X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ ২ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:১৮

দিনাজপুরে স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার কথিত প্রেমিককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে দিনাজপুর জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আজিজ আহমদ ভুঞা এই রায় ঘোষণা করেন। দিনাজপুর আদালত পুলিশ পরিদর্শক মনিরুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- পার্বতীপুর উপজেলার ভবানীপুর (ঘাসিপাড়া) এলাকার মৃত. মজিদ প্রামানিকের মেয়ে ফাহমিনা বেগম (৪৩) এবং একই উপজেলার নিয়ামতপুর নতুনবাজার এলাকার সুশিল রবিদাসের ছেলে মানিক রবিদাস ওরফে আর্ট মানিক (৪৫)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৫ অক্টোবর পার্বতীপুর উপজেলা শহরের মুদি ব্যবসায়ী আবু ছালাম মোল্লার লাশ নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার বড়ভাই আবু হোসেন মোল্লা বাদী হয়ে পার্বতীপুর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্ত চলাকালে আসামি ফাহমিনা বেগম স্বেচ্ছায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার পর আবু ছালামের স্ত্রী ফাহমিনা বেগম ও মানিক রবি দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২১ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট রবিউল ইসলাম ও আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট হযরত আলী বেলাল।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

প্রেমিকাকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির: র‌্যাব

প্রেমিকাকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির: র‌্যাব

বাংলাদেশ সীমান্তে ফেনসিডিল রেখে ভারতে পালিয়ে গেলো চোরাচালানিরা

বাংলাদেশ সীমান্তে ফেনসিডিল রেখে ভারতে পালিয়ে গেলো চোরাচালানিরা

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিহত ৬ রোহিঙ্গার পরিবারকে

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিহত ৬ রোহিঙ্গার পরিবারকে

এসএসসির ফরম পূরণের সময় জানলো জেএসসিতে ফেল

এসএসসির ফরম পূরণের সময় জানলো জেএসসিতে ফেল

বছরে খরচ ৬০ কোটি, তবু হুমকির মুখে মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২৩:৫০

মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ সচল রাখতে বেশ বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। প্রতিদিন ড্রেজিং করে নৌপথ সচল রাখা হলেও মাটি ফেলার জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। এরই মধ্যে নদীর দুই পাশের মাঠঘাট, পুকুর ও খাস জমি ভরাট হয়ে গেছে। আবার ভরাট জায়গা দখল হয়ে যাওয়ায় মাটি ফেলার জায়গার সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।

বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুল মতিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, উজান থেকে প্রতিবছর প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন টন পলি মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথে আসে। এ কারণে নৌপথটি সচল রাখতে নিয়মিত ড্রেজিং করতে হয়। বর্তমানে প্রতিদিন চারটি ড্রেজার দিয়ে খননকাজ করা হয়। এতে বছরে খরচ প্রায় ৬০ কোটি টাকা। কিন্তু সমস্যা হলো ড্রেজিং করা বিপুল পরিমাণ মাটি ফেলার জায়গা নেই।

তিনি বলেন, সাধারণত নদীর তীর কিংবা কাছাকাছি স্থানে ডাইক (মাটি দিয়ে ঘেরাও করা স্থান) নির্মাণ করে ড্রেজিংয়ের মাটি ফেলতে হয়। এখন আর জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না, যেখানে ডাইক নির্মাণ সম্ভব। আগের ডাইকগুলোতে মাটি ফেলতে ফেলতে ৭-৮ ফুট উঁচু হয়ে গেছে। সেগুলো ধারণক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি আমরা।

শুধু ড্রেজিং করে নৌপথটি বেশিদিন সচল রাখা সম্ভব হবে না এই কথা আগেই জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছিলেন, পলি ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। বিষ্ণু ও দাউদখালী নদীর জোয়ার-ভাটার প্লাবন ভূমিতে অসংখ্য বাঁধ নির্মাণের ফলে প্লাবন এলাকা কমে গেছে। পাশাপাশি উজান থেকে আসা মিঠাপানির প্রবাহও নদীতে কমে যাওয়ায় সমুদ্র থেকে লবণাক্ত পানি প্রবেশ করছে। এসব কারণে নৌপথটিতে মারাত্মকহারে পলি জমছে।

বালু ফেলতে ফেলতে নদীর দুই পাশের মাঠঘাট, পুকুর ও খাস জমি ভরাট হয়ে গেছে

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) বাগেরহাট জেলার আহ্বায়ক মো. নূর আলম শেখ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মোংলা-ঘষিয়াখালী নদী খননের ফলে নৌপথটি সচল হচ্ছে এটি মনে করছি না। কারণ এখানে সরকারি অর্থের বিরাট অপচয় হচ্ছে। ড্রেজিংয়ের পরিকল্পনায় এক ধরনের ত্রুটি আছে। কারণ এখানে একপাড় ভরাট হচ্ছে, সেই ভরাটের বালু এসে আবার নদীতে পড়ছে। ড্রেজিংয়ের ফলে সরকারি সংস্থা ও রাজনৈতিক দলের সাইনবোর্ড দিয়ে এক ধরনের দখলও বেড়েছে।

বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আনিছুজ্জামান রকি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, প্রতিদিন নৌপথে ড্রেজিং হচ্ছে। ড্রেজিংয়ের মাটি যে জায়গায় ফেলা হচ্ছে সেটি রাতারাতি বিভিন্ন সংস্থা দখল করে নেওয়ায় বিপাকে পড়েছি আমরা। নতুন করে জায়গা না পাওয়ায় খননকৃত মাটি ফেলা যাচ্ছে না। এ জন্য খননকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। হুমকির মুখে পড়ছে নৌপথ। সরকারের উচ্চ মহলে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী শেখ হেমায়েত হোসেন বলেন, মোংলা বন্দরের স্বার্থে নৌপথটি সংরক্ষণ করা এবং নাব্যতা ধরে রাখা খুবই জরুরি। এটি করা না গেলে নৌপথটি আবার বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবো আমরা।

মোংলা বন্দরের স্বার্থে নৌপথটি সংরক্ষণ করা এবং নাব্যতা ধরে রাখা খুবই জরুরি

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার ও সচিব (ভারপ্রাপ্ত) কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ বন্ধ হয়ে গেলে মোংলা বন্দরে সরকারের অর্থনৈতিক যে প্রবৃদ্ধি, তা বাধাগ্রস্ত হবে। কাজেই নৌপথের খননকাজ কোনোভাবেই বন্ধ করা যাবে না।

একসময় পলি পড়তে পড়তে ২০১১ সালে নৌপথটি বন্ধ হয়ে যায়। নৌপথটি বন্ধ থাকায় সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে বেশ কয়েক বছর নৌযান চলাচল করতে হয়। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। একপর্যায়ে সুন্দরবনের ভেতরে শ্যালা নদীতে তেলবাহী ট্যাংকারডুবির ঘটনায় নৌপথটি বন্ধ হয়ে যায়।

২০১৪ সালে ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ পুনরায় খনন করে সচল করা হয়। ২০১৫ সালের মে মাস থেকে পরীক্ষামূলকভাবে নৌপথটি খুলে দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের ২৭ অক্টোবর নৌপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে নৌপথটি ১৩-১৪ ফুট গভীর ও ২০০-৩০০ ফুট প্রশস্ত বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগ।

/এএম/

সম্পর্কিত

শপথ নিলেন বাগেরহাটের নবনির্বাচিত ৬৬ ইউপি চেয়ারম্যান

শপথ নিলেন বাগেরহাটের নবনির্বাচিত ৬৬ ইউপি চেয়ারম্যান

গলায় মার্বেল আটকে এক বছরের শিশুর মৃত্যু

গলায় মার্বেল আটকে এক বছরের শিশুর মৃত্যু

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের প্রয়োজন আছে: ইনু

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের প্রয়োজন আছে: ইনু

প্রেমিকাকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির: র‌্যাব

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২৩:১৬

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সুমাইয়া আক্তার (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে র‌্যাব। স্কুলছাত্রী সুমাইয়াকে হত্যার পর প্রেমিক মনির আত্মহত্যার চেষ্টা করে। ওই স্কুলছাত্রীর পাশেই রক্তাক্ত অবস্থায় মনির পড়ে থাকায় বিষয়টি অন্যদিকে মোড় নেয়। দিন শেষে টাঙ্গাইলের র‌্যাব সদস্যরা বিষয়টির রহস্য উন্মোচন করতে সক্ষম হন। 

এ ঘটনায় আহত মনির মিয়ার (১৭) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে র‌্যাব হেফাজতে চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হলে তাকে আদালতে তোলা হবে। 

বুধবার (২৭ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইলের র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩-এর কোম্পানি কমান্ডার লে. আব্দুল্লাহ আল মামুন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সকাল পৌনে ৭টার দিকে উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার শামসুল হক কলেজের সামনের একটি ভবন থেকে সুমাইয়ার গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।  

অভিযুক্ত প্রেমিক বাস হেলপার মনির উপজেলার মশাজান গ্রামের মেহের আলীর ছেলে। নিহত সুমাইয়া আক্তার উপজেলার পালিমা গ্রামের ফেরদৌসের মেয়ে। সে এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তারা এলেঙ্গা কলেজ মোড় এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিল।

র‌্যাব কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘স্কুলছাত্রী সুমাইয়ার সঙ্গে মনিরের দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। গত দুই মাস আগে সুমাইয়া মনিরকে বাদ দিয়ে অন্য এক ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি মনির সহ্য করতে পারছিল না। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে মনির সুমাইয়াকে মারধর করে। কোচিংয়ে যাওয়ার সময় সুমাইয়াকে একটি ভবনের নিচতলায় ডেকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিহত স্কুলছাত্রীর পাশেই মনির আহত অবস্থায় পড়ে ছিল। বিষয়টি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থল থেকে ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা মনিরের দুটি ভিডিও পেয়েছি। ছুরিটি স্পেশাল, ওটি চাপ দিলেই দুই দিক থেকে দুটি ছুরি বের হয়। আমাদের ধারণা ছিল, এই ছুরির মালিকই ঘটনা ঘটিয়েছে। মনিরের আগের ভিডিওতে এই ছুরি দেখা গেছে। গতকাল মনির তার বন্ধুদের সঙ্গে একটি বৈঠকে বসে অস্ত্রের কথা বলেছে। সেখানে বসে মনির ড্রিংকস করেছে। মনির বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

এদিকে, সুমাইয়ার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। স্বজনদের কান্না আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। সুমাইয়ার পরিবার অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক রাজিব পাল চৌধুরী বলেছিলেন, ‘মনিরের গলায়, ঘাড়ে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরির আঘাত রয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

/এএম/

সম্পর্কিত

‘চোখ খুইল্লা লা’ স্লোগান দিয়ে নৌকার গণসংযোগে হামলার অভিযোগ

‘চোখ খুইল্লা লা’ স্লোগান দিয়ে নৌকার গণসংযোগে হামলার অভিযোগ

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিহত ৬ রোহিঙ্গার পরিবারকে

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিহত ৬ রোহিঙ্গার পরিবারকে

ডুবে যাওয়া ফেরিটি ৪২ বছরের পুরনো, উদ্ধার হয়নি এখনও

ডুবে যাওয়া ফেরিটি ৪২ বছরের পুরনো, উদ্ধার হয়নি এখনও

বেতনভাতার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

বেতনভাতার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

‘চোখ খুইল্লা লা’ স্লোগান দিয়ে নৌকার গণসংযোগে হামলার অভিযোগ

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২৩:১১

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. জাহেদের গণসংযোগে বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমানের সমর্থকরা হামলা, গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

বুধবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ইউনিয়নের নাওড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ১০ সমর্থক আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন জাহেদ আলী।

তার দাবি, ‘বুধবার প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে আমার অনুপস্থিতিতে দলীয় নেতাকর্মীরা সন্ধ্যা ৭টার দিকে নাওড়া এলাকায় গণসংযোগ করছিল। পূর্বপরিকল্পিতভাবে বর্তমান চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক ওরফে আন্ডা রফিকের ছোট ভাই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমানের উপস্থিতিতে জসীম উদ্দিন জসুর নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিতভাবে আমার গণসংযোগে হামলা চালায়। হামলায় বহিরাগত সন্ত্রাসীরাও অংশ নেয়।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘হামলাকারীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ১০/১২টি ককটেল বিস্ফোরণ ও ৩/৮ ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন, হাত পা কাইট্টা লা, চোখ খুইল্লা লা এমন হুমকি স্বরূপ স্লোগান দিয়ে নৌকা প্রতীকের সমর্থকদের ওপর তারা হামলা চালায়।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এক পর্যায়ে দুই পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। হামলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা পচু প্রধান (৪০), ফজলুল হক (৪৫), যুবলীগ নেতা ওয়াসিম প্রধান (৩০), আমির হামজা (৪২), দুলাল (২২), ডাগু মিয়া (২৫) আহত হন। আহতদের রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হামলাকারীদের ধাওয়া করে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ সাতটি ককটেলের খোসা উদ্ধার করেছে।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান সংঘর্ষের ঘটনাস্থলে তার উপস্থিতি কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘হামলার ঘটনায় আমার কোনও কর্মী-সমর্থক জড়িত নয়।’ এর বাইরে তিনি কিছু বলতে অনীহা প্রকাশ করেন। সুষ্ঠু তদন্ত করলেই সঠিক ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে দাবি তার।

