পুনর্নির্বাচিত হলে অভিবাসন আরও সীমিত করবেন ট্রাম্প

Send
ব্রজেশ উপাধ্যায়, ওয়াশিংটন
প্রকাশিত : ০৯:১৭, অক্টোবর ৩১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৫১, অক্টোবর ৩১, ২০২০

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হলে কঠোর অভিবাসন বিধিনিষেধ জারি করার পরিকল্পনা করছেন। তার এই পরিকল্পনার কেন্দ্রে থাকবে ‘যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের মান বাড়ানো ও উচ্চতর করা’। তার এক বিশ্বস্ত ও সিনিয়র উপদেষ্টা এই তথ্য জানিয়েছেন।

ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসননীতির নেপথ্যে থাকা স্টিফেন মিলার এনবিসি নিউজকে বলেছেন, শরণার্থীদের অনুমোদন সীমিত, ভিসা আবেদন কঠোরভাবে যাচাইয়ের মাধ্যমে তথাকথিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতা বৃদ্ধি, কাজের ভিসাতে নতুন সীমা জারি এবং আশ্রয় দানকারী শহরগুলোতে অভিযান পরিচালনা করাই হবে ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদের অগ্রাধিকার।

মিলার জানান, এইচ১বি ভিসার কর্মসূচিকে আরও কমিয়ে নিয়ে আসার উদ্যোগ চূড়ান্ত করা হবে। ট্রাম্প পয়েন্ট ভিত্তিক প্রবেশের একটি ব্যবস্থা চান, যেটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা শুধু তাদেরকেই দেওয়া হবে যারা কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক সুযোগে অবদান রাখতে পারবেন।

তিনি বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য আবেদনগুলোর যাচাই-বাছাই আরও বাড়ানো হবে এবং  এই লক্ষ্যে আন্তএজেন্সি তথ্য বিনিময় বৃদ্ধি করা হবে।

বর্তমান যাচাই ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখে। মিলার পরামর্শ দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত তা আদর্শগত সহানুভূতি বা ঝুঁকও ভিসা আবেদনের সময় যাচাই করার জন্য। যাতে করে উগ্রবাদীদের সম্ভাব্য কর্মী সংগ্রহ ঠেকানো যায়।

এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নে কংগ্রেসকে নতুন আইন প্রণয়ন করতে হবে। কিন্তু বেশিরভাগই প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশে বাস্তবায়ন করা যাবে। প্রথম মেয়াদে নির্বাহী আদেশ একাধিকবার প্রয়োগ করেছেন ট্রাম্প।

শুক্রবার মিলারের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী ডো বাইডেন। তিনি বলেছেন, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের এজেন্ডা হলো বিদ্বেষপূর্ণ বাগাড়ম্বর ও বিভক্তির আরও চার বছর।

বাইডেনের প্রচার ব্যবস্থাপক জেন মলিনা এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমরা এই নির্বাচনে জয়ী হতে চলেছি যাতে করে স্টিফেন মিলারের মতো মানুষ আমাদের আমেরিকান মূল্যবোধকে অশ্রদ্ধা জানাতে আর কোনও জেনোফোবিক নীতি লিখতে না পারেন।

মিলারের এই মন্তব্য অন দ্য রেকর্ড হলেও তিনি দাবি করেছেন, প্রচার উপদেষ্টা হিসেবে তিনি এগুলো বলেছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, অভিবাসননীতির প্রস্তাবিত পরিবর্তনের অনেকগুলোই খুব বিতর্কিত এবং নির্বাচনের আগ মুহূর্তে যখন ‘জনপ্রিয়তাহীণ একজন প্রেসিডেন্ট পুননির্বাচিত হতে চাইছেন’ তখন প্রকাশ করা হচ্ছে না।

 

/এএ/

লাইভ

টপ