X
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

নাইজেরিয়ায় নৌকাডুবির ঘটনায় ৪৫ জনের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ২৮ মে ২০২১, ১২:০৩
image

নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে একটি নৌকাডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার নাইজার থেকে কেব্বি প্রদেশে যাওয়ার পথে নৌকাটি ডুবে যায়। অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই নৌকাটি ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছে দেড় শতাধিক মানুষ। আশঙ্কা করা হচ্ছে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে নাইজার প্রদেশ থেকে নৌকাটি কেব্বি প্রদেশের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার পর নাইজার নদীতে ডুবে যায়। এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার তৎপরতা এখনও চলছে।

নাইজেরিয়ার নদীগুলোতে নৌকাডুবির ঘটনা সাধারণ বিষয়। অতিরিক্ত যাত্রী, আবহাওয়া আর মেরামতের অভাবে এসব নৌকাডুবি হয়ে থাকে। তবে বুধবারের নৌকাডুবিটি বিগত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় উদ্ধারকারী সংস্থার ব্যবস্থাপক ইউসুফ বিরমা সাংবাদিকদের জানান নৌকাটিতে প্রায় ১৮০ জন যাত্রীবোঝাই ছিলো। যাত্রা শুরুর ঘণ্টাখানেক পর এটি ডুবে যায়।

স্থানীয় জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহি বুহারি ওয়ারা জানিয়েছেন,  যাত্রী ছাড়াও নৌকাটিতে একটি স্বর্ণের খনির বালু বোঝাই ব্যাগ ছিলো। নাইজেরিয়ায় রাতে নৌকা যাত্রা এবং অতিরিক্ত যাত্রী বহন নিষিদ্ধ হলেও প্রায়ই তা মানা হয় না।

মে মাসের শুরুতে নাইজার প্রদেশে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই আরেকটি নৌকা ডুবে যাওয়ায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়।

/জেজে/

সম্পর্কিত

গ্রেটার সাহারায় আইএস প্রধানকে হত্যা, বড় সাফল্য বলছে ফ্রান্স

গ্রেটার সাহারায় আইএস প্রধানকে হত্যা করেছে ফ্রান্স

জেনারেল সিসির আমন্ত্রণে মিসরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

জেনারেল সিসির আমন্ত্রণে মিসরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

গিনিতে অভ্যুত্থান চেষ্টা: সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের দাবি

গিনিতে ক্ষমতা দখলের দাবি সেনাদের

গিনির রাজধানীতে প্রচণ্ড গোলাগুলি

গিনির রাজধানীতে প্রচণ্ড গোলাগুলি

বাংলাদেশিদের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা জাপানের

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:০৪

বাংলাদেশিদের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে জাপান। কোভিড-১৯ মহামারির প্রকোপ ঠেকাতে এ বছরের গোড়ার দিকে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

ওই সময়ে বাংলাদেশ ছাড়াও আরও  পাঁচটি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে টোকিও। শুক্রবার সন্ধ্যায় সবকটি দেশের ওপর থেকে এ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে নতুন এ সিদ্ধান্ত সোমবার থেকে কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ ছাড়া বিধিনিষেধ থেকে অব্যাহতি পাওয়া বাকি দেশগুলো হলো ভারত, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা। করোনা মোকাবিলায় ১৪ দিনের মধ্যে এসব দেশে সময় কাটানো বিদেশি পর্যটকদের জাপান প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। মূলত ওই আদেশটিই প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও কোয়ারেন্টিন নীতিমালায় পরিবর্তন এনেছে টোকিও। নতুন নিয়মে বাংলাদেশসহ ৪০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের পর্যটকদের এখন জাপানে পৌঁছানোর পর সরকারি স্থাপনায় তিন দিন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন মেনে চলতে হবে। এছাড়া দেশটিতে প্রবেশের পর একবার কোভিড টেস্ট করতে হবে। তিন দিনের আইসোলেশন শেষে আবারও এই টেস্ট করাতে হবে।

/এমপি/

সম্পর্কিত

জাপানে আঘাত হানতে সক্ষম উত্তর কোরিয়ার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র

জাপানে আঘাত হানতে সক্ষম উত্তর কোরিয়ার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র

উ. কোরিয়া আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য হুমকি: পেন্টাগন

উ. কোরিয়া আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য হুমকি: পেন্টাগন

জলসীমায় সন্দেহজনক চীনা সাবমেরিন দেখা গেছে: জাপান

জাপানের জলসীমায় চীনা সাবমেরিন দেখার দাবি

পদত্যাগ করছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সুগা

পদত্যাগ করছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সুগা

জালালাবাদে আবারও তালেবানকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৪০

আফগানিস্তানের জালালাবাদে আবারও তালেবান সদস্যদের লক্ষ্য করে একটি বিস্ফোরণ ঘটেছে। রবিবার বর্ডার পুলিশের গাড়িতে এই বিস্ফোরণ ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে কোনও তালেবান কর্মকর্তা নিহত বা আহত হয়েছেন কিনা জানা যায়নি।

শনিবার এই শহরেই একাধিক বিস্ফোরণে অন্তত দুই তালেবান কর্মকর্তা ও ১৯জন আহত হন। বিস্ফোরণে দুই তালেবান কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। তবে আহতদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। এর দায় স্বীকার করেনি কেউ।

রবিবারের হামলারর বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তালেবান পরিচালিত বর্ডার পুলিশের একটি গাড়ি লক্ষ্য করে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। প্রাথমিকভাবে অন্তত পাঁচজন নিহতের কথা জানা গেছে। এদের মধ্যে দুজন বেসামরিক রয়েছে।

হতাহতের বিষয়ে তালেবানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

/এএ/

সম্পর্কিত

তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে কয়েকটি আফগান দূতাবাস

তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে কয়েকটি আফগান দূতাবাস

রাশিয়ার নির্বাচনে এগিয়ে পুতিনের দল

রাশিয়ার নির্বাচনে এগিয়ে পুতিনের দল

তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে কয়েকটি আফগান দূতাবাস

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:২২

আশরাফ গণির নেতৃত্বাধীন আফগান সরকারের পতনের এক মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও বিভিন্ন দেশের কয়েকটি দূতাবাসের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। অনেক দূতাবাস তালেবানের নেতৃত্বাধীন ইসলামি আমিরাত সরকারের সঙ্গে সম্পর্কও ছিন্ন করেছে। আফগান সংবাদমাধ্যমের বরাতে এখবর জানিয়েছে এনডিটিভি।

আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সাবেক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি আফগান দুতাবাস এখন স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং তাদের আয়ের উৎস অজানা।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একটি দূতাবাস ব্যাংকে এখনও তাদের অর্থ জমা দেয়নি। চারটি দূতাবাস তাদের কর্মকাণ্ডের রিপোর্ট দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রণালয়ের এক সাবেক কর্মকর্তা জানান, তালেবান ক্ষমতা দখলের পর মন্ত্রণালয়ের ৮০ শতাংশ কর্মী আফগানিস্তান ছেড়ে পালিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক দফতর অন্য দেশের দূতাবাসগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্বে ছিল। কিন্তু এখন এই দফতরে অল্প কয়েকজন কর্মকর্তা রয়েছেন।

তার মতে, বেশিরভাগ আফগান দূতাবাস কাবুল প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। অনেক দূতাবাস সাবেক মন্ত্রী হানিফ আতমার ও ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। কয়েকটি এখনও কোনও পক্ষে যায়নি। অন্যরা নতুন প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

ওই কর্মকর্তা জানান, এসব দূতাবাসের ৮০ শতাংশ ব্যয় নিজেদের আয় থেকে মেটানো হতো। পাসপোর্ট প্রদান ও অন্যান্য সেবা থেকে এই আয় আসত।

তিনি আরও জানান, ফ্রান্স ও জার্মানির আফগান দূতাবাসের কর্মীরা ওই দেশগুলোতে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি বেশ কয়েকবার বিভিন্ন দেশের আফগান দূতদের সঙ্গে অনলাইনে বৈঠকের চেষ্টা করেছেন। বুধবার এমন একটি বৈঠক বাতিল করা হয় রাষ্ট্রদূতরা অনুপস্থিত থাকায়।

/এএ/

সম্পর্কিত

জালালাবাদে আবারও তালেবানকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ

জালালাবাদে আবারও তালেবানকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ

রাশিয়ার নির্বাচনে এগিয়ে পুতিনের দল

রাশিয়ার নির্বাচনে এগিয়ে পুতিনের দল

রাশিয়ার নির্বাচনে এগিয়ে পুতিনের দল

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০৫

রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে এগিয়ে রয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দল ইউনাইটেড রাশিয়া। আলেক্সি নাভালনির নেতৃত্বাধীন বিরোধীদের কঠোর হাতে দমনের পর রবিবার তিন দিনব্যাপী নির্বাচনের চূড়ান্ত পর্যায়ের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার বাকি থাকলেও ৬৮ বছরের পুতিনের দলের বিজয় এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরেই মস্কোর ক্ষমতার মসনদে ইউনাইটেড রাশিয়া। তবে দলটির শাসনামলে রুশ নাগরিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তবে পার্লামেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের সম্ভাব্য জয়কে পুতিনের প্রতি জনসমর্থনের প্রমাণ হিসেবে হাজির করা হতে পারে।

৪৫০ আসনের রুশ পার্লামেন্টের প্রায় তিন চতুর্থাংশই ইউনাইটেড রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। ২০২০ সালে এই সংখ্যাগরিষ্ঠতার বলেই সংবিধানে একটি নতুন সংস্কার আনা হয়। এতে ভ্লাদিমির পুতিনকে আরও দুই মেয়াদে অর্থাৎ, ২০৩৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার সুযোগ রাখা হয়। সমালোচকদের মতে, ওই সংস্কার ছিল পুতিনকে আমৃত্যু ক্ষমতায় রাখার একটি অপকৌশল মাত্র।

/এমপি/

সম্পর্কিত

জালালাবাদে আবারও তালেবানকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ

জালালাবাদে আবারও তালেবানকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ

তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে কয়েকটি আফগান দূতাবাস

তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে কয়েকটি আফগান দূতাবাস

যেভাবে ‘পুণ্যের প্রচার ও পাপ ঠেকাবে’ তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ

যেভাবে ‘পুণ্যের প্রচার ও পাপ ঠেকাবে’ তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ

মানুষকে আতঙ্কে রাখতে চাই না: তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ প্রধান

মানুষকে আতঙ্কে রাখতে চাই না: তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ প্রধান

যেভাবে ‘পুণ্যের প্রচার ও পাপ ঠেকাবে’ তালেবানের নৈতিকতা পুলিশ

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৫৯

কান্দাহার প্রদেশে তালেবানের পুণ্যের প্রচার ও পাপ দমন কার্যালয়ের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মৌলভী মোহাম্মদ শেবানি জানিয়েছেন, কীভাবে তাদের নৈতিকতা পুলিশ কাজ করবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন।

নৈতিকতা পুলিশ বাহিনী গঠনের পর অনেকেই আশঙ্কা করছেন তালেবানের প্রথম শাসনামলের অন্ধকার যুগ ফিরে আসার। তবে শেবানি বলছেন তারা, মানুষকে উৎসাহিত করবেন নীতি মানতে, সহিংসতা নয়। তার ভাষায়, আগে আমাদের কোনও লিখিত হ্যান্ডবুক ছিল না, এখন আছে।

সাক্ষাৎকারে শেবানি এই পুলিশবাহিনীর কাঠামো ও কীভাবে কাজ করবে তা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, গত বছর এই বিষয়ে তাদের একটি পকেট হ্যান্ডবুক প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পুলিশ সদস্যদের জন্য গাইডলাইন রয়েছে।

হ্যান্ডবুকে যে কোনও আইনভঙ্গের ঘটনায় একাধিক পদক্ষেপ ও প্রক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রথমত তাদের বিষয়টি বোঝানো, পরে আচরণ বদলাতে উৎসাহিত করা। এরপরও তারা যদিনা পাল্টায় তাহলে শক্তি প্রদর্শন একটি উপায় হতে পারে।

গাইডলাইনে চতুর্থ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এরপরও কোনও ব্যক্তি নিজের আচরণ না পাল্টায় এবং এতে যদি বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকে তাহলে তাকে হাত দিয়ে থামানো যেতে পারে।

তবে ১৯৯০ দশকে তালেবান শাসনের কয়েকটি কঠোর আইন পুনর্বহাল রাখা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, নারীদের বাড়ির বাইরে যেতে অবশ্যই একজন পুরুষ অভিভাবক সঙ্গে রাখা, নামাজ আদায় বাধ্যতামূলক এবং পুরুষদের দাড়ির দৈর্ঘ্যের শর্ত।

শিবানি জানান, মার্কিন ও আফগান বাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের সময় তারা একটি পুলিশ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন। এতে করে নৈতিকতা পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত পুলিশ স্টেশনে একীভূত হবে। গ্রামীণ কান্দাহারে ১৮টি জেলা রয়েছে। প্রতিটিতে তার কমিশনের পাঁচ সদস্য রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিটি এলাকায় প্রধান চারটি চেক পয়েন্ট রয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিটিতে একজন করে কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা মুজাহিদিন ও মোল্লাদের সঙ্গে কাজ করছেন।

