ব্রাজিলের সামনে সহজ সমীকরণ। ড্র করলেই বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সেলেসাওরা। তবে কোস্টারিকার বিপক্ষে জ্বলে ওঠা ব্রাজিল কি আর ড্রয়ের জন্য মাঠে নামবে! তাছাড়া গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিষয়টিও রয়েছে। সার্বিয়ার বিপক্ষে জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামা ব্রাজিলের নেতৃত্বের ভার মিরান্দার কাঁধে।
তিতে কোচ হওয়ার পর থেকে ব্রাজিলের ‘একক অধিনায়কত্ব’ প্রথা উঠে গেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একাদশে থাকা খেলোয়াড়দের বাহুতে দিচ্ছেন অধিনায়কত্বের ‘ব্যান্ড’। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই যেমন অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন মার্সেলো। কোস্টারিকার বিপক্ষে আগের ম্যাচে নেতৃত্বে ছিলেন থিয়াগো সিলভা। আর সার্বিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে অধিনায়ক আরেক ডিফেন্ডার মিরান্দা।
তিতে কোচ হওয়ার পর নির্দিষ্ট কারও কাছে থাকেনি অধিনায়কত্বের দায়িত্ব। তার অধীনে ২৩ ম্যাচে ১৫ জন আলাদা অধিনায়ক খেলেছে ব্রাজিল দলে। ‘প্রফেসর কোচ’ হিসেবে পরিচিত তিতের ট্যাকটিকসের একটি অংশ এটিও।
৫৭ বছর বয়সী এই কোচ মনে করেন, দলের সবাই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়, তাই সবাই দলের ‘নেতা’। ক্রিকেটের মতো ফুটবলের অধিনায়ক অতটা গুরুত্বপূর্ণ না হলেও নেতৃত্বের বিষয়টি সব জায়গাতেই প্রয়োজন। তাই অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ড পরাটা যে কোনও খেলোয়াড়ের কাছেই চাপের। সেই চাপ থেকে খেলোয়াড়দের মুক্ত রাখতেই তিতের এই ‘বদল কৌশল’।
আর এই কৌশল যখন কাজে আসছে, তখন তা প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগও নেই। আলাদা আলাদা নেতৃত্বে খেললেও তিতের ব্রাজিল হেরেছে কিন্তু মাত্র এক ম্যাচে!








