X
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

বিএডিসিতে অনিয়ম পর্ব-১৪

প্রকল্পের শতকোটি টাকা সরানো হলো অন্য হিসাবে

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২১, ২৩:৩০

নানা অনিয়মে চলছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। তা নিয়ে বাংলা ট্রিবিউন-এর ধারাবাহিক প্রতিবেদনের ১৪তম পর্ব থাকলো আজ।

বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য সরকারর জিওবি তহবিল থেকে বরাদ্দ দেওয়া শত কোটি টাকা বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে রেখেছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)। সরকারের একটি সংস্থার তদন্তে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

এতে দেখা গেছে প্রতিষ্ঠানটির বাস্তবায়নাধীন ৪টি প্রকল্প ও ৮টি প্রতিষ্ঠান ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরের কর্মসূচিতে এ অনিয়ম ঘটেছে। এ অবস্থায় এ ঘটনাকে গুরুতর আর্থিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী উল্লেখ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রকল্প, প্রতিষ্ঠান ও কর্মসূচির ২০১৮-১৯ অর্থবছরের অর্থ ছাড়, ব্যাংক হিসাব, ট্রেজারি চালান নিরীক্ষা করা হয় এ অনুসন্ধানে। তাতে দেখা যায়, জিওবি বরাদ্দের অব্যয়িত প্রায় ৯৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা সরকারের নির্দিষ্ট খাতে জমা বা সমর্পণ না করে অবৈধভাবে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হয়েছে। যা আর্থিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী।

এতে আরও দেখা যায়, ওই অর্থবছরে প্রকল্পের জিওবি বরাদ্দ হতে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প বা কর্মসূচিতে ছাড়কৃত টাকা অর্থবছরের শেষ দিন ৩০ জুন সরকারি কোষাগারে জমা না করে আলাদা ব্যাংক হিসাব খুলে জমা করা হয়েছে।

অথচ ২০০২ সালের ৮ এপ্রিল জারি করা অর্থ মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ ও উন্নয়ন অনুবিভাগের এক স্মারক মোতাবেক জিওবি বরাদ্দের অব্যয়িত সমুদয় অর্থ অর্থবছরের ৩০ জুনে সরকারের নির্দিষ্ট খাতে জমা করতে হবে। এক্ষে্ত্রে এ আদেশ পরিপালন করা হয়নি।

এ বিষয়ে নিরীক্ষা দলকে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক জবাব দিতে পারেনি। নথিপত্র পর্যালোচনা করে পরে জবাব দেওয়া হবে বলে জানান তারা। কিন্তু অনিয়ম ধরা পড়ার দুই বছর পরও জবাব পায়নি তদন্ত দল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিওবি বরাদ্দের অব্যয়িত অর্থ ৩০ জুনের মধ্যে সরকারের নির্দিষ্ট খাতে জমা না করায় সরকারি আদেশ লঙ্ঘন হয়েছে। এ অবস্থায় এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি অব্যয়িত অর্থ উদ্ধার করে সরকারের নির্দিষ্ট খাতে জমা দিতে্ও বলা হয়েছে।

জানতে চাইলে বিএডিসি চেয়ারম্যান ড. অমিতাভ সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা তথ্যগুলো পেয়েছি। কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলোর তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়া যায় না। পরে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জবাব সংগ্রহ করে দিয়ে থাকি। এক্ষেত্রেও তাই করা হবে। জবাব পেলে ব্যবস্থা নেবো। সংশ্লিষ্টদের জবাব দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।’

/এফএ/ 
টাইমলাইন: বিএডিসিতে অনিয়ম
১৮ জুলাই ২০২১, ১৩:০০
প্রকল্পের শতকোটি টাকা সরানো হলো অন্য হিসাবে
১৪ জুলাই ২০২১, ১২:৫৭
১৩ জুলাই ২০২১, ১১:০০
১২ জুলাই ২০২১, ১৫:০০

সম্পর্কিত

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:১০

অ্যাপসে রাইড শেয়ারিং না করে চুক্তি ভিত্তিক যাত্রী পরিবহন করলে সংশ্লিষ্ট চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। একইসঙ্গে রাইড শেয়ারিং সেবার নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট ভাড়ার বেশি নিলে রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান ও চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বিআরটিএ’র এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী মোটরযান মালিক, মোটরযান চালক এবং রাইড শেয়ারিং সেবাগ্রহণকারীদের অবহিত করা যাচ্ছে যে, অ্যাপস ভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবা প্রদান এবং গ্রহণের জন্য সরকার কর্তৃক রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালা-২০১৭ প্রবর্তন করা হয়েছে। এ নীতিমালা অনুযায়ী বিআরটিএ থেকে রাইড শেয়ারিং এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট গ্রহণ করে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদান ও গ্রহণ এবং সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ভাড়া আদায় করার শর্ত রয়েছে।

এতে বলা হয়, কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে, কতিপয় মোটরযান চালক এ নীতিমালার শর্ত পালন করছেন না। শর্ত পালন না করে চুক্তিভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবা প্রদান ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে, যা রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালার পরিপন্থী। অ্যাপস ছাড়া চুক্তির ভিত্তিতে রাইড শেয়ারিং সেবা গ্রহণ না করার জন্য সেবাগ্রহণকারীদের অনুরোধ করা যাচ্ছে। এ অবস্থায় রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালার বিধান অমান্য করে চুক্তিভিত্তিক মোটরযান পরিচালনাসহ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে সংশ্লিষ্ট রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, মোটরযান মালিক, মোটরযান চালক এবং সেবাগ্রহণকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চুক্তিভিত্তিক যাত্রী পরিবহন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সংক্রান্ত যেকোনও অভিযোগ সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং), রাইড শেয়ারিং শাখা, বিআরটিএ, সদর কার্যালয়, বনানী, ঢাকা-১২১২, মোবাইল নম্বর: ০১৭১৪৫৫৬৫৭০, ফোন নম্বর: ০২-৫৫০৪০৭৪৫, ইমেইল: [email protected] বরাবর দাখিল করার অনুরোধ করা যাচ্ছে।

 

/এসএস/আইএ/

সম্পর্কিত

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০০

মাদক হিসেবে দেশে ইয়াবার পরেই চাহিদা ফেনসিডিলের। তথ্য বলছে, এই চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। আর এই ‘সুযোগ’কে কাজে লাগিয়ে ভারতের সীমান্ত এলাকায় গড়ে ‍উঠেছে অবৈধ ল্যাব ও কারখানা। আর নাম পাল্টিয়ে অন্য পরিচয়ে দেশে ঢুকছে মাদকটি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে অন্তত পাঁচটি নতুন নামে ফেনসিডিল (কোডিন) প্রবেশে করছে। ফেনসিডিল নামটি বেশি পরিচিত হওয়ায় মাদক চোরকারবারিরা বিভিন্ন নামে সিরাপ তৈরি করে সেগুলো বাংলাদেশে পাচার করছে। এ বিষয়ে দ্রুত ভারতকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) দিনব্যাপী বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও ভারতের নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর মহাপরিচালক পর্যায়ে সপ্তম দ্বিপাক্ষিক সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভারতকে বিভিন্ন তথ্য প্রমাণসহ এবারের সম্মেলনে মাদকের অনেক বিষয়ে জানানো হয়েছে। আমরা তাদের বলেছি, ভারত থেকে প্রতিনিয়ত ফেনসিডিল আসছে। কোরেক্স, এস্কাফ, এমকে ডিল (কোডিন ফসফেট) এবং কোডোকফ নামে ফেনসিডিল জাতীয় এই মাদক আসছে। প্লাস্টিক ও কাচের বোতলে এসব মাদক পাচার করা হয়।’

বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম ও উত্তর দিকের সীমান্ত এলাকা দিয়ে এই ফেনসিডিল চোরকারবারিরা পাচার করে। বোতল ছাড়াও পলিথিন, ড্রামে করেও কোডিন দেশে আনা হয়। চোরাচালানের মাধ্যমে আনা এই মাদক দেশে এনে বোতলজাত করেও একটি চক্র মাদকসেবীদের হাতে তুলে দেয়।

ভারতের সীমান্ত এলাকায় এ রকম কিছু কারখানা আছে, যেখানে ফেনসিডিল উৎপাদনের প্রধান উপাদান কোডিন মজুত ও ফেনসিডিল জাতীয় মাদক তৈরি করে বাংলাদেশে পাচার করা হয়। এসব অবৈধ কারখানা ধ্বংস করার জন্য ভারতকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।

বাড়ছে হেরোইন পাচার

ভারতে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোকে বাংলাদেশ জানিয়েছে, সাম্প্রতি ভারত--বাংলাদেশের পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে হেরোইন পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে।  উদ্ধার হওয়া হেরোইন চালন তাই নির্দেশ করে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়াও ভারত থেকে বিভিন্ন ইনজেকশন প্রবেশ করছে। জয়পুরহাট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে এসব ইনজেকশন পাচার করা হয়।

