ইরানের জব্দ করা কোনও সম্পদ অবমুক্ত করার খবর অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তেহরানের কোনও তহবিল ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটন একমত হয়নি। এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সম্পদ ছাড় দেওয়ার যে দাবি করা হয়েছিল, তিনি তা নাকচ করে দেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
ইরানি প্রতিনিধি দলের প্রধান ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছিলেন, আলোচনা শুরু করার আগেই এই সম্পদ অবমুক্ত করা প্রয়োজন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এমন পদক্ষেপ ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের কাছে গ্রহণযোগ্য করা অত্যন্ত কঠিন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আলোচনার এই ডামাডোলের মধ্যে পাকিস্তানের সংশ্লিষ্টতাও চোখে পড়ছে। পাকিস্তান সরকার এবং ইরানি প্রতিনিধি দলের সূত্রের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এছাড়া শাহবাজ শরিফ ও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের একটি বৈঠকের ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে।
দুই পক্ষের মধ্যে পাকিস্তানের এই দূতিয়ালি শেষ পর্যন্ত কোনও ঐতিহাসিক সরাসরি আলোচনা কিংবা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনও চুক্তিতে রূপ নেবে কি না, তা এখনও অস্পষ্ট।








