X
বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ৫ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

বের হওয়ার সুযোগ দিয়ে আটকে রাখা যায়?

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৫৬

গত বছর করোনা সংক্রমণ শুরুর পরপরই সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অফিস, মার্কেট সব ছিল বন্ধ। মানুষ রাস্তায় নেমেছিল কম। পরবর্তীতে সংক্রমণ সহনীয় হয়ে আসায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া সব খুলে দেওয়া হয়। এবছর মার্চে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসে ভয়াবহ হয়ে। এপ্রিলে ঊর্ধ্বগতিতে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আবারও সর্বাত্মক লকডাউন দেওয়া হয়। জীবন নাকি জীবিকার প্রশ্নে পুলিশের পক্ষ থেকে জরুরি প্রয়োজনে মুভমেন্ট পাসের ব্যবস্থা করা হয়। লাখ লাখ নগরবাসী এই পাস নেন। সংশ্লিস্টরা বলছেন, বাইরে বের হওয়ার সুযোগ করে দিয়ে মানুষকে ধরে রাখা প্রায় অসম্ভব।

লকডাউনের মধ্যেই রাস্তায় লোকজন

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সোমবারের বুলেটিন অনুযায়ী, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশ একদিনে এত মৃত্যু আগে দেখেনি। করোনাতে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১০ হাজার ৪৯৭ জন।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী এলাকায় লকডাউন মানছেন না সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা।  বেলা ৩টার পর চলাচল পুরো বন্ধ হওয়ার কথা তখন থেকে বেচাকেনা চলছে বেশি। ইফতারের দোকান সাজানো, কেনাকাটা ও চলাচল তখন পুরোপুরি শুরু হচ্ছে।  সোমবার (১৯ এপ্রিল) সরেজমিন পরিদর্শনে এমন চিত্র দেখা গেছে।

লকডাউনের মধ্যেও বাইরে লোকজন

আদাবরে করোনার সংক্রমণ বেশি হলেও সেখানে লকডাউনের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলছে সব ধরনের কেনাকাটা। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি দেখা গেলে রাস্তা ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। তবে ম্যাজিস্ট্রেরেটের গাড়ি কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি না থাকলে ইচ্ছে মতোই চলছে সাধারণের চলাচল কেনাকাটা।

জনস্বাস্থ্য বিশেষণ লেলিন চৌধুরী বলেন, মানুষকে বের হওয়ার সুযোগ দিয়ে সর্বাত্মক লকডাউন নিশ্চিত করার কোনও সুযোগ নাই। অপ্রয়োজনে বের হওয়া যাবে না, প্রয়োজনে মুভমেন্ট পাস নিয়ে বের হওয়া যাবে। প্রয়োজন শব্দটি আপেক্ষিক। যিনি বের হতে চান তিনি যে কারণটি দেখাচ্ছেন সেটা তার প্রয়োজন। ফলে সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতির সময়ে এই অপশন রাখার কোনও সুযোগ নেই।

লকডাউনের মধ্যেও বাইরে লোকজন

মুভমেন্ট পাস কনসেপ্ট কতোটা কাজে এসেছে জানতে চাইলে পুলিশ সদর দফতরের জনসংযোগ বিভাগের এআইজি সোহেল রানা বলেন, ক‌রোনাকা‌লে অ‌হেতুক মুভ‌মেন্ট রো‌ধে নিঃস‌ন্দে‌হে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূ‌মিকা রাখ‌ছে মুভ‌মেন্ট পাস। এ পর্যন্ত ১৮ কো‌টিরও বে‌শি বার অনলাই‌নে ট্রাই করা হ‌য়ে‌ছে এই পা‌সের জন্য। প্রায় জনশূন্য রাস্তাঘাটও প্রমাণ ক‌রে জন চলাচল নিয়ন্ত্রণে এই পদ্ধতি কাজ লেগেছে। ত‌বে, প্রকৃ‌তিগতভা‌বেই নিয়ন্ত্রণ ও বি‌ধি‌নি‌ষেধ পছন্দ ক‌রে না মানুষ।

 

 

 

 

/ইউআই/এসটি/

সম্পর্কিত

৫৮ জেলায় করোনায় মৃত্যু নেই

৫৮ জেলায় করোনায় মৃত্যু নেই

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

পাঁচ মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

পাঁচ মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

কুমিল্লা থেকে রংপুর পর্যন্ত যা ঘটেছে সেগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ১৫:১৩

দুর্গাপূজার সময়ে কুমিল্লা থেকে শুরু করে রংপুর পর্যন্ত যেসব ঘটনা ঘটেছে সেগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এখন পরিবেশ পুরোপুরি শান্ত। মানুষের মন থেকে আতংক কমে গেছে – বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

আজ বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিয়ে জাতীয় সমন্বয় সভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কুমিল্লার ঘটনায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে একজনকে ধরা হয়েছে। অভিজ্ঞ টিমের পর্যবেক্ষণ শেষে এটা জানা গেছে। ওই ব্যক্তি কার নির্দেশে ও প্ররোচনায় এ কাজ করেছে তা বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সে একা এ কাজ করেনি। কারো নির্দেশে করেছে। তাদের ধরার চেষ্টা চলছে। আটককৃত ব্যক্তি মোবাইল ফোন ব্যবহার করে না। তাই তাদের ধরতে সময় লাগছে। তাদের ধরা গেলে সব তথ্য বের হয়ে আসবে।

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের বিষয়ে তিনি বলেন, কক্সবাজার এবং ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও বাড়ানো হবে। বিশেষ করে কোস্ট গার্ড। ক্যাম্পগুলোতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সন্ধ্যার পর মিয়ানমার থেকে কোনও ইঞ্জিনচালিত বাহন আসবে না। নাফ নদীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদারকি আরও বাড়ানো হবে।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক মহলে যোগাযোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাকি রোহিঙ্গাদের ডিসেম্বরের মধ্যে ভাসানচরে নেওয়া হবে। মহিবুল্লাহ হত্যার সাথে জড়িত কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তারাই এই হত্যার সাথে জড়িত।

সীমান্তে নিরপরাধ কাউকে গুলি না, সীমান্ত রক্ষার জন্য যা যা করা প্রয়োজন তাই করা হবে।

/এসআই/এমএস/

সম্পর্কিত

গণমাধ্যম এড়িয়ে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গণমাধ্যম এড়িয়ে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘পল্লবীর সাহিনুদ্দিন হত্যার ভিডিও নোয়াখালীর যতন সাহার বলে অপপ্রচার’

‘পল্লবীর সাহিনুদ্দিন হত্যার ভিডিও নোয়াখালীর যতন সাহার বলে অপপ্রচার’

কুমিল্লার ঘটনা উদ্দেশ্যমূলক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনা উদ্দেশ্যমূলক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রংপুরের পীরগঞ্জের ঘটনায় ৪৫ জন আটক

রংপুরের পীরগঞ্জের ঘটনায় ৪৫ জন আটক

রেলের বেদখল সব জায়গা দখলমুক্ত করা হবে: রেলমন্ত্রী

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৪৮

রেলওয়ের বেদখল হওয়া সব জায়গা উদ্ধার করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, ‘কাউকে রেলের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে রাখতে দেওয়া হবে না। কারও জায়গা দরকার হলে আমরা তাদের সময় দেবো। আপনারা দরখাস্ত করেন এবং রেলওয়ের সঙ্গে দেনদরবার করেন। নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি দিয়ে জায়গা লিজ নিতে পারেন। কিন্তু অবৈধভাবে ভোগদখল করে খাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। রেলওয়ের উন্নয়নের জন্য যেসব জায়গা দরকার হবে, সেগুলো ছেড়ে দিতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ রেল স্টেশনে যাত্রী সুবিধা বাড়াতে প্লাটফর্ম উঁচুকরণ, স্টেশন ভবন আধুনিকায়ন, এক্সেস কন্ট্রোল ও প্লাটফর্ম শেড নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ময়মনসিংহ বিভাগে রেল যোগাযোগ উন্নয়ন করতে এবং বিভিন্ন স্টেশনের অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিশেষ ট্রেনে সফর করছেন রেলমন্ত্রী। রাতে তিনি ঢাকা ফিরবেন।

ময়মনসিংহ রেল স্টেশনকে আধুনিকায়ন করে আইকনিক স্টেশনে রূপান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি বলেন, ‘ময়মনসিংহ এখন বিভাগীয় শহর। এ শহরে রেল যোগাযোগে অবকাঠামো উন্নয়নে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি। এখন এই স্টেশনটিকে আইকনিক রেলস্টেশনে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। যেমনটি আমরা কক্সবাজার ও পদ্মা সেতুর ওপারে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় করতে চলেছি। আইকনিক রেল স্টেশনে যাত্রীদের থাকা এবং বিশ্রামসহ আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা থাকবে। সাত তলার এই স্টেশন নির্মাণে শতকোটি টাকার বেশি ব্যয় করবো।’

স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকার বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত স্পেশাল একটি ট্রেন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকার ওপর যানজট কমাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন ময়মনসিংহ থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত একটি ট্রেন দেওয়া হবে। এতে ময়মনসিংহের মানুষ অল্প সময়ে ঢাকা গিয়ে ব্যবসা- বাণিজ্য, চাকরি করতে পারবেন। তাদের ঢাকায় বাসা নিয়ে থাকতে হবে না।’

ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন থাকলেও এখন সেখানে ট্রেন থামে না জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, ‘এই স্টেশনে আমরা ট্রেন থামার ব্যবস্থা করে দেবো। এ জন্য স্টেশন প্লাটফর্মটি আধুনিকায়ন করা হবে।’

 

/এসএস/আইএ/

সম্পর্কিত

‘ডিজিটাল ডিভাইস হবে সবচেয়ে বড় রফতানি পণ্য’

‘ডিজিটাল ডিভাইস হবে সবচেয়ে বড় রফতানি পণ্য’

কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী

যে ছয় কারণে তৈরি হলো বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র

যে ছয় কারণে তৈরি হলো বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

‘ডিজিটাল ডিভাইস হবে সবচেয়ে বড় রফতানি পণ্য’

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৪৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ডিজিটাল ডিভাইস হবে সবচেয়ে বড় রফতানি পণ্য। পাট ও পাটজাত পণ্যও আমরা রফতানি করতে পারি। আমাদের দেশে যেমন বিনিয়োগ হবে, তেমনি আমরাও বিদেশে বিনিয়োগ করতে পারবো। সে ক্ষেত্রে আমাদের মন্ত্রণালয়কে আরও বেশি উদ্যোগী হতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টেবর) সকালে পূর্বাচলে বাণিজ্য মেলার নবনির্মিত স্থায়ী কেন্দ্র ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এতে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেকের সন্দেহ থাকতে পারে উন্নয়নশীল দেশ হলে বোধ হয় অনেক সুবিধা থেকে আমরা বঞ্চিত হবো। আসলে যেসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবো, তার চেয়ে বেশি সুবিধা আমরা পাবো। আমাদের বাণিজ্য বাড়বে, রফতানি বাড়বে, রফতানি সুবিধা পাবো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সব পণ্য প্রদর্শনীসহ সব আয়োজনের জন্য বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র সচল রাখবেন এবং এর যথোপযুক্ত ব্যবহার করবেন বলে আশা করি।’

বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে নির্মিত এই প্রদর্শনী কেন্দ্রটি বছরব্যাপী বিভিন্ন পণ্যভিত্তিক মেলার স্থায়ী ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত হবে। ২০ একর জায়গার এই প্রদর্শনী কেন্দ্রটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছে এক হাজার ৩০৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। যার মধ্যে ৬২৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা দিয়েছে চীন। দেশটির ‘চায়না স্টেট কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিএসসিইসি) প্রকল্পটি নির্মাণ কাজের বাস্তবায়ন করে।

প্রকল্পটিতে ফ্লোর স্পেস ৩৩ হাজার স্কয়ার মিটার। এর মধ্যে ১৫ হাজার ৪১৮ স্কয়ার মিটারের একটি প্রদর্শনী হল রয়েছে। আধুনিক প্রদর্শনী কেন্দ্রটিতে নিজস্ব পানি শোধনাগার, সিএটিভি কন্ট্রোল রুম, ইন্টারনেটের জন্য ওয়াইফাই সিস্টেম, একটি আধুনিক ঝরনা ও রিমোট-কন্ট্রোলড প্রবেশ দ্বার রয়েছে।

 

/পিএইচসি/আইএ/

সম্পর্কিত

রেলের বেদখল সব জায়গা দখলমুক্ত করা হবে: রেলমন্ত্রী

রেলের বেদখল সব জায়গা দখলমুক্ত করা হবে: রেলমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৩৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। এখানে সব ধর্মের মানুষ সম্মানের সঙ্গে যুগের পর যুগ বসবাস করছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে সব ধর্মের মানুষ রক্ত দিয়েছে। পবিত্র কোরআন অবমাননাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লায় যে ঘটনা ঘটেছে তা খুবই দুঃখজনক। এ ঘটনায় অপরাধী যে-ই হোক না কেন তার বিচার করা হবে।’

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) কুমিল্লা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘মানবধর্মকে সম্মান করা ইসলাম আমাদের শেখায়। নিজের ধর্ম পালনের অধিকার যেমন সবার আছে। অন্যের ধর্মকে কেউ হেয় করতে পারে না। নিজের ধর্মকে সম্মান করার সঙ্গে সঙ্গে অন্যের ধর্মকেও সম্মান করতে হয়।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অন্যের ধর্মকে হেয় করলে নিজের ধর্মকেই অসম্মান করা হয়। কুমিল্লার ঘটনাটা যদি বিশ্লেষণ করি সেটাই দেখতে পায়। আমাদের পবিত্র কোরআনকে অবমাননা করা হয়েছে। অন্যের ধর্মকে অসন্মান করতে গিয়ে। এটাই হচ্ছে সব থেকে দুঃখজনক। নিজের ধর্মের সম্মান নিজেকেই রক্ষা করতে হবে।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আইন কেউ হাতে তুলে নেবেন না। কেউ যদি অপরাধ করে, সেই যে-ই হোক না কেন বিচার করা হবে। আমাদের সরকার সেই বিচার করবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের নবী করিম (সা.) বলেছেন, “ধর্ম নিয়ে কেউ বাড়াবাড়ি করবে না”। আমাদের সেই কথাটা মেনে চলতে হবে, স্মরণ করতে হবে, জানতে হবে। তাহলেই ইসলামের সঠিক শিক্ষাটা পাবো। প্রতিটি ধর্মেই শান্তির কথা বলে। সবাই শান্তি চাই।’

বাংলাদেশে আমরা একটা অসাম্প্রদায়িক সমাজে বসবাস করি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে সব ধর্মের সঙ্গে আমাদের সম্প্রীতি থাকবে। সম্প্রীতি নিয়েই আমাদের চলতে হবে। যুগ যুগ ধরে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করে আসছি।’

মুক্তিযুদ্ধে সব ধর্মের মানুষ জীবন দিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছেন,  তারা কিন্তু কোনও ধর্ম দেখেননি। তারা রক্ত দিয়েছেন, সেটা সব ধর্মের জন্য। সব ধর্মের রক্ত একাকার হয়ে মিশে গেছে। এটা সবাইকে মনে রাখতে হবে। এখানে সব ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি পেশার মানুষ মর্যাদা ও সম্মান নিয়ে চলবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবসময় এ রকম একটা ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করা হয়। অথচ বাংলাদেশটা এগিয়ে যাচ্ছে।’ 

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি প্রতিটি জেলায় আওয়ামী লীগের একটি অফিস হোক।’

 

/পিএইচসি/আইএ/

সম্পর্কিত

রেলের বেদখল সব জায়গা দখলমুক্ত করা হবে: রেলমন্ত্রী

রেলের বেদখল সব জায়গা দখলমুক্ত করা হবে: রেলমন্ত্রী

‘ডিজিটাল ডিভাইস হবে সবচেয়ে বড় রফতানি পণ্য’

‘ডিজিটাল ডিভাইস হবে সবচেয়ে বড় রফতানি পণ্য’

যে ছয় কারণে তৈরি হলো বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২১, ১১:৫৩

আজ বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এর উদ্বোধন করেন। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলাসহ বিভিন্ন পণ্য-ভিত্তিক মেলার স্থায়ী ভেন্যু হিসেবে বছরব্যাপী ব্যবহার হবে এই কেন্দ্র। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মোট ছয়টি উদ্দেশ্যে সরকার এই প্রদর্শনী কেন্দ্রের নির্মাণ করেছে—

১। বাংলাদেশের বাণিজ্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে দেশি-বিদেশি পণ্য উৎপাদনকারী ও ক্রেতাদের আন্তর্জাতিক মানের একটি কমন প্লাটফর্মে যোগাযোগের সুযোগ করে দেওয়া।

২। প্রতিযোগিতার সুযোগ তৈরি করে পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি ও বৈচিত্র্য আনতে সহায়তা করা।

৩। দেশি-বিদেশি প্রতিযোগী উৎপাদকের পণ্যের মান ও মূল্য সম্পর্কে সরাসরি তুলনার সুযোগ করে দেওয়া।

৪। একই প্লাটফর্মে সারাবছর পণ্যভিত্তিক মেলা ও সাধারণ বাণিজ্য মেলাসহ শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক বিভিন্ন প্রকার আয়োজনের সুযোগ সৃষ্টি করা।

৫। স্থানীয় পণ্যের গুণগত মান ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করা।

৬। আধুনিক কারিগরি সুযোগ বিশিষ্ট স্বয়ংসম্পূর্ণ সেন্টার তৈরি করে বাংলাদেশে একটি আন্তর্জাতিক বিজনেস হাব প্রতিষ্ঠা করা।

সূত্র জানায়, ২০ একর জমির ওপর নির্মিত এক্সিবিশন সেন্টারটি নির্মাণ করেছে চীনের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চাইনিজ স্টেট কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন।

গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সেন্টারটির নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৭৭৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীন সরকারের অনুদান ছিল ৫২০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। বাংলাদেশ সরকার দিয়েছে ২৩১ কোটি এবং রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবি অর্থায়ন করেছে ২১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। প্রতিবছর এখানেই অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, চীন বাংলাদেশের বড় ব্যবসায়িক অংশীদার। এই সেন্টারের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যুক্ত করবে। রফতানিও বাড়াবে বলে আশা করছি।

উল্লেখ্য, পূর্বাচল নতুন শহরে ২০ একর জমির ওপর ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে ২৪ হাজার ৩৭০ বর্গমিটার জায়গায়। এক্সিবিশন হলের আয়তন ১৫ হাজার ৪১৮ বর্গমিটার। স্টল আছে ৮০০টি। দোতলা পার্কিং বিল্ডিংয়ে পার্কিং স্পেস ৭ হাজার ৯১২ বর্গমিটার। ৫০০টি গাড়ি পার্কিং করা যাবে। এ ছাড়া এক্সিবিশন বিল্ডিংয়ের সামনে খোলা জায়গায় আরও এক হাজার গাড়ি পার্কিংয়ের সুযোগ রয়েছে।

প্রদর্শনী কেন্দ্রে ৪৭৩ আসন বিশিষ্ট একটি মাল্টি ফাংশনাল হল, ৫০ আসনের কনফারেন্স কক্ষ, ৬টি নেগোসিয়েশন মিটিং রুম, ৫০০ আসনের রেস্তোরাঁ, শিশুদের খেলার জায়গা, নামাজের রুম, ২টি অফিস, মেডিক্যাল বুথ, গেস্ট রুম, ১৩৯টি টয়লেট, বিল্ট-ইন পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম, নিজস্ব ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, স্টোর রুম, সিসিটিভি কন্ট্রোল রুম, অটোমেটেড সেন্ট্রাল এসি সিস্টেম, ইনবিল্ট ইন্টারনেট, ওয়াইফাই, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, ইন-বিল্ট পতাকা স্ট্যান্ড এবং ইলেকট্রনিক প্রবেশপথ রয়েছে।

সেন্টারটির নির্মাণকাজ শুরু ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর। কাজ শেষ হয় ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর।

ঢাকার শেরেবাংলা নগরের অস্থায়ী মাঠ থেকে পূর্বাচলে নির্মিত সেন্টারটির দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার। প্রদর্শনী কেন্দ্রে দৃষ্টিনন্দন ঢেউ খেলানো ছাদের নিচে দুই লাখ ৬৯ হাজার বর্গফুটের দুটি পৃথক প্রদর্শনী হল রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কেন্দ্রে বছরে একবার মাসব্যাপী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার বাইরেও সারা বছর সোর্সিং ও পণ্য প্রদর্শনী হবে। সে জন্য পাঁচ তারকা হোটেল, নতুন প্রদর্শনী কেন্দ্র, ভূগর্ভস্থ পার্কিং ইত্যাদিও করা হবে। এসব স্থাপনার জন্য ইতোমধ্যে বাড়তি ১৭ একর জমি পাওয়া গেছে।

প্রকল্প পরিচালক রেজাউল করিম জানিয়েছেন, সেন্টারটির আরও কিছু কাজ বাকি। দ্রুত তা শেষ করা হবে। 

/এফএ/

সম্পর্কিত

রেলের বেদখল সব জায়গা দখলমুক্ত করা হবে: রেলমন্ত্রী

রেলের বেদখল সব জায়গা দখলমুক্ত করা হবে: রেলমন্ত্রী

‘ডিজিটাল ডিভাইস হবে সবচেয়ে বড় রফতানি পণ্য’

‘ডিজিটাল ডিভাইস হবে সবচেয়ে বড় রফতানি পণ্য’

কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনা দুঃখজনক, অপরাধীর বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

৫৮ জেলায় করোনায় মৃত্যু নেই

৫৮ জেলায় করোনায় মৃত্যু নেই

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

একমাস ধরে করোনা পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

দ্বিতীয় দিনের মতো আজও শনাক্তের হার ২-এর নিচে

পাঁচ মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

পাঁচ মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

করোনায় ৪ বিভাগ মৃত্যুহীন

করোনায় ৪ বিভাগ মৃত্যুহীন

করোনায় বেড়েছে মৃত্যু

করোনায় বেড়েছে মৃত্যু

আবারও মৃত্যু বেড়েছে, শনাক্ত কমেছে

আবারও মৃত্যু বেড়েছে, শনাক্ত কমেছে

আলাদা কেন্দ্রে স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকাদান শুরু হচ্ছে চলতি সপ্তাহে

আলাদা কেন্দ্রে স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকাদান শুরু হচ্ছে চলতি সপ্তাহে

পুরুষের চারগুণ নারীর মৃত্যু

পুরুষের চারগুণ নারীর মৃত্যু

করোনায় আরও ১৪ মৃত্যু

করোনায় আরও ১৪ মৃত্যু

সর্বশেষ

কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাসের জামিন

কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাসের জামিন

সুন্দরবন রক্ষায় ‘স্ট্র্যাটেজিক এনভায়রনমেন্টাল ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান’ করা হয়েছে: পরিবেশমন্ত্রী

সুন্দরবন রক্ষায় ‘স্ট্র্যাটেজিক এনভায়রনমেন্টাল ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান’ করা হয়েছে: পরিবেশমন্ত্রী

মুগদা হাসপাতালের আগুনে দগ্ধ ও আহতরা ঢামেকে

মুগদা হাসপাতালের আগুনে দগ্ধ ও আহতরা ঢামেকে

ফরিদপুর-বরিশাল-রাজশাহী হয়ে দেশজুড়ে ‘পদ্মপুরাণ’ 

ফরিদপুর-বরিশাল-রাজশাহী হয়ে দেশজুড়ে ‘পদ্মপুরাণ’ 

প্রথম মহাকাশ রকেট উৎক্ষেপণ দ. কোরিয়ার

প্রথম মহাকাশ রকেট উৎক্ষেপণ দ. কোরিয়ার

© 2021 Bangla Tribune