অন্যায় না করেও অভিশংসনের মুখে পড়ছি: ট্রাম্প

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ২১:১৬, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:১৮, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯

ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন তদন্তে অনুমোদন দেওয়ার পর নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন তিনি। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) এক টুইটবার্তায় ট্রাম্প লিখেছেন, আমি কোনও দোষ করিনি, আমাকে অযথা অভিশংসিত করা হচ্ছে; এটা অন্যায়। দীর্ঘ শুনানির পরে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ যথার্থ বলে হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভের সদস্যরা ঘোষণা দেওয়ার পর তিনি এভাবে টুইটে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সম্প্রতি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের ফাঁস হওয়া ফোনালাপে দেখা যায়, সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তার ছেলে হান্টার বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে রীতিমতো চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প। ওই ফোনালাপের ভিত্তিতে গোয়েন্দা সংস্থার একজন সদস্য আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করার পর ট্রাম্পের অভিশংসনের দাবি সামনে আসে। তাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে তদন্ত শুরু করে ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদ। শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) পরিষদের হাউজ জুডিশিয়ারি কমিটিতে অভিযোগের ওপর ভোটগ্রহণ করা হলে ২৩-১৭ ভোটে অভিশংসন প্রস্তাব পাস হয়।

বিচারবিভীয় কমিটির এই পদক্ষেপের পর এক টুইটবার্তায় ট্রাম্প লিখেছেন,  ‘আমি নিশ্চিত কোনও ভুল না করেও অভিশংসিত হতে যাচ্ছি; এটা অন্যায়। মৌলবাদী বাম ও অকর্মা ডেমোক্র্যাটরা সবার ঘৃণার পার্টিতে পরিণত হয়েছে। তারা আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।’

আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিশংসন প্রক্রিয়াই আগামী দিনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।

মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ অর্থাৎ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে বর্তমানে ট্রাম্পের বিরোধীরা সংখ্যাগুরু। ফলে সেখানে অভিশংসন প্রস্তাব পাস করাটা সহজ হয়েছে। এরপর তদন্ত অনুষ্ঠিত হবে সিনেটে। বিধি অনুযায়ী প্রেসিডেন্টকে পদ থেকে অপসারণের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সিনেটরের সম্মতির প্রয়োজন হবে। তবে সিনেটে রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় ট্রাম্পের অভিশংসিত হওয়ার আশঙ্কা কম।

/এইচকে/

সম্পর্কিত

লাইভ

টপ