X
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৭ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

টিকা নিয়ে আরও গবেষণার তাগিদ

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২১, ১৩:২৪

গত বছরের ৮ মার্চে প্রথম দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন বলে জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। তার ঠিক ১০ দিন পর করোনাতে আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয়। ২০২০ সালে শুরু হওয়া করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই চলতি বছরের ২৭ ও ২৮ জানুয়ারিতে দেশে প্রথম করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া শুরু হয় স্বাস্থ্যকর্মীদের দিয়ে।

তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করার পর গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। সে টিকা দেওয়া হয়েছিল অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত ও ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটে তৈরি কোভিশিল্ড টিকার মাধ্যমে। তবে দেশে বর্তমানে চারটি টিকা দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (২ আগস্ট) পর্যন্ত অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ৫৩ জন। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪৩ লাখ ৬ হাজার ৮৮৭ জন। ফাইজারের টিকা দেওয়া হয়েছে মোট ৫৩ হাজার ৪২৩ ডোজ। এ ছাড়া ২৭ লাখ ৪২ হাজার ১৮৬ ডোজ সিনোফার্মের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে এখন পর্যন্ত। এরমধ্যে  প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ২৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩১২ জনকে, আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৫৭ হাজার ৮৭৪ জনকে। এ পর্যন্ত মডার্নার টিকা দেওয়া হয়েছে মোট ৮ লাখ ৪৪ হাজার ২০৯ ডোজ।

সোমবার পর্যন্ত সারাদেশে টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন মোট ১ কোটি ৬০ লাখ ৫৮ হাজার ৫২৬ জন।

টিকা নিয়ে শুরুটা অন্যান্য অনেক দেশের চেয়ে ভালো হলেও মাঝে কোভিশিল্ডের টিকার রফতানি বন্ধ করে দেওয়াতে কোভিশিল্ড টিকার দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রথম ডোজ দেওয়াদের মধ্যে থেকে প্রায় সাড়ে ১৪ লাখের মত মানুষ।

তবে ইতোমধ্যে জাপান সরকার কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় বাংলাদেশকে তিন দফায় ১৬ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি টিকা দিয়েছে। আর তাতে করে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় থাকাদের সংশয় কাটছে, ইতোমধ্যেই এ টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে দেশে।

টিকা নিয়ে সংশয়ের দোলাচলে থাকাদের টিকা দিতে উদ্বুদ্ধ করতে আশার বাণী শোনাচ্ছে দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো। ২ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) জানিয়েছে, করোনার টিকা নেওয়া ৯৮ শতাংশ মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে যারা আগে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তাদের শরীরে তুলনামূলক বেশি অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছে বিএসএমএমইউ।

একই ধরণের আশার কথা জানাচ্ছে সরকারের রোগ, রোগতত্ত্ব নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। এই প্রতিষ্ঠানটি জানাচ্ছে, করোনাভাইরাস প্রতিরোধী দুই ডোজ টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের তুলনায় টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে শ্বাসপ্রশ্বাস জনিত সমস্যা, হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি। 

তারা আরও জানাচ্ছে, টিকা নেওয়া করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের ৭ শতাংশ, আর না নেওয়াদের ২৩ শতাংশকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে।

আবার পুরুষদের চেয়ে নারীদের শরীরে বেশি অ্যান্টিবডি পাওয়া যাচ্ছে বলে আরেক গবেষণায় জানিয়েছে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টিকা কখনোই করোনা প্রতিরোধে একমাত্র সুরক্ষা বলয় নয়। টিকা এই রোগের জটিলতা, মৃত্যু ঝুঁকি ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়া কমাতে সাহায্য করে। করোনা থেকে নিজেকে বাঁচাতে টিকা নেওয়ার পাশাপাশি মাস্ক পরাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মেনে চলতে হবে। টিকা নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চললে কোনোভাবেই করোনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় জানাচ্ছে, তাদের প্রতিষ্ঠানে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত ও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি কোভিশিল্ড টিকা নেওয়া ২০৯ জন টিকা গ্রহণকারীদের ওপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে- টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৯৮ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তবে বাকি দুই শতাংশের মধ্যে যাদের অ্যান্টিবডি পাওয়া যায়নি, তারা জটিল রোগে আক্রান্ত, অনেক বয়স্ক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম।

বিএসএমএমইউ জানাচ্ছে, গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে তিন-চতুর্থাংশ পুরুষ এবং অর্ধেকের বেশি স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের সঙ্গে জড়িত। আর তাদের মধ্যে ৩১ শতাংশের আগে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার ইতিহাস রয়েছে। সেই সঙ্গে অর্ধেকেরও বেশি মানুষ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানিসহ অন্যান্য রোগে ভুগছিলেন। তবে এ ধরনের রোগের কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টিকা গ্রহণের পর অ্যান্টিবডি তৈরিতে কোনও পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়নি।

আর যারা টিকা নিয়েছেন তাদের মধ্যে সামান্য জ্বরসহ মৃদু উপসর্গের কথা জানালেও রক্ত জমাট বাঁধা বা এরকম অন্য কোনও জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গবেষণাকালীন পরিলক্ষিত হয়নি এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সঙ্গে অ্যান্টিবডির কোনও সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।

অপরদিকে আইইডিসিআর জানায়, যারা অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত কিন্তু টিকা নেননি তাদের ৩২ শতাংশই কোভিড-১৯ আক্রান্তের পর হাসপাতালে যেতে হয়েছে অথচ টিকা গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে এটি ১০ শতাংশ ছিল। একাধিক অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত টিকা নেওয়া রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির পরিমাণ দুই ডোজ টিকা গ্রহণকারীদের চেয়ে ১৬ শতাংশ বেশি ছিল। 

আইইডিসিআর জানাচ্ছে, টিকা না নেওয়া আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে শ্বাসপ্রশ্বাস জনিত জটিলতায় ভুগেছেন ১১ শতাংশ, যা পূর্ণ ডোজ টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৪ শতাংশ ছিল। আর অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত টিকা না নেওয়া করোনা পজিটিভ রোগীদের মধ্যে শ্বাসপ্রশ্বাস জনিত জটিলতার হার এবং দুই ডোজ টিকা গ্রহণকারী করোনা পজিটিভ রোগীদের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি পাওয়া গেছে।

টিকা গ্রহণকারীরা করোনাভাইরাসের সংক্রমিত হলে তাদের আইসিইউও কম লেগেছে এবং মৃত্যুর হারও কম বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। আইইডিসিআর বলছে, গবেষণায় অংশগ্রহণকারী টিকা না নেওয়া আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৯ জনকে আইসিইউতে নিতে হয়েছে যা ৩ শতাংশ। পূর্ণ ডোজ টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৩ জনকে আইসিইউতে নিতে হয়েছে, যা ১ শতাংশের কম। করোনাভাইরাসের টিকা নেননি এমন আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, শতকরা হিসেবে যা ৩ শতাংশ। 

অন্যদিকে, গবেষণায় নির্বাচিতদের মধ্যে টিকা নিয়েছেন এমন একজনও করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মারা গেছেন।

এর আগে আইইডিসিআর ও আইসিডিডিআর,বি যৌথভাবে করা এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ১২০ জন প্রথম ডোজ কোভিশিল্ড টিকা গ্রহণকারীর টিকা গ্রহণের এক মাস পর ৯২ শতাংশের ও দুই মাস পর ৯৭ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। সব বয়সী টিকা গ্রহণকারীর শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গেছে। অন্যান্য অসুস্থতা (কো-মরবিডিটি) থাকা বা না থাকার সঙ্গে অ্যান্ডিবডির উপস্থিতির তেমন কোনও পার্থক্য পাওয়া যায়নি। টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে যারা কোভিড–১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের শরীরে চার গুণ বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

‘টিকা নিয়ে যতবেশি গবেষণা হবে ততোই ভালো’ মন্তব্য করে আইইডিসিআর’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর। তিনি জানান, যেহেতু ভাইরাসটা নতুন, তাই বেশি বেশি গবেষণা হলে বেশি তথ্য উপাত্ত পাওয়া যাবে। তখন হয়তো এর প্রিভেনশনের মেথডও বের করা যাবে।

