X
রবিবার, ১৯ মে ২০২৪
৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
উপন্যাস

বিকল্প অর্থনীতি ও গ্রাম্য কায়কারবার

সাজেদুল ইসলাম
২৩ মার্চ ২০২৪, ১৪:২৭আপডেট : ২৩ মার্চ ২০২৪, ১৪:২৭

রেবা, শোভা, উর্মি ও সোহাগ—সকলেই স্কুল পড়ুয়া। কেউ চতুর্থ কেউ পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। এদের প্রত্যেকেই বৃহৎ মোড়ল বাড়ির সন্তান। কোনো না কোনোভাবে হায়দার মোড়লের পরিবারের সঙ্গে তারাও সংযুক্ত। হায়দার মোড়ল এদের কারো দাদার চাচাতো ভাই। কারো প্রপিতামহ। এদের প্রত্যেকেই হায়দার মোড়লের নাম শুনে বড় হয়েছে। প্রতিটি বংশে একজন বড় মানুষ থাকে যাকে ঘিরে ওই বংশের প্রায় সকলে পরিচিত হয়—পরিচয় দেয়—গর্ব করে বলে আমাদের বংশে একজন নামজাদা ছিলেন। এই নামজাদা মানুষটি কেবল নিজের নামকেই বড় করে না বরং কুলেরও শ্রী বৃদ্ধি করে। মোড়ল বংশে হায়দার মোড়ল তেমনি একজন। তিনি বড় কারবারি ছিলেন। একবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন বলে মোড়ল বাড়িকে অনেকে এখনো চেয়ারম্যান বাড়িও বলে থাকে। দূর থেকে বাড়ির সামনের বাঁশঝাড় দেখিয়ে বলে—সামনে যে দেখা যায়—ওটা হলো চেয়ারম্যান বাড়ি। হায়দার মোড়ল না থাকলেও মোড়ল বাড়ি আছে। বাড়ির ছোট মোড়লেরা আছে। চেয়ারম্যানের চেয়ার না থাকলেও যশ-খ্যাতির গল্প হয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। লোকের মুখে মুখে আছে তার প্রতীক মোমবাতির কথাও। রেবা-শোভাদের প্রত্যেকে মোড়লের মোড়লিপনার কথা শুনেছে। শুনেছে মোড়লের শেষকালের দুঃখ-হতাশার গল্পও। এই বিষাদের ডালপালা মোড়লের সম্মান-সুখ্যাতিকে এতটুকু আড়াল করতে পারেনি। কেবল মোড়লের বেলায় যে দুঃখ-কষ্ট নেমে এসেছে তা তো নয়—বরং প্রত্যেক বীরের জীবনে থাকে বিয়োগান্তক ঘটনা, থাকে হাজারো বিচ্ছেদ ও বিষাদ। হায়দার মোড়ল তাদের অনুসরণ করেছেন মাত্র।

মোড়লের বাড়ির পোস্তা করা শানে খেলতে খেলতে একনায়কোচিত কর্তৃত্বকে তোয়াক্কা না করে রেবা ও তার বন্ধুরা আসর ভেঙে দিয়েছে। আসর ভেঙে নতুন এক বাজারে নয়া মুদ্রাব্যবস্থা প্রবর্তন করে জনি ও রাজনের মোড়লিপনাকে বিপদে ফেলেছে। জনি ও রাজন এতদিন যে হাটের ইজারা নিয়ে দিনকে রাত বলতো শেষপর্যন্ত তা আর টিকলো না। দূর গ্রাম থেকে গেরস্তরা তাদের গাছের লাউ, পাতিহাঁসের ডিম ও গাভীর দুধ নিয়ে আর বসতে চাইলো না। জেলেনি মেয়েটি মাছ নিয়ে এলো আর। হাট বলতে তো ওই একটি ইট বিছানো ছোট রাস্তা ছিল। তার দুধার দিয়ে দোকানিরা ঝাঁপ খুলত। রোববার ও বুধবার সকালে সেসব ঝাঁপের একটু সামনে গিয়ে বসতো এসকল ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা। বিক্রেতা হলেও মূলত এরা প্রত্যেকেই গেরস্ত। কেউ আনতো মিষ্টিকুমড়া শাক, কেউ আনতো লকলকে পুইলতা, কেউ নিয়ে বসতো নিজের মাচার কুশি আনাজ। ছোট হলেও হাটটি ছিল এক ঐশ্বর্যপূর্ণ মুকুটের মতো। রেবা-শোভারা চলে যাওয়ায় একেকটি পালক ধীরে ধীরে মুকুট থেকে ক্ষয়ে যেতে থাকলো। পালকবিহীন মুকুটকে কে মাথায় রাখে! গৌরব ভেঙে খান খান হয়ে গেলো। 

রেবা, উর্মি ও শোভা বয়সে ছোট হলেও খেলার নিয়ম তারা রপ্ত করেছে অনায়াসে। খেলার কৌশলী গলিপথও তাদের অজানা নয়। একথা তো ঠিক যে—খেলতে হয় সমানে সমান হয়ে। কোনো পক্ষ যখন খেলায় প্রচলিত নিয়ম ভেঙে দিয়ে কর্তৃত্ব দেখাতে চায় তখন অপরপক্ষের জন্য করণীয় হলো সেই কর্তৃত্বকে সাধ্যমতো চ্যালেঞ্জ করা। একবার ঘুরে দাঁড়াতে পারলে খেলায়ও মোড় ঘুরে যায়। তবে কোনো কারণে চ্যালেঞ্জ জানাতে ব্যর্থ হলে দুর্বল পক্ষের জন্য অনিবার্য দাসত্ব নেমে আসে। পাঙাস মাছের ঝোল কেনার কালে জনি-রাজনদের কূটকৌশলকে ভণ্ডুল করতে গিয়ে রেবা একটি ছোটদলকে সঙ্গী করে দলছুট হয়েছে। ভিন্ন স্থানে গিয়ে আসর জমাতে সে যে পদ্ধতি প্রবর্তন করেছে তা দুনিয়াতে একেবারে নতুন কিছু না হলেও সময়ের বিবেচনায় এই পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে রেবা যা বলেছে তার সঙ্গে প্রাগৈতিহাসিক কালের যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া যায়। এমনকি বিদেশি টেলিভিশনের স্টুডিওতে বসে ঐতিহাসিক ও অর্থনীতিবিদ মাইক মেলোনিও যেন রেবার কথার প্রতিধ্বনি করেছে। তার কথায়ও স্পষ্ট হয়েছে—তোমাদের এইসব প্রচলিত সব মুদ্রা একদিন অন্তঃসারশূন্য হয়ে ডাস্টবিনে গিয়ে স্থান নেবে। কেবল সোনাদানা যেটুকু আছে তা তোমাদের সঙ্গে প্রতারণা করবে না—দুঃসময়ে পাশে থাকবে। নিজেদের সমকালীন সমাজ ও অর্থব্যবস্থাকে তিরস্কার করে প্রতীচ্যের রাজনীতিবিদ রন পল, অর্থনীতিবিদ রিচার্ড ডেল আর দার্শনিক ও চিন্তক এমরান হুসেইন রেবা-শোভাদের পথ অনুসরণ করে যেন কেবল কেতাবি ভাষায় বলছে—এইসব প্রচলিত ব্যাংকিং-মুদ্রাব্যবস্থা দাসত্ব ডেকে আনবে। এসকল প্রবক্তাদের ভাষ্যে বিশ্বব্রক্ষ্মাণ্ডের মানবকূল এক অশুভ শক্তির হাতে বন্দি হতে যাচ্ছে। রেবা তার খেলার সাথীদের সঙ্গী করে অশুভ শক্তির প্রবল দেয়াল ভেঙে দিতে পারলেও পৃথিবীর মনবকূল এখনো ধাঁধায় কাতর হয়ে আছে। ডলারের প্রবল ঢেউয়ে কম্পমান তাদের চারপাশের বাতাস। লোভের গন্ধে মৌ মৌ করে তাদের শরীর ও মন। এহেন সময়ে রেবা, শোভা ও উর্মি পরিস্থিতি বদলে দিতে পারলো কেবল নিজেদের অভ্যন্তরীণ ঐক্যের জোরে।

ফসলের উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থায় বিকল্প পদ্ধতির ব্যবহার অতি পুরোনো আচার। আজ যাকে বিকল্প পদ্ধতি বলা হচ্ছে বহুকাল আগে সেই বিনিময় পদ্ধতিই ছিল লেনদেনের হাতিয়ার। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পূর্বে হায়দার মোড়লের মূল পেশা কারবারি থাকলেও তাকে ব্যবসায়িক নিয়মে কখনো কখনো এই বিনিময় পদ্ধতির মূলসুর অনুসরণ করতে দেখা গেছে। তিনি তা করেছেন কর্মের খাতিরে। তবে পেশা হিসেবে যেখানে কারবারিকেই সন্দেহের চোখে দেখা হয় সেখানে সমতার নীতি তো দূরের প্রশ্ন। হায়দার মোড়লকে কারবারি বলা হলেও তিনি মূলত ধান-চালের কারবারিদের মধ্যে আন্তঃসংযোগ ঘটিয়ে দিতেন। দুই দিগন্তের দুই ব্যবসায়িক পক্ষের মধ্যে ভালো-মন্দ সম্পর্কের বোঝাপড়া ঘটিয়ে তিনি নিজেও আর্থিকভাবে লাভবান হতেন। হায়দার মোড়লের নিজের চালের কল ছিল না কোনোকালে। ছিল না ধান-চাল ও পাট পরিবহনের নৌকাও। নিজের চালের ব্যবসায় না থাকলেও জিরাকাঠি ও মীরের হাটে তিনি বড় কারকারি হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। তার কারবার মানুষে মানুষে সংযোগ ঘটানো পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। কারবারিরা তাকে বিবিসির খবরের মতো ভক্তি করতেও পিছপা হতো না। ফলে যে খবর সকলের কাছে দুষ্প্রাপ্য ছিল সে খবরেরও সূত্র ছিলেন হায়দার মোড়ল। তিনি কারবারিদের মাঝে সমঝোতা করার বেলায় ছিলেন ওস্তাদতুল্য। ধানের দাম উঠতি বলে কলাপাড়ার কারবারি গোলায় ধান আটকে রাখায় অন্য কারবারিদের কল বন্ধ হওয়ার দশা হলে তারা হায়দার মোড়লের দ্বারস্থ হতো। পরে মোড়লের মুন্সিয়ানায় চালু হতো কারবারিদের কল। কারবারিরা খুশি হয়ে মোড়লকে নিজেদের তহবিল উজাড় করে অর্থ দিয়ে যেতো। ভরা মৌসুমে যেন দর নেমে না যায়—ধানের কারবারিদের সেই স্বার্থও সংরক্ষণ করতেন মোড়ল। তখনও ধান ও চাল উভয়ের কারবারিদের নিয়ে তিনি আপস-মীমাংসা করে বাজার নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিতেন। ফলে নিজের কোনো কল না থাকলেও মোড়ল ছিলেন কারবারিদের কারবারি। তিনি যেমন বিনিময় ঘটিয়ে দেবার ওস্তাদ তেমনি ছিলেন নিয়ন্ত্রকদেরও নিয়ন্তা।      

 

বৃষ্টি প্রেম ও কামের কাল বলে বৃষ্টির হাত ধরে বিষণ্নতা এসে মানব মনে ভর করে। নদীর বুকে রূপালী প্রতি ফোঁটা বৃষ্টি ঘাতক বুলেট হয়ে বিদ্ধ করে প্রেমিকের হৃদয়। বৃষ্টির ফোঁটা যত বড় হয় পৃথিবীর উত্তাপ তত কমলেও প্রেমিক মনের আকুলতা ধূমায়িত হয় দ্বিগুণ গতিতে। নুরুর মনে বিচ্ছেদের সুর বেজে ওঠে—

 

নাওয়ের লগে নাও বান্ধিলাম—মনের লগে মন,

জলের তোড়ে ভাসায় দিলাম পিরিতির বন্ধন

অথৈ গাঙে নাও বান্ধিলাম—মনের লগে মন,

কীসের আশায় চাইয়া রইছে কৃষ্ণ সবুজ বন

 

আসমান ফাটা বৃষ্টি ফোঁটায় ভিজলো কলমিলতা

বানের স্রোতে ভাসায় নিলো মাঝির মনোব্যথা

 

জীবনকালে হুনলোনা কেউ অবুঝ মনের কথা

মরণকালে কাইন্দা ঝরাও হাজার বিরিক্ষের পাতা।

 

অথৈ গাঙে নাও বান্ধিলাম—মনের লগে মন—

 

বিষ্ণু বিরহে নুরু মাঝির দম বন্ধ হওয়ার জোগাড়। সে যা বলতে চায় তা কাউকে বলতে পারলো না। ভিতরে ভিতরে দগ্ধ রোগির মতো কাতর হয়ে যেন এক ফোঁটা পানির আশায় চেয়ে রইলো। নুরুর আশা বিষ্ণু এসে অন্তত একবার তাকে বলবে—সে যা শুনেছে তার কোনো শক্তপোক্ত ভিত্তি নেই। লোকে যেমন কোনো কিছুকে রটিয়ে রাইকে তাল বানায়—চাতালের সেদিনের ঘটনাও এরচেয়ে বেশি কিছু নয়। নুরু একজন শ্রমিক শ্রেণির পরিশ্রমী মানুষ। লোকের কাছে তার নিজের না আছে সামাজিক মর্যাদা না আছে অর্থ। আর তার এই প্রেম তো আরো দূরের বিষয়। সমাজের চোখে এসবের দুই আনার মূল্য আছে! কে জানে। গ্রাম যদি জানতে পারে নুরু ও বিষ্ণ—উভয়ের কপালে তা দুর্ভোগ ডেকে আনবে। সেসব কিছু জেনেও নুরু নির্বিকার। তবু নুরু নিজের হৃদয়ের চাওয়াকেই বড় করে দেখে। একটা প্রেমোপাখ্যান মানুষ-সমাজ ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কাছে তা যতই বেমানান ঠেকুক—শেষ পর্যন্ত তা প্রেম। মন কবে নিয়ম ও বাঁধনের কবলে বন্দিত্ব নিয়েছে—নেয়নি কোনোদিন।  

