ন্যাশনাল সার্ভিস স্থায়ীকরণের দাবি হাজারও বেকারের

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
১৬ জানুয়ারি ২০২৩, ০৫:৩৫আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২৩, ১২:৩৬

ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্প স্থায়ীকরণের দাবিতে কুড়িগ্রামে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন হাজার হাজার বেকার তরুণ-তরুণী। রবিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ ন্যাশনাল সার্ভিস পরিষদ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আয়োজনে শহরের কলেজ মোড়ে এ অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধন করেন ন্যাশনাল সর্ভিস প্রকল্পে চাকরি শেষে বর্তমানে বেকারত্ব নিয়ে জীবনযাপন করা তরুণ-তরুণীরা।

এ সময় জেলা শহরের সদর থানা মোড় থেকে কলেজ মোড় হয়ে পোস্ট অফিসের সামনে পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটারজুড়ে সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে দুই ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচি পালন করেন তারা।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া তাহমিনা বেগম বলেন, ‘আমাদের জীবন ব্যাঙের মতো। বেকারত্ব নামক কুয়া থেকে তুলে আবারও কুয়ায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল সার্ভিস ছিল আমাদের ভাতের থালা। দুই বছর পর সেই থালা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমাদের জীবন এখন দুর্বিষহ। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে আমরা ন্যাশনাল সার্ভিস জাতীয়করণ চাই।’

আরেক বেকার তরুণ মাঈদুল ইসলাম বলেন, ‘এই সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ছিল ঘরে ঘরে চাকরি। সেটা বাস্তবায়িত হয়নি। এখন আমরা বেকারত্বের অবসান চাই। ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্প স্থায়ীকরণ চাই।’

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা থেকে আসা আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ন্যাশনাল সার্ভিসে কাজ করতে গিয়ে আমি সরকারি চাকরির বয়স হারিয়েছি। সরকার যেহেতু ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সে অনুযায়ী আমি ভেবেছিলাম ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্পটি স্থায়ীকরণ হবে। কিন্তু দুই বছর যখন শেষ হয়ে গেল, তখন আবারও বেকার হয়ে গেলাম। এ অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। আমি চাই ন্যাশনাল সার্ভিস স্থায়ীকরণ করা হোক।’

কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল সার্ভিস পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিক হাসান রাজা, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি কে এম রমজান আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. মাইদুল ইসলাম ও নাগেশ্বরী উপজেলা শাখার সভাপতি আতাউর রহমান রাজু প্রমুখ।

কুড়িগ্রাম জেলায় দুই বছর মেয়াদে ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্পে প্রায় ৩৮ হাজার বেকার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হয়। পরে সরকার প্রকল্পটি বন্ধ করে দিলে এসব কর্মী আবারও বেকার হয়ে পড়েন।

/এএম/এনএআর/
সম্পর্কিত
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিফতরে অবিবাহিতদের চাকরির সুযোগ, লাগবে না অভিজ্ঞতা
খসে পড়ছে পলেস্তারা, তার ভেতরে নাগরিক সেবা
৩ ক্যাটাগরির পদে চাকরি দেবে খাদ্য মন্ত্রণালয়, নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
সর্বশেষ খবর
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী