X
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২
১২ আশ্বিন ১৪২৯

কেজি চারশ’ কেজি চারশ’

আমানুর রহমান রনি
২১ জুলাই ২০২১, ২১:১৪আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ২২:০৭

কেজি চারশ’, কেজি চারশ’—রাজধানীর আসাদগেটে ফুটপাতে পলিথিন বিছিয়ে মাংসের ভাগ দিয়ে দাঁড়িয়ে এভাবেই ক্রেতা ডাকছেন মজিবুর রহমান। ত্রিশোর্ধ্ব এই যুবক গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর বাসিন্দা। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে করে তারা একই এলাকার নয় জন একসঙ্গে মৌসুমি কসাই হিসেবে কাজ করতে ঢাকায় এসেছেন। প্রতিবছরই আসেন। এবারও কেটেকুটে দেওয়ার জন্য কোরবানির আগেই ঠিক করে রেখেছিলেন ছয়টি গরু। দিনশেষে পশুর মালিক যে মাংস দিয়েছেন তার কিছু অংশ বাড়ি নিয়ে যাবেন, আর বেশিরভাগই বিক্রির জন্য পথে দাঁড়িয়েছেন।

বুধবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় আসাদগেটের ফুটপাতে এমন চিত্র দেখা গেছে। ৪০০ টাকা করে প্রতিকেজি গরুর মাংসের দাম হাঁকলেও বিক্রি হচ্ছে তার চেয়ে কম টাকায়। ক্রেতার ভিড়ও কম। আকলিমাকে এসে মজিবুরের সঙ্গে মাংস কিনতে দরকষাকষি করতে দেখা গেছে। তিনি প্রতিকেজি ৩০০ টাকা দাম বলছেন। একপর্যায়ে ৩০০ টাকা দরেই দুই কেজি নিয়ে চলে গেছেন আকলিমা।

তবে এসব মাংসে বেশিরভাগ হাড়, চর্বি। তাই ক্রেতাদের কেনার সময় বাছাই করে নিতে দেখা গেছে।

কেজি চারশ’ কেজি চারশ’

সাধারণত নিম্ন মধ্যবিত্ত ও খেটে খাওয়া মানুষ এসব মাংস কিনে থাকেন। রাজধানীর কারওয়ান বাজার, ফার্মেগট, ধানমন্ডি, মিরপুর ১, মহাখালী, বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির মাংস এভাবে ভাগ করে বিক্রি করতে দেখা গেছে। বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে দিনব্যাপী মাংস সংগ্রহ করেও বিক্রি করছেন অনেকে। 

মাংস বিক্রেতা মজিবুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রাতের মধ্যেই সব মাংস বিক্রি করে গাইবান্ধা চলে যাবো। কয়েকটা হোটেলও আমাদের কাছ থেকে মাংস নেবে বলছে। আমাদের ৩০ থেকে ৪০ কেজি মাংস হয়েছে। দর যা পাই তাতেই দিয়ে যাবো। এগুলো নিয়ে তো বসে থাকা যাবে না।

রীতি অনুযায়ী, কোরবানির পশুর মাংস তিনভাগ করে একভাগ গরিব-দুস্থদের মাঝে বণ্টন করা হয়ে থাকে। দিনব্যাপী বিভিন্ন বাসাবাড়িতে নিম্ন আয়ের মানুষ ও গরিব মানুষ বাসাবাড়ি থেকে এই মাংস সংগ্রহ করে থাকেন। যার একটা অংশ বিক্রি করে দেন তারা। যারা কোরবানি দিতে পারেন না তারা কম দামে এই হাট থেকে মাংস কিনে নেন। ঈদের দিনে মাংস বিক্রি এবং কেনার জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জমজমাট মাংসের বাজার বসে।

হিসাব করে দেখা যায়, কোরবানির গরু কেনা, হাসিল পরিশোধ আর কসাইয়ের মজুরি দেওয়ার পর প্রতিকেজি মাংসের মূল্য দাঁড়ায় ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা। কোরবানির সেই মাংসই হাত ঘুরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা কেজি দরে।

/ইউএস/এমওএফ/
সম্পর্কিত
স্বস্তি নেই ফলের বাজারেও
স্বস্তি নেই ফলের বাজারেও
বছরে ছয় কোটি টাকার জন্য ধ্বংস করা হয়েছে জাফলং-বিছানাকান্দি
বছরে ছয় কোটি টাকার জন্য ধ্বংস করা হয়েছে জাফলং-বিছানাকান্দি
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি 
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি 
হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিস ডিপোতে ‘বিস্ফোরণ’, নিহত ১ 
হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিস ডিপোতে ‘বিস্ফোরণ’, নিহত ১ 
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
বঙ্গমাতা সেতুর পিলারে মালবাহী জাহাজের ধাক্কা
বঙ্গমাতা সেতুর পিলারে মালবাহী জাহাজের ধাক্কা
আদিতির হত্যাকারীর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
আদিতির হত্যাকারীর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পিবিআই’র চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার
কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পিবিআই’র চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার
শিল্পকলায় নাট্যকেন্দ্রের ১৫তম প্রযোজনা
শিল্পকলায় নাট্যকেন্দ্রের ১৫তম প্রযোজনা
এ বিভাগের সর্বশেষ
স্বস্তি নেই ফলের বাজারেও
স্বস্তি নেই ফলের বাজারেও
বছরে ছয় কোটি টাকার জন্য ধ্বংস করা হয়েছে জাফলং-বিছানাকান্দি
বছরে ছয় কোটি টাকার জন্য ধ্বংস করা হয়েছে জাফলং-বিছানাকান্দি
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি 
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি 
হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিস ডিপোতে ‘বিস্ফোরণ’, নিহত ১ 
হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিস ডিপোতে ‘বিস্ফোরণ’, নিহত ১ 
জমে উঠেছে পূজার কেনাকাটা (ফটো স্টোরি)
জমে উঠেছে পূজার কেনাকাটা (ফটো স্টোরি)