আমাদের সাম্প্রদায়িকতা

Send
ফারজানা মাহমুদ
প্রকাশিত : ১৭:৩৬, জুলাই ৩০, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৪৬, জুলাই ৩০, ২০১৯

ফারজানা মাহমুদগত কয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশের সবচেয়ে আলোচিত এবং সমালোচিত ব্যক্তি সম্ভবত প্রিয়া সাহা। তিনি গত ১৭ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে এসেছেন বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ সংখ্যালঘু ‘ডিজঅ্যাপিয়ার্ড’ হয়ে গেছে। প্রথমত, তিনি ডিজঅ্যাপিয়ার্ড শব্দটি ব্যবহার করেছেন, যেটিকে গুম বা নিখোঁজের মতো অপরাধের সঙ্গেও সম্পৃক্ত করা যায়। প্রায় দুই যুগ ধরে যিনি মানবাধিকার এবং সংখ্যালঘুদের নিয়ে কাজ করেছেন এবং বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের দায়িত্বপূর্ণ পদে ছিলেন, তার ‘ডিজঅ্যাপিয়ার্ড’ শব্দটির যথাযথ মানে আবশ্যই জানা থাকা উচিত। দ্বিতীয়ত, প্রিয়া বলেছেন তিনি বাড়ি হারিয়েছেন কিন্তু এর যথাযথ বিচার তিনি পাননি। প্রিয়া সাহার বাড়ি বা জমি হারানো সংক্রান্ত ব্যাপারটি এখনও অপরিষ্কার এবং এ সংক্রান্ত কোনও প্রমাণাদি এখনও পাওয়া যায়নি। সর্বশেষে প্রিয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলেছেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা দেশেই থাকতে চান এবং এ ব্যাপারে তিনি ট্রাম্পের সাহায্য কামনা করেন। কিন্তু প্রিয়া স্পষ্ট করে বলেননি কী ধরনের সাহায্য প্রয়োজন- আর্থিক, কূটনৈতিক নাকি সামরিক।
প্রিয়া সাহা স্পষ্টতই মিথ্যাচার করেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশ থেকে ৩ কোটি ৭০ লাখ সংখ্যালঘু নিখোঁজ হয়নি বা হারিয়ে যায়নি। এটা সত্যি, পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে স্বৈরশাসকদের শাসনামলে অসংখ্য সংখ্যালঘু বিশেষত হিন্দু সম্প্রদায় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং অনেকেই দেশ ছেড়েছেন। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার এখনও শতভাগ অর্জিত হয়নি, বিভিন্ন সময় তারা আক্রান্ত হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন। ঐক্য পরিষদের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৬ সালে সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতার ঘটনা ছিল ১৪৭১টি এবং ২০১৭ সালে ছিল ১০০৪টি। এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, তুলনামূলকভাবে তারা বাংলাদেশের মাটিতে ভালো আছেন কিন্তু এই তুলনামূলকভাবে ভালো থাকাটাই সব নয়, তারা বাংলাদেশের নাগরিক এবং সংবিধান অনুযায়ী তাদের অধিকার ও মর্যাদা শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে। প্রিয়া সাহা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলা মিথ্যাচারকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য পরবর্তীতে একটি ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ২০০১ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বদরবারে সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন এবং সত্যি বলার এই শিক্ষাটা তিনি শেখ হাসিনার কাছ থেকেই শিখেছেন। প্রিয়া সাহা তার মিথ্যাচারের জন্যে মোটেই লজ্জিত নন এবং তার ভিডিও বার্তাটি অমূলক, বিভ্রান্তিজনক।

২০০১ সালে নির্বাচন পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর বিএনপির নির্যাতন, নিপীড়ন সর্বজনবিদিত। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে বিএনপির নৃশংস তাণ্ডব, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মন্দির, বাড়িতে আক্রমণ এবং নারীদের ধর্ষণের চিত্র উঠে আসে। সেই সময় এক হাজারের বেশি সংখ্যালঘু ভারতে চলে যায় (দ্য হিন্দু, ডিসেম্বর ৫, ২০০১)। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার কারণে এই নির্যাতন হচ্ছে সংখ্যালঘুদের ওপর। এটা তো অনস্বীকার্য যে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা বরাবরই ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকেই ভোট দেয়। আওয়ামী লীগকেই তাদের আস্থার জায়গা মনে করে। তাই ২০০১, ২০০৯ ও ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরে বিএনপি-জামায়াত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ও আক্রমণ চালিয়েছে যেন তারা আওয়ামী লীগকে ভোট না দেয়। প্রশ্ন হচ্ছে, ২০০১ সালে যে পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনা সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের কথা বিশ্বদরকারে তুলে ধরেছেন, ২০১৯ সালে সেই ধরনের পরিস্থিতি বাংলাদেশে বিরাজমান আছে কিনা। মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিলার বলেছেন, গত ৮ মাসে তিনি বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দেখেছেন এবং এটি দৃষ্টান্তস্বরূপ। ঐক্য পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট রানা দাশ বলেছেন, গত এক দশকে বাংলাদেশে হিন্দুদের সংখ্যা বেড়েছে। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত চক্রের চরম নির্যাতন এবং সহিংসতার হাত থেকে সংখ্যালঘুদের রক্ষার্থে শেখ হাসিনা বিরোধীদলীয় নেত্রী হিসেবে বিশ্বদরবারে সঠিক তথ্য দিয়ে জনমত তৈরি করতে পারেন, কিন্তু তিনি কি অন্য দেশকে দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করা বা সাহায্য করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন?

প্রিয়া সাহা একজন মানবাধিকার কর্মী এবং একটি এনজিওর প্রধান নির্বাহী। একজন মানবাধিকার কর্মীকে নিরপেক্ষ এবং সঠিক তথ্য দিয়ে অধিকার আদায়ে কাজ করতে হয়। প্রিয়া সাহা ৩ কোটি ৭০ লাখ সংখ্যালঘু নিখোঁজ বলে কি সত্যি তথ্য প্রদান করেছেন? আমরা ২০১৩ সালে দেখেছি বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ততার সূত্রে ‘অধিকার’ নামক এনজিওটি হেফাজত ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিশ্বদরকারে কীভাবে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়েছে। প্রিয়া সাহার মিথ্যাচারগুলো অধিকারের মতোই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিনা তা নিয়ে শঙ্কা সৃষ্টি হতেই পারে। এখানে উল্লেখ্য, ২০০১ সালে অধিকার তাদের প্রদত্ত রিপোর্টে বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত বলে তুলে ধরেছিল। প্রিয়া সাহা একজন সচেতন এবং সোচ্চার মানবাধিকার কর্মী হিসেবে ২০০১ সালে বিএনপির তাণ্ডব এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন কিনা অথবা অধিকারের মিথ্যা রিপোর্টকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন কিনা তার জবাব তিনিই প্রদান করবেন। বিষয়টি এ কারণে প্রাসঙ্গিক যে প্রিয়া সাহার প্রতিষ্ঠানটি সুবিধাবঞ্চিত এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার আদায়ে ১৯৯৯ সাল থেকে কাজ করছে। প্রিয়া সাহা তার প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে লিখেছেন, তার প্রতিষ্ঠান সরকারের নীতিমালাগুলোতে সংখ্যালঘুদের অধিকার সংযুক্ত করার জন্যে ২০১১ সালে সফলভাবে সরকারের সঙ্গে তদবির করেছে, এমনকি জনসংখ্যার জরিপেও সংখ্যালঘুদের সঠিক সংখ্যা তুলে ধরার জন্যে কাজ করেছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলেই (২০১১) প্রিয়া সাহার প্রতিষ্ঠানটি যদি সরকারের নীতিমালায় সংখ্যালঘুদের অধিকারকে তুলে ধরতে এবং সংযুক্ত করতে সক্ষম হয় তবে ২০১৯ সালে সংখ্যালঘুদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে পুনরায় তা সরকারের কাছে তুলে না ধরে প্রিয়া কেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে সাহায্য চাইতে গেলেন?

যতদূর জানা গেছে, প্রিয়া সাহা আইআরআই’র আমন্ত্রণে ভিকটিম অ্যান্ড সারভাইভার হিসেবে আমেরিকা গিয়েছিলেন, ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধি হিসেবে না। তিনি ভিকটিম কিনা সে ব্যাপারটি এখন পর্যন্ত অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয়নি। কিন্তু তিনি মিথ্যা বলেছেন বিধায় ঐক্য পরিষদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই মিথ্যার দায়ভার ঐক্য পরিষদ নেয়নি। হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেকেই প্রিয়ার মিথ্যাচারে বিব্রত। তার মিথ্যাচারে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প একটু হলেও উঁকি দিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে তেমনই দেখছি আমরা। প্রিয়ার বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠদের অনেকেই প্রিয়া, তার পরিবার, তার ধর্ম এবং তার সম্প্রদায়কে দোষারোপ করছে, গালি দিয়েছে অশ্লীল ভাষায়। আবার অনেকে সনাতন ধর্মাবলম্বী প্রিয়ার মিথ্যাচারকে শুধুই মিথ্যাচার স্বীকার করতে দ্বিধা করছেন, প্রিয়া অন্যায়ের শিকার বলে তার মিথ্যাচারের সাফাই গেয়েছেন। মিথ্যাকে মিথ্যা বলাই শ্রেয়। মিথ্যার কোনও সম্প্রদায় নেই। প্রিয়ার এই মিথ্যাচারের কারণ অনুসন্ধান করবে সরকার, মিথ্যাচারের শাস্তি কি তাও সরকারই নির্ধারণ করবে। কারণ, মিথ্যাটা সরকারের বিরুদ্ধে।কিন্তু প্রিয়ার এই মিথ্যাচারের কারণে তাকে যারা ‘গণধর্ষণ’ করতে চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে লিখেছেন, তার পরিবারকে হেয় করেছেন, তার সম্প্রদায়কে নিয়ে কটাক্ষ করেছেন, সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন, সনাতন ধর্মকে অপমান করেছেন, তাদেরও নজরদারির আওতায় আনতে হবে। তাদের বিরুদ্ধেও রাষ্ট্রের, সমাজের সচেতন হতে হবে।