নতুন রুটে গাঁজা পাচার

গাঁজা পাচারের জন্য চোরাকারবারিরা নতুন নতুন রুট সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে দেশের উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সীমান্ত দিয়ে গাঁজা পাচার করা হচ্ছে।

ইয়াবা পাচারে ভারতের রুটও ব্যবহার করা হয়

ভারতে যেসব ইয়াবা মাঝেমাঝে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধরে, তা মিয়ানমার থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়। ভারতের ত্রিপুরা, আসাম ও পশ্চিম বাংলার রুট ব্যবহার করে বাংলাদেশে এসব ইয়াবা প্রবেশের চেষ্টা করে মাদক কারবারিরা। ভারতকে এ বিষয়ে আরও তৎপর হয়ে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।

মাদকের কেনাবেচা ভার্চুয়াল মুদ্রায়

বর্তমানে মাদক চোরাকরবারিরা মাদক পাচার ও কেনাবেচায় তাদের ধরণ পরিবর্তন করেছে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ দাবি করেছে, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ভুয়া ব্যক্তির ঠিকানায় মাদক পাচার হচ্ছে। এসব মাদক কেনাবেচার ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল মুদ্রা ব্যবহার করছে চোরকারবারিরা। যা দুই দেশেই অবৈধ মুদ্রা। এতে অর্থপাচার হচ্ছে। এ বিষয়টি নিয়ে দুই দেশই একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এছাড়াও হুন্ডির মাধ্যমেও তারা মাদকের টাকা পাচার করে।

মাদক প্রতিরোধে ত্রিপক্ষীয় সভা চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কোন মাদকের উৎপাদন করে না, তারপরও বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ভুক্তোভোগী। মিয়ানমার থেকে যেমন ইয়াবা ও আইস আসে, তেমনি ভারত থেকে আসে ফেনসিডিল, গাঁজা, হেরোইন, ইনজেকশনসহ বিভিন্ন মাদক। তাই এ বিষয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ত্রিপক্ষীয় সভার প্রয়োজনের কথা বাংলাদেশ ভারতকে বলেছে। বাংলাদেশে পক্ষ থেকে ভারতেকে বলা হয়েছে, ‘সুশাসন ও নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে ত্রিপক্ষীক সভা করলে অনেক কিছুরই সমাধান হবে।’

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক আব্দুস সবুর মণ্ডল বলেন, ‘আমরা ষষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সভায় ভারতকে কিছু বিষয়ে তথ্য দিয়েছিলাম, কিছু ফেনসিডিল উৎপাদনকারীর নাম ঠিকানা দিয়েছিলাম, সেগুলো ভারত ধ্বংস করেছে। আমরা আবারও কিছু বিষয়ে তাদের জানিয়েছি, দুই দেশই ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ জন্য তথ্য আদান-প্রদান, অভিজ্ঞতা শেয়ার, নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় একমত হয়েছি।’

 

/ইউএস/আইএ/

সম্পর্কিত

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০০

‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ শতভাগ কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বিধিমালা কার্যকরে কঠোর হওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরনো বিধিমালা যুগোপযোগী করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।  

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী প্রতি পাঁচবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব দেওয়ার কথা থাকলেও তা মানছেন না অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ বিষয়ে সরকারের তদারকি না থাকাকেই দায়ী করছেন অনেকে। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব নিতে চলতি বছরের ২৪ জুন সব মন্ত্রণালয় এবং বিভাগগুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে দেওয়া চিঠিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নিজ নিজ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব দিতে বলেছে।

জানা গেছে, চিঠিতে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হলেও আশাব্যাঞ্জক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত, নৌপরিবহন, ভূমি মন্ত্রণালয়, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব চেয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠি পাওয়ার পর ভূমি মন্ত্রণালয় ২৫ আগস্ট, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ ২০ সেপ্টেম্বর, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২৮ জুলাই, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ১৮ আগস্ট, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১১ জুলাই, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ ১৪ জুলাই নিজ দফতর ও সংস্থাগুলোকে সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার জন্য নোটিস পাঠিয়েছে।

তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এর মধ্যে না নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলা হলেও সেটা কী হতে পারে তা নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি জনপ্রশাসন সচিব কে এম আলী আজম।

