X
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

আ.লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

শেখ হাসিনার হাত ধরে যত অর্জন

আপডেট : ২৩ জুন ২০২১, ১৯:৩৫

শুরু থেকে বললে, আওয়ামী লীগ সভাপতি থাকাকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বেই আসে আমাদের স্বাধীনতা। পরের ৫০ বছরের যত অর্জন, তার বেশিরভাই এসেছে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ হয়েছে বিশ্বের বিস্ময়। উঠেছে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে।

আজ ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দলটি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ছিল ৪০ বছরেরও বেশি সময়। টানা ৯ টার্ম দলের সভাপত্বির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সংখ্যার হিসাবে ছাড়িয়ে গেছেন পিতাকেও। বঙ্গবন্ধু টানা আট বছর সভাপতিসহ মোট ২৫ বছর দলের বিভিন্ন পদে ছিলেন।

সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে অসংগঠিত দলটিকে সুংগঠিত করেছেন শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ অতীতের যেকোনও সময়ের চেয়ে আরও ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী বলে দাবি দলটির নেতাদের।

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে অনেকগুলো গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন শেখ হাসিনা। দলকে ক্ষমতায় এনেছেন চারবার। রেকর্ড ভেঙে টানা তৃতীয় টার্মে দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

৭২ বছরের মধ্যে ২১ বছর দেশের ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে সাড়ে ১৬ বছরই নেতৃত্বে আছেন শেখ হাসিনা। চলতি মেয়াদে তার আরও আড়াই বছর দেশ শাসনের সুযোগ রয়েছে।

বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবেও ছাড়িয়েছেন অন্যদের। তিন টার্মে ১২ বছর বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে যত উন্নয়ন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশ চাক্ষুষ করেছে অভূতপূর্ব সব উন্নয়ন। দেশের নানা সংস্কারমূলক কাজ হয়েছে তাঁর হাত দিয়েই।

১৯৯৬ সালে তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। ওই সময় ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টন ও পার্বত্য শান্তিচুক্তির মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান হয়। তিনি ক্ষমতায় থাকাকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি পায় ২১ ফেব্রুয়ারি।

নারীর ক্ষমতায়ন

ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকারের সব পরিষদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত পদ সৃষ্টি করে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেন শেখ হাসিনা। জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা এমপির সংখ্যাও তিনি বৃদ্ধি করেছেন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়েই সন্তানের পরিচয়ে পিতার পাশাপাশি মায়ের নাম যুক্ত করার বিধান চালু হয়। সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, আদালত থেকে শুরু করে বিভিন্ন উচ্চপদে নারীদের অন্তর্ভুক্তি ঘটেছে তাঁর আমলেই। তিনি প্রথম নারী স্পিকার মনোনীত করেন। সংসদের উপনেতাও করেছেন নারীকে।

সরকারের পাশাপাশি দলেও নারী নেতৃত্ব বেড়েছে শেখ হাসিনার হাত ধরে। কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারী নেতৃত্ব এখন ২৫ শতাংশের বেশি। সব স্তরে নারী নেতৃত্ব ৩৩ শতাংশ করার নির্বাচন কমিশনের যে শর্ত তা পূরণের পথে এগোচ্ছে দলটি।

দলের সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠন হিসেবে যুব মহিলা লীগ ও মহিলা শ্রমিক লীগ নামে দুটি উইং হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই।

বন্দনায় মুখর বিশ্ব

বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার বিচারে একাধিকবার বিশ্বের প্রভাবশালী নেতৃত্বের উপাধী পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল। শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার হ্রাসের জন্য বেশ আগেই আন্তর্জাতিক পদকে ভূষিত হয়েছে দেশ।

আওয়ামী লীগের বর্তমান শাসন আমলেই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের নতুন মাত্রা সূচিত হয়েছে। দেশ নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। এ বছরই স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছে।

শেখ হাসিনার হাত দিয়েই ঘটেছে তথ্য-প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার। দিয়েছেন ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা। মহাকাশে এখন আছে বাংলাদেশের স্যাটেলাইট। বিশ্বব্যাংকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নিজস্ব অর্থায়নে গড়েছেন পদ্মা সেতু।

