X
বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ৮ বৈশাখ ১৪২৮

সেকশনস

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর ও রোহিঙ্গা ইস্যু

আপডেট : ০১ জুলাই ২০১৯, ১৬:৪১

রাহমান নাসির উদ্দিন কূটনীতি আবেগ দিয়ে চলে না, বরং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক ও ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ এর মূল মন্ত্র। প্রত্যেকেই যার যার দেশের স্বার্থ দেখবে এবং দেনদরবার করে নিজের দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ স্বার্থ আদায় করবে, এটাই কূটনীতির ব্যাকরণ। যৌথ ঘোষণা বা প্রেস কনফারেন্সে যা কিছু বলা হয় যেমন,‘দুই দেশের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধ সুদৃঢ় হলো, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলো, এবং ভবিষ্যতে একত্রে-একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে দুই দেশের নেতারা একমত পোষণ করেছেন’—এসব হচ্ছে গৎবাঁধা তথাকথিত কূটনৈতিক শিষ্টাচার। কিন্তু ভেতর ভেতরে প্রবলভাবে কাজ করে নানামুখী স্বার্থ। এবং স্বার্থ উদ্ধার করতে পারাটাই কূটনৈতিক সাফল্য। সে-অর্থে যে যতো বেশি স্বার্থপর, সে ততো ভালো বা স্বার্থক কূটনীতিক।   
বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের কূটনীতি কী হবে, কী হতে পারে বা কী হওয়া উচিত এবং সেখানে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের ভূমিকা কী হতে পারে প্রভৃতি আলোচনার ভূমিকা হিসেবে কূটনীতির ব্যাকরণ আগে দিয়ে রাখলাম। প্রধানমন্ত্রী জুলাইয়ের ১ থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত চীন সফর করবেন। নানান কারণে এ সফর বেশ গুরুত্বপূর্ণ। চীন বিশ্বের মানচিত্রে আজ  কেবল একটি ‘ভৌগোলিক বড়ত্ব’ নিয়ে বড় নয়, বরং অর্থনীতি, রাজনীতি, কূটনীতি এবং সমরনীতিতেও পৃথিবীতে নিজের ‘বড়ত্ব’ প্রমাণ করে এখন পশ্চিমাদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলে রীতিমতো মোড়লত্ব জারি করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশও আজ আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়, বরং সুস্বাদু ফলে-ফুলে ভরা উন্নয়নের নানা সোপানে চেপে বসা বেশ মজবুত-টেকসই ব্যাগ। কাজেই, প্রধানমন্ত্রী চীন সফর নিয়ে সেয়ানে-সেয়ানে বোঝাপড়া না হলেও একেবারে দুই আনা বনাম চৌদ্দ আনার দেনদরবার হবে, এমনটা অবশ্যই নয়। নিদেনপক্ষে আট আনা আট আনা না-হলেও দশ আনা আর ছয় আনার দেনদরবার হবে নিশ্চিত। ফলে, চীন সফরের গুরুত্ব যে অপরিসীম, তা লেখার অপেক্ষা রাখে না।

প্রধানমন্ত্রীর এ চীন সফরে সর্বমোট আটটি সমঝোতা স্মারক এবং দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) আওতাধীন এলাকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা শক্তিশালী ও বৃদ্ধিকরণ চুক্তি, ডিপিডিসি এলাকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা শক্তিশালী ও বৃদ্ধিকরণে ঋণচুক্তি, ডিপিডিসি এলাকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা শক্তিশালী ও বৃদ্ধিকরণে ক্রেতা অগ্রাধিকার ঋণচুক্তি, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) আওতায় পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ চুক্তি, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা চুক্তি, বিনিয়োগ সহযোগিতা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই, ইয়ালুজংবো ও ব্রহ্মপুত্র নদে হাইড্রোলজিক্যাল তথ্য বিনিময় সমঝোতা স্মারক এবং সাংস্কৃতিক ও পর্যটন বিনিময় সমঝোতা স্মারক। কিন্তু রোহিঙ্গা ইস্যুতে সুনির্দিষ্ট কোনও কিছুই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানাতে পারেনি, যা সত্যিই হতাশাজনক। রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের সহযোগিতা চাওয়ার ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন মিয়ানমারকে মদত দিচ্ছে, এটা বিশ্বাস করি না। চীনের একটি অবস্থান আছে। তারা আমাদের সাহায্য করছে এবং আমাদের সমর্থন দিয়েছে। চীন বারবার বলেছে, রোহিঙ্গারা তাদের দেশে ফেরত যাক। চীন আরও বলেছে, দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান করুন। আমরা সে পথেই আছি। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনও ঝগড়া নেই। নিরাপত্তা পরিষদে চীনের ভেটোর বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের অন্য কোনও উদ্দেশ্য থাকতে পারে।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যে প্রকৃতপক্ষে রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের সহযোগিতা চাওয়া এবং পাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের হতাশাজনক অবস্থানটিই প্রতিবিম্বিত হয়েছে।
দু’টি পয়েন্ট এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ:

