কচুরিপানার মতো ভেসে যাওয়া সাংবাদিকতাকে ‘না’ বলি

Send
প্রভাষ আমিন
প্রকাশিত : ১৮:০৪, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৪৮, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০

প্রভাষ আমিনসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানে বাংলাদেশে যেটা জনপ্রিয় ফেসবুক; আমার একদমই পছন্দ নয়। কিন্তু আমার পছন্দ-অপছন্দে কিছু যায় আসে না। গোটা বিশ্বেই ফেসবুক, টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন অনিবার্য, অপরিহার্য।
রাগ করে দূরে থাকলে আপনি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন, কিন্তু ফেসবুকের কোনও ক্ষতি হবে না। এই যেমন আমি অপছন্দ করলেও ফেসবুকে আমি খুব সক্রিয়। নানা বিষয়ে আমার অভিমত তুলে ধরি ফেসবুকে এবং প্রচুর গালি খাই। গালি খেতে আমার আপত্তি নেই। ভাববেন না, গালি খাই বলে ফেসবুক আমার অপছন্দ। অপছন্দের কারণ ব্যাখ্যা করছি পরে। তার আগে ফেসবুক সম্পর্কে আমার অবস্থানটা আরেকটু পরিষ্কার করে নেই। ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ হয়ে গেলে আমি খুবই খুশি। কিন্তু বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত রাগ করে দূরে থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে চাই না। আর আমি যে কারণে অপছন্দ করি, তা দূর করে ফেসবুককে সবার পছন্দের ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। ফেসবুকে আমার ওয়াল সাজানো থাকে বৈচিত্র্যে। আমার দিন শুরু হয় সবুজ দিয়ে। নিজের মোবাইলে তোলা কোনও একটি ফুলের ছবি দিয়ে বন্ধুদের ‘শুভ সকাল’ জানাই। এছাড়া চলমান বিভিন্ন ঘটনায় আমার অভিমত তুলে ধরি। আমার অভিমত নিয়ে সব ধরনের ভিন্নমতকে স্বাগত জানাই। সময় থাকলে ভিন্নমতাবলম্বীদের সঙ্গে যৌক্তিক তর্ক করি। আমি যাই লিখি বা শেয়ার করি; চেষ্টা করি তা যেন বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক হয়। আমার মতের সঙ্গে আপনার নাও মিলতে পারে; কিন্তু আপনি আমার তথ্যের ওপর ভরসা রাখতে পারবেন। আমার ওয়ালে সব ধরনের অভিমতকে স্বাগত জানাই, তবে অশ্লীলতা ছাড়া। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, আমার ওয়ালে আপনি কখনও বিব্রত হবেন না। আমি নিজে তো কখনও কোনও অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করিই না, কেউ করলে তাও মুছে দেই।

আমাকে দেওয়া গালি নিয়ে আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু বন্ধুদের কথা ভেবে আমি গালিগুলো মুছে দেই। আমি চেষ্টা করি,  শুদ্ধ বাংলা লিখতে। প্রয়োজন হলে আমি ‘কী একটা অবস্থা’ই লিখি; কখনোই ‘কীয়্যাক্টাবস্থা’ লিখি না। কাউকে ভালো লাগলে বলি, আপনাকে খুব ভালো লাগছে বা অসাধারণ লাগছে।

কখনো বলি না, ‘জটিল লাগছে’। কারণ ‘জটিল’ একটি নেতিবাচক শব্দ। কখনও ‘জিএফ’, ‘বিএফ’, ‘হাবি’ ‘ব্রো’ লিখি না। কারও মৃত্যুর খবরে স্রেফ ‘RIP’ লিখে দায় সারি না।

আশা করি, আমার ফেবসুক অপছন্দের কারণ বুঝতে আপনাদের অসুবিধা হয়নি। আরও একটা কারণে ফেসবুক আমার খুবই অপছন্দ। সেটা হলো, ফেসবুক আমাদের দিনের বড় একটা অংশ খেয়ে নেয়। আমাদের ভালো বই পড়ার সময় নেই, গান শোনার সময় নেই, সিনেমা দেখার সময় নেই; আমরা সবাই ঘাড় বাঁকা করে স্মার্ট ডিভাইসে বুঁদ হয়ে থাকি। ফেসবুকে যাবেন না, এটা তো বলার সুযোগ নেই। আমি সবসময় সবাইকে বলি, বুক বেশি পড়বেন, ফেসবুক কম। নিজেকে দিয়েই বুঝি, বলে খুব বেশি লাভ নেই।

আমি জানি ফেসবুক না থাকলে, আরও অনেক বেশি বই পড়তে পারতাম। এ যেন এক জটিল নেশা। কিছুক্ষণ পরপর নোটিফিকেশন চেক না করলে আঙুল নিশপিশ করে। তবে ফেসবুক নিয়ে আমার সবচেয়ে বেশি আপত্তি, ফেসবুক গণমাধ্যম আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পার্থক্য ঘুচিয়ে দিচ্ছে। ফেসবুকের যেহেতু কোনও সম্পাদক নেই, তাই কোনও জবাবদিহিতাও নেই, কোনও দায়িত্বশীলতাও নেই। ফেসবুকের ওয়ালে ওয়ালে ঘুরে বেড়ায় অনেক ফেক নিউজ, ভুল তথ্য, বিকৃত তথ্য। আর ফেসবুকের এই চাপে আমরা মূলধারার গণমাধ্যমও প্রায়শই ভুল করি। নিজেদের দায়িত্বশীলতার বিষয়টি ভুলে যাই। ফেসবুক স্টাইলে চটজলদি নিউজ করি। অনেক বেশি লাইক পাওয়ার জন্য তথ্য বিকৃত করি। সাংবাদিকতা ভুল হলে আমরা বলি অপসাংবাদিকতা, কিন্তু ‘অপফেসবুকিং’ বলে কোনও শব্দ নেই। কারণ ‘অপ’টাই এখানে মুখ্য। ফেসবুকে ভুল বানান, ভুল শব্দ, ভুল বাক্য, ভুল নিউজ দেখলে আমার খারাপ লাগে; কিন্তু অত বেশি কষ্ট পাই না। কিন্তু মূলধারার গণমাধ্যমে যখন ফেসবুকের প্রভাব দেখি; তখন হতাশ হই, কষ্ট পাই।

সম্প্রতি পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের একটি উক্তি নিয়ে কিছু কিছু গণমাধ্যম এবং ফেসবুকে যে অপসাংবাদিকতা আর ‘অপফেসবুকিং’ হয়েছে; তা সত্যিই দুঃখজনক। দুই কৃষি গবেষককে পুরস্কার দিতে গিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী নিজের ছেলেবেলার কথা বলেছেন, কৃষির কথা বলেছেন, গবেষণার কথা বলেছেন। এক পর্যায়ে তিনি কৃষি গবেষকদের উদ্দেশে বলেন, ‘কচুরিপানা নিয়ে কিছু করা যায় কিনা। কচুরিপানার পাতা খাওয়া যায় না কোনও মতে? গরু তো খায়। গরু খেতে পারলে আমরা খেতে পারব না কেন?’ কিন্তু কিছু অনলাইন তো বটেই মূলধারার অনেক গণমাধ্যমও মন্ত্রীর এই কথাকে বিকৃত করে সংবাদ পরিবেশন করেছে। কেউ কেউ এমনও লিখেছেন, পরিকল্পনামন্ত্রী দেশবাসীকে কচুরিপানা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। অথচ মন্ত্রী নিছক মজা করে কচুরিপানা নিয়ে গবেষণা করা যায় কিনা, গবেষকদের তা ভাবতে বলেছেন। তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, শব্দচয়ন দেখলেই বোঝা যায়, এটি তার সিরিয়াস বক্তব্য নয়। সেটা তিনি বলেছেনও। আর তারচেয়ে বড় কথা, তিনি গবেষণা করতে বলেছেন, খেতে বলেননি। তার এই উক্তি আর গণমাধ্যমের লিংক পুঁজি করে ফেসবুকে ট্রলের বন্যা বয়ে যায়। এম এ মান্নানকে নিয়ে যত কার্টুন করা যায়, যত বিদ্রূপ করা যায়; তার কিছু বাকি রাখেনি ক্রিয়েটিভ ফেসবুকাররা। ফেসকবুকে এখন কচুরিপানার নানান রেসিপি আর ভিডিওতে সয়লাব। সমালোচনার ঝড় গিয়ে পৌঁছেছে সংসদেও। বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ তো প্রশ্ন তুলেছেন, দেশে কী দুর্ভিক্ষ লেগেছে, আমাদের কেন কচুরিপানা খেতে হবে?

কোনও মন্ত্রী ভুল করলে, তা তুলে ধরা যাবে না, এমনটা আমি বলছি না। গণমাধ্যমের কাজই হলো, দায়িত্বশীলদের ভুল-ত্রুটি, অনিয়ম, অন্যায় তুলে ধরা। গণমাধ্যম এই কাজটি নিয়মিতই করছেও। তবে গণমাধ্যমকে অবশ্যই বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যনিষ্ঠ হতে হবে। ফেসবুক যা পারে, গণমাধ্যম তো তা পারে না; অন্তত পারা বা করা উচিত নয়। গণমাধ্যম আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সমালোচনায় অতিষ্ঠ হয়ে এম এ মান্নান তার বক্তব্যের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। বলেছেন, তিনি কাউকে কচুরিপানা খাওয়ার কথা বলেননি। তিনি এও জানিয়েছেন, ছেলেবেলায় মায়ের হাতে বেসন দিয়ে ভাজা কচুরিপানার ফুল খেয়েছেন।

আমি অনেকবার এম এ মান্নানের বক্তব্য শুনেছি। আমি অন্তত তার আহবানে ট্রল করার মতো, বিদ্রূপ করার মতো কিছু খুঁজে পাইনি। দেশে দুর্ভিক্ষ নেই ঠিক। কিন্তু কৃষি গবেষকরা কাজ না করলে, দেশে সত্যি দুর্ভিক্ষ লেগে থাকতো। ছোট্ট এই দেশে ১৬ কোটি মানুষের পেট ভরানো সহজ কথা নয়। উৎপাদনে বৈচিত্র্য আনতে না পারলে আমাদের সত্যি না খেয়ে থাকতে হতো। বাউ কুল, আপেল কুলে দেশি বরইয়ের স্বাদ নেই বটে, তবে খেতে তো পাচ্ছি। এখন আমরা যা খাচ্ছি, তা যে খাওয়ার উপযোগী, তাও তো এক সময় কেউ না কেউ গবেষণা করেই বের করেছেন। কোনটা ঘাস, আর কোনটা শাক; আমাদের পূর্বসূরিরা দেখিয়ে দিয়েছেন বলেই তো আমরা চট করে চিনতে পারছি। অনেকে বলছেন, কচুরিপানা খেলে গলা চুলকাবে। কচু খেলেও তো গলা চুলকায়। কিন্তু আমরা তো কচুর পাতা, মূল, লতি কিছুই তো বাদ রাখিনি। তিতা করলা যে খাওয়ার উপযোগী, তা আপনি কীভাবে জানলেন? ছেলেবেলায় দেখা ব্যাঙের ছাতাই তো এখন পরিশুদ্ধ হয়ে মাশরুমরূপে পুষ্টিকর ও উপাদেয় খাদ্য হিসেবে আমাদের ডাইনিং টেবিলের শোভা বাড়ায়। আমরা শামুক, ঝিনুক, কাকড়া, কুচে খাই না; কিন্তু রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করি। অনেকে নাক সিটকান বটে; কিন্তু বিদেশে গিয়ে হয়তো বাংলাদেশ থেকেই যাওয়া কাকড়া বা শামুক-ঝিনুক খেয়ে প্রশংসা করেন। মানুষের খাদ্যাভ্যাস নির্দিষ্ট কিছু নয়। পরিকল্পনামন্ত্রী মজা করে বলেছেন বটে, কিন্তু কৃষি গবেষকরা যদি সত্যি সত্যি কচুরিপানাকে খাওয়ার উপযোগী করে তুলতে পারেন; খেতে আমার অন্তত আপত্তি নেই। শুধু পরিকল্পনামন্ত্রী নন, অনেকেই ছেলেবেলায় বেসন দিয়ে ভাজা কচুরিপানা ফুল খাওয়ার কথা বলেছেন। ফুল খাওয়া গেলে, পাতাও খাওয়া যেতেই পারে। তবে এটি খাওয়ার উপযোগী করতে নিশ্চয়ই কোনও পরিবর্তন আনতে হবে; ব্যাঙের ছাতাকে মাশরুম বা দেশি কুলকে আপেল কুল বানানোর মতো। গবেষণাটা হয়তো কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। অতীতে আমাদের কৃষি বিজ্ঞানীরা এমন অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। কচুরিপানা যেভাবে অনায়াসে, বিপুল পরিমাণে হয়; তাতে এটাকে খাওয়ার উপযোগী করতে পারলে মন্দ হয় না।

কাউকে দেখে নেয়া বা শুইয়ে দেওয়ার মানসিকতার এই সাংবাদিকতা থেকে আমাদের বের হতে হবে। এম এ মান্নান এই অপসাংবাদিকতার প্রথম শিকার নন, আমার ধারণা শেষও নন। অনেকে বলতে পারেন, সাংবাদিকরা তো ভুল কিছু করেনি। তিনি যা বলেছেন, তাই তো লিখেছেন। কিন্তু আপনি যখন পরিকল্পনামন্ত্রীর পরিহাসচ্ছলে বলা বক্তব্য থেকে ‘গরু খেতে পারলে আমরা খেতে পারব না কেন?’ এটাকে শিরোনাম করবেন; তখন সেটা অপসাংবাদিকতাই হবে। একটা উদাহরণ দেই। একবার একটি পত্রিকায় শিরোনাম হলো, ‘বঙ্গবন্ধু তৃতীয় সারির নেতা ছিলেন: এবিএম মুসা’।

তাতে আওয়ামী লীগ মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া হলো। মাহবুবুল আলম হানিফ আওয়ামী লীগ অফিসে সংবাদ সম্মেলন করে এবিএম মুসার বিষোদগার করলেন। নিউজটি দেখে আমি, খুব অবাক হলাম। শেষ জীবনে নানা কারণে আওয়ামী লীগের তীব্র সমালোচক ছিলেন বটে। কিন্তু মুসা ভাই বরাবরই বঙ্গবন্ধুপ্রেমিক। ‘মুজিব ভাই’ নামে তার একটি চমৎকার বই আছে। বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য এবিএম মুসা প্রথম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাই তিনি বঙ্গবন্ধুকে হেয় করতে পারেন, এটা আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না। অফিসে বসে মুসা ভাইয়ের পুরো বক্তব্যটি শুনে বুঝলাম, মুসা ভাইয়ের মতো সিনিয়র সাংবাদিকও কীভাবে অপসাংবাদিকতার শিকার হতে পারেন। এতদিন পর ঠিক ঠিক মনে নেই। কিন্তু একটি আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে এবিএম মুসা পঞ্চাশের দশকের একটা সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘তখন কফিলউদ্দিন চৌধুরী, আতাউর রহমান খানরা ছিলেন প্রথম সারির নেতা। বঙ্গবন্ধু ছিলেন তৃতীয় সারির নেতা। সেখান থেকে নিজের সাংগঠনিক দক্ষতা আর যোগ্যতায় তিনি হয়ে ওঠেন বাঙালির আশা-ভরসার প্রতীক।’ এখন যে সাংবাদিক নিউজটি করেছেন, তিনি দাবি করতে পারেন, আমি তো মুসা ভাইয়ের বক্তব্য হুবহু লিখেছি।

‘বঙ্গবন্ধু তৃতীয় সারির নেতা ছিলেন’– হুবহু এই কথা তো উনি বলেছেন। কিন্তু হুবহু লিখলেও এটা অপসাংবাতিকতা। এই শিরোনামে সংবাদের মানেও পাল্টে গেছে। তেমনই হুবহু লিখেও অনেকে এম এ মান্নানের বক্তব্যের মানে পাল্টে দিয়েছিলেন।

এম এ মান্নান সাংবাদিকদের ডেকে তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। শুনেছি তখন ব্যক্তিগতভাবে সাংবাদিকদের কেউ কেউ তার কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন। এ সময় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এম এ মান্নান বলেন, মিডিয়ার অবাধ স্বাধীনতা আছে কিন্তু সেটা যেন শুদ্ধ চর্চা হয়। আমি আশা করি, প্রিয় সাংবাদিকরা দয়া করে এই বিষয়টি ভবিষ্যতে খেয়াল রাখবেন। কারণ স্বাধীন সাংবাদিকতা মানে যা খুশি তা লিখে দেওয়া নয়। সবাই যেন বিষয়টি বুঝে-শুনে লিখি।’ আমি তার সাথে ষোলআনা একমত। যা খুশি তাই লিখে দেওয়া মানে স্বাধীন সাংবাদিকতা নয়। সাংবাদিকতা মানে বস্তুনিষ্ঠতা, দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা।

এই বিষয়গুলো আমাদের মাথায় রাখতে হবে। কচুরিপানার মত যেন ভেসে না যায় আমাদের সাংবাদিকতা।

লেখক: হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ

 

/এসএএস/এমএনএইচ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

লাইভ

টপ