সর্বশেষ বৈশ্বিক মহামারি করোনা সঙ্কট মোকাবিলায় তার ভূমিকা দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।

ভারতের সঙ্গে ৬৮ বছরের ছিটমহল ও সীমান্ত সমস্যার সমাধান হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে সুবিশাল সমুদ্রে বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) ও কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ)-এর মতো আন্তর্জাতিক দুটি সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ।

অর্থনীতির চাকায় নতুন গতি

২০০৮-৯ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৮ দশমিক ১৯ শতাংশ হয়।

মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ছিল ৭৫৯ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১-এ তা দাঁড়ায় ২২২৭ ডলারে। রাজস্ব আয় ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ছিল ৬৪ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা। ২০১৯-২০ এ হয় তিন লাখ ৪৮ হাজার ৫৯ কোটি।

রফতানি আয় ২০০৮-০৯ এ ছিল ১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে হয় ৪০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে আমদানি ব্যয় ২২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৫৯ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।

প্রবাস আয় ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ছিল ৯ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলার। ২০১৯-২০ এ তা দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারে। একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩৬ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।

১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। বর্তমানে মাছ, মাংস ও সবজি উৎপাদনে অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্ব সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শেখ হাসিনা সব ধরনের সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আজকের জায়গায় এসেছেন। শেখ হাসিনার বিকল্প এখন শেখ হাসিনাই।’

সাবেক উপাচার্য আরও বলেন, ‘না সরকারে, না রাজনৈতিক অঙ্গনে; তার নেতৃত্বের কোনও বিকল্প দেখা যাচ্ছে না। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শন দ্বারা প্রভাবিত শেখ হাসিনা জাতির পিতার অসম্পূর্ণ কাজগুলোই সম্পূর্ণ করছেন।’

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পথ ধরেই তার কন্যা শেখ হাসিনা দেশকে নিয়ে যাচ্ছেন উন্নয়নের মহাসড়কে। ২১ ফেব্রুয়ারির মাতৃভাষা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, স্বল্পোন্নত রাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করা, সমুদ্রসীমা জয়, ছিটমহল সমস্যার সমাধান, স্যাটলাইটের মালিকানা, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণসহ বহু মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনসহ সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বদানে বিশ্বের হাতেগোনা কয়েকজন রাষ্ট্রনায়কের মধ্যে শেখ হাসিনা অন্যতম।’

/এফএ/

সম্পর্কিত

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

‘জনসাধারণকে লকডাউন মানানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’

‘জনসাধারণকে লকডাউন মানানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২৩:৩০

দেশে সোমবার (২৬ জুলাই) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৪৭ জন। গত দেড় বছরের করোনা মহামারিকালে একদিনে এত মৃত্যু আর দেখেনি বাংলাদেশ। এর আগের দিন ২৫ জুলাই ২২৮ জনের মৃত্যুর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। ঈদের ছুটির আগের দিন ২০ জুলাই ২০০ মানুষের মৃত্যু হয়। ঈদের দিন মারা যান ১৭৩ জন, ২২ জুলাই ১৮৭ জন, ২৩ জুলাই ১৬৬ জন এবং ২৪ জুলাই মারা যান ১৯৫ জন। এছাড়া জুলাই মাসের শুরু থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই মৃতের সংখ্যা দুইশ’র বেশি বা দুইশ’র কাছাকাছি ছিল। মৃত্যুর রেকর্ড ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ঘোষিত ‘কঠিন’ জুলাই মাস।

মৃত্যুর এই ঊর্ধ্বগতির মধ্যে গত ২৪ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১৯ হাজার ছাড়ায়। আর শেষ এক হাজার মৃত্যু ছাড়াতে অর্থ্যাৎ ১৮ থেকে ১৯ হাজার মৃত্যু ছাড়াতে সময় নেয় মাত্র পাঁচ দিন। তার আগে গত ১৯ জুলাই মৃত্যু ১৮ হাজার ছাড়ায়।