শেবানি বলেন, মানুষ কী করছে তা তারা পর্যবেক্ষণ করছে। মানুষ বেআইনি কিছু করছে কিনা তা আমরা এভাবে জানতে পারব। স্থানীয়দেরও অভিযোগ জানাতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে। রেডিওতে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে অপরাধমূলক যে কোনও বিষয়ে আমাদের দ্রুত অবহিত করার জন্য।

তিনি জানান, আপাতত তালেবানের ভয়ঙ্কর টহল দল রাস্তায় নামছে না। তার কথায়, কোনও টহল থাকবে না। আমরা জোর দিয়ে বলতে চাই যে, আমরা কারও বাড়িতে বা সমাবেশে প্রবেশ করব না। তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ব্যবহার করব না।

মন্ত্রণালয়ের গাইডলাইনে কারও বাড়িতে পুলিশ সদস্যদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে। কোথাও আইনের লঙ্ঘন হলেও এটি না করতে বলা হয়েছে। গাইডলাইন অনুসারে, কোনও বাড়ি থেকে যদি সংগীত, টেলিভিশন ও বাজনার শব্দ আসে তাহলে তা থামানো উচিত। কিন্তু এটি করার জন্য বাড়িতে প্রবেশ করা যাবে না।

হ্যান্ডবুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি দান-খয়রাতে উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছে। এমনকি নারীদের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা, জোর করে বিয়ে ও বিবাহ বিচ্ছেদে নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ আছে। তবে এতে যুক্ত করা হয়েছে, কোনও নারী পরিবারের ঘনিষ্ঠজন ছাড়া কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে না এবং তাদের একা বাড়ির বাইরে যাওয়া উচিত না।

এতে বলা হয়েছে, ধৈর্য্যের সঙ্গে হিজাব ও পুরুষ অভিভাবক ছাড়া নারীদের বাইরে বের হওয়া ঠেকাতে হবে।

/এএ/

সম্পর্কিত

জালালাবাদে আবারও তালেবানকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ

জালালাবাদে আবারও তালেবানকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ

তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে কয়েকটি আফগান দূতাবাস

তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে কয়েকটি আফগান দূতাবাস

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গ্রেটার সাহারায় আইএস প্রধানকে হত্যা, বড় সাফল্য বলছে ফ্রান্স

গ্রেটার সাহারায় আইএস প্রধানকে হত্যা করেছে ফ্রান্স

জেনারেল সিসির আমন্ত্রণে মিসরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

জেনারেল সিসির আমন্ত্রণে মিসরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

গিনিতে অভ্যুত্থান চেষ্টা: সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের দাবি

গিনিতে ক্ষমতা দখলের দাবি সেনাদের

গিনির রাজধানীতে প্রচণ্ড গোলাগুলি

গিনির রাজধানীতে প্রচণ্ড গোলাগুলি

হাজার হাজার বিদ্রোহীকে হত্যার দাবি ইথিওপিয়ার

হাজার হাজার বিদ্রোহীকে হত্যার দাবি ইথিওপিয়ার

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত, এযাবৎকালের সবচেয়ে বেশি পরিবর্তিত

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত, এযাবৎকালের সবচেয়ে বেশি পরিবর্তিত

মরক্কোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো আলজেরিয়া

মরক্কোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো আলজেরিয়া

নিজেকে জ্যান্ত কবর দিতে বললেন যাজক, তারপর?

নিজেকে জ্যান্ত কবর দিতে বললেন যাজক, তারপর?

টিগ্রেতে যৌন সহিংসতাকে যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ অ্যামনেস্টির

টিগ্রেতে যৌন সহিংসতাকে যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ অ্যামনেস্টির

লিবিয়ায় রাশিয়ার প্রাইভেট বাহিনীর গোপন তৎপরতা ফাঁস

লিবিয়ায় রাশিয়ার প্রাইভেট বাহিনীর গোপন তৎপরতা ফাঁস

সর্বশেষ

তিন জেলায় প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন

তিন জেলায় প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন

এসএসসি ৫ থেকে ১০ নভেম্বর, এইচএসসি ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে

এসএসসি ৫ থেকে ১০ নভেম্বর, এইচএসসি ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে

ই-কমার্স চালু করলো বেসিস

ই-কমার্স চালু করলো বেসিস

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশিদের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা জাপানের

বাংলাদেশিদের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা জাপানের

© 2021 Bangla Tribune