কেন তিনি অনন্য?

লীনা পারভীন
২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৫:৪৬আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৫:৪৬

লীনা পারভীন এই মুহূর্তে যদি বলা হয়, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কে? তবে উত্তরটা অবশ্যই আসবে– আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমি জানি, কিছু লোক আমার এই কথায় মুচকি হেসে বলবেন আমি ‘শেখ হাসিনার দালাল।’ অবশ্য এতে আমার কিছুই যায় আসে না। এর একটাই কারণ আর সেটা হচ্ছে, আমার সামনে আমার মতো কোটি সাধারণ বাংলাদেশিদের সামনে, এখন এবং আগামীর জন্য তিনি ছাড়া অন্য আর কোনও ব্যতিক্রম নেই।কেউ নিজেদের সেই জায়গায় নিয়ে যেতে সমর্থ হননি।
একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি দু’টি রাজনৈতিক দলকেই একই পাল্লায় মাপা হতো। ক্ষমতার রাজনীতিতে এদের মধ্যে কোনও মৌলিক পার্থক্য করার মতো কিছু খুঁজে পেতেন না, শিক্ষিত ও রাজনৈতিক সচেতন জনগণ। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলি, যখন থেকে রাজনীতি বুঝতে শিখেছি তখন থেকেই জেনে এসেছি, আমাদের দেশে ক্ষমতার রাজনীতি মানেই হলো একে অপরের প্রতি কুৎসা করা, কারও প্রতি কারও শ্রদ্ধাবোধ না থাকা এবং চরম অবিশ্বাসের জায়গা। আর এসব দলের নেতারা কেবল ‘ধান্দায়’ থাকেন কেমন করে ভোটের হিসাবকে কাজে লাগিয়ে নিজের পকেট ভারি করা যায়। সেখান থেকে আলাদা করেই একটি নাম উচ্চারণ করা যায়-শেখ হাসিনা।

দু’টি প্রধান দলের রাজনৈতিক নেতৃত্বে যারা আছেন, তাদের উভয়ে পারিবারিক সূত্রেই রাজনীতিতে আসা এবং দু’জনেই বলা যায় গৃহকোণ থেকে ওঠে আসা। কারোই তেমন কোনও সরাসরি রাজনৈতিক ইতিহাস বা লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস ছিল না।

আমরা সবাই জানি শেখ হাসিনার পিতা কে ছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা হলেও পিতার হাত ধরে রাজনীতিতে আসার কোনও ঘটনা জানা যায় না। একজন সাধারণ ঘরের বড় মেয়ে হিসেবে তাঁর বিয়েও হয়েছিল শিক্ষাজীবন শেষ করার আগেই। স্বামীর হাত ধরে তিনি পাড়ি জমিয়েছিলেন বিদেশে। অসাধারণ পরিবারে জন্ম নিলেও বলা যায়, সাধারণ বাঙালি মেয়েদের মতোই ছিল তাঁর জীবনযাপন ও বেড়ে ওঠা।

আমাদের এই উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে যারা পারিবারিক ধারাবাহিকতায় রাজনীতিতে এসেছেন, এমন অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিত্বই আছেন। বিশেষ করে নারী রাজনীতিবিদদের মধ্যে শ্রীলঙ্কার শ্রীমাভো বান্দারনায়েকে, পরবর্তীতে তাঁর কন্যা চন্দ্রিকা কুমারুতুঙ্গা, ফিলিপিনের কোরাজন একুইনো, ইমেলদা মার্কোস,  ভারতের ইন্দিরা গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, পাকিস্তানের বেনজীর ভুট্টো, মিয়ানমারের অং সান সু চি সহ আরও অনেক নারীর ইতিহাস জানা যায়। তারা কেউ পিতা, কেউ আবার স্বামীর উত্তরসূরী হিসেবে রাজনীতির মাঠে যোগ দিয়েছেন। খালেদা জিয়াও এসেছেন স্বামীর সূত্রে, যার ইতিহাস আমাদের সবার জানা।

ফিরে আসি শেখ হাসিনার কাছে। তিনি পড়াশুনা করেছেন, ছাত্র রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন কিন্তু পড়াশোনা করার অবস্থাতেই পরিবার তাঁর বিয়ে দিয়ে দেন একজন ভালো পাত্রের কাছে। স্বাভাবিকভাবেই মনে হতে পারে হয়তো বাবা শেখ মুজিব চাননি তাঁর আদরের বড় মেয়ে হাসু রাজনীতির পঙ্কিল পথে আসুক। নিজের জীবনের কণ্টকাকীর্ণ পথের অভিজ্ঞতায় নিজের কন্যাকে ঠেলে দিতে চাননি। অন্যান্য যারা পারিবারিক সূত্রে রাজনীতিতে এসেছেন, তাদের ইতিহাস আর আমাদের শেখ হাসিনার ইতিহাসের মধ্যে রয়েছে যোজন -যোজন পার্থক্য। শেখ হাসিনা যে নির্যাতন, নিপীড়ন দেখে বড় হয়েছেন, যেখানে তিনি বঞ্চিত হয়েছেন পিতৃস্নেহ থেকে। একটি দেশের জন্মের সঙ্গে যার পিতার নাম জড়িয়ে আছে, সেই পিতার সন্তান হিসেবে তিনি তেমন কোনও সম্মান পেয়েছেন এমনটা কিন্তু বলা যাবে না। ছোটবেলা থেকে বড় হয়েছেন পারিবারিক কষ্ট, যন্ত্রণা ও দুঃখের মাঝে। বড় হওয়ার পর যখন দেশ স্বাধীন হলো, সবাই মিলে একটি সুখের পরিবার গড়ে তোলার কথা, তখন তিনি হয়েছেন পরিবারহারা। এমন ইতিহাস আর কারও নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি এবং তাঁর ছোট বোন দেশের বাইরে থাকার কারণেই বেঁচে গিয়েছিলেন সেদিন। না হয় হয়তো আজকে বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ মুজিবের পরিবারের নাম নিশানাই মুছে যেত চিরতরে। বাংলাদেশের বর্তমান ইতিহাস তাহলে কেমন হতো, সেটা কল্পনা করলেই পাওয়া যাবে।

পরিবারহারা এক সন্তান মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেও থেমে যাননি। দেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসা, পিতার দায়িত্বকে কাঁধে তুলে নেওয়ার প্রবল প্রতিজ্ঞা থেকে তিনি ফিরে এসেছেন নিজের দেশে। অথচ চাইলেই তিনি থেকে যেতে পারতেন বিদেশের আরাম আয়েশের জীবনে। কারণ, তাঁর স্বামী তখন দেশের নামকরা একজন বিজ্ঞানী, যিনি দেশে বিদেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন।

প্রবাসে নির্বাসনে থাকা অবস্থায় তিনি তাঁর পিতার হাতে গড়ে যাওয়া দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। কাঁধে তুলে নিলেন বিপর্যস্ত একটি দলকে পুনর্গঠনের। তৎকালীন সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও জনতার দাবির মুখে অবশেষে তাঁকে দেশে আসার অনুমতি দিতে বাধ্য হলো। শুরু হলো তাঁর নতুন পথ চলা। রাজনীতির অপরিচিত অলিগলির সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে লাগলেন, শিখতে লাগলেন নিজেও। একদিকে পিতা ও পরিবার হারানোর শোক অন্যদিকে পিতার লালিত অপূরিত স্বপ্নকে বাস্তবায়নের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা নিয়ে তিনি এগিয়ে চললেন। স্বাধীনতার পর দ্বিতীয়বারের মতো দলকে ক্ষমতায় আনলেন দীর্ঘ ২১ বছর পর।

ক্ষমতায় এসেও তিনি শান্তিতে থাকতে পারেননি। একের পর এক ষড়যন্ত্রের মাঝ দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসতে হয়েছে বিভিন্ন সময়। প্রায় ১৯ বারের মতো তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। জনগণের ভালোবাসায় তিনি বেঁচে এসেছেন এবং সুস্থ আছেন এখনও।

তাই তিনবার শাসন ক্ষমতায় থাকলেও এ শাসনামল তাঁর জন্য সুখকর ছিল না, যেমনটি ছিল না বিরোধীদলে থাকা অবস্থাতেও। ২১ আগস্টের ঘটনাই জ্বলন্ত প্রমাণ। বাংলার ইতিহাস সবসময়েই ঘরের শত্রুদের দ্বারা আক্রমণের ইতিহাস। ১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশের জন্মকে মেনে নিতে পারেনি, তারা ক্রমাগতই চেষ্টা করে যাচ্ছে এ দেশটিকে নানা ষড়যন্ত্রের মাঝে ফেলে ক্ষমতার পালাবদলের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক ও সাম্যের বাংলাদেশকে বিনষ্ট করতে। কিন্তু শেখ হাসিনার শক্ত নেতৃত্বের কারণে আমরা এখনও স্বাধীন ও স্বার্বভৌম বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে এগিয়ে যাচ্ছি।

বাংলাদেশের মতো দক্ষিণ এশিয়ার একটি পিছিয়ে পড়া দেশে যেখানে নারী নেতৃত্বকে মেনে নেওয়ার মতো মানসিকতা তৈরি হয়নি, সেখানে তিনি একজন নারী প্রধানমন্ত্রী হয়ে থাকেননি। নেতৃত্ব, প্রজ্ঞা ও জ্ঞানের কারণে তিনি নিজেকে একজন যোগ্য দেশনেতা হিসেবে প্রমাণ করেছেন।

তথাকথিত নেতার ধারণা থেকে তিনি বেরিয়ে এসে নিজেকে প্রমাণ করেছেন একজন প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদই নয় কেবল, স্বাক্ষর রেখেছেন নিজের চৌকস কূটনীতিরও। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এমনি এক মাইল ফলক। ইতিহাসের দায়মোচনের শপথ নিয়ে তিনি বিশ্বমোড়লের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে নিশ্চিত করেছেন বাংলার মাটিতে বিশ্বাসঘাতকদের কখনও ঠাঁই নেই। জাতির পিতা হত্যার বিচারও এসেছে তাঁরই হাত ধরে।

বংশানুক্রমে রাজনীতিতে এলেও নেতৃত্বের বিশালতা দিয়ে তিনি আজকে ধীরে ধীরে নিজেকে কেবল বঙ্গবন্ধুর কন্যাতেই সীমাবদ্ধ রাখেননি। খালেদা আর হাসিনার মধ্যে পার্থক্যটাও স্পষ্ট। আজকে বিশ্ব তাঁকে তাঁর পিতার পাশাপাশি নিজ নামেও চেনে। শেখ হাসিনার উন্নয়নের মডেল বিশ্ব দরবারের স্বীকৃতি পায়। অনেক সমালোচনা থাকলেও নারীর ক্ষমতায়ন থেকে শুরু করে উন্নয়নের সিঁড়ি বেয়ে বাংলাদেশ আজকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে নিজের স্বক্ষমতা দিয়ে।

দুর্নীতিতে যেখানে বাংলাদেশ ছিল তালিকার অগ্রভাগে সেখানে আজকে বাংলাদেশের নাম আসে না। তারুণ্যের শক্তিকে স্বীকৃতি দিয়ে তিনি নজর কেড়েছেন দেশের বৃহৎ যুবশক্তির। তাদের কাছে আজকে নেতা মানেই শেখ হাসিনা। একজন রাষ্ট্রনায়ক থেকে তিনি নিজেকে নিয়ে গিয়েছেন সাধারণ মানুষের কাতারে। তাইতো এখন যেকোনও সমস্যার সমাধান মানেই হচ্ছে শেখ হাসিনা। এমনি নির্ভরতা যে একটি ১০ বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৯০ বছরের বয়স্ক লোকটাও জানে দেশের প্রধানমন্ত্রী তার আপনজন। যদিও এ বিষয়টির ভালো-মন্দ দুই দিকই আছে, তবুও তিনি প্রমাণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী কেবল একটি চেয়ারের বিষয় নয়। জনগণের আস্থা অর্জন করতে না পারলে যেমন রাজনীতিবিদ হওয়া যায় না, ঠিক তেমনি প্রধানমন্ত্রী হয়েও লাভ নেই।

তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা হয়ে, কিন্তু আজকে তিনি ১৭ কোটি মানুষের নেতা হতে পেরেছেন। এমনটা হতে পেরেছিলেন কেবল তাঁর পিতা যিনি সাড়ে সাত কোটি লোকের নেতা হতে পেরেছিলেন নিজের যোগ্যতায়। একেই বলে যোগ্য পিতার যোগ্য কন্যা। বলা বাহুল্য হবে না যে, এই মুহূর্তে দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও প্রকারান্তরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ওপরেই ভরসা রাখেন, অপেক্ষায় থাকেন তাঁর সিদ্ধান্তের।

কাউকে পরোয়া না করে বলিষ্ঠ পদক্ষেপে তিনি বাংলাদেশের হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, লড়াই করে যাচ্ছেন বিশ্ব পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে। দলের ভেতরে বাইরের নানাজনের নানা কূটকৌশলকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিচ্ছেন অত্যন্ত সুকৌশলে। তিনি শিখিয়েছেন কেমন করে জাতি হিসেবে আমাদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে মেরুদণ্ড শক্ত রেখে কথা বলতে হয়। বিশ্বব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানের ওপর আমরা এখন আর নির্ভরশীল নই। মাথা বিক্রি করে দিয়ে আমরা কারও কাছ থেকে ঋণ নিচ্ছি না।

সাম্প্রতিক রোহিঙ্গা ইস্যুতে তাঁর কূটনৈতিক দক্ষতা চমক লাগিয়ে দিয়েছে সবাইকে।  ধৈর্য্য, সাহস আর শক্ত অবস্থানে তিনি নিজের দেশের অবস্থানকে পরিষ্কার করে বিশ্ব বিবেককে জাগিয়ে তুলেছেন। একদিকে মানবতার অনবদ্য এক উদাহরণ অন্যদিকে মিয়ানমারের অন্যায় কর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। রোহিঙ্গাদের মতো অবহেলিত ও অত্যাচারিত জনগোষ্ঠীর জন্য তিনি হয়ে উঠেছেন সাক্ষাৎ ত্রাণকর্তা হিসেবে। সত্যিকারের অবহেলিতের শক্তিতে পরিণত করেছেন তিনি নিজেকে।

সমালোচকের কাজ সমালোচনা করে যাওয়া, কিন্তু তার কতটা যৌক্তিক সমালোচনা আর কতটা হিংসা,বিদ্বেষ আর প্রতিহিংসা থেকে সেটাও বিবেচনা করতে হবে বিবেকবান লোকদের। বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদের আশ্রয়স্থল হিসেবে প্রমাণ করতে ওঠেপড়ে লেগেছে একটি স্বার্থকামী গোষ্ঠী। অন্যদিকে, শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ও নির্দেশনায় আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একের পর এক সাফল্য দেখিয়ে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনাও মানুষ। তিনি কোনও ফেরেশতা বা অপার্থিব কিছু নন। ভুলত্রুটি তারও আছে কিন্তু আজকের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আরও অনেক বছর শেখ হাসিনার মতো নেতার দরকার আছে। তিনি একক গুণে নিজেকে আলোকিত করে রেখেছেন। তবে অবশ্যই ওনার কাছে আশা থাকবে, তিনি যেন তাঁরই মতো আরও নেতা তৈরি করে রেখে যান। আমাদের রাজনীতিবিদদের অনেক কিছু শেখার আছে ওনার কাছ থেকে। রাজনীতি হবে দেশের জন্য, জনগণের জন্য- এ কথাটিকে যিনি সত্য প্রমাণ করেছেন তিনিই শেখ হাসিনা। আর তাই ওনার সুস্থভাবে বেঁচে থাকাটা দরকার বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশ মানেই এখন শেখ হাসিনার বাংলাদেশ।

লেখক: সাবেক ছাত্রনেতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

/এপিএইচ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
পুলিশের নজরবন্দি আইভী
পুলিশের নজরবন্দি আইভী
পদোন্নতি না পাওয়ায় পদত্যাগ করলেন সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধান 
পদোন্নতি না পাওয়ায় পদত্যাগ করলেন সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধান 
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি, কমেছে তাপমাত্রা 
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি, কমেছে তাপমাত্রা 
কারামুক্ত স্বামীকে জড়িয়ে কাঁদলেন স্ত্রী, আবার ধরে নিয়ে গেলো ডিবি পুলিশ
কারামুক্ত স্বামীকে জড়িয়ে কাঁদলেন স্ত্রী, আবার ধরে নিয়ে গেলো ডিবি পুলিশ
সর্বশেষসর্বাধিক