দেশে গত বছরের ৮ মার্চে প্রথম তিন জন করোনা আক্রান্ত রোগীর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। তার ঠিক ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু কথাও জানায় অধিদফতর। মার্চে অনিয়মিত হলেও চার এপ্রিল থেকে প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়।

বিশ্বে যেসব দেশে করোনায় দৈনিক মৃত্যু সবচেয়ে বেশি হচ্ছে, সেই তালিকায় বর্তমানে দ্বাদশ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

করোনার ভয়াবহতার মধ্যেই ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিধিনিষেধ শিথিল করেছিল সরকার। ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ফের কঠোর বিধিনিষেধও দেওয়া হয়েছে। তবে বিধিনিষেধ শিথিলে কোরবানির পশুর হাট, শপিং মল, মার্কেটে স্বাস্থ্যবিধি মোটেও মানা হয়নি। অনেকেই ঢাকা থেকে বাস, ট্রাক, লঞ্চে গাদাগাদি করে ঈদ করতে গেছেন গ্রামে। ঈদ শেষে ২৩ জুলাই ঢাকায় ফিরেছেনও তারা। এমনকি কঠোর বিধিনিষেধের তৃতীয় দিন রবিবারও (২৫ জুলাই) ঢাকায় ফিরেছেন অনেকে। ফেরি, বাসে ছিল না স্বাস্থ্যবিধির বালাই। গণমাধ্যমের খবর বলছে, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে এখনও পদ্মা পার হচ্ছে মানুষ। আর এতে করে দেশে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে মৃত্যুও নতুন রেকর্ড গড়ছে।

এদিকে, দেশের আট বিভাগের মধ্যে সাত বিভাগেই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তির নমুনা থেকে জিনোম সিকোয়েন্সে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। জার্মানির গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটা (জিআইএসএআইডি) অনুযায়ী, দেশের সাতটি বিভাগে এখন পর্যন্ত ১৫০টি নমুনায় ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট বি-১৬১৭ পাওয়া গেছে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সামাজিক সংক্রমণে জর্জরিত এখন পুরো দেশ। গত আট দিনে মারা গেছেন এক হাজার ২৮৯ জন এবং শনাক্ত হয়েছেন ৭৫ হাজার ৯৬১ জন। ইতোমধ্যে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, বর্তমান সংক্রমণে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টই বেশি।

করোনায় শূন্য মৃত্যু লক্ষ্যমাত্রা রেখে কাজ করা দরকার মন্তব্য করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনায় কেন এবং ঠিক কোন পরিস্থিতিতে মৃত্যু হচ্ছে তার পর্যালোচনা দরকার, তাতে অন্তত কিছু মৃত্যু কমানো সম্ভব হতো বা হবে। একইসঙ্গে মৃত্যু কমানোর জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের গঠন করা পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটি করোনায় মৃত্যু কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে জানিয়ে বলেছিল, করোনায় শূন্য মৃত্যুর টার্গেট নিয়ে কাজ করতে হবে। আর এ জন্য গত ১৭ জুন তারা একটি লিখিত প্রতিবেদন দেন, যেখানে কাজটি কীভাবে করতে হবে তার কিছু দিকনির্দেশনা ছিল।

কিন্তু সেই অনুযায়ী কাজ হচ্ছে না, যদি হতো তাহলে মৃত্যু কমানো যেত বলে জানান পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য অধ্যাপক আবু জামিল ফয়সাল।

‘সংক্রমণ বেশি হলে মৃত্যুও বেশি হবে’ এটাই নিয়ম মন্তব্য করে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরার্মশক কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘যে ভ্যারিয়েন্ট দেশে ছড়াবে বেশি, সেটা যদি অধিক মাত্রায় ক্ষতিকারক হয় তাহলে মৃত্যু বেশি হবে।’