তিনি জানিয়েছেন, ‘প্রত্যেক সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তা চাকরিতে যোগদানের সময় সম্পদের একটা হিসাব দেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর পর আবার হিসাব জমা দেবেন তারা। সেটাকে ভিত্তি ধরে যাচাই-বাছাই করা হবে। এবার যারা হিসাব দেবেন তাদের তালিকা করা হবে। পর্যায়ক্রমে সবাইকে হিসাবের আওতায় আনা হবে।’

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ এর বিধি-২ (সংজ্ঞা) অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীর সংজ্ঞায় ওই কর্মচারীর পরিবারের সদস্য বলতে ‘সরকারি কর্মচারীর সঙ্গে বসবাস করেন অথবা করেন না, তার স্ত্রী/স্বামী, সন্তান বা সৎ সন্তানরা এবং তার সঙ্গে বসবাসরত এবং তার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল তার নিজের অথবা স্ত্রীর/স্বামীর অন্যান্য আত্মীয়স্বজনকেও বোঝাবে। ফলে শুধু চাকরিজীবীর সম্পদের হিসাব দিলেই হবে না। দিতে হবে পরিবারের অন্য সদস্যদের সম্পদের হিসাবও।

হিসাব দেওয়া নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনেকটাই চাপে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এ প্রসঙ্গে কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা রাজি হননি।

এদিকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, ‘মন্ত্রিপরিষদে আমরা যারা আছি তারাও নিজ নিজ সম্পদের হিসাব দেবো।

/এফএ/

সম্পর্কিত

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:০৬

সংবিধানে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে শব্দ এবং এ বিষয়ক ঘটনা সংযুক্তির নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) আবুল বাশারসহ ৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইনজীবী আবেদা গুলরুখ ও নাসরিন আক্তার এ রিট দায়ের করেন।

রিটের পক্ষে শুনানি করবেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম।

আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫০ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সংবিধানে কোনও কিছু সংযোজন করা হয়নি। তাই আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে এই রিট আবেদন করেছি। মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধা এই দুটি শব্দ সংবিধানের কোথাও নেই। এই শব্দ দুটি সুবিধাজনক ও সঙ্গতিপূর্ণ স্থানে স্থাপনের জন্যে রিটে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।’

রিটে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক শব্দ ও প্রসঙ্গ সংবিধানে যুক্ত করার জন্যে নির্দেশনা চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

 

 

/বিআই/আইএ/

সম্পর্কিত

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

সেগুনবাগিচায় আবাসিক হোটেল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

সেগুনবাগিচায় আবাসিক হোটেল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:৪৫

মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার উত্তরপত্র একই কলেজ না দেখে এবং রেজাল্ট শিট না করে ভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়ে সেই খাতা মূল্যায়ন ও রেজাল্ট শিট করানো উচিত বলে মনে করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বিএমডিসি বনাম শাহ এমডি আরমান অ্যান্ড আদার্স নামক একটি মামলার শুনানিকালে বিএমডিসি’র আইনজীবীকে উদ্দেশ করে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আদালতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) এর পক্ষের শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার তানজীব উল আলম।

 

/বিআই/আইএ/

সম্পর্কিত

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

কার্বন নিঃসরণ কমাতে চায় বাংলাদেশও

কার্বন নিঃসরণ কমাতে চায় বাংলাদেশও

বাংলাদেশ কৃষি খাতে বিশ্বে ‘উন্নয়ন মডেল’ হিসেবে স্বীকৃত: খাদ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ কৃষি খাতে বিশ্বে ‘উন্নয়ন মডেল’ হিসেবে স্বীকৃত: খাদ্যমন্ত্রী

২০২২ সালে জাপানি বিনিয়োগে নতুন ঢেউয়ের আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

২০২২ সালে জাপানি বিনিয়োগে নতুন ঢেউয়ের আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ফেরি দুর্ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি

ফেরি দুর্ঘটনা তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী নিতে কেন মরিয়া ইউজিসি?

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সেমিস্টারে শিক্ষার্থী নিতে কেন মরিয়া ইউজিসি?

সর্বশেষ

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা: আহত কিশোরের মৃত্যু

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা: আহত কিশোরের মৃত্যু

বনাঞ্চলকেই কার্বন নিঃসরণকারী বানিয়ে ফেলেছে মানুষ: জরিপ

বনাঞ্চলকেই কার্বন নিঃসরণকারী বানিয়ে ফেলেছে মানুষ: জরিপ

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

© 2021 Bangla Tribune