তামিল নাড়ুর গ্রামে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনি আমেজ

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ২২:৩০, অক্টোবর ২৭, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৬, অক্টোবর ২৮, ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আমেজ লেগেছে দক্ষিণ ভারতের চেন্নাইয়ে অবস্থিত থুলাসেন্দ্রাপুরম গ্রামে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কমলা হ্যারিসের বিজয় কামনা করে প্রার্থনা করছেন সেখানকার বাসিন্দারা। শুধু তাই নয়, নির্বাচনকে সামনে রেখে গ্রামে যেন সাজ সাজ রব লেগেছে। প্রবেশমুখে ব্যানার টানিয়ে দর্শনার্থীদেরও স্বাগত জানানো হচ্ছে সেখানে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ৩ নভেম্বর। নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের হয়ে লড়াই করছেন জো বাইডেন। আর তার রানিং মেট হিসেবে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে থাকছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস। তার নানা পিভি গোপালনের জন্মস্থান থুলাসেন্দ্রাপুরম গ্রাম। চেন্নাই থেকে ২০০ মাইল দক্ষিণে এর অবস্থান। প্রায় ৯০ বছর আগে তার নানা পরিবারসহ চেন্নাইয়ে চলে যান।

কমলা হ্যারিসকে গ্রামের নাতনি হিসেবেই বিবেচনা করছেন থুলাসেন্দ্রাপুরমের বাসিন্দারা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গ্রামের ভেতরে অন্তত ১২টি ব্যানার লাগানো আছে। সবগুলোতেই কমলা হ্যারিসের হাসিমাখা মুখ। এর একটিতে লেখা রয়েছে ‘থুলাসেন্দ্রাপুরম থেকে আমেরিকা।’

আরেকটি ব্যানারে লেখা রয়েছে- ‘আমরা থুলাসেন্দ্রাপুরমবাসী আমেরিকান নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিসের সাফল্য কামনা করছি। তার পূর্বসূরীরা এ গ্রামেরই বাসিন্দা ছিলেন।’

কমলা হ্যারিসের জন্ম ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে। তার মা শ্যামলা গোপালান ছিলেন দক্ষিণ ভারতের তামিল। আর বাবা ডোনাল্ড হ্যারিস ছিলেন জ্যামাইকান। শ্যামলা গোপালান ছিলেন স্তন ক্যানসার গবেষক। ইউসি বার্কেলিতে এন্ডোক্রিনোলজিতে ডক্টরেট করার জন্য ১৯৬০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন তিনি। সেখানেই পরিচয় ডোনাল্ড হ্যারিসের সঙ্গে।

অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করতেন ডোনাল্ড। এ দম্পতির দুই কন্যা সন্তানের একজন কমলা হ্যারিস ও অপরজন মায়া হ্যারিস। কমলার ছোট বোন মায়াও একজন রাজনৈতিক অ্যাকটিভিস্ট। ২০১৬ সালের নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটনের প্রচারণা শিবিরে কাজ করেছেন তিনি। কমলার সাত বছর বয়সে মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়ে যায়। মায়ের কাছেই বড় হয়েছেন দুই বোন। ২০০৯ সালে মায়ের মৃত্যু হয়।

কমলা হ্যারিস নিজেকে কৃ্ষ্ণাঙ্গ হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকলেও নিজের ভারতীয় শেকড়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি। চেন্নাইয়ে নানারবাড়িতেও বেশ কয়েকবার সফর করেছেন।

/এফইউ/বিএ/

লাইভ

টপ