নিউ জার্সির মেটলাইফ মাঠে ফাইনাল ম্যাচটি হেরে যাওয়ার পর, আবারও একটি বিশ্বকাপ জয়ের এত কাছে এসেও তা হাতছাড়া হওয়ার কষ্ট লুকিয়ে রাখতে পারেননি মেসি। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর দেখা যায় লিওনেল মেসি মেটলাইফ স্টেডিয়ামের মাঠে শুয়ে আছেন এবং তার চোখে অশ্রু।
হারের এই তীব্র বেদনা যখন তিনি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছিলেন, ঠিক তখনই লামিন ইয়ামাল আর্জেন্টিনার এই কিংবদন্তির দিকে এগিয়ে যান এবং গভীর আবেগ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার সাথে তাকে জড়িয়ে ধরেন।
যদিও মেসি এবং লামিন ইয়ামাল এবারই প্রথম প্রতিপক্ষ হিসেবে একই মাঠ ভাগ করে নিয়েছেন, তবে প্রায় দুই দশক আগেই এক অপ্রত্যাশিত ঘটনায় তাদের গল্প একে অপরকে স্পর্শ করেছিল। ২০০৭ সালে, ২০ বছর বয়সী মেসি ইউনিসেফের একটি ক্যাম্পেইনের ফটোশুটে অংশ নিয়েছিলেন, যেখানে তাকে একটি নবজাতক শিশুর সাথে দেখা গিয়েছিল। বছরের ব্যবধানে সেই শিশুই আজ বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় তারকা হয়ে উঠেছেন—তিনি আর কেউ নন, লামিন ইয়ামাল।
ফাইনালের আগে ইয়ামালের প্রশংসা করে মেসি কথা বলেছিলেন। তবে ফাইনালটা নিজেদের মতো করে নিতে চান-তাও মনে করিয়ে দেন। কিন্তু একপেশে ম্যাচে আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয় ট্রফি হারিয়েছে। স্পেন দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে চ্যাম্পিয়নের স্বাদ পেয়েছে।
/টিএ/এফআর/







