এল সালভাদর: সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বাগান থেকে ২৪ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার

বিদেশ ডেস্ক
২১ মে ২০২১, ১৯:৪৭আপডেট : ২১ মে ২০২১, ২১:১২

এল সালভাদরে সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তার বাড়ির বাগান থেকে অন্তত ২৪ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, বাড়িটিতে অন্তত ৪০ জনের দেহ পুঁতে রাখা হয়ে থাকতে পারে। সবগুলো দেহ উদ্ধার করতে এক মাস সময় লাগবে। শুক্রবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এখবর জানিয়েছে।

কর্মকর্তাদের মতে, দেহাবশেষগুলোর বেশিরভাগ নারী বা মেয়েদের হতে পারে। পুলিশের ধারণা, এই উদ্ধারের ঘটনায় দশক ধরে সক্রিয় থাকা গোপন খুনীচক্রের কথা সামনে আসতে পারে।

লাতিন আমেরিকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফেমিসাইডের হার সর্বোচ্চ এল সালভাদরে। লিঙ্গজনিত কারণে নারী বা মেয়েদের হত্যাকে ফেমিসাইড বলা হয়।

সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার নাম হুড়ো আর্নেস্টো ওসোরিয়ো শ্যাভেজ (৫১)। এই মাসে ৫৭ বছরের এক নারী ও তার ২৬ বছরের মেয়েকে হত্যার অভিযোগে এই কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়। যৌন হয়রানির অভিযোগে অতীতে তদন্তের মুখে পড়া ওসোরিয়ো মা-মেয়েকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

কিন্তু রাজধানী সান সালভাদর থেকে ৪৮ কিলোমিটার উত্তরে ওসোরিয়োর বাড়িতে ফরেনসিক টিম তল্লাশির সময় সাতটি গর্ত পায় যেগুলো লাশ পুঁতে রাখা হয়েছে। কিছু লাশ অন্তত দুই বছর আগে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, এই দেহাবশেষ উদ্ধারের ঘটনা ইঙ্গিত দেয় দশক ধরে সক্রিয় কোনও গোপন খুনি চক্রের কথা। এই ঘটনায় অন্তত ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে। সন্দেহভাজনদের মধ্যে রয়েছেন, সাবেক পুলিশ ও সেনা সদস্য এবং মানবপাচারকারী।

এল সালভাদরের পুলিশ প্রধান মৌরিসিও আরিয়াজা বলেছেন, ওসোরিয়ো হয়ত কয়েক দশক ধরে মানুষ হত্যা করে যাচ্ছে। সে আমাদের বলেছে, আমেরিকার স্বপ্ন দেখিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের পর প্রতারণা করে সম্ভাব্য হত্যার শিকার নারীদের ডেকে আনতো।

প্রসিকিউটর জানিয়েছে, উদ্ধার করা লাশগুলোর মধ্যে দুই, সাত ও নয় বছরের মেয়ে শিশু রয়েছে।

জাতিসংঘের মতে, লাতিন আমেরিকায় প্রতিদিন ১২ নারী ফেমিসাইডের শিকার হন।

/এএ/
সম্পর্কিত
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
প্রতিনিধি পরিষদের ইরান যুদ্ধবিরোধী ভোটের প্রতিক্রিয়ায় মুখ খুললেন ট্রাম্প
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
সর্বশেষ খবর
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
৩৮ বছর বাড়ি ফিরে বিপদে জবেদ, স্ত্রী বললেন স্বামী হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
বিপর্যয়ের মুখে সুন্দরবন
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত মরার ওপর খাঁড়ার ঘা: জাসদ (ইনু)
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত মরার ওপর খাঁড়ার ঘা: জাসদ (ইনু)
তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে: জামায়াত
তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে: জামায়াত
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি