X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আছে বিধি, মানাবে কে?

আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:০০

অপচনশীল প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কঠোর হচ্ছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়। এজন্য কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিধিমালাও হয়েছে। কিন্তু বিধি বাস্তবায়নের দায়িত্ব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভার।

এক মন্ত্রণালয়ের বিধি আরেক মন্ত্রণালয়কে প্রতিপালন করতে হবে বলে এই উদ্যোগ কাজে আসবে কিনা তা নিয়ে শুরুতেই দেখা দিচ্ছে প্রশ্ন।

কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০২১-এ বলা হয়েছে, জাতীয় সমন্বয় কমিটির সঙ্গে পরামর্শ করে, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের জন্য স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষের মধ্যে প্রশংসনীয় বা অনুকরণীয় কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার পদক্ষেপ নেবে সরকার।

সম্প্রতি জারি করা বিধিতে বলা হয়েছে ড্রেনে কঠিন বর্জ্য ফেললে দুই বছরের কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

কিন্তু শাস্তি দিয়ে না-কি সচেতন করে দূষণ বন্ধ করতে হবে, তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আবার সারা দেশের জনসংখ্যা ও ড্রেনের হিসাব যদি করা হয় তবে এখানে কাউকে সত্যিকারভাবে আইনের আওতায় আনা সম্ভব কি না তা নিয়েও দ্বিধায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানতে চাইলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় অতিরিক্ত সচিব কেয়া খান বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য শাস্তি দেওয়া নয়, মানুষকে সচেতন করা; যাতে তারা যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলে।

তিনি বলেন, মূলত এসব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব স্থানীয় সরকার বিভাগের।

বিধিতে বলা হয়েছে—দোকান, রেস্তোরাঁ, হোটেল, মার্কেট, কমিউনিটি সেন্টার ও অন্যান্য আবাসিক, বাণিজ্যিক বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিদিনের ময়লা-আবর্জনা জমা করে নির্ধারিত জায়গায় ফেলার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। বর্জ্য রাস্তায় বা ড্রেনে নিক্ষেপ না করা বা না পোড়ানো এবং বর্জ্য নিক্ষেপের জন্য প্লাস্টিকজাত ব্যাগের ব্যবহার রোধ করা এবং জৈব পচনশীল ব্যাগ বা মোড়ক ব্যবহার করার বিষয়ও বলা হয়েছে।

ঘরবাড়ির ঝুঁকিপূর্ণ কঠিন বর্জ্যের যে তালিকা দেওয়া হয়েছে তাতে আছে—স্যানিটারি ন্যাপকিন, ডায়াপার, গজ ব্যান্ডেজ, এয়ার ফ্রেশনারসহ অ্যারোসলের ক্যান, মোবাইলের পুরনো ব্যাটারি এবং অন্যান্য ব্যাটারি, ব্লিচ এবং পরিষ্কারের এজেন্ট, গাড়ির ব্যাটারি, তেল ফিল্টার, গাড়িতে ব্যবহার্য পণ্য, রাসায়নিক জাতীয় প্রসাধনী, কীটনাশক এবং কীটনাশক ধারক। এ ছাড়াও আছে বাতি, অব্যবহৃত বা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, পেইন্টস, তেল, লুব্রিকেন্টস, আঠা, পলিসার ধারক, থিনার, আগাছানাশক এবং ধারক, গ্যাস লাইটার এবং রিফিল পাত্র, এলপিজি পাত্র, নতুন সরঞ্জাম হতে প্রাপ্ত স্টাইরোফোম এবং নরম ফোম প্যাকেজিং পণ্য, থার্মোমিটার, সিরিঞ্জ, হ্যান্ড গ্লাভস, মাস্ক, গাউন, গগলস, ফেইস শিল্ড, টুথপেস্ট বা শেভিং ক্রিম বা অ্যান্টিসেপটিক-এর ধারক, নষ্ট টর্চলাইট।

/এসএনএস/এফএ/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চলচ্চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চলচ্চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষের সাক্ষাৎ
পাঞ্জাবকে হারিয়ে প্লে-অফের আশায় দিল্লি
আইপিএলপাঞ্জাবকে হারিয়ে প্লে-অফের আশায় দিল্লি
৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু
৪ ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু
এশিয়ান কাপ ফুটবল: ছিটকে গেলেন বাংলাদেশ গোলকিপার
এশিয়ান কাপ ফুটবল: ছিটকে গেলেন বাংলাদেশ গোলকিপার
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা কখন জাগবে-ঘুমাবে, নির্দিষ্ট করতে হবে: তাপস
মেয়র তাপসের ২ বছরঢাকা কখন জাগবে-ঘুমাবে, নির্দিষ্ট করতে হবে: তাপস
রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে কেউ যেন নাশকতা করতে না পারে: ডিএমপি কমিশনার
রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে কেউ যেন নাশকতা করতে না পারে: ডিএমপি কমিশনার