বাসায় চিকিৎসা নিয়েই নাফিস ইকবালের করোনা জয়

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:৪০, জুলাই ০২, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:৪০, জুলাই ০২, ২০২০

ছোট ভাই তামিম ইকবালের সঙ্গে নাফিস ইকবালক্রিকেটাঙ্গনে সুখবর। বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু ও তার পরিবারের করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির সুখবরের পরই পাওয়া গেল আরেকটি স্বস্তির খবর। প্রাণঘাতী ভাইরাস জয় করেছেন সাবেক ওপেনার নাফিস ইকবালও।

সাবেক এই ক্রিকেটারের সঙ্গে তার মা, দুই সন্তান ও বাসার গৃহকর্মীরও মুক্তি মিলেছে কোভিড-১৯ রোগ থেকে। বুধবার দ্বিতীয় দফা করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পান নাফিস। প্রত্যকের ফল ‘নেগেটিভ’ এসেছে। গত ১৩ জুন করোনা ধরা পড়ে নাফিস ও তার পরিবারের সদস্যদের।

আক্রান্ত হওয়ার পর ঘরে থেকেই চিকিৎসা নিয়েছেন নাফিস। চিকিৎসকের কথা মতো নিয়ম মেনে সবকিছু করেছেন তিনি। নিয়মিত কিছু ব্যায়াম করার পাশাপাশি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাওয়া-দাওয়া ছিল তালিকায়।

করোনামুক্তির পর নাফিস বলেছেন, ‘আমাদেরকে খুব বড় সমস্যায় পড়তে হয়নি। শুরুতে জ্বর ছিল। ঠান্ডা ছিল। হাঁচি-কাশি ছিল। ধীরে ধীরে জ্বর কমে আসে। আম্মাকে নিয়ে একটু চিন্তায় ছিলাম। উনার বয়সও হয়েছে। টুকটাক শারীরিক সমস্যা ছিল। তবে এখন সবাই সুস্থ হয়ে উঠেছে। আমাদের সবার করোনা রেজাল্ট নেগেটিভ এসেছে। বাসাতেই ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে সুস্থ হয়ে উঠেছি।’

বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক ও ওপেনার তামিম ইকবালের বড় ভাই নাফিস। করোনা মহামারীর শুরু থেকেই দুস্থদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তামিম। বড় ভাই নাফিসও অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকি তামিমের বেশ কিছু উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে মাঠেও ছিলেন নাফিস।

২০০৪ সালে ঢাকায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে অভিষেক হয় নাফিসের। তারও আগে আন্তর্জাতিক আঙিনায় পা রাখেন তিনি ওয়ানডেতে দিয়ে, ২০০৩ সালে চট্টগ্রামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। জাতীয় দলের হয়ে ১১ টেস্ট ও ১৬ ওয়ানডে খেলেছেন নাফিস। সাদা পোশাকে করেছেন ৫১৮ রান, যাতে আছে একটি সেঞ্চুরি ও দুটি হাফসেঞ্চুরি। আর ১৬ ওয়ানডেতে করেছেন ৩০৯ রান। সেঞ্চুরি না থাকলেও রয়েছে দুটি হাফসেঞ্চুরি।

জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ হলেও ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছেন তিনি লম্বা সময়। ২০১৭ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট এবং পরের বছর লিস্ট ‘এ’ থেকে অবসর নেন ৩৪ বছর বয়সী সাবেক ওপেনার।

জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়ার পর বিসিবি, বিপিএলসহ ঘরোয়া টুর্নামেন্টের দলে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন নাফিস। এছাড়া জাতীয় লিগে চট্টগ্রাম বিভাগের নির্বাচক ও ম্যানেজার হিসেবেও যুক্ত আছেন তিনি।

/আরআই/কেআর/

লাইভ

টপ