সমালোচনা এবং প্রতিবাদের ভাষা এখানে সাম্প্রদায়িক এবং নারী বিদ্বেষী, যা চরম নিন্দনীয়। আমরা প্রিয়া সাহার ঘটনা থেকেই দেখতে পাই আমাদের সমাজে সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং সংখ্যালঘু দুই পর্যায়েই সাম্প্রদায়িকতা বিরাজমান। ব্যক্তি প্রিয়া মিথ্যা বলেছেন, তার সম্প্রদায় তো মিথ্যা বলেনি, তবে তার সম্প্রদায়ের প্রতি কেন এই বিদ্বেষ? আবার ব্যক্তি প্রিয়ার মিথ্যাচারকে যখন তার সম্প্রদায়ের লোকজন মিথ্যাচার বলে স্বীকার না করে এটি তার প্রতি বা তার সম্প্রদায়ের প্রতি সংগঠিত অন্যায়, এর ফল হিসেবে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির অধিকার হিসেবে দেখে তার মিথ্যাচারকে ঢাকতে চেয়েছেন, তারাও সমানতালেই সাম্প্রদায়িক মনোবৃত্তিরই পরিচয় দিয়েছেন, যা কাম্য নয়।

আওয়ামী শাসনামলেও বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা নির্যাতন বা আক্রমণের শিকার একেবারেই হচ্ছেন না তা নয়। সাম্প্রতিককালে বিচ্ছিন্নভাবে সংখ্যালঘুদের ঘর দখল হয়েছে, অত্যাচার হয়েছে, মন্দির পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আবার সব আক্রমণই সাম্প্রদায়িক কারণে বা ধর্মীয় সংখ্যালঘু হওয়ার কারণে হয়েছে তাও নয়। ধর্ষণকারীর কাছে হিন্দু যা মুসলমান নারীও তা, ভূমিদস্যুর কাছে দুর্বলের জমিই মুখ্য, সন্ত্রাসীর কাছে কোনও সম্প্রদায় নেই, ত্রাসের রাজত্বই তার লক্ষ্য। পৃথিবীর অনেক উন্নত, সমৃদ্ধ দেশেও শতভাগ নিরাপত্তা সংখ্যালঘুদের জন্যে নিশ্চিত হয়নি। দক্ষিণ এশিয়াসহ অন্য অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা প্রশংসনীয়। আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষতাকে সংবিধানের মূলনীতিতে ফিরিয়ে এনেছে এবং সব ধর্মের মানুষের সমান মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। আওয়ামী লীগ আমলেই ২০১১ এবং ২০১৩ সালে অর্পিত সম্পত্তি আইনে ব্যাপক সংশোধন করা হয়। এই সরকার অসংখ্য নীতিমালায় সংখ্যালঘুদের অধিকারকে সমুন্নত ও টেকসই করার প্রয়াস গ্রহণ করেছে, কিন্তু সমাজের সর্বস্তর থেকে সাম্প্রদায়িকতাকে নির্মূল করতে পারেনি।

দুই যুগের বেশি সময় যখন অসাম্প্রদায়িক অগণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্রের নীতিমালায় এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় ধর্মনিরপেক্ষতাকে অবমাননা করে সমাজের প্রতি স্তরে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প প্রোথিত করে গিয়েছে, তা একদশকে আমূলভাবে মুছে ফেলা কষ্টকর। 

সাম্প্রদায়িকতার কুফল আমরা প্রত্যক্ষ করেছি অসংখ্যবার। সাম্প্রদায়িকতাকে পুঁজি করে সৃষ্ট জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আমাদের জাতীয় ঐক্য, উন্নয়নের পথে বড় বাধা। তাই একটি ধর্মনিরপেক্ষ, অসাম্প্রদায়িক আধুনিক সমাজ গঠনের বিকল্প নেই। অসাম্প্রদায়িক সমাজ তৈরির জন্যে সব সম্প্রদায়ের মানুষকেই এগিয়ে আসতে হবে।

অসাম্প্রদায়িক মনোভাব, আচার এবং ভাষার পরিচর্যা ও ব্যবহার নিশ্চিত করা শুধু রাষ্ট্রের একার দায়িত্ব নয়। অসাম্প্রদায়িক আধুনিক সমাজ গঠনে ব্যর্থ হলে আমাদের জাতিসত্তায় ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন আসতে বাধ্য, যা আমাদের শুধু মধ্যযুগীয় বর্বরতা ও অন্ধকারের দিকেই ঠেলে দেবে।

লেখক: আইনজীবী

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