ট্রান্সফার নিয়ে ভুল সংবাদ। আর সেই খবরই শেষ পর্যন্ত নিয়ে গেলো পুলিশি হেফাজতে!
বায়ার্ন মিউনিখের তারকা জামাল মুসিয়ালাকে দলে ভেড়ানোর খুব কাছাকাছি গ্যালাতাসারাই-এমন খবর প্রকাশ করার পরই তুরস্কের ক্রীড়া সাংবাদিক বুরহান জান তেরজি পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
গত ২৬ জুলাই তেরজি দাবি করেছিলেন, বায়ার্ন মিউনিখের জার্মান তারকা জামাল মুসিয়ালাকে দলে ভেড়ানোর খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে তুরস্কের ক্লাব গ্যালাতাসারাই।
তবে গ্যালাতাসারাই পরে সেই খবর অস্বীকার করেছে। ক্লাবটির পক্ষ থেকে মুসিয়ালাকে দলে নেওয়ার সম্ভাবনার খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়।
এমনকি ক্লাবটি ইঙ্গিত দেয়, তাদের ট্রান্সফার কার্যক্রমকে হেয় করার উদ্দেশ্যেই এমন খবর ছড়ানো হয়ে থাকতে পারে।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম হাবেরলারের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানা যায়, ‘জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার’ অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে তেরজিকে আটক করা হয়।
এই তদন্তের নির্দেশ দেয় বাকিরকয় চিফ পাবলিক প্রসিকিউটরস অফিস।
অন্যদিকে, দ্য সানের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দেশটির ডিসইনফরমেশন আইনের আওতায় কোনো ক্রীড়া সাংবাদিককে আটক করার ঘটনা হিসেবে এটি ছিল প্রথম বড় আলোচিত ঘটনা।
গ্যালাতাসারাই খবরটি অস্বীকার করার পরও তেরজি নিজের প্রতিবেদনের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। বরং প্রতিবেদনে তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, তিনি এই খবরের জন্য নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলছেন। অর্থাৎ, ক্লাবের অস্বীকৃতির পরও নিজের তথ্যের প্রতি আস্থা রেখেছিলেন এই সাংবাদিক।
তবে দীর্ঘ সময় পুলিশি হেফাজতে থাকতে হয়নি তেরজিকে। আটকের কয়েক ঘণ্টা পরই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তার ওপর কোনো বিশেষ বিধিনিষেধও আরোপ করা হয়নি।








