কিট ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আইনি নোটিশ, জানে না গণস্বাস্থ্য

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২২:১৭, জুন ০৫, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:২৯, জুন ০৫, ২০২০

অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনুগণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত করোনা টেস্ট কিট জনসাধারণের স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু। শুক্রবার (৫ জুন) স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের পরিচালককে ইমেইল ও কুরিয়ারের মাধ্যমে এই নোটিশ পাঠানো হয়। তবে নোটিশের বিষয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র কিছুই জানে না বলে বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কিট প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ডা. মুহিব উল্লাহ খন্দকার।

গণস্বাস্থ্যকে না জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে জুলফিকার আলী বলেন, ‘জনস্বার্থ বিষয়ে যে কেউ নোটিশ দিতে পারেন। এর জন্য কারও অনুমতি নিতে হয় না।’ 

জুলফিকার আলীর নোটিশে বলা হয়েছে, সম্প্রতি মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি, দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র করোনা পরীক্ষার টেস্ট কিট উদ্ভাবন করেছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ড. জাফরুল্লাহর দাবি অনুযায়ী, এই কিট দিয়ে স্বল্প খরচে মানুষ করোনা টেস্ট করতে পারবে। কিন্তু গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট আবিষ্কারের ঘোষণা দুই মাসেরও বেশি সময় আগে আসলেও এখনও পর্যন্ত ওষুধ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এর অনুমোদন দেয়নি। দেশে তৈরি স্বল্প খরচের এই করোনা টেস্ট কিটকে কেন অনুমোদন দিতে বিলম্ব হচ্ছে, তা দেশের সাধারণ মানুষের কাছে অস্পষ্ট।

এতে আরও বলা হয়, করোনার মরণ থাবা থেকে দেশের মানুষকে রক্ষায় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়ার ক্ষেত্রে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট দেশের মানুষের চিকিৎসা সেবায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে বলে সুশীল সমাজ মনে করে। তাই এই কিট জরুরি-ভিত্তিতে জনসাধারণের ব্যবহারের লক্ষ্যে ওষুধ প্রশাসনের অনুমোদন লাভে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের অনুরোধ করছি।’

এই আইনি নোটিশ পাওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গণস্বাস্থ্যের কিট অনুমোদনের বিষয়ে যথাযথ নির্দেশনা না দিলে বা অনুমোদনে বিলম্ব হলে, এর ব্যাখ্যা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে জানানো হয়।
নোটিশের বিষয়ে জানতে চাইলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ‘জিআর র‌্যাপিড ডট ব্লট' কিট প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ডা. মুহিব উল্লাহ খন্দকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা কাউকে কোনও নোটিশ দিইনি। আপনার কাছে আমি প্রথম শুনলাম। কোনও আইনজীবীও এ বিষয়ে আমাদের কাছ থেকে কোনও অনুমতি নেননি। কেউ এ রকম নোটিশ দিলে তার দায় আমাদের নয়।’

/বিএইচ/এএইচআর/আইএ/

লাইভ

টপ