করোনা নিয়ে গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা: আইজিপি

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:০১, মার্চ ২৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:২৪, মার্চ ২৯, ২০২০

করোনাভাইরাস সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব রটালে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি বলেন, পুলিশ নিয়মিত ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটর করছে। ইতোমধ্যে করোনাভাইরাস নিয়ে গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে।
রবিবার (২৯ মার্চ) ওভারসিস চায়নিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (ওসিএআইবি) করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই), মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, স্যানিটাইজার পুলিশকে হস্তান্তর করে। এই হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরে থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে যাবেন না। অতি জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে পেশাদার, সহিষ্ণু ও মানবিক আচরণ করার জন্য পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আইজিপি আরও বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে পুলিশের প্রতিটি ইউনিট শুরু থেকেই একযোগে কাজ করছে। পুলিশ সদস্যদের করণীয়-বর্জনীয় সম্পর্কে নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে। যেসব পুলিশ সদস্য করোনাভাইরাসে মৃত ব্যক্তিদের জানাজা ও দাফনে অংশ নিচ্ছে তাদের জন্য বিশেষ পিপিইসহ অন্যান্য সুরক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণ রোধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে দেশব্যাপী ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে পুলিশ। এ কাজে মাইকিং করা হচ্ছে। প্রয়োজনে মসজিদের মাইকও ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয় ক্যাবল টিভির মাধ্যমেও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় নিয়মিত জরুরি নির্দেশনা প্রচার করা হচ্ছে।
জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, পুলিশ সদস্যরা জনগণের মধ্যে মাস্ক, স্যানিটাইজার, জীবাণুনাশক বিতরণ করছে। পুলিশের গাড়ি দিয়ে সীমিত পরিসরে বিভিন্ন স্থানে জীবাণুনাশক ছিটানো হচ্ছে। কোয়ারেন্টিনে থাকা মানুষদের বাড়িতে খাবারও পাঠাচ্ছে পুলিশ। টেলিফোন করলে তাদের বাড়িতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও পাঠাচ্ছে পুলিশ। ডিএমপি, সিএমপির মতো বড় বড় পুলিশ ইউনিট দুস্থদের মাঝে বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করছে।
আইজিপি বলেন, পুলিশ বিদেশ ফেরতদের তালিকা সংশ্লিষ্ট এসপিদের কাছে পাঠিয়ে নিয়মিত মনিটরিংয়ের আওতায় নিয়ে এসেছে। বিদেশ ফেরতদের বাড়িগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। করোনাভাইরাস সম্পর্কে পুলিশের সার্বিক কার্যক্রম মনিটর করার জন্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল কাজ করছে।
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

/জেইউ/এইচআই/এমওএফ/

লাইভ

টপ