এক. চীন বলেছে রোহিঙ্গা সমস্যাটি দ্বিপক্ষীয়ভাবে সমাধান করতে, কিন্তু আমরা চাই এটার বহুপক্ষীয় সমাধান, এবং
দুই. নিরাপত্তা পরিষদে চীন কেন ভেটো দেয়, তাদের অন্য কোনও উদ্দেশ্য থাকতে পারে। তাদের কী উদ্দেশ্য, সেটাও আমরা জানি। গোটা দুনিয়া জানে, কিন্তু আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানে না, এটাও দুর্বল কূটনীতির আলামত।

এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই, বাংলাদেশ অত্যন্ত মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। কিন্তু সেটা কিছু সময়ের জন্য এবং কোনও বিবেচনাতেই চিরদিনের জন্য নয়। তাই, বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য নানান চেষ্টা করছে, সেটাও রাষ্ট্রের জায়গা থেকে জরুরি দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু আমাদের মনে রাখা জরুরি, রোহিঙ্গা সমস্যা মিয়ানমারের সৃষ্ট, কোনোভাবেই বাংলাদেশের সৃষ্ট নয়, বরং বাংলাদেশ হচ্ছে রোহিঙ্গা সমস্যার সবচেয়ে বড় ভিকটিম। তাই, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বোঝাতে হবে, রোহিঙ্গা সমস্যার দায় এবং দায়িত্ব কেন একা বাংলাদেশ বহন করবে। এটা একটি আন্তর্জাতিক ইস্যু এবং আন্তর্জাতিক সমস্যা। এটাকে একটি দ্বিপক্ষীয় সমস্যা হিসেবে উপস্থাপন করে শুরু থেকেই চীন বাংলাদেশের ওপর চাপ দিয়ে আসছে যাতে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয়ভাবে এ সমস্যার সমাধানের অর্থাৎ রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করে। এবং দুঃখজনক হচ্ছে, বাংলাদেশ সে পথেই হেঁটেছে। কিন্তু মিয়ামনার তো কোনও ‘জাতের’ রাষ্ট্র না। যার কথার কোনও ঠিক ঠিকানা নেই। কথা দিয়ে কথা না রাখা মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় পলিসির অংশ। যে জেন্টেলম্যানই না, তার সঙ্গে আবার জেন্টেলম্যান অ্যাগ্রিম্যান্ট কী? চুক্তির বরখেলাপ করাই যার চরিত্র, তার সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করা ভাতের বদলে ঘাস খাওয়ার সমান। কিন্তু চীন তার নিজের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ বিবেচনা করে এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তার অবস্থান বিবেচনা করে আমাদের ঘাস খেতে বলবে, আর আমরা ঘাস খাবো, এটা কোনও ইন্টেলিজেন্ট ডিপ্লোমেসি নয়। চীনকে বোঝাতে হবে, রোহিঙ্গা সমস্যার একটা দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য চীনের ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বারবার চীন সফর করবেন না, তাই এ সফরটাকে কাজে লাগাতে হবে যাতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনকে বাংলাদেশের আরও অধিকতর কাছে পাওয়া যায় এবং মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির বিপরীতে চীন যেন কোনোভাবে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। তাছাড়া, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার যে গড়িমসি করছে, সেখানেও চীনই পারে মিয়ানমারকে চাপ দিতে বা অনুরোধ করতে এবং চীনের অনুরোধ মিয়ানমার কোনোভাবেই ফেলতে পারবে না। এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই, সচিব পর্যায়ের বোঝাপড়া এবং মন্ত্রী পর্যায়ের দেনদরবার যতটা কার্যকর, প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের আবদার, অনুরোধ এবং বোঝাপড়া অনেক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকর। তাই, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন হিসেবে কাজে লাগাতে হবে এবং সফরের সব কর্মপরিকল্পনায় রোহিঙ্গা ইস্যুকে গুরুত্ব দিতে হবে। 