রূপগঞ্জ থানার ওসি এ এফ এম সায়েদ বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহেদ আলীর সমর্থক ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান গ্রুপের সমর্থকদের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি ককটেলের খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। এক পুলিশ সদস্য ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন। নাওড়া এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাত ৯টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

আগামী ১১ নভেম্বর ইউপি নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

প্রেমিকাকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির: র‌্যাব

প্রেমিকাকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির: র‌্যাব

ডুবে যাওয়া ফেরিটি ৪২ বছরের পুরনো, উদ্ধার হয়নি এখনও

ডুবে যাওয়া ফেরিটি ৪২ বছরের পুরনো, উদ্ধার হয়নি এখনও

হত্যা মামলার আসামিকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

হত্যা মামলার আসামিকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

বেতনভাতার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

বেতনভাতার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

পুলিশ সুপারকে ডিআইজি পরিচয়ে ফোন দিয়ে ধরা

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২৩:০২

ময়মনসিংহে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে কামরুল হাসান (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। চাকরি দেওয়ার জন্য জেলা পুলিশ সুপারকে ডিআইজি পরিচয়ে ফোন দিয়ে তদবির করতে গিয়ে ধরা খান ওই প্রতারক। 

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) রাতে জেলার ভালুকা থেকে তাকে আটক করা হয়। কামরুল ফুলপুর উপজেলার বাঁশাটি গ্রামের মৃত গোলাম রব্বানীর ছেলে। 

বুধবার (২৭ অক্টোবর) বিকালে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

ওসি সফিকুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ কার্যক্রম চলমান সারা দেশে। একটি প্রতারকচক্র চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। শুধু তাই নয়, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিচয় দিয়ে পুলিশ সুপারকে ফোন দিয়ে তাদের চাকরি দেওয়ার জন্য তদবিরও করছে। 

তিনি আরও বলেন, গত সোমবার এমন একটি চক্রের তিন জনকে আটকের পর ডিআইজি পরিচয় দেওয়া আরও এক প্রতারককে আটক করা হয়েছে। 

জেলা পুলিশ সুপার আহমার উজ জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, পুলিশের নাম ব্যবহার করে যে কেউ অপরাধ করলে আইনের আওতায় আনা হবে। তাদের শাস্তি ভোগ করতে হবে। পাশাপাশি মানুষকেও সচেতন হতে হবে।

/এএম/

সম্পর্কিত

জামালপুরে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সমাবেশ

জামালপুরে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সমাবেশ

কুড়িয়ে পাওয়া ২ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন ভ্যানচালক

কুড়িয়ে পাওয়া ২ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন ভ্যানচালক

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা, সাবেক প্রেমিককে সন্দেহ পুলিশের

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা, সাবেক প্রেমিককে সন্দেহ পুলিশের

খুঁটির বদলে গাছ ও বাঁশে বিদ্যুতের লাইন

খুঁটির বদলে গাছ ও বাঁশে বিদ্যুতের লাইন

‘সিনহা হত্যা মামলার আসামিরা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিয়েছিল’

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:৫১

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় ৬ষ্ঠ দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বুধবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শেষ হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। সাক্ষ্যগ্রহণে কক্সবাজারের দুই সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বলেছেন, সিনহা হত্যায় আসামিরা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈলের আদালতে শুরু হয় মামলার বিচারিক কার্যক্রম। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৫, ১৬ ও ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বিচারিক কার্যক্রমের শুরুতে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, সিনহা হত্যা মামলার নয় জন আসামি তার আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি দেওয়ার আগে সব আসামিকে তিন ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল। তারপর স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

একই সাক্ষ্য দেন আরেক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। জবানবন্দিতে তিনি আদালতকে জানান, সিনহা হত্যা মামলার তিন আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করেছিলেন তিনি। তারাও তিন ঘণ্টা সময় নিয়ে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন। 

আদালতের কার্যক্রম শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম। তিনি বলেন, আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ নভেম্বর আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ করবেন। 

এদিকে, টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের আইনজীবী রানা দাশ গুপ্ত জানিয়েছেন, মামলার ১২ আসামিকে চাপে ফেলে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে, শারীরিক নির্যাতন করে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নিয়ে জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দেননি। তাই জেলা ও দায়রা জজ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন তিনি।

রানা দাশ গুপ্ত বলেন, তদন্তকারী সংস্থার পক্ষে আসামি প্রদীপকেও মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে স্বীকারোক্তি দিতে চাপ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রদীপ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি। কারণ তিনি সিনহা হত্যায় জড়িত ছিলেন না।

সকাল সাড়ে ৯টায় ওসি প্রদীপসহ মামলার ১৫ আসামিকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আদালতে আনা হয়। কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

পিপি ফরিদুল আলম বলেন, সিনহা হত্যা মামলার ১৫ আসামির মধ্যে ১২ আসামির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিয়েছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ এবং দেলোয়ার হোসেন। দুই সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের আরও চার জন সদস্যকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। সময় স্বল্পতায় তাদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়নি। পরবর্তী দিনে তাদের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে। এই মামলায় এ পর্যন্ত ৫৯ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

গত বছরের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

/এএম/

সম্পর্কিত

চৌমুহনীতে পূজামণ্ডপ ভাঙচুর: জেলা যুবদল সভাপতিসহ গ্রেফতার ৩

চৌমুহনীতে পূজামণ্ডপ ভাঙচুর: জেলা যুবদল সভাপতিসহ গ্রেফতার ৩

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিহত ৬ রোহিঙ্গার পরিবারকে

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিহত ৬ রোহিঙ্গার পরিবারকে

কুমিল্লায় মণ্ডপ ভাঙচুরের ঘটনায় আরও এক মামলা 

কুমিল্লায় মণ্ডপ ভাঙচুরের ঘটনায় আরও এক মামলা 

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

প্রেমিকাকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির: র‌্যাব

প্রেমিকাকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির: র‌্যাব

বাংলাদেশ সীমান্তে ফেনসিডিল রেখে ভারতে পালিয়ে গেলো চোরাচালানিরা

বাংলাদেশ সীমান্তে ফেনসিডিল রেখে ভারতে পালিয়ে গেলো চোরাচালানিরা

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিহত ৬ রোহিঙ্গার পরিবারকে

অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিহত ৬ রোহিঙ্গার পরিবারকে

এসএসসির ফরম পূরণের সময় জানলো জেএসসিতে ফেল

এসএসসির ফরম পূরণের সময় জানলো জেএসসিতে ফেল

কুড়িয়ে পাওয়া ২ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন ভ্যানচালক

কুড়িয়ে পাওয়া ২ লাখ টাকা ফিরিয়ে দিলেন ভ্যানচালক

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা, সাবেক প্রেমিককে সন্দেহ পুলিশের

স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যা, সাবেক প্রেমিককে সন্দেহ পুলিশের

বরাদ্দের আগেই প্রতীক নিয়ে প্রার্থীদের প্রচারণা

বরাদ্দের আগেই প্রতীক নিয়ে প্রার্থীদের প্রচারণা

প্রকাশ্যে হকার হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

প্রকাশ্যে হকার হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

জামিনে বের হয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যা

জামিনে বের হয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যা

সর্বশেষ

বছরে খরচ ৬০ কোটি, তবু হুমকির মুখে মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ

বছরে খরচ ৬০ কোটি, তবু হুমকির মুখে মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথ

পাঁচ হাজার কিলোমিটার পাল্লার সফল ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ভারতের

পাঁচ হাজার কিলোমিটার পাল্লার সফল ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ভারতের

‘চেষ্টা করছি, কিন্তু আমাদের দ্বারা হচ্ছে না’ 

‘চেষ্টা করছি, কিন্তু আমাদের দ্বারা হচ্ছে না’ 

প্রেমিকাকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির: র‌্যাব

প্রেমিকাকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির: র‌্যাব

‘চোখ খুইল্লা লা’ স্লোগান দিয়ে নৌকার গণসংযোগে হামলার অভিযোগ

‘চোখ খুইল্লা লা’ স্লোগান দিয়ে নৌকার গণসংযোগে হামলার অভিযোগ

© 2021 Bangla Tribune