কোনো প্রাণ যখন বিশেষ কোনো প্রাণের জন্য তরাস হয় তখন সম্ভবত উভয় প্রাণে তার সুর বেজে ওঠে। এক প্রাণের উত্তাপ অন্য প্রান্তে পৌঁছে যায়। দিলীপের বৌ বিষ্ণু সম্ভবত নুরু মাঝির প্রেমের উত্তাপ অনুমান করতে পেরেছে। মোবারেক মোল্লার চাতালের কাজ সেরে শেষ বিকেলে বাড়ির পথ ধরতে সে নুরুর শরণ নিলো। বিষ্ণুকে নৌকায় উঠতে দেখেই নুরুর পরাণের ক্ষত অর্ধেক শুষ্ক হয়ে গেলো। জনমানবহীন নদীতে নুরু যেন এতক্ষণ তার জন্যই নাও সাজিয়েছে। বিষ্ণুকে নিশ্চুপ বসে থাকতে দেখে সে বলল—যতদিন দিলীপ আছিল ততদিন তোমারে এই কঠিন কামে নামতে অয় নাই। নুরু কথায় উভয়ের মাঝে নীরবতা ভাঙলে বিষ্ণু বলল, এত কঠিন কি কাম আমি করি। নুরু বলল, দিলীপ থাকতে আগে তো মাটির জিনিসপাতি বানাইয়া আয় অইতো। ভালো গেছিল তোমাগো দিন। দিলীপের বৌ এবার হতাশার সুরে বলে—যে দিন গ্যাছে হেই দিনের কতা কও ক্যান, যে মানুষ গ্যাছে তার নাম এত মুহে লও ক্যান। বিষ্ণু তার স্বাচ্ছন্দ্যের দিন কেবল ভুলে থাকতে চায়। সে কি তবে মায়ার শিকলও ছিঁড়তে চায়। বিষ্ণু আর নুরু মাঝির আলাপে কোনোভাবে মোবারেক মোল্লার চাতালের প্রসঙ্গ আসে না। তবু যেন একদফা কথা বিনিময়ে নুরুর ব্যথাটুকু ঘুঁচে গেছে। বিষ্ণু নাও থেকে নামার সময় নুরু শুধু বলে, ক্যান যে তুমি আর দিলীপ ওসব করতে গেলা। কিসব খামখেয়ালি। নৌকা থেকে নেমে বিষ্ণু একবার পিছনে ঘুরে তাকাল শুধু। ভয়াল চোখে নুরুর দিকে তাকিয়ে বলল, ভালো থাকো মাঝি। বিষ্ণুকে রুদ্র মূর্তিতে দেখে নুরুর সারাদিনের প্রেমতৃষ্ণা নিমিষে উবে গেলো আজ। 

চলবে

/জেড-এস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
সংকট থেকে উত্তরণে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান মেননের
সংকট থেকে উত্তরণে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান মেননের
কানে ঝুলছে বাংলাদেশের দুল!
কান উৎসব ২০২৪কানে ঝুলছে বাংলাদেশের দুল!
ধোনি-জাদেজার লড়াই ছাপিয়ে প্লে অফে বেঙ্গালুরু
ধোনি-জাদেজার লড়াই ছাপিয়ে প্লে অফে বেঙ্গালুরু
হীরকজয়ন্তীর পর সংগঠনে মনোযোগ দেবে আ.লীগ
হীরকজয়ন্তীর পর সংগঠনে মনোযোগ দেবে আ.লীগ
সর্বাধিক পঠিত
মামুনুল হক ডিবিতে
মামুনুল হক ডিবিতে
৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের
৩০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি তৃতীয় শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের
আমেরিকা যাচ্ছেন ৩০ ব্যাংকের এমডি
আমেরিকা যাচ্ছেন ৩০ ব্যাংকের এমডি
নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভালো সড়ক কেটে ২ বছর ধরে খাল বানিয়ে রেখেছে
নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভালো সড়ক কেটে ২ বছর ধরে খাল বানিয়ে রেখেছে
গরমে সুস্থ থাকতে কোন কোন পানীয় খাবেন? ইলেক্ট্রোলাইট পানীয় কখন জরুরি?
গরমে সুস্থ থাকতে কোন কোন পানীয় খাবেন? ইলেক্ট্রোলাইট পানীয় কখন জরুরি?