‘করোনা সংক্রমণের শুরুর থেকেই সমন্বয় করে কাজ হচ্ছে’

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০৪:৩৯, জুন ২৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৪৫, জুন ২৮, ২০২০




 করোনা বিষয়ে অনলাইন আলোচনাক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ আয়োজিত অনলাইন আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, দেশে করোনা সংক্রমণের শুরুর দিক থেকেই সমন্বিতভাবে কাজ হচ্ছে। এক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং জনপ্রতিনিধিরা সমন্বয় করে কাজ করছেন। যখন করোনা বাংলাদেশকে বিপর্যস্ত করে তুললো, তখন সেই জনপ্রতিনিধিরাই গ্রামেগঞ্জে ঘুরে ঘুরে মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়েছেন, অসহায় মানুষের মধ্যে দিন-রাত খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন।

শনিবার (২৭ জুন) রাতে করোনা সংকট নিয়ে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান ‘বিয়ন্ড দ্য প্যানডেমিক’-এর সপ্তম পর্বে আলোচকরা এসব কথা বলেন। বরাবরের মতো পর্বটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ এবং ইউটিউব চ্যানেলে। একইসঙ্গে বিজয় টিভির পর্দায় এবং সমকাল, ইত্তেফাক ও বিডি নিউজের ফেসবুক পেজে এর সরাসরি সম্প্রচার হয়।

এবারের পর্বের আলোচ্য বিষয় ‘জনস্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার’ যেখানে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিরা এই সংকটে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরি, স্বাস্থ্যবিধি পালনে উদ্বুদ্ধ করা, জলাবদ্ধতা নিরসন, জনগণের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছেন। ডেঙ্গু নিধন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নকল স্বাস্থ্য উপকরণ বন্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদের সঞ্চালনায় এতে আলোচক হিসেবে ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান (লিটন), নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু।

ফেসবুক কমেন্টের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি তাদের প্রশ্নগুলো আলোচকদের কাছে তুলে ধরেছেন। করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ও আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড নিয়ে তাদের ভাবনা ও প্রত্যাশা সরাসরি জানানোর সুযোগ সৃষ্টির জন্যই ‘বিয়ন্ড দ্য প্যানডেমিক’ নামে আলোচনা অনুষ্ঠানটি নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে।

আলোচনায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, যখন করোনা বাংলাদেশকে বিপর্যস্ত করে তুললো, তখন জনপ্রতিনিধিরাই গ্রামেগঞ্জে ঘুরে ঘুরে মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়েছেন, অসহায় মানুষের মধ্যে দিন-রাত খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন।

এসময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করতে সর্বদা চেষ্টা করবো, সেইসঙ্গে জনগণকেও সচেতন হতে হবে।

দক্ষিণ সিটির মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, আমরা প্রথমেই করোনা মোকাবিলায় ত্রাণ বিতরন করেছি, জনসচেতনতার জন্য মাইকিং চলছে।

এসময় রাজশাহী সিটি করপোরেশন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, করোনার শুরুতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আমরা পিসিআর ল্যাব স্থাপনে কাজ করেছি। ক্রমান্বয়ে স্বেচ্ছাসেবীসহ কর্মকর্তারা প্রতি ওয়ার্ডে সচেতনামূলক কাজ করেছেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, নারায়ণগঞ্জকে করোনা সংক্রমণের হটস্পট ধরা হয়। এ অবস্থায় নারায়ণগঞ্জের পিসিআর ল্যাবে নিয়মিত টেস্ট করানো হচ্ছে। নমুনা সংগ্রহ থেকে শুরু করে মৃত ব্যক্তির লাশ দাফনেও কাজ করে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা।

এর আগে, বিয়ন্ড দ্য প্যান্ডেমিকের ছয়টি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বশেষ পর্বটি প্রচারিত হয়েছে গত ১৬ জুন (মঙ্গলবার)। এই পর্বে আলোচকরা জাতীয় বাজেট এবং মানুষের জীবনে এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।

 

/এমএইচবি/টিটি/

লাইভ

টপ