সরকারি জমি আত্মসাৎ: জাপা নেতা ফিরোজ রশীদের বিরুদ্ধে চার্জশিট

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:৪৯, আগস্ট ১০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৪৯, আগস্ট ১০, ২০২০

কাজী ফিরোজ রশীদধানমন্ডি আবাসিক এলাকার এক বিঘা সরকারি জমি জালিয়াতি করে আত্মসাতের মামলায় জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক এমপি কাজী ফিরোজ রশীদের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১০ আগস্ট) আদালতে দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ উর রহমান চার্জশিটটি ‘দেখিলাম’ বলে স্বাক্ষর করে বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

দুদক সূত্রে জানা যায়, ১৯৫১ সালের ৩ নভেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডে অবস্থিত এক বিঘা আয়তনের সরকারি জমিসহ বাড়ি, যা তৎকালীন কানাডার হাইকমিশনার মোহাম্মদ আলীর অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে মরহুম মোহাম্মদ আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী বেগম আলিয়া মোহাম্মদ আলী, ছেলে সৈয়দ মাহমুদ আলী ও মেয়ে সৈয়দা মাহমুদা আলীর নামে হস্তান্তরে অনুমতিসহ ১৯৭০ সালের ৩০ মে মাসে নামজারি করা হয়।

১৯৭০ সালের ২২ মে মন্ত্রণালয় থেকে তাদের হস্তান্তরের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু ১৯৭৯ সালের ১৬ আগস্ট সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ রেজিস্ট্রিকৃত ডেড অব এগ্রিমেন্ট ফর সেল নম্বর- ৩১১৫৪ দলিলে ভুয়া দাতা বেগম আলীয়া মোহাম্মদ আলী ও সাক্ষী কাজী আরিফুর রহমান সাজিয়ে ও কাগজপত্রে দেখিয়ে ওই সময়ের তৎকালীন জেলা রেজিস্ট্রার এম আহমেদের সহযোগিতায়  ওই সম্পত্তি দখল করেন।

দুদক সূত্রে আরও জানা যায়, দুদকের অনুসন্ধানে ওই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। তবে তৎকালীন জেলা রেজিস্ট্রার এম আহমেদের বিরুদ্ধে কোনও তথ্য না পাওয়ায় তাকে এজাহারভুক্ত করা হয়নি। মামলার এজাহারে ঘটনার সময়কাল ধরা হয়েছে ১৯৭৯ সালের ৯ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত।

অভিযোগ অনুসন্ধানে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি অভিযোগটি অস্বীকার করেন।এরপর ২০১৬ সালের ৮ মার্চ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় দুদক পরিচালক (সাবেক উপপরিচালক) জুলফিকার আলী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

 

 

/টিএইচ/এফএস/

লাইভ

টপ