আলফোন্সো ডেভিস, ফুটবলে অজনপ্রিয় দল কানাডার জাতীয় দলের খেলোয়াড় হলেও বায়ার্ন মিউনিখে খেলার সুবাদে বেশ পরিচিত নাম। কোপা আমেরিকায় অভিষেকেই বাজিমাত করে ফাইনালের সুবাস পাচ্ছে তার দল কানাডা। এজন্য পার হতে হবে আর্জেন্টিনা বাধা, যে দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গে চারবারের দেখায় তিনবারই জয়ের মুখ দেখেছেন ডেভিস। আরেকটি ম্যাচ জিতলেই স্বপ্নের ফাইনাল। সেমিফাইনালে তাই মেসিদের বিপক্ষে যুদ্ধের ঘোষণা দিলেন ২৩ বছর বয়সী লেফটব্যাক।
ক্লাব ক্যারিয়ারে বায়ার্নের হয়ে তিনবারের দেখায় মেসিকে হারানোর স্বাদ পান ডেভিস। যদিও তাকে আইডল হিসেবে মানেন তিনি। ২০২০ সালে বার্সাকে ৮-২ গোলে বিধ্বস্ত করার পর আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের জার্সি চেয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন তিনি। অবশ্য আড়াই বছরের অপেক্ষার পর মেসির পিএসজি জার্সি পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়েছিল। আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর আর্জেন্টিনা জার্সিও সম্প্রতি পেয়ে গেছেন। কিন্তু সেই ম্যাচে মেসির কাছে প্রথমবার হারের স্বাদ পান ডেভিস।
কোপায় অভিষেকে আর্জেন্টিনার কাছে ২-০ গোলে হেরে যায় ডেভিসের কানাডা। কোয়ার্টার ফাইনালে গ্রুপ ম্যাচের সবগুলো জেতা ভেনেজুয়েলাকে টাইব্রেকারে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে গেছে দল। জিতলেই ফাইনাল, হারলে বাড়ি ফেরা- এই ম্যাচে সর্বস্ব দিয়ে খেলবে কানাডা, বললেন এই তারকা ডিফেন্ডার।
গ্রুপে আলবিসেলেস্তেদের কাছে হারলেও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি নেই বললেন ডেভিস, ‘সবকিছু নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বো। পরিণতি কী হতে পারে, সেটা জেনেই খেলতে যাচ্ছি। জিতলে সামনে এগিয়ে যাবো, হারলে বাড়ি ফিরে যেতে হবে। তারাও সর্বস্ব নিয়ে মাঠে নামবে। আমরা এতটাই ক্ষুধার্ত যে যুদ্ধের প্রত্যাশা করছি, যেমনটা তারা করছে।’
চার কোয়ার্টার ফাইনালের তিনটিই নিষ্পত্তি হয়েছে পেনাল্টি শুটআউটে। কানাডা কোচ মার্শ বললেন, সেমিফাইনালে স্বাভাবিক খেলা খেলতে চায় তার দল, মানে আগ্রাসী।
তিনি বললেন, ‘আর্জেন্টিনার বিপক্ষে আমাদের খেলা হতে হবে দেশের ইতিহাসের সেরা। আমরা পেছনে বসে থেকে শুধু ডিফেন্ড করার চেষ্টা করবো না। আমরা আগ্রাসী হবো। যেভাবে আমরা খেলতে চাই, সেভাবে খেলতে যাচ্ছি আমরা, দেখা যাক সেটা ধরে রাখতে পারি কি না।’