আর নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তে চীন কেন ভেটো দেয়, তার কারণ হচ্ছে মূলত অর্থনৈতিক এবং ভূ-রাজনৈতিক। চীন ইতোমধ্যে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বর্ধিত অর্থনৈতিক অঞ্চল, অবকাঠামো নির্মাণে, এবং গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য ৭.৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। চীনের পরিকল্পনা অনুযায়ী রাখাইন রাজ্যে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক এবং স্পেশাল ইকোনোমিক জোন তৈরি করা হচ্ছে। চীনের যে ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’ নীতি, তার অংশ হিসেবে চীন বিপুল পরিমাণে অর্থ বিনিয়োগ করছে মিয়ানমারে। আর প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ মিয়ানমারের অর্থনীতি এবং সামগ্রিক উন্নয়নে চীনের অবদান, অবস্থান ও বিনিয়োগের পরিমাণ বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। ফলে, চীন নিজের স্বার্থেই রাখাইনে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ রাখতে চাইবে। আর রোহিঙ্গাদের রাখাইন থেকে তাড়িয়ে ভূমি দখল করার যে মিয়ানমারের পরিকল্পনা, এতে আখেরে লাভের গুড় চীনই খাবে, এটা সহজেই অনুমেয়। ফলে চীন তার বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগের নিশ্চয়তার স্বার্থে রোহিঙ্গা সংকটের শুরু থেকেই মিয়ানমারের পাশে দাঁড়িয়েছে। এমনকি অন্যরা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাইলেও চীন সেখানে বাধা দিয়েছে। এবং এ কারণেই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বেশ কয়েকবার বসেও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কোনও রেজুলেশন নিতে পারেনি প্রধানত এবং মূলত চীন এবং রাশিয়ার ভেটোর কারণে। সুতরাং চীন কেন জাতিসংঘে নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমারের পক্ষে ভেটো দেয়, সেটা পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানেন না, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। বরং চীনের অবস্থানকে সুস্পষ্ট স্টাডি করে কীভাবে চীনকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের আরও পাশে পাওয়া যায়, তা নিয়ে জোর কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে হবে। চীনকে বোঝাতে হবে, রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশ কী কী ধরনের সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে। বাংলাদেশের ডেমোগ্রাফিতে, অর্থনীতিতে, প্রাকৃতিক পরিবেশে, এবং সামাজিক-রাজনৈতিক-নিরাপত্তা ইস্যুকে রোহিঙ্গা সমস্যা কীভাবে প্রবল প্রভাব বিস্তার করছে, এটা চীনকে বোঝাতে হবে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর কী ধরনের অত্যাচার-নির্যাতন-অগ্নিসংযোগ-খুন-ধর্ষণ হয়েছে, তা প্রমাণসহকারে চীনকে দেখাতে হবে এবং বোঝাতে হবে, বাংলাদেশ একটি বড় মানবিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এখন দায়িত্ব হচ্ছে এ সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক সবসময় ভালো। চীন বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমের অন্যতম অংশীদার এবং বহু উন্নয়ন প্রকল্পের অন্যতম সহযোগী। তাই, চীনকে বোঝাতে হবে, বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে রোহিঙ্গা সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানেও চীনের আন্তরিক, সক্রিয় এবং কার্যকর সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। এটা চীনকে যেভাবেই হোক বোঝাতে হবে এবং এর পুরোটাই নির্ভর করছে আমাদের কূটনৈতিক দক্ষতার ওপর।   

পরিশেষে বলবো, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় এবং নানান কূটনৈতিক সাফল্যের কারণে রোহিঙ্গা সমস্যার ইস্যুটিও চীনের প্রধানমন্ত্রীর কাছে যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন, এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, চীনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এ বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি রেখে প্রধানমন্ত্রীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে এবং সে অনুযায়ী কর্মপরিকল্পনা নিতে হবে।

