সরকার ক্ষমতায় থাকতে ভোটের ওপর নির্ভর করে না: সাকি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৮ মার্চ ২০২৪, ১৬:১১আপডেট : ২৮ মার্চ ২০২৪, ১৬:১১

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা এবং গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, আমাদের দেশে একটা সরকার আছে, যারা ক্ষমতায় থাকার জন্য মানুষের ভোটের ওপর  নির্ভর করে না। তিনি বলেন, ‘তারা (সরকার) আমাদের ভোটকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখায়। জনগণকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে ক্ষমতায় থাকা এত সহজ নয়।’

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ভাসানী অনুসারী পরিষদ উদ্যোগে বিএসএফ কর্তৃক বার বার সীমান্তে নিরীহ নিরপরাধ বাংলাদেশি মানুষ হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘‘আজকে ভারতের বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশের মানুষ নিহত হয়। এই সরকার সেটির প্রতিবাদ পর্যন্ত করতে পারে না। এর কারণ হলো— এই সরকার ভারতের অনুগ্রহে ক্ষমতায় বসে আছে। এখন ওবায়দুল কাদেরও বলেন, ‘ভারত পাশে ছিল বলেই আমরা ক্ষমতায় আছি। ভারত পাশে ছিল বলেই নির্বাচনে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারেনি।’ কোনও দেশের মন্ত্রী এরকম একটি বক্তব্য দিয়ে কি ক্ষমতায় থাকতে পারেন? তাকে তো দেশদ্রোহী বলা উচিত। কারণ, তিনি একটি স্বাধীন দেশের মন্ত্রী হয়ে বলেন— আরেক দেশ তার পাশে ছিল বলে ক্ষমতায় আছেন। আপনারা দেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে সেটি আবার বুক ফুলিয়ে বলছেন।’’

ভারত আমাদের বন্ধু দেশ হতে পারে না মন্তব্য  করে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘২৬ মার্চ যখন আমরা স্বাধীনতা দিবস পালন করছি, ভারতকে যখন আমরা ফোন করে সংবর্ধনা জানাই, তখন তারা আমাদের দুটো লাশ উপহার দিয়েছে। এটা কোনও বন্ধু দেশের নমুনা হতে পারে না। ভারত আমাদের বন্ধু দেশ নয়। যদি বন্ধু দেশ হতো— তাহলে তারা এভাবে পাখির মতো সীমান্তে আমাদের দেশের মানুষকে মারতে পারতো না।’ 

ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে এসময় বিক্ষোভ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন— জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম প্রমুখ।

/এএজে/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে