X
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদে নামাজ পড়েছিলেন বঙ্গবন্ধু

আপডেট : ০৬ মে ২০২১, ১১:২৭

বাংলাদেশের যে স্থাপনাশৈলী এখনও বিমোহিত করে চলেছে অগণিত মানুষকে, তার মধ্যে আছে দেশজুড়ে থাকা অগণিত নয়নাভিরাম মসজিদ। এ নিয়েই বাংলা ট্রিবিউন-এর ধারাবাহিক আয়োজন ‘বাংলাদেশের প্রসিদ্ধ মসজিদ’। আজ থাকছে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ। কারুকাজখচিত দৃষ্টিনন্দন ঐতিহাসিক এ মসজিদে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মুসুল্লিরা আসেন নামাজ পড়তে। বিশেষ করে প্রতিবছর জুমাতুল বিদার নামাজ পড়তে এ মসজিদে সমাগম ঘটে লাখো নারী-পুরুষের। ওই সময় মসজিদ চত্বর ছাড়িয়ে কাতার চলে যায় চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়ক পর্যন্ত।

জানা যায়, স্থানীয় আহমাদ আলী পাটওয়ারী বাংলা ১৩২৫ (ইংরেজি ১৯১৮) সালের দিকে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করে বিশাল সম্পত্তি ওয়াকফ করেন। ওই সম্পত্তিতেই গড়ে ওঠে হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ কমপ্লেক্স। মসজিদের ৯ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি হিসেবে আছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

ইতিহাস ঘেঁটে জানা গেল, এই মসজিদের জুমার নামাজের আজান ও একামতের উদ্বোধনী দিবসে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীসহ চারজন মন্ত্রী এসেছিলেন। এ মসজিদে নামাজ পড়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীসহ আরও অনেকে। বিভিন্ন সময় এসেছেন বরেণ্য আউলিয়ারাও।

জেলা শহর থেকে ২০ কিলোমিটার পূর্বে হাজীগঞ্জ উপজেলা সদরে অবস্থিত মসজিদটি মুসলিম স্থাপত্য শিল্পেরও অনন্য নিদর্শন। দ্বিতল মসজিদটির ভেতরে-বাইরের কারুকাজ নজর কাড়ে সবার। মসজিদের বিভিন্ন অংশে যে কারুকাজ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তা কালের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে।

জানা গেছে, তৎকালীন মোতাওয়াল্লি হাজী আহমাদ আলী এর নির্মাণকাজে কোনও প্রকৌশলীর পরামর্শ নেননি। এর পুরো নকশাটাই ছিল তার নিজস্ব চিন্তার ফসল। তাকে সহযোগিতা করেছিলেন শিল্পী আব্দুর রহমান ওস্তাগার।

মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানায়, ঐতিহাসিক মসজিদটি নির্মাণের এক সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। বাংলা ১১৭৫ থেকে ১২০০ সালের মধ্যে হজরত মকিমউদ্দিন (রহ.) নামে একজন ওলি ইসলাম ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে আরব থেকে এ এলাকায় এসেছিলেন। তিনি সপরিবারে বর্তমান বড় মসজিদের মেহরাবসংলগ্ন স্থান, যেখানে একটু উঁচু ভূমি ছিল, সেখানে আস্তানা তৈরি করে বসতি স্থাপন করেন।

স্থানীয়দের কাছে তিনি শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন। হাজি মকিমউদ্দিন (রহ.)-এর বংশধর হজরত মনিরুদ্দিন হাজি ওরফে মনাই হাজি (রহ.)-এর দৌহিত্র আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রহ.)। বাংলা ১৩২৫ থেকে ১৩৩০ সালের দিকে বড় মসজিদের মেহরাব বা তৎসংলগ্ন স্থানজুড়ে প্রথমে একচালা খড়ের ইবাদতখানা তৈরি করেন তিনি। তারপর খড় ও গোলপাতা দিয়ে তৈরি করেন দোচালা মসজিদ। ওটাই পরে পাকা মসজিদ হয়।

১৩৩৭ বঙ্গাব্দের ১৭ আশ্বিন আহমাদ আলী পাটওয়ারীর ইচ্ছায় হজরত মাওলানা আবুল ফারাহ জৈনপুরী (রহ.)-এর হাতে পাকা মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করা হয়।

মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানান, মসজিদটি তিন অংশে নির্মিত। প্রথম অংশ ৪ হাজার ৭৮৪ বর্গফুট। মাঝের অংশ ১৩ হাজার ৬ বর্গফুট এবং তৃতীয় অংশে ১ হাজার ৬১৫ বর্গফুট। সর্বমোট ২৮ হাজার ৪০৫ বর্গফুট।

মসজিদটির প্রথম অংশে হজরত মাওলানা আবুল ফারাহ জৈনপুরী নিজ হাতে চুন-সুরকি কেটে মেহরাবসংলগ্ন দেয়ালে ‘সুরা ইয়াছিন’ ও ‘সুরা জুমআ’ লিপিবদ্ধ করেন।

সংস্কারকালে অবশ্য ওগুলো উঠিয়ে ফেলা হয়। মেহরাবে কাচের ঝাড়ের টুকরো নিখুঁতভাবে কেটে মনোরম ফুলের ঝাড়ের নকশা করা হয়েছে। মাঝের অংশটি ৭৭টি আকর্ষণীয় পিলার ও ঝিনুকের মোজাইক দিয়ে নির্মিত। তৃতীয় অংশে রয়েছে তিনটি বিশাল গম্বুজসহ সুউচ্চ মিনার।

১৯৫৩ সালে ১২৮ ফুট উঁচু এই মিনার তৈরি হয়। পূর্ব প্রাচীরে পবিত্র কালেমা শরিফ খচিত চীনা বাসনের টুকরো দিয়ে তৈরি ফুলের ঝাড়ের মতো করে সাজানো বিশাল ফটক আছে। পাথরে সজ্জিত অসংখ্য তারকাখচিত তিনটি বড় গম্বুজ পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সুউচ্চ মিনারটিরও আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। মিনারের উঁচু প্ল্যাটফর্মে উঠে বহু মুসুল্লি ও পর্যটক হাজীগঞ্জের চারপাশ দেখতে পান। প্রতি ওয়াক্তে এ মসজিদ থেকে যে আজান দেওয়া হয় তা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে থাকা ৪৬টি মাইকে শোনা যায়।

বর্তমানে হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ কমপ্লেক্সের অধীনে রয়েছে আবাসিক ও অনাবাসিক মাদ্রাসা ও এতিমখানা। এর মধ্যে রয়েছে আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসা, মুনিরিয়া নুরানি মাদ্রাসা, ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, এতিমখানা, লিল্লাহ বোর্ডিং। এ ছাড়া মসজিদের অর্থ যোগানের জন্য স্থায়ী আয়ের উৎস হিসেবে রয়েছে মার্কেট-দোকান। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন ১৭০ জন স্টাফ।

ঐতিহাসিক মসজিদটির প্রথম মোতওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রতিষ্ঠাতা আহমাদ আলী পাটওয়ারী। তার মৃত্যু পর দায়িত্ব পায় তার তৃতীয় পুত্র মো. মনিরুজ্জামান পাটওয়ারী এবং তার মৃত্যুর পর মোতওয়াল্লির দায়িত্ব নেন বড় ছেলে আলহাজ্ব মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারী।

ড. মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারী জানান, প্রতি মাসে দানবাবদ গড়ে ৫ লাখ টাকা পাওয়া যাচ্ছে। এ টাকা দিয়ে মসজিদ কমপ্লেক্সের ব্যয় নির্বাহ সম্ভব হয় না। বাকি টাকা আসছে দোকান-মার্কেট থেকে।

তিনি বলেন, বর্তমানে এ ওয়াক্ফ এস্টেট ১০ কোটি টাকারও বেশি ঋণগ্রস্ত। তা সত্ত্বেও সর্বাত্তম সেবা দিয়ে যাচ্ছি।

তিনি জানান, নিরবচ্ছিন্ন অজুর পানি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পর্যাপ্ত আলো ও বাতাসের ব্যবস্থা, ওয়াজ-মাহফিলসহ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা, রমজান মাসে রোজাদারদের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা, ইতেকাফকারীদের সেবা প্রদান, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা- এসব চালিয়ে যাচ্ছি। মাদ্রাসাগুলোর সংস্কার, উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণসহ যে কোনও দুর্যোগে স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক কার্যক্রমেও সাধ্যমত আর্থিক সহযোগিতা করা হচ্ছে মসজিদের পক্ষ থেকে।

তিনি বলেন, মহামারির এই সময়ে আমরা মুসুল্লিদের এখন আসতে উৎসাহিত করছি না। তবে যারা আসে তাদেরও তো বাধা দিতে পারি না। তবে আমরা সরকারঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছি।

/এফএ/

সম্পর্কিত

ফিলিস্তিনে এক হাজার হাফেজকে সম্মাননা

ফিলিস্তিনে এক হাজার হাফেজকে সম্মাননা

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

ফিলিস্তিনে এক হাজার হাফেজকে সম্মাননা

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৪:২০

ফিলিস্তিনের বেসরকারি একটি ধর্মীয় সংস্থা দেশটির অন্তত এক হাজার হাফেজে কোরআনকে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (২৭ অক্টোবর) গাজায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে হাফেজদের বিশেষ এ সম্মাননা দেওয়া হয়। খবর আনাদুলু এজেন্সির।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাটির বিস্তারিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি বছরের শুরুতে ফিলিস্তিনের ‘দারুল কোরআনুল কারিম ওয়াস সুন্নাহ’ নামের বেসরকারি একটি সংস্থা পবিত্র কোরআনুল কারিম মুখস্থ বিষয়ক একটি ক্যাম্প ঘোষণা করে। ক্যাম্পের অধীনে ছোট-বড়, নারী-পুরুষ মিলিয়ে অন্তত এক হাজার ফিলিস্তিনি পবিত্র কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চে ফিলিস্তিনের জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক কেফিয়াহ (সাদার মধ্যে কালো ডোরাকাটা রুমাল) পরিহিত হয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন তারা। অধিবেশনের ফাঁকে ফাঁকে সুরেলা তিলাওয়াত ও আরবি নাশিদ গোটা অনুষ্ঠানস্থলটিকে মোহময় করে তোলে।

‘দারুল কোরআনুল কারিম ওয়াস সুন্নাহ’-এর গাজা উপত্যকার আঞ্চলিক প্রধান আব্দুর রহমান জামাল বলেন, ‘আমরা নিয়মিতভাবে হাফেজে কোরআন—যারা মূলত আল্লাহর পরিবারভুক্ত, তাদের নিয়ে এমন অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকি। আপনারা আজ যা দেখছেন, দুনিয়ায় তা হাফেজদের জন্য একটি সম্মান। তবে আল্লাহর কাছে তাদের জন্য এরচেয়ে উত্তম ও স্থায়ী সম্মান অপেক্ষা করছে।’

এই ক্যাম্পে অংশ নিয়ে হিফজ সম্পন্নকারী মুফতি আব্দুর রহমান মুরতাজা অনুভূতি জানিয়ে বলেন, ‘দারুল কোরআনের এ ক্যাম্পে ভর্তি হওয়ায় আল্লাহ আমাদের বেশ সম্মানিত করেছেন। গত কয়েকটি মাস আমরা কোরআনের খুব কাছাকাছি কাটিয়েছি। মুখস্থ করার পাশাপাশি বেশকিছু আয়াতের অর্থও উপলব্ধি করতে পেরেছি।’

‘দারুল কোরআনুল কারিম ওয়াস সুন্নাহ’ হচ্ছে একটি উন্নয়ন সংস্থা। ১৯৯২ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। কোরআনের বহুমুখী পাঠের উন্নয়নে এটি কাজ করে। সংস্থাটির প্রধান বেলাল ইমাদ জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে তাদের সংস্থার উদ্যোগে এ পর্যন্ত অন্তত ৩০ হাজার ফিলিস্তিনি হাফেজ হয়েছে।

 

সূত্র: আনাদুলু এজেন্সি

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:১০

অ্যাপসে রাইড শেয়ারিং না করে চুক্তি ভিত্তিক যাত্রী পরিবহন করলে সংশ্লিষ্ট চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। একইসঙ্গে রাইড শেয়ারিং সেবার নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট ভাড়ার বেশি নিলে রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান ও চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বিআরটিএ’র এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী মোটরযান মালিক, মোটরযান চালক এবং রাইড শেয়ারিং সেবাগ্রহণকারীদের অবহিত করা যাচ্ছে যে, অ্যাপস ভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবা প্রদান এবং গ্রহণের জন্য সরকার কর্তৃক রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালা-২০১৭ প্রবর্তন করা হয়েছে। এ নীতিমালা অনুযায়ী বিআরটিএ থেকে রাইড শেয়ারিং এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট গ্রহণ করে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদান ও গ্রহণ এবং সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ভাড়া আদায় করার শর্ত রয়েছে।

এতে বলা হয়, কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে, কতিপয় মোটরযান চালক এ নীতিমালার শর্ত পালন করছেন না। শর্ত পালন না করে চুক্তিভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবা প্রদান ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে, যা রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালার পরিপন্থী। অ্যাপস ছাড়া চুক্তির ভিত্তিতে রাইড শেয়ারিং সেবা গ্রহণ না করার জন্য সেবাগ্রহণকারীদের অনুরোধ করা যাচ্ছে। এ অবস্থায় রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালার বিধান অমান্য করে চুক্তিভিত্তিক মোটরযান পরিচালনাসহ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে সংশ্লিষ্ট রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, মোটরযান মালিক, মোটরযান চালক এবং সেবাগ্রহণকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চুক্তিভিত্তিক যাত্রী পরিবহন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সংক্রান্ত যেকোনও অভিযোগ সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং), রাইড শেয়ারিং শাখা, বিআরটিএ, সদর কার্যালয়, বনানী, ঢাকা-১২১২, মোবাইল নম্বর: ০১৭১৪৫৫৬৫৭০, ফোন নম্বর: ০২-৫৫০৪০৭৪৫, ইমেইল: [email protected] বরাবর দাখিল করার অনুরোধ করা যাচ্ছে।

 

/এসএস/আইএ/

সম্পর্কিত

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০০

মাদক হিসেবে দেশে ইয়াবার পরেই চাহিদা ফেনসিডিলের। তথ্য বলছে, এই চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। আর এই ‘সুযোগ’কে কাজে লাগিয়ে ভারতের সীমান্ত এলাকায় গড়ে ‍উঠেছে অবৈধ ল্যাব ও কারখানা। আর নাম পাল্টিয়ে অন্য পরিচয়ে দেশে ঢুকছে মাদকটি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে অন্তত পাঁচটি নতুন নামে ফেনসিডিল (কোডিন) প্রবেশে করছে। ফেনসিডিল নামটি বেশি পরিচিত হওয়ায় মাদক চোরকারবারিরা বিভিন্ন নামে সিরাপ তৈরি করে সেগুলো বাংলাদেশে পাচার করছে। এ বিষয়ে দ্রুত ভারতকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) দিনব্যাপী বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও ভারতের নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর মহাপরিচালক পর্যায়ে সপ্তম দ্বিপাক্ষিক সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভারতকে বিভিন্ন তথ্য প্রমাণসহ এবারের সম্মেলনে মাদকের অনেক বিষয়ে জানানো হয়েছে। আমরা তাদের বলেছি, ভারত থেকে প্রতিনিয়ত ফেনসিডিল আসছে। কোরেক্স, এস্কাফ, এমকে ডিল (কোডিন ফসফেট) এবং কোডোকফ নামে ফেনসিডিল জাতীয় এই মাদক আসছে। প্লাস্টিক ও কাচের বোতলে এসব মাদক পাচার করা হয়।’

বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম ও উত্তর দিকের সীমান্ত এলাকা দিয়ে এই ফেনসিডিল চোরকারবারিরা পাচার করে। বোতল ছাড়াও পলিথিন, ড্রামে করেও কোডিন দেশে আনা হয়। চোরাচালানের মাধ্যমে আনা এই মাদক দেশে এনে বোতলজাত করেও একটি চক্র মাদকসেবীদের হাতে তুলে দেয়।

ভারতের সীমান্ত এলাকায় এ রকম কিছু কারখানা আছে, যেখানে ফেনসিডিল উৎপাদনের প্রধান উপাদান কোডিন মজুত ও ফেনসিডিল জাতীয় মাদক তৈরি করে বাংলাদেশে পাচার করা হয়। এসব অবৈধ কারখানা ধ্বংস করার জন্য ভারতকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।

বাড়ছে হেরোইন পাচার

ভারতে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোকে বাংলাদেশ জানিয়েছে, সাম্প্রতি ভারত--বাংলাদেশের পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে হেরোইন পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে।  উদ্ধার হওয়া হেরোইন চালন তাই নির্দেশ করে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়াও ভারত থেকে বিভিন্ন ইনজেকশন প্রবেশ করছে। জয়পুরহাট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে এসব ইনজেকশন পাচার করা হয়।

নতুন রুটে গাঁজা পাচার

গাঁজা পাচারের জন্য চোরাকারবারিরা নতুন নতুন রুট সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে দেশের উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সীমান্ত দিয়ে গাঁজা পাচার করা হচ্ছে।

ইয়াবা পাচারে ভারতের রুটও ব্যবহার করা হয়

ভারতে যেসব ইয়াবা মাঝেমাঝে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধরে, তা মিয়ানমার থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়। ভারতের ত্রিপুরা, আসাম ও পশ্চিম বাংলার রুট ব্যবহার করে বাংলাদেশে এসব ইয়াবা প্রবেশের চেষ্টা করে মাদক কারবারিরা। ভারতকে এ বিষয়ে আরও তৎপর হয়ে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।

মাদকের কেনাবেচা ভার্চুয়াল মুদ্রায়

বর্তমানে মাদক চোরাকরবারিরা মাদক পাচার ও কেনাবেচায় তাদের ধরণ পরিবর্তন করেছে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ দাবি করেছে, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ভুয়া ব্যক্তির ঠিকানায় মাদক পাচার হচ্ছে। এসব মাদক কেনাবেচার ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল মুদ্রা ব্যবহার করছে চোরকারবারিরা। যা দুই দেশেই অবৈধ মুদ্রা। এতে অর্থপাচার হচ্ছে। এ বিষয়টি নিয়ে দুই দেশই একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এছাড়াও হুন্ডির মাধ্যমেও তারা মাদকের টাকা পাচার করে।

মাদক প্রতিরোধে ত্রিপক্ষীয় সভা চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কোন মাদকের উৎপাদন করে না, তারপরও বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ভুক্তোভোগী। মিয়ানমার থেকে যেমন ইয়াবা ও আইস আসে, তেমনি ভারত থেকে আসে ফেনসিডিল, গাঁজা, হেরোইন, ইনজেকশনসহ বিভিন্ন মাদক। তাই এ বিষয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ত্রিপক্ষীয় সভার প্রয়োজনের কথা বাংলাদেশ ভারতকে বলেছে। বাংলাদেশে পক্ষ থেকে ভারতেকে বলা হয়েছে, ‘সুশাসন ও নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে ত্রিপক্ষীক সভা করলে অনেক কিছুরই সমাধান হবে।’

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক আব্দুস সবুর মণ্ডল বলেন, ‘আমরা ষষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সভায় ভারতকে কিছু বিষয়ে তথ্য দিয়েছিলাম, কিছু ফেনসিডিল উৎপাদনকারীর নাম ঠিকানা দিয়েছিলাম, সেগুলো ভারত ধ্বংস করেছে। আমরা আবারও কিছু বিষয়ে তাদের জানিয়েছি, দুই দেশই ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ জন্য তথ্য আদান-প্রদান, অভিজ্ঞতা শেয়ার, নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় একমত হয়েছি।’

 

/ইউএস/আইএ/

সম্পর্কিত

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০০

‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ শতভাগ কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বিধিমালা কার্যকরে কঠোর হওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরনো বিধিমালা যুগোপযোগী করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।  

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী প্রতি পাঁচবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব দেওয়ার কথা থাকলেও তা মানছেন না অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ বিষয়ে সরকারের তদারকি না থাকাকেই দায়ী করছেন অনেকে। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব নিতে চলতি বছরের ২৪ জুন সব মন্ত্রণালয় এবং বিভাগগুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে দেওয়া চিঠিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নিজ নিজ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব দিতে বলেছে।

জানা গেছে, চিঠিতে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হলেও আশাব্যাঞ্জক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত, নৌপরিবহন, ভূমি মন্ত্রণালয়, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব চেয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠি পাওয়ার পর ভূমি মন্ত্রণালয় ২৫ আগস্ট, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ ২০ সেপ্টেম্বর, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২৮ জুলাই, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ১৮ আগস্ট, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১১ জুলাই, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ ১৪ জুলাই নিজ দফতর ও সংস্থাগুলোকে সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার জন্য নোটিস পাঠিয়েছে।

তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এর মধ্যে না নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলা হলেও সেটা কী হতে পারে তা নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি জনপ্রশাসন সচিব কে এম আলী আজম।

তিনি জানিয়েছেন, ‘প্রত্যেক সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তা চাকরিতে যোগদানের সময় সম্পদের একটা হিসাব দেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর পর আবার হিসাব জমা দেবেন তারা। সেটাকে ভিত্তি ধরে যাচাই-বাছাই করা হবে। এবার যারা হিসাব দেবেন তাদের তালিকা করা হবে। পর্যায়ক্রমে সবাইকে হিসাবের আওতায় আনা হবে।’

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ এর বিধি-২ (সংজ্ঞা) অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীর সংজ্ঞায় ওই কর্মচারীর পরিবারের সদস্য বলতে ‘সরকারি কর্মচারীর সঙ্গে বসবাস করেন অথবা করেন না, তার স্ত্রী/স্বামী, সন্তান বা সৎ সন্তানরা এবং তার সঙ্গে বসবাসরত এবং তার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল তার নিজের অথবা স্ত্রীর/স্বামীর অন্যান্য আত্মীয়স্বজনকেও বোঝাবে। ফলে শুধু চাকরিজীবীর সম্পদের হিসাব দিলেই হবে না। দিতে হবে পরিবারের অন্য সদস্যদের সম্পদের হিসাবও।

হিসাব দেওয়া নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনেকটাই চাপে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এ প্রসঙ্গে কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা রাজি হননি।

এদিকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, ‘মন্ত্রিপরিষদে আমরা যারা আছি তারাও নিজ নিজ সম্পদের হিসাব দেবো।

/এফএ/

সম্পর্কিত

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:০৬

সংবিধানে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে শব্দ এবং এ বিষয়ক ঘটনা সংযুক্তির নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) আবুল বাশারসহ ৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইনজীবী আবেদা গুলরুখ ও নাসরিন আক্তার এ রিট দায়ের করেন।

রিটের পক্ষে শুনানি করবেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম।

আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫০ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সংবিধানে কোনও কিছু সংযোজন করা হয়নি। তাই আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে এই রিট আবেদন করেছি। মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধা এই দুটি শব্দ সংবিধানের কোথাও নেই। এই শব্দ দুটি সুবিধাজনক ও সঙ্গতিপূর্ণ স্থানে স্থাপনের জন্যে রিটে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।’

রিটে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক শব্দ ও প্রসঙ্গ সংবিধানে যুক্ত করার জন্যে নির্দেশনা চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

 

 

/বিআই/আইএ/

সম্পর্কিত

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফিলিস্তিনে এক হাজার হাফেজকে সম্মাননা

ফিলিস্তিনে এক হাজার হাফেজকে সম্মাননা

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য মক্কার দুই মসজিদে ব্রেইল কোরআন শরিফ

জুমার খুতবায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কথা বলার আহ্বান

জুমার খুতবায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কথা বলার আহ্বান

পূর্ণিমা তিথিতে ঘরে ঘরে মা লক্ষ্মীর বন্দনা

পূর্ণিমা তিথিতে ঘরে ঘরে মা লক্ষ্মীর বন্দনা

ছবিতে জশনে জুলুস

ছবিতে জশনে জুলুস

ঈদে মিলাদুন্নবীতে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস

ঈদে মিলাদুন্নবীতে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী

রবিউল আউয়াল: যে মাস আনন্দের, বেদনারও

রবিউল আউয়াল: যে মাস আনন্দের, বেদনারও

সর্বশেষ

মাকে হত্যায় ছেলের মৃত্যুদণ্ড

মাকে হত্যায় ছেলের মৃত্যুদণ্ড

‘প্রতিবাদ’ শব্দটিকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে: রিজভী

‘প্রতিবাদ’ শব্দটিকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে: রিজভী

‘বছরে ৩৫ বার দ্রব্যের দাম বাড়লেও ৭ বছরে শ্রমিকের বেতন বাড়ে না’

‘বছরে ৩৫ বার দ্রব্যের দাম বাড়লেও ৭ বছরে শ্রমিকের বেতন বাড়ে না’

ফিলিস্তিনে এক হাজার হাফেজকে সম্মাননা

ফিলিস্তিনে এক হাজার হাফেজকে সম্মাননা

আবারও মাঠে নামছেন সজল-মাহি!

আবারও মাঠে নামছেন সজল-মাহি!

© 2021 Bangla Tribune