আবারও মুখোমুখি করা হবে আরিফ ও সাবরিনাকে

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৩:৪১, জুলাই ১৬, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৩১, জুলাই ১৬, ২০২০

ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও আরিফুল হক চৌধুরীকরোনা পরীক্ষার নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার জেকেজি হেলথ কেয়ারের প্রধান নির্বাহী আরিফুল হক চৌধুরী ও তার স্ত্রী ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে আবারও মুখোমুখি করা হবে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন এই তথ্য জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই)  বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয় গেটে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।

আজ আরিফ ও সাবরিনাকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায়ও তাদের একদফা মুখোমুখি করা হয়েছিল। আজ তাদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় ডিবি কার্যালয়ে আরিফকে দেখে খেপে ওঠেন সাবরিনা। তিনি বলেন, আরিফের জন্যই আজ তার এই অবস্থা। একই সঙ্গে করোনা জালিয়াতির বিষয়ে নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও অস্বীকারও করেন তিনি।

আব্দুল বাতেন বলেন, ‘জেকেজি অনলাইনে বেশি অভিযোগ করতো।  তারা টাকা কোথায় রেখেছে তা খোঁজা হবে। ব্যাংকগুলো খতিয়ে দেখা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাবরিনার রিমান্ড আজ শেষ হবে। আরিফ আজ রিমান্ডে আসছে। সাবরিনাকে ফের  রিমান্ডে এনে মুখোমুখি করা হবে। এই কোম্পানিতে কার কী অবদান, কার কী দায়িত্ব ছিল তা তদন্ত করে দেখা হবে।  যার যতটুকু দায় সেই অনুযায়ী তদন্ত করে দেখা হবে।’

বাসা থেকে সংগ্রহ করা করোনা পরীক্ষার নমুনা স্বাস্থ্য অধিদফতরে না পাঠিয়ে বা পরীক্ষা না করেই ফলাফল জানানোর অভিযোগে গত ২৩ জুন তেজগাঁও থানা পুলিশ জেকেজির সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ জুলাই গ্রেফতার করা হয় এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকারী ও আরিফুল হক চৌধুরীর স্ত্রী ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে। প্রথমে থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করলেও পরে তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, জেকেজির সিইও আরিফ চৌধুরীকে গত বুধবার দ্বিতীয় দফায় আরও চার দিনের রিমান্ডে আনা হয়। এর আগে গত সোমবার (১৩ জুলাই) ডা. সাবরিনাকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল ডিবি পুলিশ। ডা. সাবরিনার আজ (বৃহস্পতিবার) রিমান্ড শেষ হওয়ার কথা। শুক্রবার তাকে আবারও দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জেকেজি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থের বিনিময়ে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করতো। এসব নমুনা পরীক্ষা না করে তা ড্রেনে ফেলে দেওয়া হতো। পরে রোগীর লক্ষণ দেখে ভুয়া সনদ দেওয়া হতো। জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ চৌধুরী নিজেও এসব বিষয় স্বীকার করেছেন। এছাড়া জেকেজির একজন কর্মচারী আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতেও এসব তথ্য জানিয়েছে।

আরও পড়ুন- 

ক্ষেপে গিয়ে আরিফকে দোষারোপ সাবরিনার

আমি জেকেজির চেয়ারম্যান না: আদালতে সাবরিনা

 

 

/এআরআর/এফএস/

লাইভ

টপ