‘তবে করোনা প্রতিরোধে সবসময় মনে রাখতে হবে, টিকা একটিমাত্র টুলস নয়। এটা যেহেতু নতুন ভাইরাস, কোনও অ্যান্টি-ভাইরাল নাই; এটা সংক্রামক, একজন থেকে আরেকজনে দ্রুত ছড়ায়। তাই সঠিকভাবে মাস্ক পরা, ভিড় এড়িয়ে চলা, হাত ধোয়ার মতো কাজ করার সঙ্গে টিকাকেও অন্যতম টুলস হিসেবে গ্রহণ করতে হবে’।

কারণ এর বাইরে কোনও ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধেই কোনও কিছু জানি না- বলেন ডা. আলমগীর।

‘‘টিকা নিলে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কম, আক্রান্ত হলে সিভিয়ারিটি বা জটিলতা হবার সম্ভাবনা কম, হাসপাতালে ভর্তি হবার ‘অলমোস্ট’ দরকার নেই। আইসিইউতে যেতে হবে না, মৃত্যুঝুঁকি ৯৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ কমে যাচ্ছে’’।

টিকা দানে উদ্বুদ্ধ করার জন্য আরও বড় পরিসরে এ নিয়ে গবেষণা করা উচিত বলে মনে করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, গবেষণা আরও হওয়া উচিত। আমিতো আরও দুটো গবেষণা করবো। ছয় মাস এবং এক বছর পরে। যারা গবেষণার প্রথম ধাপে ছিল তারাই থাকবেন পরবর্তী ধাপগুলোতে।

‘যাতে বুস্টার ডোজ দেওয়া লাগবে কী লাগবে না, ইমিউনিটি থাকে কিনা- না হলে আবার টিকা দিতে হবে। এটা আমার স্টাডি দিয়েই আমি সরকারকে বলতে পারবো’।

তবে স্যাম্পলিং আরও বড় হওয়া দরকার কিনা প্রশ্নে তিনি আরও বড় হওয়া দরকার বলে একমত পোষণ করেন। একইসঙ্গে জানান, কেবলমাত্র কোভিশিল্ড নয়। মডার্না, ফাইজারের টিকা নিয়েও এমন গবেষণা বিএসএমএমইউ করবে।

আমার মনে হয়, স্যাম্পলিং বড় হওয়া দরকার। আরও বড় হবে, করবো। ধীরে ধীরে আরও বড় করবো। মডার্না, ফাইজারের টিকা নেওয়াদের নিয়েও গবেষণা হবে। আমি ৩ আগস্ট ইতোমধ্যেই নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি এ বিষয়ে- বলেন অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ।

 

/এনএইচ/

সম্পর্কিত

গোপালগঞ্জে করোনা আক্রান্ত ২ শিক্ষার্থী কোয়ারেন্টিনে

গোপালগঞ্জে করোনা আক্রান্ত ২ শিক্ষার্থী কোয়ারেন্টিনে

টিকা পরিচালনায় সরকারকে সহযোগিতা করছে ইউএসএআইডি

টিকা পরিচালনায় সরকারকে সহযোগিতা করছে ইউএসএআইডি

জ্যাকেটের হাতায় ২৫টি স্বর্ণবার, সৌদি প্রবাসী আটক

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:১৭

শুল্ক ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ ‘চোরাচালান করতে গিয়ে’ ধরা পড়েছেন এক সৌদি আরব প্রবাসী। ২ কেজি ৯০০ গ্রাম স্বর্ণবারসহ মোহাম্মদ রিপন নামের ওই প্রবাসীকে আটক করে কাস্টম হাউজের প্রিভেন্টিভ দল।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ যাত্রীকে আটক করা হয় বলে জানান ঢাকা কাস্টম হাউজের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) মো. সানোয়ারুল কবীর।

আটককৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মূল্য ২ কোটি টাকা উল্লেখ করে সানোয়ারুল কবীর জানান, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট থেকে এক যাত্রীকে আটক করা হয়। যাত্রীর হাতে থাকা হুডি জ্যাকেটের হাতা থেকে স্বর্ণবারগুলো পাওয়া যায়। ফ্লাইটটি রাত ১১টা ১২ মিনিটের দিকে অবতরণ করে।

পাসপোর্ট অনুসারে যাত্রীর নাম মোহাম্মদ রিপন। আটককৃত যাত্রীর বিরুদ্ধে কাস্টমস আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা ও বিধি মোতাবেক ফৌজদারি মামলা দায়ের করে থানায় হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান এই কাস্টমস কর্মকর্তা।

/সিএ/ইউএস/

সম্পর্কিত

কাভার্ডভ্যানে জিপিএস, মহাসড়কে সিসিটিভি

কাভার্ডভ্যানে জিপিএস, মহাসড়কে সিসিটিভি

‘সর্ব রোগের মহৌষধ’ বলে প্রতারণা: ১৭ জন গ্রেফতার

‘সর্ব রোগের মহৌষধ’ বলে প্রতারণা: ১৭ জন গ্রেফতার

মিরপুরে স্কুলশিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

মিরপুরে স্কুলশিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রাজধানীতে ধর্ষণের শিকার ৭ বছরের শিশু

রাজধানীতে ধর্ষণের শিকার ৭ বছরের শিশু

গার্মেন্টস পণ্য চুরি

কাভার্ডভ্যানে জিপিএস, মহাসড়কে সিসিটিভি

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:০০

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একের পর এক গার্মেন্ট পণ্য চুরির ঘটনায় উদ্বিগ্ন পোশাক রফতানিকারকরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট অভিযান চালিয়ে একাধিক চক্রকে গ্রেফতার করলেও থামানো যাচ্ছে না চুরি। পণ্যের চালান বিদেশি ক্রেতার কাছে পৌঁছার পরই মূলত ঘটনা জানাজানি হয়। যাতে গার্মেন্ট কারখানা মালিকদের জরিমানা গোনার পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে দেশের সুনামও। এই অবস্থায় চুরি ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কাভার্ডভ্যানে বাধ্যতামূলক জিপিএস বসানোসহ মহাসড়কে সিসিটিভি ক্যামেরাও বসানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে গত ১৩ জুলাই পোশাক রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে হাইওয়ে পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মল্লিক ফখরুল ইসলামকে প্রধান করে একটি কমিটি করা হয়। এরপরই উদ্যোগী হয় হাইওয়ে পুলিশ।

কমিটির সদস্য সচিব পুলিশ সদর দফতরের এআইজি (ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট) মোশারফ হোসেন মিয়াজী বলেন, ‘নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই চুরি নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে। এ সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়াও চলছে।’

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, গার্মেন্টস পণ্য চুরিতে মূলত কাভার্ডভ্যানের চালকরাই জড়িত থাকে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় রীতিমতো গোডাউন ভাড়া করে চোরাই পণ্য রাখে চক্রের সদস্যরা। কোনও কাভার্ডভ্যান যেন মহাসড়ক ছেড়ে আশপাশের গোডাউনে ঢুকতে না পারে সেজন্য জিপিএস সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্মেন্টস মালিকদেরও এ বিষয়ে জানানো হচ্ছে। জিপিএস প্রযুক্তি লাগানো থাকলে কাভার্ডভ্যানটি অন্য পথে যাচ্ছে কিনা বা কোথাও দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে কিনা তা নজরদারি করা যাবে।

হাইওয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, জিপিএসের পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে অত্যাধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। এক কিলোমিটার পর পর বিভিন্ন দিকে তাক করা মোট ১৫৯০টি সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। হাইওয়ে পুলিশের কন্ট্রোল রুম থেকে পুরো বিষয়টি নজরদারি করা হবে। এতে মহাসড়কে সংঘটিত অন্য অপরাধও নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, কমিটির সভায় আরও কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গার্মেন্ট কারখানা থেকে কাভার্ডভ্যানে পণ্য ওঠানোর আগে চালকের ছবি তুলে রাখা এবং মোবাইল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরেক কর্মকর্তা জানান, চুরির বিষয়ে গার্মেন্ট কারখানা মালিকদেরও কিছু অবহেলা রয়েছে। কোটি কোটি টাকার পণ্য পাঠানোর সময় পরিবহনের সঙ্গে একজন প্রতিনিধি পাঠানো হলেও চুরি কিছুটা ঠেকানো যেতে পারে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ চালকের ওপর ভরসা করে পণ্য বন্দরে পাঠানোর ঝুঁকি নিচ্ছেন।

হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ বলেন, ‘মহাসড়কে আমরা নিয়মিত টহল দিয়ে থাকি। আশা করছি চুরির ঘটনা শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসা যাবে।’

সম্প্রতি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ গার্মেন্ট পণ্য চুরি চক্রের হোতাসহ সাত জনকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে চক্রের সদস্যরা জানিয়েছে, অনেক কাভার্ডভ্যান চালক কারখানায় যাওয়ার আগে গাড়ির নম্বর প্লেট বদলে ভুয়া ড্রাইভিং লাইসেন্সের কপি দিয়ে আসে। যাতে চুরির পর চালককে শনাক্ত না করা যায়।

বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান-ট্রাক-প্রাইমমুভার পণ্য পরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব চৌধুরী জাফর আহম্মদ বলেন, ‘আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গার্মেন্ট কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বসে যৌথভাবে একটি নীতিমালা করছি। এটি বাস্তবায়ন হলে চুরি ঠেকানো যাবে।’

তিনি বলেন, ‘কাভার্ডভ্যান ভাড়া নেওয়ার আগে ওই চালক বা গাড়ির মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য কিনা তা নিশ্চিত হওয়া এবং চালক কোনও ইউনিয়নের সদস্য কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে। সেক্ষেত্রে চুরি হলে চালককে শনাক্ত করা সহজ হবে। আরও কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করছি সবাই মিলে চুরি ঠেকাতে পারবো।’

 

 

/এফএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

জ্যাকেটের হাতায় ২৫টি স্বর্ণবার, সৌদি প্রবাসী আটক

জ্যাকেটের হাতায় ২৫টি স্বর্ণবার, সৌদি প্রবাসী আটক

চলতি অর্থবছরে জিডিপি হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ: এডিবি

চলতি অর্থবছরে জিডিপি হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ: এডিবি

বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু

বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু

‘সর্ব রোগের মহৌষধ’ বলে প্রতারণা: ১৭ জন গ্রেফতার

‘সর্ব রোগের মহৌষধ’ বলে প্রতারণা: ১৭ জন গ্রেফতার

চলতি অর্থবছরে জিডিপি হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ: এডিবি

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪৫

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ, এমন পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবি।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) এডিবির ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এডিবি জানায়, শিল্প খাতে শক্তিশালী পুনরুদ্ধারের কারণে এমন প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে বাংলাদেশ। এছাড়া বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার হচ্ছে এবং সরকারি উৎপাদন-বান্ধব নীতিমালার কারণে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে। এ বছর মূল্যস্ফীতি হতে পারে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ।

এডিবি তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে, প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বর্তমানের প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে করোনাভাইরাস মহামারি। এই অভিঘাত মোকাবিলা করেও বিদায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল। এর মধ্যে শিল্প কারখানা ও রফতানি খাত ঘুরে দাঁড়ানোয় চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে সরকার জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করেছে ৭ শতাংশের বেশি। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি বিবেচনায় নিয়ে এশীয় ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকও মনে করে, বাংলাদেশ এই অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির ইতিবাচক ধারায় ফিরবে।

এডিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এডিবি বাংলাদেশে তার কর্মসূচির অগ্রাধিকার পুনর্বিন্যাস করেছে। স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা, দক্ষতা এবং গ্রামীণ উন্নয়ন, পানি ও স্যানিটেশন এবং অর্থ খাতের ওপর জোর দিচ্ছে। ২০২০ সালের প্রথম দিকে কোভিড-১৯ মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে সামাজিক সুরক্ষা, কর্মসংস্থান, ভ্যাকসিন সংগ্রহ এবং জরুরি ব্যবস্থাপনার জন্য ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার অনুমোদিত হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, ‘জীবিকা রক্ষায় জীবন বাঁচানোর জন্য সরকারের নীতিগুলো বাংলাদেশের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করেছে, যা সাম্প্রতিক কঠিন সময়ে প্রশংসনীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা বিশ্বের কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি। বিচক্ষণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, উদ্দীপক ব্যবস্থা এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির দক্ষ বাস্তবায়ন বাংলাদেশের এ অবস্থায় টিকে থাকতে সাহায্য করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য অব্যাহত প্রচেষ্টা, দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়া এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহের উন্নতি পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করবে।’

 

/এসআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

কাভার্ডভ্যানে জিপিএস, মহাসড়কে সিসিটিভি

কাভার্ডভ্যানে জিপিএস, মহাসড়কে সিসিটিভি

বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু

বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু

বৃহস্পতিবারের সমাবেশ স্থগিত

বৃহস্পতিবারের সমাবেশ স্থগিত

অর্থমন্ত্রীর মন্তব্যের জবাব দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রীর মন্তব্যের জবাব দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

‘ইন্টারনেট নির্ভরতার সঙ্গে বাড়ছে ডিজিটাল অপরাধ’

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪০

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ইন্টারনেট নির্ভরতা যতবেশি তৈরি হচ্ছে ডিজিটাল অপরাধ ততবেশি বাড়ছে। তা প্রতিরোধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ অপরিহার্য। ডিজিটাল অপরাধ শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ডিজিটাল প্রযুক্তি দিয়েই করতে হবে, প্রচলিত পুলিশিং পদ্ধতিতে তা সম্ভব নয়। এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিত উদ্যোগে কাজ করার পাশাপাশি জনগণের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা তৈরির বিকল্প নেই।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) কম্পিউটার কৌশল বিভাগের উদ্যোগে আইইবি সদর দফতরের কাউন্সিল হলে ‘নিরাপদ ইন্টারনেট: চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে ১১ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। তাদের মধ্যে খুব সামান্য মানুষ প্রযুক্তির সাথে খাপ খাওয়ানোর দক্ষতা রাখেন। মাত্র কয়েক বছর আগেও ডিজিটাল নিরাপত্তা বলতে কোনও প্রযুক্তি কিংবা অন্য কোনও কৌশল ছিল না। ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাইবার থ্রেড ডিটেকশন ও রেসপন্স কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এর ফলে ইতোমধ্যে ২২ হাজার পর্ন সাইট এবং ৪ হাজার জুয়ার সাইটসহ আপত্তিকর সাইট বন্ধ করা হয়েছে।

ক্ষতিকর বেশ কিছু গেম বন্ধ করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ক্ষতিকর কন্টেন্ট বন্ধ করার প্রযুক্তি পৃথিবীর কোনও দেশই আবিষ্কার করতে পারেনি। তবে আমাদের দৃঢ় প্রচেষ্টায় তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করার ফলে আমরা আজ কিছুটা সুফল পাচ্ছি। তারা এক সময় মত প্রকাশের স্বাধীনতা কিংবা তাদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড দোহাই দিয়ে যে বিষয়গুলো এড়িয়ে যেতে চাইতো এখন সে ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে। তারা আমাদের দেশে এখন ভ্যাট-ট্যাক্স দিচ্ছে দিয়ে ব্যবসা করছে, আমাদের যে কোনও অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

ডিজিটাল অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো দক্ষতার সাক্ষর রাখছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তাদের আরও বেশি দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে, সারাদেশে তাদের সংখ্যা বাড়াতে হবে।

অনুষ্ঠানে আইইবি কম্পিউটার কৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. তমিজ উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয় কুমার নাথের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং আইইবি’র প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর, আইইবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট (এইচআরডি) ইঞ্জিনিয়ার মো. নুরুজ্জামান এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আইইবি'র কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. সাহাব উদ্দিন। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন, আইইবি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহাদাৎ হোসেন (শীবলু)। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সিটিটিসি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ইঞ্জিনিয়ার সাইদ নাসিরুল্লাহ।

 

/এসএস/এমআর/

সম্পর্কিত

জ্যাকেটের হাতায় ২৫টি স্বর্ণবার, সৌদি প্রবাসী আটক

জ্যাকেটের হাতায় ২৫টি স্বর্ণবার, সৌদি প্রবাসী আটক

কাভার্ডভ্যানে জিপিএস, মহাসড়কে সিসিটিভি

কাভার্ডভ্যানে জিপিএস, মহাসড়কে সিসিটিভি

চলতি অর্থবছরে জিডিপি হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ: এডিবি

চলতি অর্থবছরে জিডিপি হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ: এডিবি

বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু

বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু

বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:৫১

অবশেষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসীদের জন্য করোনা পরীক্ষার ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৩ দিনের মধ্যেই ল্যাব স্থাপনের কাজ শেষ হতে পারে। ৬টি প্রতিষ্ঠানকে ল্যাব স্থাপনের কাজে সহায়তা করছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তৌহিদ-উল আহসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ল্যাব স্থাপনের জন্য জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ শুরু করেছে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিমানবন্দরের পার্কিং ভবনের ছাদে ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাতে আপত্তি ছিল ল্যাব স্থাপনে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর। এই সংকট নিরসন ও নতুন স্থান নির্ধারণের বিষয়ে বিমানবন্দরে এসেছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।  তারা বিমানবন্দরের ভেতরে জায়গা নির্ধারণ করে দেন। টার্মিনাল ভবনের দ্বিতীয় তলার উত্তর পাশে যাত্রীদের কাছ থেকে স্যাম্পল নেওয়া হবে। নিচ তলায় ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে। ইতোমধ্যে ৬টি প্রতিষ্ঠানকে ল্যাব স্থাপনের জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সাতটি প্রতিষ্ঠানকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার আরটি-পিসিআর ল্যাব বসাতে অনুমোদন দেয় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয়। এই প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে— স্টেমজ হেলথ কেয়ার (বিডি) লিমিটেড ঢাকা, সিএসবিএফ হেলথ সেন্টার, এএমজেড হাসপাতাল লিমিটেড, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জয়নুল হক সিকদার ওমেন্স মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল, গুলশান ক্লিনিক লিমিটেড ও ডিএমএফআর মলিকুলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক।

এরমধ্যে জয়নুল হক সিকদার ওমেন্স মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল ল্যাব স্থাপনের কাজ থেকে সরে এসেছে।

/সিএ/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

কাভার্ডভ্যানে জিপিএস, মহাসড়কে সিসিটিভি

কাভার্ডভ্যানে জিপিএস, মহাসড়কে সিসিটিভি

চলতি অর্থবছরে জিডিপি হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ: এডিবি

চলতি অর্থবছরে জিডিপি হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ: এডিবি

বৃহস্পতিবারের সমাবেশ স্থগিত

বৃহস্পতিবারের সমাবেশ স্থগিত

অর্থমন্ত্রীর মন্তব্যের জবাব দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রীর মন্তব্যের জবাব দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গোপালগঞ্জে করোনা আক্রান্ত ২ শিক্ষার্থী কোয়ারেন্টিনে

গোপালগঞ্জে করোনা আক্রান্ত ২ শিক্ষার্থী কোয়ারেন্টিনে

টিকা পরিচালনায় সরকারকে সহযোগিতা করছে ইউএসএআইডি

টিকা পরিচালনায় সরকারকে সহযোগিতা করছে ইউএসএআইডি

জুলাইয়ের তিনগুণ রোগী সেপ্টেম্বরের ২১ দিনে

জুলাইয়ের তিনগুণ রোগী সেপ্টেম্বরের ২১ দিনে

চিকিৎসকসহ ৯৪২৩ স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত

চিকিৎসকসহ ৯৪২৩ স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত

দ্বিতীয় দিনের মতো শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে

দ্বিতীয় দিনের মতো শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে

সর্বশেষ

করোনার টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনস্বার্থ সামগ্রী’ ঘোষণার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনার টিকাকে ‘বৈশ্বিক জনস্বার্থ সামগ্রী’ ঘোষণার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জ্যাকেটের হাতায় ২৫টি স্বর্ণবার, সৌদি প্রবাসী আটক

জ্যাকেটের হাতায় ২৫টি স্বর্ণবার, সৌদি প্রবাসী আটক

কাভার্ডভ্যানে জিপিএস, মহাসড়কে সিসিটিভি

গার্মেন্টস পণ্য চুরিকাভার্ডভ্যানে জিপিএস, মহাসড়কে সিসিটিভি

গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশুদের জন্য নাদিয়া

গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশুদের জন্য নাদিয়া

হায়দরাবাদকে হারিয়ে শীর্ষে দিল্লি

হায়দরাবাদকে হারিয়ে শীর্ষে দিল্লি

© 2021 Bangla Tribune