X
শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
২০ মাঘ ১৪২৯

জেলে থাকাকালে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয় রনবীর, দাবি র‌্যাবের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৪ জানুয়ারি ২০২৩, ২০:৪৭আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৩, ২১:২৬

মাসুকুর রহমান ওরফে রনবীর ওরফে মাসুদ ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র অন্যতম শুরা সদস্য ও সামরিক শাখার প্রধান। ডাকাতির এক মামলায় গ্রেফতারের পর কারাগারে থাকাকালে জঙ্গিদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়, পরে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং একপর্যায়ে জেএমবির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয় রনবীর। ডাকাতি মামলায় জেল থেকে বের হয়ে বিভিন্ন সময়ে কারাগারে থাকা জেএমবি সদস্য ও তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে সে। ২০১৭ সালে জামাতুল আনসারের শুরা সদস্য এবং অর্থ ও মিডিয়া শাখার প্রধান রাকিবের সঙ্গে পরিচয় সূত্রে সে জামাতুল আনসারে যোগ দেয়।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইয়াহিয়া গার্ডেনের গহিন বনাঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় র‌্যাব সদর দফতরের গোয়েন্দা শাখা, র‌্যাব-২, র‌্যাব-৩ এবং র‌্যাব-১৫-এর যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয় রনবীর ও তার এক সহযোগীকে।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) কাওরান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব সদর দফতরের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এসব তথ্য জানান।

নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র শুরা সদস্য ও সামরিক শাখার প্রধান মাসুকুর রহমান ওরফে রনবীর ওরফে মাসুদ ও তার সহযোগী বোমা বিশেষজ্ঞ বাশারকে কক্সবাজার থেকে গ্রেফতারের পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসব তথ্য জানায় র‌্যাব। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, একনলা বন্দুক, মোবাইল ফোন, নগদ ২ লাখ ৫৭ হাজার ২৬০ টাকা জব্দ করা হয়। এছাড়া পার্বত্য অঞ্চলে সামরিক প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও কন্টেন্ট উদ্ধার করা হয়।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘গত ২৩ আগস্ট কুমিল্লা সদর এলাকা থেকে আট তরুণ নিখোঁজ হয়। পরে ২৫ আগস্ট নিখোঁজদের পরিবার কুমিল্লার কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। র‌্যাব আট তরুণের মধ্যে পালিয়ে আসা নিলয়কে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পায় এবং নিলয়কে ডি-র‌্যাডিক্যালাইজেশন সেলের মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। সেই নিলয়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ৫ অক্টোবর কুমিল্লা থেকে নিখোঁজ হওয়া রিফাতসহ নতুন জঙ্গি সংগঠনের সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে এই নতুন জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।’

কমান্ডার মঈন বলেন, ‘র‌্যাব ফোর্সেস গোয়েন্দা শাখা এবং র‌্যাবের বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন কুমিল্লা থেকে নিখোঁজ আট তরুণের মধ্যে চার জনসহ নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র ৩৮ নেতা ও সক্রিয় সদস্যকে হেফাজতে নেয়। এছাড়া ২০২১ সাল থেকে এই জঙ্গি সংগঠনকে সহায়তা প্রদান এবং সামরিক প্রশিক্ষণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অপরাধে পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কেএনএফ’র ১৪ জন নেতা ও সদস্যকে গ্রেফতার করে।’

র‌্যাব বলছে, জামাতুল আনসারের আমির হচ্ছে আনিসুর রহমান ওরফে মাহমুদ। তার নেতৃত্বে উগ্রবাদী সংগঠনটি পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়াও উগ্রবাদী এই সংগঠনের ছয় জন শুরা সদস্য রয়েছে। যারা দাওয়াতি, সামরিক, অর্থ, মিডিয়া ও উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছে। এদের মধ্যে দাওয়াতি শাখার প্রধান আবদুল্লাহ মাইমুন, সামরিক শাখার প্রধান গ্রেফতার মাসুকুর রহমান রনবীর, সামরিক শাখার দ্বিতীয় ব্যক্তি ইতোপূর্বে গ্রেফতার মারুফ আহমেদ, অর্থ ও গণমাধ্যম শাখার প্রধান মোশারফ হোসেন ওরফে রাকিব, প্রধান উপদেষ্টা ও প্রশিক্ষণের সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক শামীম মাহফুজ এবং ভোলার শায়েখ আলেম বিভাগের প্রধান হিসেবে সংগঠনটিতে দায়িত্ব পালন করে আসছে।

এই নতুন জঙ্গি সংগঠনের ৫৫ জন সদস্যকে পাহাড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন কেএনএ’র প্রধান নাথান বম, সামরিক কমান্ডার কথিত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ভাংচুং লিয়ান বম এবং অপর আরেক নেতা মিডিয়া শাখা প্রধান কথিত লে. কর্নেল লালজং মুই ওরফে মাওয়াইয়া। এছাড়া কথিত লে. কর্নেল লাল মুন ঠিয়াল ওরফে চির চির ময়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পার্বত্য চট্টগ্রামে আশ্রয় দিয়ে সংগঠনের সদস্যদের সামরিক প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে।

ডাকাত থেকে জঙ্গি হয়ে ওঠা রনবীর

মাসুকুর রহমান রনবীর সম্পর্কে কমান্ডার মঈন বলেন, ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র অন্যতম শুরা সদস্য ও সামরিক শাখার প্রধান মাসুকুর রহমান রনবীর। সে ২০০৭ সালের আগে পোস্ট অফিসে চাকরি করতো। পরে ডাকাতির এক মামলায় গ্রেফতারের পর কারাগারে থাকাকালে জঙ্গিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং জেএমবির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়। জেল থেকে বের হওয়ার পর সে বিভিন্ন সময়ে কারাগারে থাকা জেএমবি সদস্য ও তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। ২০১৭ সালে জামাতুল আনসারের শুরা সদস্য এবং অর্থ ও মিডিয়া শাখার প্রধান রাকিবের সঙ্গে পরিচয় হয়। সে প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে জামাতুল আনসারে যোগদান করে।

রনবীর সিলেট অঞ্চলে সংগঠনের দাওয়াতি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমসহ সামরিক শাখার সদস্য নির্বাচন কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করতো। সংগঠনের সামরিক শাখার বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সে সংগঠনের আমিরের নির্দেশনায় কুমিল্লার পদুয়ার বাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি শুরা কমিটির মিটিংয়ের আয়োজন করে। এসব সভায় সংগঠনের সামরিক শাখার কার্যক্রমসহ বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়াও ২০২১ সালে পাহাড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রশিক্ষণ সেন্টারের সঙ্গে ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র চুক্তিপত্র সই বৈঠকে রনবীরসহ  শুরা সদস্যরা উপস্থিত ছিল। ওই বৈঠকে রনবীর পাহাড়ে সামরিক প্রশিক্ষণের রূপরেখা নির্ধারণ করে।

র‌্যাব আরও জানায়, ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে সিলেট থেকে ৪ তরুণের নিখোঁজের ঘটনায় রনবীর জড়িত ছিল। বিভিন্ন প্রশিক্ষণ শেষে নিখোঁজ ওই চার তরুণকে সে সামরিক শাখায় নিযুক্ত করে। প্রায় ১ বছর আগে সে সংগঠনের সামরিক শাখা প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করে। তার সামরিক কার্যক্রমের দুটি শাখা ছিল, যার একটি পাহাড়ে এবং অপরটি সমতলে। সমতলে সামরিক শাখার কার্যক্রম তার নেতৃত্বে পরিচালিত হতো। সে দেশব্যাপী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সদস্যদের সামরিক সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ ও সামরিক শাখার সদস্য নির্বাচন কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করতো। তার নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে পাহাড়ে সামরিক শাখার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অপর একজন সদস্যকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। তার নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণের জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ ক্রয় করা হতো। সে বিভিন্ন সময়ে প্রশিক্ষণ প্রদান ও তদারকির জন্য পার্বত্য অঞ্চলে যেতো। পাহাড়ে র‌্যাবের অভিযান শুরু হলে সে সিলেট, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আত্মগোপন করে এবং কিছু দিন পূর্বে আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয়।

জঙ্গি হয়ে ওঠা কে এই আবুল বাশার

আবুল বাশার মৃধা ওরফে আলম চট্টগ্রামের হাটহাজারীর একটি মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা শেষে মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতো। তার সাংগঠনিক নাম আলম। নিখোঁজ ৫৫ জনের তালিকায় আবুল বাশারের নাম রয়েছে। সে দীর্ঘদিন নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হুজির সঙ্গে জড়িত ছিল। হুজি সংগঠনে থাকাকালীন ঝালকাঠির নলছিটিতে নাশকতার মামলায় ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন বছর কারাভোগ করে। ২০১৬-১৭ সালের দিকে জামাতুল আনসারের আমির মাহমুদের মাধ্যমে জামাতুল আনসারে যোগ দেয়।

পাহাড়ে প্রশিক্ষণের জন্য ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে গৃহত্যাগ করে বাশার এবং ২ মাস সমতলের বিভিন্ন জায়গায় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। পরবর্তীকালে সে রনবীর ও রাকিবের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য পার্বত্য অঞ্চলে যায়। সে আইইডিসহ বিভিন্ন ধরনের বোমা তৈরিতে দক্ষ। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কাছ থেকে বোমা তৈরির বিষয়ে বেশ কয়েকটি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। জামাতুল আনসারের পাহাড়ে প্রশিক্ষণার্থীদের বিভিন্ন ধরনের বোমা তৈরি বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিতো। বয়সে বড় হওয়ার কারণে পাহাড়ে প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত নীতিনির্ধারণী বৈঠকে যেকোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতো। পাহাড়ে র‌্যাবের অভিযান শুরু হলে সে ৫৫ জনের দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পালিয়ে সিলেটে যায়। সে সামরিক শাখার প্রধান রনবীরের সঙ্গে সিলেট, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে।

র‌্যাবকে যা বলেছে রনবীর

রনবীর জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে জানিয়েছে, কারাগারে গিয়ে সে নতুন জঙ্গি সংগঠনে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। এর আগেও অনেকে কারাগারে গিয়ে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। কারাগার কি তবে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধকরণের নিরাপদ জায়গা? এখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনও নজরদারি রয়েছে কিনা জানতে চাইলে কমান্ডার মঈন  জানান, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও কারা কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। রনবীর জিজ্ঞাসাবাদে কারাগারে থাকাকালেই জামাতুল আনসারে উদ্বুদ্ধ হবার কথা বলেছে। এরকম অনেকেই উদ্বুদ্ধ হয়েছে। ২০০৫-২০০৬ সালের দিকে এটি বেশি হয়েছে। নতুন করে কারাগারে যাতে এই সুযোগ তৈরি না হয়, সেজন্য কারা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে ‍র‍্যাবের মুখপাত্র বলেন, ২০১৭ সাল থেকে নতুন এই জঙ্গি সংগঠন শুরু হলেও ২০২১ সাল থেকে এরা পুরোপুরি কাজ শুরু করে। এদের কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ হয়ে অর্ধশতাধিক মানুষ পাহাড়ে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। এই সংগঠনের ৪০ জনের অধিক মানুষ এখনও আত্মগোপনে রয়েছে। এর আগে র‍্যাব থেকে ৫৫ জনের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে। অনেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে সমতলে ফিরেছে। শুরা সদস্য রনবীরের কাছ থেকে একটি ভিডিও পাওয়া গেছে। সেই ভিডিও নিজেদের মধ্যে প্রচার করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। নতুন কর্মীদের প্রশিক্ষণে উদ্বুদ্ধ করার জন্য এই ভিডিও তৈরি করা হচ্ছিল। প্রশিক্ষণে অস্ত্রগুলো আনা হতো অর্থের বিনিময়ে।

কেএনএফর প্রধান নাথান বম সম্পর্কে যা জানালো র‌্যা

পাহাড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফ প্রধান নাথান বম কোথায় জানতে চাইলে কমান্ডার মঈন বলেন, ‘রনবীর জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, গত সেপ্টেম্বরের পর থেকে নাথান বমের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। জামায়াতুল আনসারের আমিরের সন্ধান ও আইনের আওতায় আনা সম্ভব হলে নাথান বম সম্পর্কে জানা যাবে।’

/এএইচ/এপিএইচ/এমওএফ/
সর্বশেষ খবর
৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, ৮ ঘণ্টা পর মিললো লাশ
৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, ৮ ঘণ্টা পর মিললো লাশ
হাজারীবাগে ট্রাকের ধাক্কায় সিএনজিচালক নিহত
হাজারীবাগে ট্রাকের ধাক্কায় সিএনজিচালক নিহত
‘বিএনপির দাবি ভিত্তিহীন, উপনির্বাচনে ২৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে’
‘বিএনপির দাবি ভিত্তিহীন, উপনির্বাচনে ২৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে’
বই পেতে দেরি হলে ওয়েবসাইট থেকে পড়ানোর পরামর্শ শিক্ষামন্ত্রীর
বই পেতে দেরি হলে ওয়েবসাইট থেকে পড়ানোর পরামর্শ শিক্ষামন্ত্রীর
সর্বাধিক পঠিত
টিকিট কাটতে বলায় সন্তানকে বিমানবন্দরে রেখেই চলে যান দম্পতি!
টিকিট কাটতে বলায় সন্তানকে বিমানবন্দরে রেখেই চলে যান দম্পতি!
পিন নম্বর ছাড়াই সব কার্ডে লেনদেনের সুযোগ
পিন নম্বর ছাড়াই সব কার্ডে লেনদেনের সুযোগ
নির্বাচন অফিসে গিয়ে আপ্যায়ন চাইলেন হিরো আলম, পেলেন মিষ্টি
নির্বাচন অফিসে গিয়ে আপ্যায়ন চাইলেন হিরো আলম, পেলেন মিষ্টি
হিরো আলমের এত ভোট পাওয়া নিয়ে যা বলছেন আ.লীগ-বিএনপির নেতারা
হিরো আলমের এত ভোট পাওয়া নিয়ে যা বলছেন আ.লীগ-বিএনপির নেতারা
ইউক্রেনকে সতর্ক করলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ইউক্রেনকে সতর্ক করলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন