জুলাই আন্দোলনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সংগঠন ছাত্রদল: নাছির উদ্দিন

রাবি প্রতিনিধি
০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫২আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫২

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে অন্য যেকোনও ছাত্রসংগঠনের তুলনায় ছাত্রদল সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে বলে দাবি করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদলের ১৪২ জন নেতাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। শহীদ ওয়াসিম ও শহীদ রাব্বিসহ যারা আন্দোলনে জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা।’

রবিবার (২ আগস্ট) বিকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ‘রক্তাক্ত জুলাই স্মরণ প্রত্যয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাবি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ‘আমাদের দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গত ১৭ বছর আমরা আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের মধ্য দিয়ে সেই আন্দোলন সফলতা লাভ করে। জুলাই-আগস্টের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে প্রকাশ্যে রাজপথে থেকে সংগ্রাম করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এ আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ছাত্রদল।’

তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে আহতদের পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছি এবং নিহতদের কবর জিয়ারত করেছি। শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই একটি গণতান্ত্রিক, সাম্যভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার পথ তৈরি হয়েছে।’

আলোচনায সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ। 

রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, রাজশাহী মহানগর বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

/ইউএস/
সম্পর্কিত
ঢাবিতে ছাত্রদল ও শিবিরের হাতাহাতি
ফরাসি বিপ্লবের চেয়ে কোনও অংশে কম নয় জুলাই, ১৭ বছরের সংগ্রামের ফসল: রিজভী
আম্মার মানসিক ভারসাম্যহীন, শিক্ষার্থীরা রুখে দাঁড়ালে পালানোর পথ খুঁজে পাবে না: নাছির উদ্দীন
সর্বশেষ খবর
কেন বাড়িঘর ফেলে চলে যাচ্ছেন টেকনাফের মানুষ, জনপ্রতিনিধিরাও আতঙ্কে
কেন বাড়িঘর ফেলে চলে যাচ্ছেন টেকনাফের মানুষ, জনপ্রতিনিধিরাও আতঙ্কে
তিন দশক পর আবারও রোজিনা-ওমর সানী
তিন দশক পর আবারও রোজিনা-ওমর সানী
পরবর্তী ফিফা সভাপতি কানাডার এক ব্যবসায়ী?
পরবর্তী ফিফা সভাপতি কানাডার এক ব্যবসায়ী?
গ্রিসে দাবানল নেভাতে গিয়ে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ, নিহত ২
গ্রিসে দাবানল নেভাতে গিয়ে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ, নিহত ২
সর্বাধিক পঠিত
নিজ এলাকাতেই সংশোধন করা যাবে এনআইডি
নিজ এলাকাতেই সংশোধন করা যাবে এনআইডি
কখন বুঝবেন ‘চাকরিটা এবার ছাড়ার সময় হয়েছে’
কখন বুঝবেন ‘চাকরিটা এবার ছাড়ার সময় হয়েছে’
যে ফলের দাম আইফোনের চেয়েও বেশি
যে ফলের দাম আইফোনের চেয়েও বেশি
জুলাই কুস্তিগিরদের আগাম অভিনন্দন, মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না: মাহফুজ আলম
জুলাই কুস্তিগিরদের আগাম অভিনন্দন, মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না: মাহফুজ আলম
আসিয়ানে যোগ দেওয়া হচ্ছে না বাংলাদেশের, কারণ জানালেন মহাসচিব
আসিয়ানে যোগ দেওয়া হচ্ছে না বাংলাদেশের, কারণ জানালেন মহাসচিব