প্রশ্নফাঁস: ৭৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৭:২৮, জুন ২৬, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৩৬, জুন ২৬, ২০১৯

আদালত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় ১২৫ জনের বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আমলে নিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আদালত ঢাবির ছাত্রসহ ৭৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

বুধবার (২৬ জুন) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক সরাফুজ্জামান আনছারী এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট থানার (শাহবাগ) সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) উপ-পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সরাফুজ্জামান আনছারী বলেন, ‘মামলাটিতে অভিযুক্ত ১২৫ জনের মধ্যে ৭৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। বাকি ৪৭ জন আসামি জামিনে আছেন। এ মামলার গ্রেফতার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের জন্য আগামী ৩০ জুলাই দিন ধার্য করেন আদালত।’

এর আগে ২৩ জুন ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের জিআর শাখায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সুমন কুমার দাস।

অভিযোগপত্রে উল্লেখিত আসামিরা হলেন– ইব্রাহিম, অলিপ কুমার বিশ্বাস, মোস্তফা কামাল, হাফিজুর রহমান, মাসুদ রহমান তাজুল, রিমন হোসেন, মহিউদ্দিন রানা, আইয়ুব আলী বাধন, আবদুল্লাহ আল মামুন, ইশরাক হোসেন রাফি, জাহাঙ্গীর আলম, মামুন মিয়া, অসিম বিশ্বাস, অনোয়ার হোসেন, নুরুল ইসলাম, হাসমত আলী সিকদার, হোসনে আরা বেগম, গোলাম মো. বাবুল, টি এম তানভির হাসনাইন, সুজাউর রহমান সাম্য, রাফসান করিম, আখিনুর রহমান অনিক, নাজমুল হাসান নাঈম, ফারজাদ ছোবহান নাফি, আনিন চৌধুরী, রকিবুল হাসান ইসামী, বনি ইসরাইল, মারুফ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, খান বহাদুর, কাজী মিনহাজুল ইসলাম, নাহিদ ইফতেখার, রিফাত হোসেন, বায়েজিদ, ফারদিন আহম্মেদ সাব্বির, তানভির আহম্মেদ মল্লিক, প্রসেনজিত দাস, আজিজুল হাকিম, নাভিদ আনজুম তনয়, সালমান এফ রহমান হৃদয়, সজীব আহাম্মেদ, শিহাব হোসেন খান, এনামুল হক আকাশ, মোশারফ মোসা, মোহায়মেনুল ইসলাম বাঁধন, সাইদুর রহমান, আব্দুর রহমান রমিজ, গোলাম রাব্বী খান জেনিথ, উৎপল বিশ্বাস, বেলাল হোসেন বাপ্পী, মশিউর রহমান সমীর, আবু জুনায়েদ সাকিব, মোস্তাফিজ-উর-রহমান মিজান, আবুল কালাম আজাদ, শরমিলা আক্তার আশা, মাসুদ রানা, জেরিন হোসাইন, শেখ জাহিদ বিন হোসেন ইমন, তাজুল ইসলাম সম্রাট, আবির হাসান হৃদয়, মোর্শেদা আক্তার, সালমান হাবিব আকাশ, আলামিন, শাহ মেহেদী হাসান হৃদয়, অনিকা বৃষ্টি, ফিওনা মহিউদ্দিন মৌমি, সিনথিয়া আহম্মেদ, শাবিরুল ইসলাম সনেট, লাভলুর রহমান লাভলু, ইছাহাক আলী ইছা, আব্দুল ওয়াহিদ মিশন, তানজিনা সুলতানা ইভা, ইশরাত জাহান ছন্দা, আশেক মাহমুদ জয়, নাফিসা তাসনিম বিন্তী, প্রনয় পান্ডে, নুরুল্লাহ নয়ন, জিয়াউল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম আরিফ, জাকিয়া সুলতানা, শাদমান শাহ, সাদিয়া সিগমা, রবিউল ইসলাম রবি, মেহেজাবীন অনন্যা, রাকিবুল হাসান, এম. ফাইজার নাঈম সাগর, সাদিয়া সুলতানা এশা, সামিয়া সুলতানা, ফাতেমা আক্তার তামান্না, নওশীন আফরিন মিথিলা, আমরিন আলম জুটি, সুবহা লিয়ানা তালুকদার, মোহাইমিনুল রায়হান ফারুক, সাফায়েতে নূর সাইয়ারা নোশিন, মাসুদ রানা, ইখতেখার আলম জিসান, রাকিব হাসান, খালিদ হাসান, আজলান শাহ ফাহাদ, সৌভিক সরকার, রিজন আহমদ পাঠান, মাহবুব আলম সিদ্দিকী সম্রাট, হাসিবুর রশিদ, আফসানা নওরিন ঋতু, মারুফ হাসান খান, তৌহিদুল হাসান আকাশ, শাহাদৎ আল ফেরদৌস ফাহিম, আয়েশা আক্তার তামান্না, ফাতেমা তুজ জোহরা মীম, শ্বাষত কুমার ঘোষ শুভ, রাসেল আলী, রাজীবুল ইসলাম রাজীব, আবু মাসুম, জান্নাত সুলতানা, জিএম রাফসান কবির, সাগর সাহা, সাদেকুল ইসলাম সুমন, আব্দুল্লাহ, খাইরুজ্জামান সরকার সুজন, শাহেদ আহমেদ, মুহাইমিনুল ইসলাম মাসুদ, আশরাফুল আলম, হাসিবুর রহমান রুবেল এবং মাকসুদুর রহমান শুভ।

এর মধ্যে যারা জামিনে তারা হলেন– ইব্রাহিম, মহিউদ্দিন রানা, আবদুল্লাহ আল মামুন, হাফিজুর রহমান, রিমন হোসেন, মোস্তফা কামাল, অলিপ কুমার বিশ্বাস, আইয়ুব আলী বাধন, রকিবুল হাসান এছামী, নাভিদ আঞ্জুম তনয়, বনি ইসরাইল, মারুফ হোসেন, অনোয়ার হোসেন, নুরুল ইসলাম, হাসমত আলী সিকদার, হোসনে আরা বেগম, গোলাম মো. বাবুল, সাইফুল ইসলাম, খান বহাদুর, কাজী মিনহাজুল ইসলাম, সুজাউর রহমান সাম্য, রাফসান করিম, আখিনুর রহমান অনিক, নাজমুল হাসান নাঈম, সালমান এফ রহমান হৃদয়, সজীব আহাম্মেদ, শিহাব হোসেন খান, জাহাঙ্গীর আলম, শাহ মেহেদী হাসান হৃদয়, অসিম বিশ্বাস, সাইদুর রহমান, টি এম তানভীর হাসনাইন, ফারজাদ ছোবহান নাফি, আনিন চৌধুরী, নাহিদ ইফতেখার, এস এম রিফাত হোসেন, বায়োজিদ, ফারদিন আহমেদ সাবির, তানভীর আহমেদ মল্লিক, প্রসেনজিৎ কুমার দাস, আজিজুল হাকিম, এনামুল হক আকাশ, মোশারফ, আব্দুর রহমান, মোহায়মেনুল ইসলাম ও মামুন মিয়া।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে বলেন, ‘৮৯ জন আসামির নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই করে পরে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর পুলিশ পরিদর্শক (অর্গানাইজড ক্রাইম) মো. আশরাফুজ্জামান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

 

/টিএইচ/এমএ/

লাইভ

টপ