা নেতা’, কার ওপর গজব পড়ার কথা বললেন উমামা
স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে বের হয়ে যা বললেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি
স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে বের হয়ে যা বললেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি
বিএনপির রাজনীতিতে যেভাবে উত্থান ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির
বিএনপির রাজনীতিতে যেভাবে উত্থান ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির