প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে এখন পর্যন্ত আধিপত্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের। প্রথম সেশনে দুর্দান্ত বোলিংয়ে বাংলাদেশকে ২৭২ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় সেশনে ব্যাট হাতে দাপট দেখিয়েছে সফরকারীরা। আগেভাগে নেওয়া চায়ের বিরতির আগে দ্বিতীয় সেশনে একটি উইকেট হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৭ ওভারে এই সময়ে তারা তুলেছে ৮৯ রান।
ফিফটির দেখা পেয়েয়ছেন ওপেনার জন ক্যাম্পবেল। ৫৩ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। সঙ্গে ২১ রানে রয়েছেন ত্যাজনারায়ণ চন্দরপল। লাঞ্চের পর পঞ্চম ওভারে আরেক ওপেনার ব্র্যান্ডন কিংয়ের উইকেটটি নিয়েছেন হাসান মাহমুদ।
মূলত মেঘলা আকাশে আলোর স্বল্পতা থাকায় একটু আগেই চায়ের বিরতির ঘোষণা দেন আম্পায়াররা। সফরকারীরা এখনও পিছিয়ে ১৮৩ রানে। পরে অবশ্য এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু করা যায়নি।
অবশ্য এই সময়ে ভাগ্যের ছোঁয়াও পেয়েছেন ক্যাম্পবেল। দুবার জীবন পেয়েছেন তিনি।
এর আগে সকালের সেশনে মাত্র ৫৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। লাঞ্চের আগে তারা ২৭২ রানেই গুটিয়ে গেছে।
সাদমান ইসলামের ১০৫ এবং তাওহীদ হৃদয়ের ৪২ রানের ইনিংসের পর বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ ষষ্ঠ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে মিরাজ ১৫ রান করে ফিরলে আবারও বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
জোমেল ওয়ারিকানের সোজা হয়ে আসা বলে বোল্ড হন মিরাজ। এরপর বাংলাদেশের লেজ গুটিয়ে দেন ওয়ারিকান ও তার সতীর্থরা। নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম- শেষ চার ব্যাটারের সম্মিলিত সংগ্রহ ছিল মাত্র ১২ রান।
অন্য প্রান্তে অবশ্য লড়াই চালিয়ে যান লিটন দাস। ৮৮ বল খেলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
ওয়ারিকান শেষ পর্যন্ত পাঁচ উইকেট তুলে নেন। টেস্ট ক্রিকেটে এটি তার চতুর্থবারের মতো ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার নজির। জশুয়া বিশপ ও শামার জোসেফ নেন দুটি করে উইকেট।