আমাদের মনে রাখা জরুরি, বরফ পানি দিয়েই তৈরি হয়; তাই, বরফকে পানির রূপে আনতে হলে বরফকে গলাতে হবে। এবং সেটা প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সংলাপের মধ্য দিয়েই সর্বাধিক কার্যকর করা সম্ভব। কূটনীতির ব্যাকরণ অনুযায়ী চীন চীনের স্বার্থ দেখবে, কিন্তু চীনকে বাংলাদেশের স্বার্থের পক্ষে দাঁড় করাতে পারাটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক সাফল্য। 

লেখক: নৃবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।    

/এসএএস/এমএমজে/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

সম্পর্কিত

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী

মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান ও গণতন্ত্রের জন্য ‘বেহুদা’ বিলাপ!

মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান ও গণতন্ত্রের জন্য ‘বেহুদা’ বিলাপ!

জাতিসংঘে গৃহীত রেজ্যুলেশন ও রোহিঙ্গা সমস্যা!

জাতিসংঘে গৃহীত রেজ্যুলেশন ও রোহিঙ্গা সমস্যা!

বাইডেন ট্রাম্পকে হারিয়েছেন, কিন্তু ‘ট্রাম্পইজম’ কি হেরেছে?

বাইডেন ট্রাম্পকে হারিয়েছেন, কিন্তু ‘ট্রাম্পইজম’ কি হেরেছে?

কেন রোহিঙ্গারাই রোহিঙ্গাদেরকে হত্যা করছে?

কেন রোহিঙ্গারাই রোহিঙ্গাদেরকে হত্যা করছে?

রোহিঙ্গা ঢলের তিন বছর!

রোহিঙ্গা ঢলের তিন বছর!

বঙ্গবন্ধু ও তাঁর রাজনীতির মূলমন্ত্র

বঙ্গবন্ধু ও তাঁর রাজনীতির মূলমন্ত্র

দন্তহীন বাঘ জাতিসংঘকে ‘দাঁত’ গজাতে হবে!

দন্তহীন বাঘ জাতিসংঘকে ‘দাঁত’ গজাতে হবে!

করোনাকালে রোহিঙ্গারা কেমন আছে?

করোনাকালে রোহিঙ্গারা কেমন আছে?

সর্বশেষ

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৪ কোটি ৩৫ লাখ ছাড়িয়েছে

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৪ কোটি ৩৫ লাখ ছাড়িয়েছে

আজ শেষ হচ্ছে না লকডাউন

আজ শেষ হচ্ছে না লকডাউন

মূল্য বৃদ্ধির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ

মূল্য বৃদ্ধির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিক আবু তৈয়ব গ্রেফতার

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিক আবু তৈয়ব গ্রেফতার

মধ্যরাতে হেফাজত নেতা মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন গ্রেফতার

মধ্যরাতে হেফাজত নেতা মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন গ্রেফতার

ইসলামপুরের কুখ্যাত নৌ-ডাকাতকে জবাই করে হত্যা

ইসলামপুরের কুখ্যাত নৌ-ডাকাতকে জবাই করে হত্যা

মুম্বাইকে হারিয়ে দিল্লির প্রতিরোধ

মুম্বাইকে হারিয়ে দিল্লির প্রতিরোধ

তিন দিনে বিদেশ গেছেন সাড়ে ৮ হাজার প্রবাসী

তিন দিনে বিদেশ গেছেন সাড়ে ৮ হাজার প্রবাসী

লকডাউন থেকে ভারতকে বাঁচাতে বললেন মোদি

লকডাউন থেকে ভারতকে বাঁচাতে বললেন মোদি

লকডাউন কি করোনাভাইরাসের বিস্তার কম করতে সহায়তা করে?

লকডাউন কি করোনাভাইরাসের বিস্তার কম করতে সহায়তা করে?

কাদের মির্জার ভাই ও ছেলেসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কাদের মির্জার ভাই ও ছেলেসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আইনজীবীর সঙ্গে পুলিশের অসৌজন্যমূলক আচরণ, ঢাকা বারের প্রতিবাদ

আইনজীবীর সঙ্গে পুলিশের অসৌজন্যমূলক আচরণ, ঢাকা বারের প্রতিবাদ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.
© 2021 Bangla Tribune