X
রবিবার, ০১ আগস্ট ২০২১, ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ইসরায়েলের নতুন সরকার নিয়ে কী ভাবছেন ফিলিস্তিনিরা

আপডেট : ০৪ জুন ২০২১, ১৯:২১

এক কট্টর উগ্র ডানপন্থী নেতা হিসেবেই বিশ্বদরবারে পরিচিত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। টানা ১২ বছর ইসরায়েল শাসন করেছেন তিনি। এই সময়ে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার সংঘাতে জড়িয়েছেন। গত মাসেই তার নির্দেশেই টানা ১১ দিনের বিমান হামলায় গাজা উপত্যকাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। বোমা হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন নারী-শিশুসহ শতাধিক ফিলিস্তিনি। ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খবর হলো, নেতানিয়াহুর শাসনের সমাপ্তি ঘটতে চলছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, নেতানিয়াহুর বিদায়ে ফিলিস্তিনিদের ভাগ্যের কতটুকু পরিবর্তন ঘটবে? হতাশার কথা হলো, নেতানিয়াহুর শাসনের অবসান ঘটতে চললেও কৌশলগতভাবে নেতানিয়াহুর দেখানো পথেই নতুন শাসকরা হাঁটবে বলে ধারণা অধিকাংশ ফিলিস্তিনির। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ইতোমধ্যে ইসরায়েলের নতুন জোট সরকারের গঠনে বিরোধী দলগুলো ঐকমত্যে পৌঁছেছে। এতে নেতানিয়াহুর বিদায়ের ঘণ্টা বেজেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট রিউভেন রিভিলিনকে এই ঐক্যমতের বিষয়টি উল্লেখ করে সরকার গঠনের প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন দেশটির মধ্যপন্থী ঘরনার বিরোধীদলীয় আতিদ পার্টির নেতা ইয়ার লাপিদ। জোটের চুক্তির শর্তানুসারে নতুন সরকারে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হবেন ডানপন্থী দল ইয়ামিনা পার্টির প্রধান নাফতালি বেনেত, পরে তিনি লাপিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। এখন বিরোধীদের পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে জয়লাভ করতে হবে।

৪৯ বছর বয়সী নাফতালি বেনেত একসময় নেতানিয়াহুর দল ও সরকারে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি এখন ইয়েমিনা পার্টির নেতৃত্বে রয়েছেন। এই দল অধিকৃত পশ্চিম তীরের একাংশকে ইসরায়েলের অংশ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানিয়ে আসছে। বেনেত ইসরায়েলের স্পেশাল ফোর্সের সাবেক কমান্ডো। অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি সম্প্রসারণের মূল সংগঠনের প্রধান ছিলেন তিনি। ফিলিস্তিনিবিরোধী উগ্র ও বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য বেনেত আলোচিত-সমালোচিত।

গত মাসে ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে সংঘাতের জন্য বৃহস্পতিবার তিনি ফিলিস্তিনিদের ওপরই দোষ চাপিয়েছেন। ফিলিস্তিন ইস্যুতে বেনেতের সবশেষ এই বক্তব্য প্রসঙ্গে ফিলিস্তিনের মুক্তি আন্দোলনের সংগঠন (পিএলও) প্রতিনিধি বাসেম আল-সালহি মনে করেন, নেতানিয়াহুর চেয়ে বেনেত কোনও অংশেই কম উগ্র নন। ক্ষমতায় বসলে তিনি কতটা উগ্র তা দেখা যাবে।

আল-সালহি বলেন, ‘ফিলিস্তিন ইস্যুতে আমরা কোনও নড়বড়ে সমাধান চাই না, শক্তিশালী কার্যকর সমাধান ছাড়া বিকল্প কোনও পথ নেই।’ গাজার শাসক গোষ্ঠী হামাসের নেতারাও একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানান। তাদের মতে, কারা ইসরায়েল শাসন করছে তাতে কিছু যায় আসে না।

ইসরায়েলের সরকার বদলের বিষয়ে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেন, ‘ফিলিস্তিনিরা এ পর্যন্ত অনেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তন দেখেছে। আপনি যদি ইতিহাস ঘেঁটে দেখেন, বামপন্থী, ডানপন্থী এবং মধ্যপন্থী ঘরনার সরকারও এসে গেছে। কিন্তু যখনই ফিলিস্তিনিদের অধিকারের প্রসঙ্গ আসে তারা বেঁকে বসে। তাদের প্রত্যেকের মধ্যেই সম্প্রসারণবাদ বা দখলদারিত্বের চরিত্র ফুটে ওঠে স্পষ্ট’।

ব্যক্তি নেতানিয়াহু নয়, প্রয়োজন ইসরায়েলি নীতির বদল

ফিলিস্তিনের জাতীয়তবাদী বালাদ পার্টির নেতা সামি আবু শিহাদেহ মনে করেন, বিষয়টি ব্যক্তি নেতানিয়াহুর নয়, এটি ইসরায়েলের নীতি। তার মতে, ‘আমাদের যা প্রয়োজন তা হলো ব্যক্তি বদলের চেয়ে ইসরায়েলের নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আগে ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের সম্পর্ক আরও খারাপ ছিল। যতক্ষণ না ইসরায়েল সরকারের নীতিতে পরিবর্তন আসবে, নেতানিয়াহুর বিদায়ের পরও পরিস্থিতি আগের চেয়ে খারাপ হওয়ারই আশঙ্কা থাকবে। এই কারণে আমরা জোট সরকারেরও বিরোধিতা করি।

এ বিষয়ে পিএলওর কার্যনির্বাহী পরিষদের সাবেক সদস্য হান্নান আশ্রায়ি টুইটারে লিখেছেন, নেতানিয়াহু দিনের পর দিন বর্ণবাদ, উগ্রবাদ, সহিংসতা ও বিচারহীনতার একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন। তার সাবেক সহযোগীরা এই উত্তরাধিকার বজায় রাখবে। প্রগতিশীল শক্তির কর্তব্য হলো এটিকে চ্যালেঞ্জ জানানো।

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বাসিন্দাদের জীবন যেনও জেলখানায় বন্দি। দিনে দিনে ইসরায়েলি আগ্রাসন ও দখলদারিত্বের কারণে তাদের চলাফেরাও সংকুচিত হয়ে আসছে। নিজ ভূমিতে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমার প্রকম্পে ঘুম ভাঙে। ইসরায়েলের সরকার পরিবর্তন নিয়ে অন্যান্য নেতার মতো গাজার সাধারণ মানুষও খুব একটা আশাবাদী কিছু দেখতে পাচ্ছেন না। ২৯ বছর বয়সী গাজার সরকারি কর্মকর্তা আহমেদ রেজিক বলেন, ‘ইসরায়েলের একজন থেকে আরেকজন নেতার মধ্যে খুব একটা পার্থক্য নেই বললেই চলে। যারা এসেছে বা আসবে প্রত্যেকেই নিজের দেশের জন্যই ভালো। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের অধিকার সম্পর্কিত বিষয় সব সময় প্রত্যাখ্যান করে আসছে ইসরায়েল সরকার’।

/এলকে/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ওমান উপকূলে হামলার শিকার ইসরায়েলি ধনকুবেরের জাহাজ

ওমান উপকূলে হামলার শিকার ইসরায়েলি ধনকুবেরের জাহাজ

কাতারে খেজুর উৎসবের পর্দা নামছে আজ

কাতারে খেজুর উৎসবের পর্দা নামছে আজ

ফিলিস্তিনি শিশুর জানাজায় টিয়ার গ্যাস ছুড়েছে ইসরায়েল

ফিলিস্তিনি শিশুর জানাজায় টিয়ার গ্যাস ছুড়েছে ইসরায়েল

প্রিন্সেস ডায়ানা-চার্লসের বিয়ের কেক নিলামে

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৭:৫২

প্রিন্সেস ডায়ানা ও যুবরাজ চার্লসের বিয়ের এক টুকরো কেক নিলাম উঠছে। ৪০ বছরের পুরনো সেই কেকের টুকরো আগামী ১১ আগস্ট নিলাম হবে, এমন খবর মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর।

বিখ্যাত সেই রাজকীয় বিয়েতে হাতে সাদা গোলাপ-টিউলিপের তোড়া আর সাদা প্রিন্সেস গাউন, মাথায় স্পেনসার টিয়ারা পরে পরীর সাজে সেন্ট পলস ক্যাথিড্রালে এসেছিলেন প্রিন্সেস ডায়ানা। প্রিন্সেসের মৃত্যুর পরও সেই দৃশ্য আজও রঙিন।

১৯৮১ সালে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে বিবাহে আবদ্ধ হন রাজকুমারী ডায়ানা। প্রায় ৪০ বছর আগে তাদের বিবাহ উপলক্ষে ব্রিটেনের রাজবাড়িতে মোট ২৩টি কেক কাটা হয়েছিল। কেকের এক টুকরো যত্নে রেখে দেন রানির কর্মচারী মোয়রা স্মিথ। সেই টুকরোটিই আগামী ১১ আগস্ট নিলামে তুলতে যাচ্ছে নিলাম সংস্থা ডমিনিক উইন্টার। ৩০০ থেকে ৫০০ পাউন্ডে বিক্রির আশা করছে সংস্থাটি।

৪০ বছর আগের কেক-এর টুকরো

মজার বিষয় হচ্ছে, কেকের টুকরো তখন যেভাবে স্লাইস করে কাটা হয়েছিল ঠিক সেরকমই আছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে এসেছে, মোয়রা শুধু ওই টুকরোটি যত্নে নিজের কাছে রেখে দেন ২০০৮ সাল পর্যন্ত। পরে একজন স্লাইসটি তার থেকে চেয়ে নিজের বাড়িতে রাখেন। পরবর্তীতে নিলাম প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ হয়।

/এলকে/

সম্পর্কিত

টিকা নিয়েও করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

টিকা নিয়েও করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রিন্সেস ডায়ানার মূর্তি উন্মোচনে একত্রিত হলেন প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারি

প্রিন্সেস ডায়ানার মূর্তি উন্মোচনে একত্রিত হলেন প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারি

নিলামে বিক্রি হলো প্রিন্সেস ডায়ানার গাড়ি

নিলামে বিক্রি হলো প্রিন্সেস ডায়ানার গাড়ি

ব্রিটেনে বাড়ছে স্থূল মানুষ, জাঙ্ক ফুড বিজ্ঞাপনে বিধিনিষেধ

ব্রিটেনে বাড়ছে স্থূল মানুষ, জাঙ্ক ফুড বিজ্ঞাপনে বিধিনিষেধ

তুরস্কে দাবানলের তাণ্ডবে পুড়ে মরছে পশু-পাখি

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৬:৪০

টানা তিন ধরে দাবানলে জ্বলছে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু প্রদেশ। দমকা বাতাস আগুনের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া আগুনে বন্যপ্রাণীর পাশাপাশি গৃহপালিত পশু-পাখিও মারা যাচ্ছে। এ অবস্থায় দেশটির পাঁচটি প্রদেশ ‘দুর্যোগ অঞ্চল’ ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান।

গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া দাবানলে পুড়ে গেছে অনেক ঘর-বাড়ি ও বনভূমি। তবে দমকল বাহিনীর প্রচেষ্টায় শনিবার পর্যন্ত ৮৮ জায়গার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে। দাবানলের ভয়াবহতা থামাতে লড়ছে দেশটির বিভিন্ন জরুরি সংস্থার কর্মীরা। কিছু জায়গার পরিস্থিতি উন্নতি হলেও পুরোপুরি নিন্ত্রেণ আনা যায়নি।

কৃষি ও বনমন্ত্রী বেকির পাকদেমিরলি শনিবার টুইট করেন, এন্টালিয়ার জনপ্রিয় পর্যটক অঞ্চলে তিনটি স্থানের আগুন এখনো সক্রিয় রয়েছে। 

তুরস্কের ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে আগুন বিশেষভাবে গুরুতর ছিল। সেখানে প্রবল বাতাস অগ্নি নির্বাপণে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে অনেক অঞ্চল এবং হোটেল খালি করা হয়েছে। পর্যটকদের নৌকায় করে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে। এদিেক বন্যপ্রাণীর পাশাপাশি গৃহপালিত অনেক পশু-পাখি আগুন পুড়ে মারা গেছে। এ সংখ্যা কত এখনও জানা যায়নি।

পরিস্থিতি নিয়ে শনিবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেন, দাবানলে আমাদের যে মানুষগুলো আহত এবং মৃত্যু হয়েছে তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে’।

তুরস্কের ভূম্যধ্যসাগরের উপকূলীয় পাঁচ প্রদেশে দুর্যোগ অঞ্চল ঘোষণা করেন তিনি। দাবানল নিয়ন্ত্রণে ৪৫টি হেলিকপ্টার, ৫৫টি ভারী যানবাহন এবং এক হাজার ৮০টি জলযান কাজ করছে।

/এলকে/

সম্পর্কিত

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে তুরস্ক

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে তুরস্ক

তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিশ্বের প্রতিক্রিয়া

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৫:৪৭

মিয়ানমারের জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তুলেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ- এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটি বলছে গত ছয় মাস ধরে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের আন্দোলনে দমন পীড়ন চালিয়ে আসছে নিরাপত্তা বাহিনী। যা স্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন।

গত ফেব্রুয়ারিতে মিয়ামারের সু চি সরকারের কাছ থেকে জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করে নেয় সামরিক বাহিনী। একই সঙ্গে সু চিসহ অনেক রাজনৈতিক নেতাকে বন্দি করে। প্রতিবাদে গত ৬ মাস ধরে মিয়ানমারের রাজধানী ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ করে আসছেন সাধারণ মানুষ। চলমান আন্দোলন প্রথম থেকেই দমানোর চেষ্টা করে আসছে জান্তা। গণতন্ত্রের দাবি আন্দোলনকারীরা রাস্তায় নামলেই চালানো হচ্ছে নির্যাতন।

এমন পরিস্থিতিকে মানবতাবিরোধী অপরাধ অ্যাখায়িত করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। নিউইয়র্ক-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি বলেছে, সামরিক অভুত্থানের বিরুদ্ধে যারা বিক্ষোভ করছে তাদের কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে। বিরোধীদের গ্রেফতার, নির্যাতন ও হত্যা করা হচ্ছে।

সংগঠনটির এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডাস বলেন, নাগরিকের ওপর এ ধরনের হামলা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত।

এদিকে, শনিবারও মান্দালয়ের মোটরবাইকে চড়ে লাল ও সবুজ পতাকা উড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের বিভিন্ন সংগঠন। সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলে নেওয়ার পর নিরাপত্তা বাহিনীল গুলিতে এ পর্যন্ত প্রায় এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। গ্রেফতার হয়েছেন ৬ হাজারের বেশি।

/এলকে/

সম্পর্কিত

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

করোনার 'সুপার স্প্রেডার' রাষ্ট্র হওয়ার পথে মিয়ানমার

মিয়ানমারকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে সহযোগিতা করছে রাশিয়া

মিয়ানমারকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে সহযোগিতা করছে রাশিয়া

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে সতর্ক রোহিঙ্গারা

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে সতর্ক রোহিঙ্গারা

রাশিয়ার কাছ থেকে ২০ লাখ ডোজ টিকা পাচ্ছে মিয়ানমার

রাশিয়ার কাছ থেকে ২০ লাখ ডোজ টিকা পাচ্ছে মিয়ানমার

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০৪:৩২

উচ্ছেদের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬ লাখের বেশি বাসিন্দা। করোনা মহামারিতে বাড়ি ভাড়া পরিশোধ করতে না পারায় ভাড়াটে উচ্ছেদ স্থগিতাদেশ স্থানীয় সময় শনিবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে। ফলে ঘর ছাড়ার ঝুঁকিতে বহু মানুষ।

করোনা মহামারিতে গত বছরের মার্চ থেকে ভাড়াটিয়া উচ্ছেদের সব প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। করোনায় দুর্দশায় পড়া ভাড়াটিয়াদের উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়। কিন্তু ভাড়াটে উচ্ছেদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তা শনিবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে পদক্ষেপ নেওয়া না হলে আগস্টেই বাসা ছাড়তে হবে তাদের।

স্থগিতাদেশ আগামী মধ্য অক্টোবরের পর্যন্ত বাড়ানোর দাবিতে ডেমোক্র্যাট দলের প্রগতিশীল সদস্য কোরি বুশ, আয়ানা প্রেসলি এবং ইলহান ওমর শুক্র থেকে শনিবার ক্যাপিটলের বাইরে অবস্থান করেন।

কোরি বুশ টুইটারে লিখেন, আমরা সিনেট এবং হোয়াইট হাউস নিয়ন্ত্রণ করছি। সুতরাং মানুষকে অবশ্যই তাদের বাড়িতে রাখা উচিত। এ বিষয়ে ভোটাভুটির আয়োজন করতে মার্কিন নিম্মকক্ষ প্রতিনিধি পরিষধের স্পীকার ন্যান্সি পেলোসিকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াতে সেনেটের ডেমোক্র্যাট শীর্ষ নেতা চাক শুমার প্রতিও আহ্বান জানান। 

ইলান ওমর টুইটে উল্লেখ করেন, ‘অনেক মানুষ ঘর ছাড়ার ঝুঁকির মুখে পড়েছেন। আমরা তাদের জন্য আছি’।

এর আগে নির্দিষ্ট আইনি প্রস্তাব ছাড়া ভাড়া পরিশোধ করতে না পারা লোকজনকে উচ্ছেদের মেয়াদ আর বর্ধিত না করার কথা জানান মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, সুপ্রিম কোর্টের এমন নির্দেশনার পর উচ্ছেদের ওপর নিষেধাজ্ঞা বর্ধিতের সুযোগ নেই। ফলে কংগ্রেসকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জুলাইয়ের পাঁচ তারিখ পর্যন্ত কয়েক বহু লোকের ঘরভাড়া বাকি পড়েছে। এই হিসাবে তালিকাভুক্ত ভাড়াটেদের শুধু ধরা হয়েছে। তালিকার বাইরেও রয়েছেন অনেকে। 

/এলকে/

সম্পর্কিত

কিউবার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

কিউবার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

এশিয়ার দুই দেশ সফরে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

আফগান দোভাষীদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া শুরু

বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২১, ০২:৩৪

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন ফরাসিরা। প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সরকারের ভাইরাস পাশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান লাখ লাখ মানুষ। শনিবারের বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় আন্দোলনকারীদের।

করোনার সংক্রমণ রোধে আগামী ৯ আগস্ট থেকে নতুন আইন জারি হতে যাচ্ছে ফ্রান্সে। এই আইন অনুসারে যদি কেউ কফি শপ বা রেস্তোরাঁয় যেতে চান, তবে তার অ্যান্টিকরোনাভাইরাস পাশ থাকতে হবে। এ ছাড়া বিমানে ভ্রমণ বা আন্তঃনগর ট্রেনে যাতায়াতের ক্ষেত্রে লাগবে এ পাশ। তবে দুই ডোজ টিকা নিলেই পাবেন। কিন্তু এখনও বহু নাগরিক টিকা না পাওয়ায় সরকারের এমন কঠোর পদক্ষেপের বিরুদ্ধে শনিবার টানা তৃতীয় সপ্তাহের বিক্ষোভে নামেন আন্দোলনকারী।

এ দিনের আন্দোলন গত সপ্তাহের তুলনায় সহিংস রূপ নেয়। রাজধানী প্যারিসের শঁজ এলিজে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ দেখান। ফলে রাজধানী জুড়ে তিন হাজারের মতো নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে নিরাপত্তা সদস্যরা। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টি হলেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়লে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন তারা। এদিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সামনেও অবস্থান করেন বিক্ষুব্ধরা।

খবরে বলা হয়েছে, অ্যান্টি ভ্যাকসিন পাশ বিরোধী বিক্ষোভে ফ্রান্সের বিভিন্ন জায়গায় দুই লাখের মতো মানুষ রাস্তায় নামেন। এর মধ্যে ১৪ হাজারের বেশি অবস্থান করেন প্যারিসে। ফ্রান্সে করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখ ১২ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

/এলকে/

সম্পর্কিত

ডেল্টা সংক্রমণে বিপর্যস্ত মালয়েশিয়া

ডেল্টা সংক্রমণে বিপর্যস্ত মালয়েশিয়া

ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো

ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

চিকেনপক্সের মতোই সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: সিডিসি

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে

করোনা শনাক্তের সংখ্যা ১৯ কোটি ৭২ লাখ ছাড়িয়েছে

সর্বশেষ

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে অটোয়ায় বঙ্গবন্ধু

প্রথমবারের মতো কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে অটোয়ায় বঙ্গবন্ধু

প্রিন্সেস ডায়ানা-চার্লসের বিয়ের কেক নিলামে

প্রিন্সেস ডায়ানা-চার্লসের বিয়ের কেক নিলামে

ঘরে বসেই দেদার আড্ডা

আজ বন্ধু দিবসঘরে বসেই দেদার আড্ডা

কেন বারবার একই ভুল

কেন বারবার একই ভুল

তুরস্কে দাবানলের তাণ্ডবে পুড়ে মরছে পশু-পাখি

তুরস্কে দাবানলের তাণ্ডবে পুড়ে মরছে পশু-পাখি

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

এখনও শেষ হয়নি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে মিয়ানমার জান্তা

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

উচ্ছেদ হবেন লাখ লাখ মার্কিনি!

আগস্টের প্রথম প্রহরে শত আলো জ্বললো

আগস্টের প্রথম প্রহরে শত আলো জ্বললো

বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স

‘দূরপাল্লার বাসে শ্রমিকরা আসতে চাইলে, সেই বাস পুলিশ ধরবে না’

‘দূরপাল্লার বাসে শ্রমিকরা আসতে চাইলে, সেই বাস পুলিশ ধরবে না’

কর্মস্থলে ফেরা হলো না ২ পোশাকশ্রমিকের

কর্মস্থলে ফেরা হলো না ২ পোশাকশ্রমিকের

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ওমান উপকূলে হামলার শিকার ইসরায়েলি ধনকুবেরের জাহাজ

ওমান উপকূলে হামলার শিকার ইসরায়েলি ধনকুবেরের জাহাজ

কাতারে খেজুর উৎসবের পর্দা নামছে আজ

কাতারে খেজুর উৎসবের পর্দা নামছে আজ

ফিলিস্তিনি শিশুর জানাজায় টিয়ার গ্যাস ছুড়েছে ইসরায়েল

ফিলিস্তিনি শিশুর জানাজায় টিয়ার গ্যাস ছুড়েছে ইসরায়েল

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনির্দিষ্টকাল ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলতে পারে না: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা

প্রথমবারের মতো কাতারে অনুষ্ঠিত হবে আইনসভার নির্বাচন

প্রথমবারের মতো কাতারে অনুষ্ঠিত হবে আইনসভার নির্বাচন

চুরি হওয়া প্রত্ন নিদর্শন ইরাককে ফিরিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চুরি হওয়া প্রত্ন নিদর্শন ইরাককে ফিরিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

© 2021 Bangla Tribune