রাজধানীর মিরপুরের বড়বাগে স্বামীর দেওয়ার আগুনে দগ্ধ শিফা আক্তার (১৯) মারা গেছেন। রবিবার (৫ জুলাই) বিকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক এ তথ্য জানান।
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার নওগাঁ গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে শিফা। একই উপজেলার বাসিন্দা সোহেল। বর্তমানে বড়বাগ আসমত গার্মেন্টেসের পাশে থাকতো তারা।
মৃতের স্বজনদের অভিযোগ, গত ২৪ জুন রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে শিফার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় সোহেল। আশপাশের লোকজন শিফাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করায়। চিকিৎসারা জানান, তার শরীরের ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
মৃতের বাবা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সোহেল ও শিফা দু-জনেই গার্মেন্টসে কাজ করতো। আট মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। সোহেলকে ছয় ভরি স্বর্ণ ও নগদ ২ লাখ টাকা যৌতুক দেওয়ার কথা ছিল। বিয়ের সময় ৫ ভরি স্বর্ণ ও কিছু টাকা দেওয়া হয়। দাবি করা বাকি টাকা দিতে না পারায় শিফাকে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় সে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শিফার মৃত্যু হয়।
মো. ফারুক বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।









