পুলিশ মামলা দেওয়ায় মহাসড়কের মাঝখানে ট্রাক দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ করলেন চালক

রংপুর প্রতিনিধি
০২ অক্টোবর ২০২৪, ২২:৫০আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৪, ২২:৫০

হাইওয়ে পুলিশ ট্রাক থামিয়ে ঘুষ দাবি করার অভিযোগে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা সদরের ইকরচালি বালাবাড়ি নামক স্থানে বিক্ষুব্ধ ট্রাক চালক ও শ্রমিকরা রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে।

তবে তারাগঞ্জ থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক মহাসড়ক অবরোধ করার বিষয়টি নিশ্চিত করে দাবি করেন, ‘ঘুষ চাওয়া নয়, ট্রাকের কাগজপত্র না থাকায় মামলা দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটে।’

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা সদরের বাজার থেকে বিভিন্ন মালামাল লোড করে ট্রাক ড্রাইভার আতিয়ার রহমান রংপুরে যাচ্ছিলেন। ট্রাকটি তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানা বালাবাড়ি ইকরচালি নামক স্থানে পৌঁছালে হাইওয়ে পুলিশের এসআই রফিক সহকারী এএসআই পারভেজ ট্রাক থামিয়ে কাগজপত্র চাইলে চালক আপডেট কাগজ দেখাতে না পারায় ট্রাকটির ও ড্রাইভারের নামে মটরযান আইনে মামলা দেয়। এ ঘটনা নিয়ে ট্রাকচালকের সঙ্গে হাইওয়ে পুলিশের বাগবিতণ্ডা হয়।

এ সময় ট্রাকচালক মামলা বাতিল করার দাবি জানিয়ে তার ট্রাকটি মহাসড়কের মাঝামাঝি দাঁড় করিয়ে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করেন। এ ঘটনায় মহাসড়কে চলাচলকারী অন্য যানবাহনের চালকরাও বিক্ষোভ শুরু করে। এই অবস্থায় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে তারাগঞ্জ থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি ট্রাকচালকের বিরুদ্ধে দেওয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, ‘জরিমানা যা কম হয় সেই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এভাবে ২০ মিনিট মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকার পর আবারও যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে। কোনও ঘুষ চাওয়ার ঘটনা ঘটেনি।’

এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশের এসআই রফিক জানান, ট্রাকটি থামিয়ে কাগজপত্র চাওয়ায় সে কাগজ দেখাবে বলে জানায়। একপর্যায়ে গাড়ির কাগজ দিলে দেখা যায়, ফিটনেসসহ অনেক কাগজ নেই। ফলে মোটর যান আইনে মামলা দেওয়ায় চালক মিথ্যা অভিযোগ করে মহাসড়কের মাঝামাঝি ট্রাক আড়াআড়িভাবে লাগিয়ে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

ট্রাকচালক আতিয়ার জানান, তার গাড়ির কাগজপত্রে সামান্য সমস্যা ছিল। ঠিক করে দেওয়ার কথা বললেও মিথ্যা মামলা দিয়েছে।

/এফআর/
সম্পর্কিত
অনলাইন ক্যাসিনোর মাস্টারমাইন্ড ওয়াসিম হালদার গ্রেফতার
‘জুলাইয়ে পুলিশকে আমরা পিটিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছিলাম, আপনারা দেখেন নাই’
৩০ বছর আগের হত্যা মামলা থেকে খালাস পেলেন ৪ আসামি
সর্বশেষ খবর
‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ও ‘রকস্টার’-এর পর ‘ফাইসা গেছি’:   সাবিলা নূর
‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ও ‘রকস্টার’-এর পর ‘ফাইসা গেছি’: সাবিলা নূর
বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ 
বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ 
লেবানন ছাড়তে শর্ত দিলো ইসরায়েল
লেবানন ছাড়তে শর্ত দিলো ইসরায়েল
আলোচিত ফাহিমা হত্যায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, দুজনকে খালাস
আলোচিত ফাহিমা হত্যায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, দুজনকে খালাস
সর্বাধিক পঠিত
মিটার একবার, ভাড়া ও চার্জ আজীবন
মিটার একবার, ভাড়া ও চার্জ আজীবন
ডাকা হচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন
ডাকা হচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন
আওয়ামী লীগ শত্রু নয় আমাদের মিত্র, অচিরেই আমাদের সঙ্গে মিশে যাবে: বিএনপির এমপি
আওয়ামী লীগ শত্রু নয় আমাদের মিত্র, অচিরেই আমাদের সঙ্গে মিশে যাবে: বিএনপির এমপি
অনুশ্রীর স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
অনুশ্রীর স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
‘গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে, নইলে গদি ছাইড়া দে’ স্লোগানে মুখরিত সচিবালয় এলাকা 
‘গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে, নইলে গদি ছাইড়া দে’ স্লোগানে মুখরিত সচিবালয় এলাকা