X
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনায় চীন, রাশিয়া ও ইরান

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২১, ১৮:২৩

কিউবা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছে চীন, রাশিয়া ও ইরান। দেশটিতে সরকারবিরোধী বিরল বিক্ষোভে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সমর্থন ঘোষণার পর এ ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে তিন দেশ।

মঙ্গলবার মস্কোয় রুশ উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাশিয়ায় নিযুক্ত কিউবান রাষ্ট্রদূত জুলিও গার্মেনদিয়া পেনা। বৈঠকে মস্কোর পক্ষ থেকে কিউবার সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়। একইসঙ্গে শিগগিরই পরিস্থিতির উন্নয়নে রাশিয়ার পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। 

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকে শিগগিরই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসার ব্যাপারে উভয় পক্ষই নিজেদের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়েছে। একইসঙ্গে তারা কিউবায় বিদেশি হস্তক্ষেপকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

কিউবার চলমান বিক্ষোভে মার্কিন সমর্থন নিয়ে নিজ দেশের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝা লিজিয়ান। মঙ্গলবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘কিউবার ওষুধ ও জ্বালানি ঘাটতির মূল কারণ যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা।’ দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে বাইডেন প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ঝা লিজিয়ান বলেন, চীন জোরালোভাবে কিউবার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধী। কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াই, জনগণের জীবনযাত্রার উন্নয়ন এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কিউবা যা করেছে তার প্রতি বেইজিং-এর দৃঢ় সমর্থন রয়েছে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে, দুই দেশের প্রেসিডেন্টের গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়নে চীন কিউবার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। উভয় দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গভীর করার ব্যাপারে বেইজিং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খতিবজাদেহ বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কিউবার জনগণের দুর্দশার জন্য প্রথমত দায়ী যুক্তরাষ্ট্র। তারা নিজেদেরকে দেশটিতে বিক্ষোভের সমর্থক হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে। সূত্র: নিউজউইক।

/এমপি/

সম্পর্কিত

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা প্রত্যাখ্যান ইরানের

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা প্রত্যাখ্যান ইরানের

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা প্রত্যাখ্যান ইরানের

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:১২

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেতের জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে ইরান সম্পর্কে যে সমালোচনা করেছেন তা প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরান বলেছে, বেনেতের বক্তব্য ‘মিথ্যার ফুলঝুরি’ ছাড়া আর কিছু নয়। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি মাজিদ তাখতে রাভাঞ্জি নিজের অফিসিয়াল টুইটার পেজে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেছেন।

সোমবার জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনেত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সম্পর্কে তেল আবিবের পুরনো অভিযোগগুলোর পুনরাবৃত্তি করেন। গত কয়েক বছরে পরমাণু শিল্পের গবেষণা ও বিকাশে ইরান অনেকদূর অগ্রসর হয়েছে বলে স্বীকার করে বেনেত বলেন, মুখের কথায় আর ইরানের সেন্ট্রিফিউজগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করা যাবে না।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ইরানের ‘পরমাণু অস্ত্র তৈরির কর্মসূচি’ এমন অবস্থায় চলে গেছে যেখান থেকে আর ফিরে আসা সম্ভব নয়। বেনেত আরো দাবি করেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ‘সবগুলো রেডলাইন’ অতিক্রম করেছে।

এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি মাজিদ তাখতে রাভাঞ্জি বলেন, ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচি সম্পর্কে কথা বলার অধিকার শত শত পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী ইসরায়েলের নেই।

রাভাঞ্চি আরও লিখেছেন, জাতিসংঘে চলতি বছর ‘ইরান ভীতি’ ছড়িয়ে দেওয়ার কাজকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে তেল আবিব।

এদিকে, সীমান্তের কাছে ইসরায়েলের উপস্থিতি ইরান সহ্য করবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদে। মঙ্গলবার তিনি বলেন, উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের কাছে যে মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে তা সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি বিষয়। গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইরান নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে বলে জানান খাতিবজাদে। সূত্র: পার্স টুডে

 

 

 

/এএ/

সম্পর্কিত

ইরান সব রেড লাইন অতিক্রম করেছে: ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

ইরান সব রেড লাইন অতিক্রম করেছে: ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ফিলিস্তিনি আইনপ্রণেতা

ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ফিলিস্তিনি আইনপ্রণেতা

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:০১

আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর নিপীড়নের অভিযোগের তদন্ত পুনরায় শুরু করবে না আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। আদালতটির প্রধান প্রসিকিউটর এই তথ্য জানিয়েছেন। মার্কিন বার্তা সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেস এখবর জানিয়েছে।

২০১৬ সালের প্রতিবেদনে আইসিসি প্রসিকিউটর উল্লেখ করেছিলেন, আফগানিস্তান, পোল্যান্ড, রোমানিয়া ও লিথুয়ানিয়ার কারাগারে মার্কিন সেনা ও সিআইএ হয়ত বন্দিদের ওপর নির্যাতন ও বেআইনি আচরণ করেছে।

গত বছর মার্চ মাসে আইসিসি তদন্তের অনুমতি দেয়। কিন্তু আফগান কর্তৃপক্ষকে মামলার বাদি বলার পর তদন্ত বিলম্বিত হয়। আফগানিস্তানে এখন তালেবান শাসন শুরু হওয়ার পর আইসিসি প্রসিকিউটর করিম খানকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত পুনরায় শুরু না করতে।

এর বদলে আইসিসি তালেবান ও ইসলামিক স্টেট জঙ্গি গোষ্ঠীর আফগান শাখা দ্বারা সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের বিষয়ে মনোযোগ দেবে বলে জানিয়েছেন করিম খান।

তিনি কাবুল বিমানবন্দরের কাছে ২৬ আগস্টের হামলার কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। তালেবানের আফগান দখলের পর বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে এই বোমা হামলা হয়। এতে বেশ কয়েকজন আফগান ও ১৩ মার্কিন সেনা নিহত হয়।

/এএ/

সম্পর্কিত

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪০

ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লির জামিয়া নগরের নুর এলাকায় একটি হিন্দু মন্দির অবৈধভাবে ভেঙে ফেলার প্রতিবাদে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন স্থানীয় মুসলিমরা। হাই কোর্টের আবেদনে মন্দির ভাঙাকে কেন্দ্র করে যাতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা না ছড়ায় সেজন্যও আহ্বান জানানো হয়েছে।

কলকাতাভিত্তিক আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, জামিয়া নগর এলাকার ২০৬ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির কিছু বাসিন্দা সম্প্রতি দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। আবেদনে তারা জানান, এলাকার কিছু অসাধু প্রোমোটার স্থানীয় দুষ্কৃতীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ইতোমধ্যেই মন্দির চত্বরে থাকা ধর্মশালাটি খুবই অল্প সময়ের মধ্যে ভেঙে ফেলেছে। মন্দিরটি ভাঙার জন্য এতে থাকা থাকা ৮-১০টি মূর্তিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এ বার তাদের লক্ষ্য, মন্দিরটি ভেঙে ফেলে সেখানে বহুতল বা অন্য কোনও ভবন নির্মাণ করা। মন্দিরটি যাতে কোনোভাবেই ভাঙা নয় হয়, সে জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আবেদনকারীরা।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ১৯৭০ সালে নুর নগরে তৈরি হয়েছিল মন্দিরটি। তার পর থেকে প্রতিদিনই সেখানে পুজো ও কীর্তন হয়ে আসছে। নুর নগর লাগোয়া আর একটি এলাকায় ইতোমধ্যে মন্দির ভেঙে অবৈধ নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে গেছে। নুর নগরেও যে কোনও সময়ে ওই মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হবে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

জামিয়া নগরের বাসিন্দাদের আবেদন শুনে তিন দিন আগে দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব সচদেবের বেঞ্চ দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, কোনও অবৈধ প্রক্রিয়ায় মন্দির চত্বর থেকে যাতে কোনও কিছু উচ্ছেদ না করা হয়। মন্দিরটিও যেন অক্ষত অবস্থায় থাকে।

এলাকায় যাতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে, পুলিশকে তা দেখতেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

 

/এএ/

সম্পর্কিত

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

১৫০ পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেতে পারে তালেবান: বোল্টনের হুঁশিয়ারি

১৫০ পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেতে পারে তালেবান: বোল্টনের হুঁশিয়ারি

দিল্লির দাঙ্গা পূর্ব পরিকল্পিত: হাই কোর্ট

দিল্লির দাঙ্গা পূর্ব পরিকল্পিত: হাই কোর্ট

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:০২

দেশ পরিচালনায় আফগানিস্তানে ১৯৬৪ সালে গৃহীত সংবিধান সাময়িক সময়ের জন্য গ্রহণ করতে যাচ্ছে তালেবান। মঙ্গলবার তালেবানের ভারপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রী এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। ওই সংবিধানে নারীদের ভোটের অধিকার দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ভিন্নমতধারীদের নির্মূল করার বলা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

তালেবানের আইনমন্ত্রী জানান, আফগানিস্তানের স্বল্পস্থায়ী গণতন্ত্রের স্বর্ণযুগে যে সংবিধান অনুসারে দেশ পরিচালনা হয়েছে তা ফিরিয়ে আনা হবে। কিন্তু তা হবে স্বল্প মেয়াদে এবং সংশোধন সহকারে।

মৌলভী আবদুল হাকিম শারায়ি বলেন, ইসলামি আমিরাত সাবেক বাদশাহ মোহাম্মদ জহির শাহর সময়কালের সংবিধান সাময়িক সময়ের জন্য গ্রহণ করবে।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু শরিয়াহ আইন ও ইসলামি আমিরাতের নীতিবিরোধী কিছু থাকলে তা বর্জন করা হবে।

প্রায় ছয় দশক আগে, পরাশক্তিদের হস্তক্ষেপের আগে আফগানিস্তানে অল্প কিছু সময়ের জন্য সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ছিল। তখন ক্ষমতায় ছিলেন বাদশাহ মোহাম্মদ জহির শাহ।

১৯৬৩ সালে ক্ষমতায় আসার এক বছর পর এই সংবিধান অনুমোদন করেন জহির শাহ। এর ফলে ১৯৭৩ সালে উৎখাত হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রায় এক দশক দেশটিতে সংসদীয় গণতন্ত্র চালু ছিল।

১৯৬৪ সালের সংবিধানে প্রথমবারের মতো নারীদের ভোটের অধিকার দেওয়া হয়েছিল এবং রাজনীতিতে তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, নারী অধিকারের এই অংশটুকু তালেবানের কট্টরপন্থী মতের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

আশির দশকে সোভিয়েত দখলদারিত্বের পর আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। পরে আসে তালেবানের কঠোর শাসন। ২০০১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযানের পর দেশটিতে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু এতে আগের রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হয়নি। ২০০৪ সালে গৃহীত সংবিধানে প্রেসিডেন্ট শাসন ও নারীদের সমান অধিকার রাখা হয়েছিল।

/এএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

১৫০ পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেতে পারে তালেবান: বোল্টনের হুঁশিয়ারি

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৫০

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন হুঁশিয়ারি জানিয়ে বলেছেন, আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালেবান নেওয়ার পর পাকিস্তানও জঙ্গিদের হাতে চলে যাওয়ার হুমকি ও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো, তালেবান হয়তো ১৫০টি পারমাণবিক অস্ত্রের দখল পেতে পারে। রবিবার এক সাক্ষাৎকারে বোল্টন এ আশঙ্কার কথা জানান।

সাক্ষাৎকারে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন জন বোল্টন। তিনি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে ২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন।

বোল্টন বলেন, পাকিস্তানের ওপর চীনের প্রভাব এরইমধ্যে অনেক, এটি আরও বাড়বে এবং যা ভারতকে বেশি চাপে ফেলবে। বিশ্বের ওই অংশে এটি অনেক বড় ঘটনা।

বাইডেন বিশ্বদরবারে যুক্তরাষ্ট্রকে বিব্রত করেছেন বলে দাবি করেছেন এই সাবেক উপদেষ্টা। তার মতে, এখন মার্কিন মিত্ররা ভাবছেন, নিজের প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতিতে বাইডেনের কোনও নিয়ন্ত্রণ আছে কিনা।

তবে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাইডেনের পারমাণবিক সাবমেরিন চুক্তির প্রশংসা করেছেন তিনি। তার কথায়, ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে এটি আমাদের বড় অগ্রগতি। এটি চীনের প্রতি স্পষ্ট বার্তা যে আমরা তাদের যা খুশি করতে দেবো না এবং এ বিষয়ে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

অবশ্য চীনের দ্বারা সৃষ্ট হুমকি মোকাবিলায় বাইডেন প্রশাসন যথেষ্ট মনোযোগী না বলে মনে করার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। সূত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্ট

/এএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা প্রত্যাখ্যান ইরানের

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা প্রত্যাখ্যান ইরানের

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

১৫০ পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেতে পারে তালেবান: বোল্টনের হুঁশিয়ারি

১৫০ পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেতে পারে তালেবান: বোল্টনের হুঁশিয়ারি

পাঞ্জাব কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে সিধুর পদত্যাগ

পাঞ্জাব কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে সিধুর পদত্যাগ

পাকিস্তানে এক পিয়ন পদে ১৫ লাখ মানুষের আবেদন

পাকিস্তানে এক পিয়ন পদে ১৫ লাখ মানুষের আবেদন

ধর্ম অবমাননায় পাকিস্তানে নারী প্রিন্সিপালের মৃত্যুদণ্ড

ধর্ম অবমাননায় পাকিস্তানে নারী প্রিন্সিপালের মৃত্যুদণ্ড

সর্বশেষ

কিংসলের জন্য মন খারাপ জামালের

কিংসলের জন্য মন খারাপ জামালের

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পাঠাতে হবে নতুন নির্দেশনা অনুসারে

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পাঠাতে হবে নতুন নির্দেশনা অনুসারে

যুবকটি কেন মোটরসাইকেল পুড়িয়েছে, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

যুবকটি কেন মোটরসাইকেল পুড়িয়েছে, প্রশ্ন মির্জা ফখরুলের

বোর্ড সনদ পাবে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থীরা  

বোর্ড সনদ পাবে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার্থীরা  

জিপিএইচ-সিজেকেএস প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ উদ্বোধন

জিপিএইচ-সিজেকেএস প্রিমিয়ার ফুটবল লিগ উদ্বোধন

© 2021 Bangla Tribune