মহাত্মা গান্ধীর নাতি মোদি ভক্ত, থাকছেন বৃদ্ধাশ্রমে

বিদেশ ডেস্ক
১৬ মে ২০১৬, ১৯:৫৮আপডেট : ১৬ মে ২০১৬, ২০:১৩

দাদা মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে কানুভাইয়ের বিখ্যাত ছবি গান্ধী পরিবারের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষমতাসীন বিজেপির প্রধান রাজনৈতিক শত্রু। অথচ মহাত্মা গান্ধীর নাতী কানুভাই গান্ধী নিজেকে দীর্ঘদিন ধরে নরেন্দ্র মোদির একজন ভক্ত হিসেবে দাবি করেছেন। বৃদ্ধ বয়সে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে স্ত্রী নিয়ে দিল্লির একটি বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নিয়েছেন কানুভাই।

১৭ বছর বয়সে ভারত ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে ভর্তি হন কানুভাই। পরে তিনি নাসার ল্যাংলি রিসার্চ সেন্টারে চাকরি করেন। তার স্ত্রী বায়োকেমিস্ট্রিতে একজন পিএইচডি ডিগ্রিধারী। দীর্ঘ চার দশক যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের পর ৮৭ বছর বয়সী কানুভাই ও তার স্ত্রী ড, শিভা লক্ষ্মী গান্ধী (৮৫) ২০১৪ সালে ভারতে ফিরে আসেন। ৮ মে দিল্লির ওই বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নেওয়ার আগে তারা প্রায় দেড় বছর গুজরাটের বিভিন্ন আশ্রমে দিন কাটান।

সম্প্রতি কানুভাইকে দেখতে ভারতের সংস্কৃতিমন্ত্রী মহেশ শর্মা বৃদ্ধাশ্রমে যান। তিনিই মোদির সঙ্গে কানুভাইয়ের ফোনে কথা বলার সুযোগ করে দেন। কানুভাই জানান, খুব আনন্দময় আলোচনা হয়েছে।

বৃদ্ধাশ্রমে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন কানুভাই

বার্তা সংস্থা এএনআইকে কানুভাই বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অনেক পুরনো একজন ভক্ত আমি। এখনও তিনি মনে রেখেছেন আমি কিভাবে তাকে সহযোগিতা করেছিলাম। ওই সময় কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী আমাদের দুজনের বিরুদ্ধে ছিলেন।

টেলিফোনে আলাপের পর নরন্দ্রে মোদি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে করে কানুভাই ও তার স্ত্রী ভালোভাবে বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে পারেন।

কানুভাই বর্তমানে দক্ষিণ দিল্লির গৌতমপুরিতে গুরু বিশ্রাম বৃদ্ধাশ্রমে অবস্থান করছেন। দাদা মহাত্মা গান্ধীর মতো অন্য মানুষের সহযোগিতা করতে না পারার আক্ষেপ রয়েছে কানুভাইয়ের। তিনি বলেন, আমার খুব খারাপ লাগছে যে আমাকে সরকারের সহযোগিতা নিয়ে বেঁচে থাকতে হচ্ছে। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

আরও পড়ুন:

/এএ/

সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
সর্বশেষ খবর
আর্জেন্টিনা আরও চার ফুটবলারকে প্রস্তুত রাখছে
আর্জেন্টিনা আরও চার ফুটবলারকে প্রস্তুত রাখছে
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের