X
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

সৌদি থেকে ফিরে খেজুর বাগান, বছরে বিক্রি কোটি টাকা 

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩৪

অভাবের সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে সৌদি আরব গিয়েছিলেন আব্দুল মোতালেব। ১০ হাজার টাকা বেতনে খেজুর বাগানে চাকরি নিয়েছিলেন। চাষাবাদ রপ্ত করে তিন বছরের মাথায় দেশে ফেরেন। সঙ্গে আনেন খেজুরের বীজ। বাগান করে কয়েক বছরের মধ্যে বদলে ফেলেন ভাগ্য। এখন বছরে কোটি টাকার চারা ও খেজুর বিক্রি করেন তিনি।

আব্দুল মোতালেব (৫৩) ময়মনসিংহের ভালুকার পাড়াগাঁও গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি সফল উদ্যোক্তা। সবাই তাকে ‘খেজুর মোতালেব’ বলে ডাকেন। 

স্থানীয়রা জানায়, আব্দুল মোতালেব সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে ১৯৯৮ সালে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। আল কাসিম জেলার আল মাছনাব গ্রামের খালেদ আশরাফের খেজুরের বাগানে চাকরি নেন। মাসে বেতন পান ১০ হাজার টাকা। বাগানে কাজ করার সুবাদে খেজুর চাষের কলাকৌশল খুব দ্রুত রপ্ত করে নেন। মালিকের কাছ থেকে তিন মাসের ছুটি নিয়ে ২০০১ সালে দেশে আসেন। আসার সময় আনেন ৩৫ কেজি খেজুরের বীজ। চারা উৎপাদন করে বসতভিটার পাশের ৭০ শতক জমিতে রোপণ করে পরিচর্যা শুরু করেন। খেজুর চাষ করা নিয়ে স্থানীয়রা নানা কথা বলতে থাকেন, এমনকি অনেকে পাগল আখ্যা দিয়েছিলেন। তখন থেকে তাকে খেজুর মোতালেব বলে ডাকা শুরু হয়। 

মোতালেবের খেজুর বাগান

প্রতিবেশীরা নানা ধরনের কথা বললেও স্ত্রী মজিদা বেগম সাহস জোগান এবং বাগানের কাজে সহযোগিতা করেন। ছয় বছরের মাথায় গাছে আসে কাঙ্ক্ষিত ফল। পূরণ হয় স্বপ্ন। প্রথম দিকে গাছের খেজুর মানুষকে খাইয়ে বীজ রেখে তা থেকে আবার চারা উৎপাদন করতেন। ধীরে ধীরে বাগানে ফল ধরা গাছের সংখ্যা বাড়তে থাকে। 

এভাবে মোতালেবের খেজুর বাগান সারাদেশে পরিচিতি পায়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। অসাধ্য সাধন করে সবাইকে বুঝিয়ে দিলেন দেশের মাটি সৌদির খেজুর চাষের উপযোগী। সফলতা আসার পর ফল ধরা গাছে কলম দিয়ে চারা উৎপাদনেও সফলতা পান। প্রথম দিকে কলম দেওয়া একেকটি চারা দুই লাখ টাকা বিক্রি করেছেন। ২০০৮ সালে বাগানের খেজুর ও চারা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি শুরু করেন। বর্তমানে তার বাগানে ফল দেওয়া ২০০টি খেজুর গাছ এবং বিক্রি উপযোগী ৫০০টি চারা কলম রয়েছে।

২৩ বছরের ব্যবধানে চারা ও খেজুর বিক্রি করে কোটিপতি হয়ে গেছেন মোতালেব। বর্তমানে করোনার সংক্রমণের কারণে বিক্রি কিছুটা কম। এ বছর খেজুর বিক্রি করেছেন পাঁচ লাখ টাকার। ৭০টি চারা কলম ৫০ হাজার করে ৩৫ লাখ টাকা বিক্রি করেছেন। খরচ বাদে চলতি বছরে তার আয় হয়েছে ২৫ লাখ টাকা। অবশ্য গত বছর দুই কোটি টাকার চারা ও খেজুর বিক্রি করেছেন তিনি। তার বাগানে ১০-১২ জন কর্মী রয়েছেন।

নিজের বাগানে আব্দুল মোতালেব

জানা যায়, একসময় মা-বাবার কাছ থেকে পাওয়া মাটির ঘরে স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে বসবাস করতেন। বাগানের আয়ে ইতোমধ্যে ২০০ শতক জমি কিনেছেন, দর্শনার্থীদের জন্য বিশ্রামাগার, চার শতক জমিতে দোতলা বাড়ি করেছেন মোতালেব।

ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের ভালুকার সিডস্টোর বাজার থেকে টাঙ্গাইলের সখিপুর সড়কের তিন কিলোমিটার পশ্চিমে গেলেই মোতালেবের খেজুর বাগানের দেখা মিলবে। সেখানে চাষ হয় আজোয়া, শুক্কারি, আম্বার, মরিয়ম ও বকরি জাতের খেজুর। সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়ে মাটির সঙ্গে মিশে থাকা গাছেও ধরছে খেজুর। 

বাগানে সারিবদ্ধভাবে শত শত গাছ লাগানো। সেচ দেওয়ার জন্য রয়েছে বড় ফুট প্লাস্টিকের পাইপ। সবচেয়ে আশ্চর্য হলো তার কলম দিয়ে চারা উৎপাদন কৌশল দেখার মতো। এমন কৌশল অবলম্বন করেছেন যেখানে দেখা যাবে বাগানের ফলবান গাছ ফেটে কলম দেওয়া চারা বের হচ্ছে। একেকটি গাছ থেকে অনেক চারা উৎপাদন করছেন তিনি।

আব্দুল মোতালেব বলেন, ‘বর্তমানে বাগানে ৭০০টি ফল ধরা গাছ ও ১০০টি পুরুষ গাছ রয়েছে। এরমধ্যে ফল দেওয়ার উপযোগী গাছের সংখ্যা ২০০টি এবং বিক্রির উপযোগী কলম দেওয়া চারা রয়েছে ৫০০টি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী বছর ফলবান গাছ থেকে ২০-২৫ লাখ টাকার খেজুর বিক্রি করতে পারবো। পাশাপাশি ১০০টি কলম দেওয়া চারা বিক্রি করে ৫০ লাখ টাকার মতো আয় হবে।’

বাগানে ফল দেওয়া ২০০টি খেজুর গাছ এবং বিক্রি উপযোগী ৫০০টি চারা কলম রয়েছে

তিনি বলেন, ‘যাদের উঁচু পতিত জমি আছে তারা ইচ্ছা করলেই সৌদি খেজুরের চাষ করে সহজেই লাভবান হতে পারেন। বেকার তরুণরা খেজুর বাগান করে বেকারত্ব ঘোচাতে পারেন। খেজুর চাষের ওপর কৃষি বিভাগের উদ্যোগে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা খুবই জরুরি। ভবিষ্যতে ২০০ শতক কেনা জমিতে দুই ছেলের জন্য আরও দুটি খেজুর বাগান করার পরিকল্পনা আছে।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের খামারবাড়ির উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মতিউজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মোতালেবের সফলতা দেখে অনেকে খেজুর চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। তার কাছ থেকে চারা নিয়ে অনেকে এখন সৌদি খেজুর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ চালু করতে কৃষি অধিদফতরে একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।

/এএম/এমওএফ/

সম্পর্কিত

নির্মাণের ১৫ দিনে হেলে পড়া সেতুটি ৪ বছরেও ‌‘সোজা’ হয়নি

নির্মাণের ১৫ দিনে হেলে পড়া সেতুটি ৪ বছরেও ‌‘সোজা’ হয়নি

শূন্য শনাক্তের দিনে ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ৩ মৃত্যু

শূন্য শনাক্তের দিনে ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ৩ মৃত্যু

ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৭

ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৭

পরিবারের ৪ জনকে হারিয়ে সড়কে বসেই বিলাপ

পরিবারের ৪ জনকে হারিয়ে সড়কে বসেই বিলাপ

সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে মা-ছেলেসহ ৩ জন নিহত

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:৫৯

সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে ট্রাকচাপায় মা-ছেলে এবং বাস-ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ দুটি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে আরও আট জন। রবিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে দিকে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়কের নলকা মোড় এলাকায় এবং ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের খালকুলা ৫নং সেতু এলাকায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।

ট্রাকচাপায় নিহত দুজন হলেন সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মাসিমপুর মহল্লার নাসির উদ্দিনের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৪৫) এবং তার ছেলে নয়ন (২২)।  অপর দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি।

বঙ্গবন্ধু পশ্চিম থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল মজিদ জানান, রবিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের কামারখন্দ উপজেলার নলকা সেতু এলাকায় ব্যাটারিচালিত একটি অটোভ্যান রাস্তা পার হওয়ার সময় বিকল হয়ে পড়ে। এ সময় দ্রুতগামী একটি ট্রাক অটোভ্যানটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মনোয়ারা বেগম (৪৫) ও তার ছেলে নয়ন (২২) নিহত হন। আহত হয় মেয়ে ইসরাত জাহান। খবর পেয়ে পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল্লাহেল বাকী জানান, ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী দেশ ট্রাভেলসের একটি বাসের সঙ্গে রাস্তা মেরামতের কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক্টরের মহাসড়কের খালকুলা ৫নং সেতু এলাকায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় ট্রাক্টরে থাকা এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এবং বাসের কমপক্ষে সাত যাত্রী আহত হন। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে।

 

/এমএএ/

সম্পর্কিত

মাধবপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৪

মাধবপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৪

মনোনয়ন ফরম তোলার আগে জানলেন তারা ‌মারা গেছেন

মনোনয়ন ফরম তোলার আগে জানলেন তারা ‌মারা গেছেন

গরুকে ধাক্কা দেওয়ার জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

গরুকে ধাক্কা দেওয়ার জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

প্রকল্প ছাড়াই টাকা উত্তোলন

১৮ লাখ টাকা ফেরত দিয়ে ‘ক্ষমা’ চাইলেন চেয়ারম্যান

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:৫৭

প্রকল্প গ্রহণ না করেই গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ভূমি হস্তান্তর কর বরাদ্দের উত্তোলনকৃত সাড়ে ১৮ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন ৩ নম্বর দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এজেডএম সাজেদুল ইসলাম স্বাধীন। 

শোকজ নোটিশের পর উন্নয়ন প্রকল্পে ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক হিসাব নম্বরে এই টাকা জমা করা হয়। এ ছাড়া আয়কর বাবদ দুই লাখ ৪৯ হাজার টাকাও জমা করা হয়। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান স্বাধীন তার শোকেজের জবাবে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন। 

রবিবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোকসানা বেগম। তিনি বলেন, শোকজের লিখিত জবাব বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) আমার দফতরে জমা দেওয়া হয়। শোকজ জবাব গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রোখছানা বেগমের দফতরে পাঠিয়েছি। এ ছাড়া উত্তোলন করা সাড়ে ১৮ লাখ টাকা ও আয়করের আড়াই লাখ টাকা জমা দিয়েছেন চেয়ারম্যান।

শোকজের নোটিশ পাওয়ার পর গত ৩ অক্টোবর ভ্যাট-আয়কর বাবদ দুই লাখ ৪৯ হাজার ৯২৩ টাকা জমা ও ৬ অক্টোবর সাদুল্লাপুর উপজেলা প্রশাসনের ভূমি হস্তান্তর বরাদ্দের তুলে নেওয়া সাড়ে ১৮ লাখ টাকা পরিষদের ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়। এসব তথ্য নিশ্চিত করে পরিষদের সচিব মো. নুরজামান মিয়া বলেন, ‘সোনালী ব্যাংক সাদুল্লাপুর শাখার হিসাব নম্বরে এসব টাকা জমার রশিদ এবং ট্রেজারি চালানের কপি ইউএনওসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। লিখিত জবাবে চেয়ারম্যান অভিযোগের ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন। 

সচিব আরও বলেন, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় টিউবওয়েল, স্প্রে মেশিন বিতরণ ও কালভার্টসহ উন্নয়ন প্রকল্পের চলমান কাজগুলোও হচ্ছে ভূমি হস্তান্তর কর বরাদ্দের টাকায়। এ কারণে জমা দেওয়ার ওই টাকা আবারও তুলে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
 
গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রোখছানা বেগম বলেন, চেয়ারম্যান স্বাধীনের লিখিত জবাব ইউএনও’র মাধ্যমে আমার কাছে পাঠানো হয়েছে। তার জবাব পর্যালোচনাসহ সরেজমিনে অভিযোগগুলো তদন্ত করেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

প্রকল্প ছাড়াই টাকা তুলে নেওয়ার খবর প্রকাশের পর জেলায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়। তাৎক্ষণিক ফেসবুক লাইভে এসে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান স্বাধীন নিজের দোষ আড়ালে নির্বাচনি প্রতিপক্ষ প্রার্থীসহ স্থানীয় দুই সংবাদকর্মীকে নিয়ে মিথ্যাচার করেন।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে নথিপত্র যাচাই ও ব্যাংক হিসাবে প্রকল্প গ্রহণ ছাড়াই সাড়ে ১৮ লাখ টাকা উত্তোলন এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরের আয়কর বাবদ দুই লাখ ৪৯ হাজার টাকা জমা না দেওয়ার ঘটনা ধরা পড়ে। 

এ ঘটনায় চেয়ারম্যানকে ২৯ সেপ্টেম্বর কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রোখছানা বেগম।

/এএম/

সম্পর্কিত

করোনাকালীন প্রণোদনার দাবিতে নার্সদের বিক্ষোভ

করোনাকালীন প্রণোদনার দাবিতে নার্সদের বিক্ষোভ

পঞ্চগড়ে চায়ের অকশন মার্কেট স্থাপনের পরিকল্পনা

পঞ্চগড়ে চায়ের অকশন মার্কেট স্থাপনের পরিকল্পনা

পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার আজ থেকেই কার্যকর

পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার আজ থেকেই কার্যকর

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি শুরু

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে প্রবাসীর লাশ উদ্ধার

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:৩৪

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকা থেকে আবদুল্লাহ আল মামুন (৩৮) ওরফে নওশাদ নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সানারপাড় রানা সিএনজি পাম্পের সামনে থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

দুবাই প্রবাসী নওশাদের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে। 

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, মাত্র দু’দিন আগে তিনি দুবাই থেকে দেশে ফিরেছেন। মহাসড়কের পাশে লাশটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘লাশের পকেটে পাওয়া মোবাইল ফোন দিয়ে তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে পরিচয় জানা গেছে। লাশের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তার মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। অথবা কোনও যানবাহনের সঙ্গে আঘাত পেয়ে এ ঘটনা ঘটতে পারে।’

/এমএএ/

সম্পর্কিত

১১ বছর আইনি লড়াইয়ের পর চাকরি ফিরে পেলেন অধ্যক্ষ  

১১ বছর আইনি লড়াইয়ের পর চাকরি ফিরে পেলেন অধ্যক্ষ  

জেলের জালে ২৫ কেজির বাঘাইড়, ২৫ হাজার বিক্রি

জেলের জালে ২৫ কেজির বাঘাইড়, ২৫ হাজার বিক্রি

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

দেশি অস্ত্রসহ ৪ পরিবহন চাঁদাবাজ গ্রেফতার

দেশি অস্ত্রসহ ৪ পরিবহন চাঁদাবাজ গ্রেফতার

১১ বছর আইনি লড়াইয়ের পর চাকরি ফিরে পেলেন অধ্যক্ষ  

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:২৪

গাজীপুরের শ্রীপুর ডিগ্রি কলেজের (বর্তমানে শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজ) অধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জল হোসেন আখন্দ অধ্যক্ষ পদ ফিরে পেতে নিম্ন আদালতে মামলা দায়েরের ১১ বছর পর পক্ষে রায় পেয়েছেন। গত ৩০ সেপ্টেম্বর আদালত তার পক্ষে ওই রায় দেন। রবিবার মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী এএএম আমানুল্লাহ ফরিদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এদিকে, ওই রায়ের বিরুদ্ধে বিবাদীপক্ষ তথা কলেজের পক্ষ থেকে গাজীপুর জেলা জজ আদালতে একটি আপিল মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে। ফলে উচ্চ আদালত আপিলের বিষয়টি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত নিম্ন আদালতের রায়টি অকার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছেন বিবাদীপক্ষের আইনজীবী এমদাদুল হক মাসুম। 

মামলার বাদী মো. তোফাজ্জল হোসেন আখন্দের আইনজীবী এএএম আমানুল্লাহ ফরিদ জানান, গাজীপুর আদালতে অধ্যক্ষ মো. তোফাজ্জল হোসেন আখন্দ দেওয়ানি মামলার আইনি লড়াই শেষে প্রায় ১১ বছর পর গাজীপুরের পঞ্চম সিনিয়র জজ আদালত থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর স্বপদে বহালের রায় পান।

বিবাদীপক্ষের আইনজীবী মো. এমদাদুল হক মাসুম বলেন, ‘মামলার বাদী মো. তোফাজ্জল হোসেন আখন্দ অধ্যক্ষ থাকাকালে ২০০৯-এর ২৮ মার্চ কলেজ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের ১৪ মাস পর ২০১০ সালের ৩ মে চাকরি ফিরে পেতে গাজীপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন।’ 

রায়ের ব্যাপারে বিবাদীপক্ষের আইনজীবী আরও জানান, মামলাটির বাদী সরকার, তাই নিম্ন আদালত রায় দিলেও আদালতের জিপির (সরকারি কৌঁসুলি) মতামত নেওয়া প্রয়োজন। এর আগেই ওই রায়ের বিরুদ্ধে রবিবার গাজীপুর জেলা জজ আদালতে সরকার পক্ষ তথা কলেজ পক্ষ থেকে আপিল করা হয়েছে। আপিলের কপি শিক্ষা অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে পাঠানো হয়েছে। আদালত পরবর্তী আদেশের জন্য তা আমলে নিয়েছেন।  

শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজের সভাপতি ও শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘রায়ের কপি এবং আপিলের কপি দুটোই আমার হাতে এসেছে। ওই শিক্ষকের যোগদানের বিষয়ে শিক্ষা অধিদফতর থেকে কোনও অফিসিয়াল নির্দেশনা পাইনি। এ বিষয়ে আইন কী বলে তা যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’ 

/এমএএ/

সম্পর্কিত

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে প্রবাসীর লাশ উদ্ধার

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে প্রবাসীর লাশ উদ্ধার

জেলের জালে ২৫ কেজির বাঘাইড়, ২৫ হাজার বিক্রি

জেলের জালে ২৫ কেজির বাঘাইড়, ২৫ হাজার বিক্রি

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

পাহাড়ে রাস্তা ছাড়াই সেতু, ঘষে তুলে ফেলেছে নির্মাণ ব্যয়

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২৩:০০

জনবসতিহীন পাহাড়ের ভেতর সড়ক ছাড়া একটি সেতু নির্মাণ করেছে মিরসরাই উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের সেতু-কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ফরেস্ট অফিসের সড়কের শিমুলতলী ছড়ার ওপর ৩৪ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সেতুর নামফলকে নাম ও দৈর্ঘ্য লেখা থাকলেও কত টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে তা ঘঁষে তুলে ফেলা হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করেও সেতুর ব্যয় জানা যায়নি।

জানা গেছে, বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত হিঙ্গুলী-ফরেস্ট অফিসের সড়কটি ২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেহেদীনগর গ্রামে অবস্থিত। সড়কের প্রায় ১২ কিলোমিটারের মধ্যে বসতি থাকলেও শেষাংশে পাহাড়। নেই জনমানব। পাহাড়ের পাদদেশে ধানসহ বিভিন্ন রবিশস্য চাষাবাদ হয়। প্রায় পাঁচ বছর আগে হওয়া সেতুর পশ্চিম পাশে সড়ক থাকলেও পূর্বপাশে নেই। সরু ছড়া দিয়ে পাহাড়ের ওপর থেকে পানি নামে। পাহাড়ে উৎপাদিত ধান, শাক-সবজি জমির আইল দিয়ে নিয়ে যান কৃষকরা। সড়ক ও জনমানববিহীন স্থানে সেতু হওয়ায় কাজে আসছে না।

হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ফরেস্ট অফিসের সড়কের শিমুলতলী ছড়ার ওপর ৩৪ ফুট দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণ করা হয়

সরেজমিনে দেখা যায়, হিঙ্গুলী-ফরেস্ট বিট সড়কের ফরেস্ট বিট অফিসের আধা কিলোমিটার পর মেহেদীনগর গ্রামে জনবসতি নেই। সড়কটি যতই পাহাড়ের দিকে গেছে ততই সরু হয়ে গেছে। সেতুর পশ্চিম পাশে সড়ক থাকলেও মাটি দেওয়া হয়নি। সেতুর পূর্বপাশে সড়ক নেই। সড়কবিহীন দাঁড়িয়ে আছে সেতুটি।

স্থানীয় কৃষক মো. জেবাল হক বলেন, পাহাড়ের ভেতর জনবসতি না থাকলেও প্রায় ৮০ একর জমিতে বোরো ও আমন ধান, রবিশস্য, লেবু চাষ করা হয়। সেতু নির্মাণের প্রায় পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও সড়ক নির্মাণ হয়নি। যোগাযোগের অসুবিধার কারণে পাহাড়ের ভেতর অনেক জায়গায় চাষাবাদ হচ্ছে না। চাষ করলেও প্রায় ১৫-২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ধান, সবজি বারইয়ারহাট পৌর বাজারসহ অন্যান্য বাজারে নেওয়া যায় না। আমরা চাই সেতুর সঙ্গে যেন সড়ক নির্মাণ করা হয়।

২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন হারুন বলেন, হিঙ্গুলী-ফরেস্ট বিট সড়ক হিঙ্গুলী ইউনিয়নে পড়লেও সেতুর অবস্থান করেরহাট ইউনিয়নে। ওখানে সেতু নির্মাণের বিষয়টি আমি জানি না। সড়কের বিষয়টি করেরহাট ইউনিয়নের দেখার কথা। সেতুর ফলকে হিঙ্গুলী ইউনিয়ন লেখা থাকলেও এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

সেতুর নামফলকে নাম ও দৈর্ঘ্য লেখা থাকলেও কত টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে তা ঘঁষে তুলে ফেলা হয়েছে

১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন বলেন, হিঙ্গুলী-ফরেস্ট বিট সড়ক যেহেতু হিঙ্গুলী ইউনিয়নে; তাই সেতুর অবস্থানও হিঙ্গুলী ইউনিয়নে। ওটি যদি করেরহাট ইউনিয়নে হতো আমি অবশ্যই সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা করতাম।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ছাইফুল্লাহ মজুমদার বলেন, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের আওতায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পাহাড়ের ভেতর জনবসতি না থাকলেও কৃষিকে গুরুত্ব দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। আমাদের দায়িত্ব সেতু করা, সড়ক নির্মাণ করা নয়। সড়ক তৈরির কাজ এলজিইডির। সেতু নির্মাণের প্রায় পাঁচ বছর পরও কেন সড়ক হয়নি তা স্থানীয় চেয়ারম্যান জানেন।

সেতুর নির্মাণ ব্যয়ের বিষয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, ব্যয় কত হয়েছিল তা জানি না। সেতুটি প্রায় পাঁচ বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল। অনেকগুলো ফাইলের মধ্যে এটির ফাইল নিচে চলে গেছে। ফাইল খুঁজে পেতে একটু সময় লাগবে। সেতুর ফলক থেকে ব্যয় ঘঁষে তুলে ফেলার বিষয়টি আমার জানা নেই।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান বলেন, ভেতর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ব্রীজ নির্মাণ ও সড়কের সংযোগ না থাকার বিষয়ে আমি খবর নিয়ে বলতে পারবো। 

/এএম/

সম্পর্কিত

রাঙামাটির ১১ ইউপিতে ৩৯৭ জনের মনোনয়ন দাখিল

রাঙামাটির ১১ ইউপিতে ৩৯৭ জনের মনোনয়ন দাখিল

সেন্ট মার্টিনে আটকে পড়েছেন তিনশ’ পর্যটক

সেন্ট মার্টিনে আটকে পড়েছেন তিনশ’ পর্যটক

চিৎমরমে চেয়ারম্যান প্রার্থী হত্যা: ইউপি নির্বাচন পিছিয়ে তৃতীয় ধাপে

চিৎমরমে চেয়ারম্যান প্রার্থী হত্যা: ইউপি নির্বাচন পিছিয়ে তৃতীয় ধাপে

কুমিল্লায় বিশৃঙ্খলার ঘটনায় সাত মামলায় ৮০০ আসামি

কুমিল্লায় বিশৃঙ্খলার ঘটনায় সাত মামলায় ৮০০ আসামি

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

নির্মাণের ১৫ দিনে হেলে পড়া সেতুটি ৪ বছরেও ‌‘সোজা’ হয়নি

নির্মাণের ১৫ দিনে হেলে পড়া সেতুটি ৪ বছরেও ‌‘সোজা’ হয়নি

শূন্য শনাক্তের দিনে ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ৩ মৃত্যু

শূন্য শনাক্তের দিনে ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ৩ মৃত্যু

ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৭

ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৭

পরিবারের ৪ জনকে হারিয়ে সড়কে বসেই বিলাপ

ত্রিশালে সড়ক দুর্ঘটনাপরিবারের ৪ জনকে হারিয়ে সড়কে বসেই বিলাপ

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় নিহত ৬

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় নিহত ৬

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও চার জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও চার জনের মৃত্যু

হাসপাতালে চিকিৎসক পরিচয়ে রোগীর মোবাইলফোন চুরি

হাসপাতালে চিকিৎসক পরিচয়ে রোগীর মোবাইলফোন চুরি

জিয়া ও এরশাদ সরকার রেলপথ ধ্বংস করেছে: রেলমন্ত্রী

জিয়া ও এরশাদ সরকার রেলপথ ধ্বংস করেছে: রেলমন্ত্রী

যাত্রীবেশে অটোরিকশা চুরি করতো তারা

যাত্রীবেশে অটোরিকশা চুরি করতো তারা

ঘরের মেঝে খুঁড়ে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আটক ১

ঘরের মেঝে খুঁড়ে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় আটক ১

সর্বশেষ

হাসপাতাল ছাড়লেন বিল ক্লিন্টন

হাসপাতাল ছাড়লেন বিল ক্লিন্টন

ভারতের প্রথম অ্যালকোহল জাদুঘরের যাত্রা শুরু

ভারতের প্রথম অ্যালকোহল জাদুঘরের যাত্রা শুরু

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

কাশ্মিরে বন্দুকযুদ্ধে পাকিস্তানি কমান্ডোদের হাত দেখছে ভারত: এনডিটিভি

কাশ্মিরে বন্দুকযুদ্ধে পাকিস্তানি কমান্ডোদের হাত দেখছে ভারত: এনডিটিভি

গিটার সঙ্গী স্বপনের স্মৃতিতে আইয়ুব বাচ্চু

গিটার সঙ্গী স্বপনের স্মৃতিতে আইয়ুব বাচ্চু

© 2021 Bangla Tribune