‘সেইসঙ্গে রাজধানীর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলো করোনায় মৃত্যু ঠেকাতে প্রস্তুত নয়। আমরা গত দেড় বছরেও হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা বাড়াতে পারিনি, ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ নেই। যখন জটিল রোগীদের আইসিইউ দরকার হয় তখন তাদের ঢাকায় পাঠাতে হয়। ঢাকার হাসপাতালগুলোতেও আইসিইউ পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও যারা পাচ্ছেন, কিন্তু সেটা শেষ মুহূর্তে। আর শেষ মুহূর্তে চিকিৎসা দিয়ে আসলে রোগীকে বাঁচানো যায় না’—বলেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘সেইসঙ্গে বর্তমানে যে লকডাউন দেওয়া হচ্ছে সেটা নন-মেডিক্যাল লকডাউন। এই নন-মেডিক্যাল লকডাউন দিয়ে মেডিক্যাল ব্যবস্থায় কোনও উন্নতি করা সম্ভব না। তাতে করে রোগী শনাক্তের সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু বাড়বে এবং সেটাই হচ্ছে।’

‘লকডাউন না মেনে শহর থেকে গ্রাম, গ্রাম থেকে শহরে ফিরেছে মানুষ। আর এতে করে শনাক্তের সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যু’ জানিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ও এই হাসপাতালের কোভিড ইউনিটে দায়িত্বপালনকারী চিকিৎসক ডা. ফরহাদ উদ্দিন হাছান চৌধুরী মারুফ বলেন, ‘রোগীরা শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসছে। আর যে রোগী দেরিতে হাসপাতালে আসবে তার মৃত্যু অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি, যে রোগী ‘আর্লি’ হাসপাতালে আসবে তার চেয়ে। বেশি সময় ধরে শরীরে অক্সিজেনের অভাব থাকলে তার ফিরে আসার সম্ভাবনা কমে যায়।’

অধিক সংক্রমণ এবং টেস্ট না করার প্রবণতার কারণে মৃত্যু বাড়ছে জানিয়ে ডা. ফরহাদ উদ্দিন হাছান চৌধুরী বলেন, ‘টেস্ট না করালে করোনা শনাক্ত হচ্ছে না। শনাক্ত না হওয়ার কারণে রোগী ধরা পড়ছে না এবং যখন ধরা পরছে তখন আর চিকিৎসার কিছু থাকে না।’

‘জেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই, এ কারণে রোগীরা সেখানে চিকিৎসা পাচ্ছেন না’—বলেন আরেকটি করোনা হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক। ‘এ কারণে ঢাকার বাইরে থেকে আসা রোগীদের মৃত্যু হচ্ছে বেশি’—নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন তিনি।

 

/জেএ/আইএ/

সম্পর্কিত

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

করোনা নিয়ন্ত্রণে করণীয় নির্ধারণে জরুরি বৈঠক মঙ্গলবার

করোনা নিয়ন্ত্রণে করণীয় নির্ধারণে জরুরি বৈঠক মঙ্গলবার

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২২:৩২
document

দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর থেকে সোমবার (২৬ জুলাই) পর্যন্ত টিকা দেওয়া হয়েছে এক কোটি ২০ লাখ ৮৭ হাজার ৮৭৩ ডোজ। এরমধ্যে এক ডোজ নিয়েছেন ৭৭ লাখ ৭৭ হাজার ৪৩০ জন এবং দুই ডোজ নিয়েছেন ৪৩ লাখ ১০ হাজার ৪৪৩ জন। এগুলো অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি কোভিশিল্ড, চীনের তৈরি সিনোফার্ম, ফাইজার এবং মডার্নার ভ্যাকসিন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের টিকাদান বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। কেবল সোমবার  টিকা দেওয়া হয়েছে মোট ২ লাখ ২১ হাজার ৫৩৬ জনকে।      

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, এ পর্যন্ত কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জন।  দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৯৮ হাজার ৮৬ জন। জানা যায়, কোভিশিল্ড প্রথম ডোজ নেওয়া ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৩৩ জনের মধ্যে সাড়ে ১৪ লাখের মতো মানুষের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে সংকট। এদের অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকারই দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। কেননা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনও দুই কোম্পানির দুই ডোজের টিকা গ্রহণের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি।  

পাশাপাশি সোমবার ফাইজারের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১২ জনকে। আর এখন পর্যন্ত এই টিকা দেওয়া হয়েছে মোট ৫০ হাজার ৫২৩ জনকে।

এছাড়া সিনোফার্মের দেওয়া হয়েছে এ পর্যন্ত  ১৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৮১ ডোজ। এরমধ্যে সোমবার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৫৯  হাজার জনকে, আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৪৭৮ জনকে।

মডার্নার টিকা এ পর্যন্ত মোট দেওয়া হয়েছে মোট ৪ লাখ ২১ হাজার ৯৫০ ডোজ, আর সোমবার দেওয়া হয়েছে ৫৮ হাজার ৪৬ ডোজ।

সারা দেশে টিকার জন্য এ পর্যন্ত মোট নিবন্ধন করেছেন ১ কোটি ২৬ লাখ ১২ হাজার ৪৪৭ জন।

 

/এসও/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

করোনা নিয়ন্ত্রণে করণীয় নির্ধারণে জরুরি বৈঠক মঙ্গলবার

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২৩:৪১

করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে করণীয় নিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার আবারও জরুরি বৈঠকে বসছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে এই সভা।

সোমবার (২৬ জুলাই) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লকডাউন দিয়ে রাখলেও সংক্রমণ-মৃত্যু কোনোটিই কমছে না। এই পরিস্থিতিতে করণীয় কী, তা ঠিক করতেই এই সভার আয়োজন করা হয়েছে।

সচিব জানিয়েছেন, চলমান ‘কঠোর লকডাউন’ ৫ আগস্ট  পর্যন্ত চলবে। সংক্রমণ কমাতে বিশেষজ্ঞরা লকডাউনের পক্ষে বললেও তা আবার মানুষকে জীবিকার সংকটে ফেলছে। বিষয়টি নিয়েও সরকারকে ভাবতে হচ্ছে।

চলমান লকডাউনের মেয়াদ ৫ আগস্টের পর আবারও বাড়ানো হবে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের সভায় বিষয়টি ফাইনাল হবে।

 

/এসআই/এফএএন/এমওএফ/

সম্পর্কিত

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

একদিনে ঢাকা বিভাগেই শনাক্ত প্রায় ৮ হাজার

একদিনে ঢাকা বিভাগেই শনাক্ত প্রায় ৮ হাজার

জোড়া রেকর্ড: মৃত্যু ২৪৭, শনাক্ত ১৫ হাজার

জোড়া রেকর্ড: মৃত্যু ২৪৭, শনাক্ত ১৫ হাজার

আদালতের আদেশে সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিত করলো ইসি

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২০:০৭

আদালতের রায় অনুযায়ী সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় ইসি থেকে নির্বাচন স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সেই অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম-সচিব ফরহাদ আহম্মদ খান বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কমিশন নির্বাচন স্থগিত করেছে। সিদ্ধান্তটি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানিয়ে দিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা সিলেট জেলা প্রশাসক কাজী এম এমদাদুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, নির্বাচন স্থগিতে কমিশনের নির্দেশনা পেয়েছি এবং সেই অনুযায়ী ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার দুপুরে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে আগামী ২৮ জুলাই অনুষ্ঠেয় সিলেট-৩ আসনের উপ-নির্বাচন আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিতের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশনা পাওয়ার পর ফাইল নোট উপস্থাপনের মাধ্যমে কমিশন নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ ওই সময় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছিলেন, আদালতের আদেশের বিষয়টি তারা জেনেছেন। কমিশন এ বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবে তারা তা বাস্তবায়ন করবে। সংবিধান অনুযায়ী এ আসনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ইসির হাতে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় রয়েছে।

/ইএইচএস/এমআর/

সম্পর্কিত

যে কারণে করোনার ঝুঁকিতে উপনির্বাচন

যে কারণে করোনার ঝুঁকিতে উপনির্বাচন

আরপিও’র বাংলা পাঠ প্রকাশ

আরপিও’র বাংলা পাঠ প্রকাশ

রাজনৈতিক দলগুলো শর্ত মানছে তো? জানতে চায় ইসি

রাজনৈতিক দলগুলো শর্ত মানছে তো? জানতে চায় ইসি

করোনাকালে ভোটের বিপক্ষে জেলা প্রশাসন, অনড় ইসি

করোনাকালে ভোটের বিপক্ষে জেলা প্রশাসন, অনড় ইসি

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ১৮:৫৪

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ১৯১ জন। গত দেড় বছরের মহামারিকালে একদিনে এত রোগী আর শনাক্ত হয়নি। একইসঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৪৭ জন। একদিনে এটাই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ মৃত্যু।

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া ১৫ হাজার ১৯১ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে শনাক্ত হয়েছেন সাত হাজার ৯৫৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৫৯৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে দুই হাজার ৪৬৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ৯০৮ জন, রংপুর বিভাগে ৬৭৮ জন, খুলনা বিভাগে এক হাজার ১৮৬ জন, বরিশাল বিভাগে ৮৪১ জন এবং সিলেট বিভাগে শনাক্ত হয়েছেন ৫৬৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২৪৭ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে মারা গেছেন ৭২ জন। এছাড়াও চট্টগ্রাম বিভাগের ৬১ জন, রাজশাহী বিভাগের ২১ জন, খুলনা বিভাগের ৪৬ জন, বরিশাল বিভাগের ১২ জন, সিলেট বিভাগের ১৪ জন, রংপুর বিভাগের ১৬ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের মারা গেছেন পাঁচ জন।

 

/জেএ/আইএ/

সম্পর্কিত

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

সর্বশেষ

এবার লখনৌ অবরোধের হুঁশিয়ারি ভারতীয় কৃষকদের

এবার লখনৌ অবরোধের হুঁশিয়ারি ভারতীয় কৃষকদের

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

বগুড়ায় পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

বগুড়ায় পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

মধ্যনগরকে উপজেলা ঘোষণা করায় মিষ্টি বিতরণ

মধ্যনগরকে উপজেলা ঘোষণা করায় মিষ্টি বিতরণ

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

সিলিন্ডারের দাম নিয়ে বাগবিতণ্ডায় দোকানে আগুন, যুবকের মৃত্যু

সিলিন্ডারের দাম নিয়ে বাগবিতণ্ডায় দোকানে আগুন, যুবকের মৃত্যু

সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন আজ

সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন আজ

নাভালনি ও তার ঘনিষ্ঠদের ওয়েবসাইট ব্লক করলো রাশিয়া

নাভালনি ও তার ঘনিষ্ঠদের ওয়েবসাইট ব্লক করলো রাশিয়া

লকডাউনে কাদের মির্জার চা-চক্রের আয়োজন

লকডাউনে কাদের মির্জার চা-চক্রের আয়োজন

ভারত থেকে তিন মাসে ফিরলেন সাড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি

ভারত থেকে তিন মাসে ফিরলেন সাড়ে ৬ হাজার বাংলাদেশি

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

ময়মনসিংহে ৩৪০ মামলায় আড়াই লাখ টাকা জরিমানা আদায়

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসায় মৃত্যু বাড়ছে

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ২১ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

৮ বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কত শনাক্ত, কত মৃত্যু

‘জনসাধারণকে লকডাউন মানানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’

‘জনসাধারণকে লকডাউন মানানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী’

একদিনে ঢাকা বিভাগেই শনাক্ত প্রায় ৮ হাজার

একদিনে ঢাকা বিভাগেই শনাক্ত প্রায় ৮ হাজার

করোনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ প্রথম টার্গেট

করোনা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ প্রথম টার্গেট

জোড়া রেকর্ড: মৃত্যু ২৪৭, শনাক্ত ১৫ হাজার

জোড়া রেকর্ড: মৃত্যু ২৪৭, শনাক্ত ১৫ হাজার

মোবাইল থেকেই দেওয়া যাবে আয়কর রিটার্ন

মোবাইল থেকেই দেওয়া যাবে আয়কর রিটার্ন

করোনায় এখন আর মানুষের ভীতি নেই: তথ্যমন্ত্রী

করোনায় এখন আর মানুষের ভীতি নেই: তথ্যমন্ত্রী

গার্মেন্ট কারখানা খুলে দেওয়ার চিন্তা সরকারের নেই: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

গার্মেন্ট কারখানা খুলে দেওয়ার চিন্তা সরকারের নেই: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

© 2021 Bangla Tribune